আন্তর্জাতিক

কান্দাহারের আকাশে পাক যুদ্ধবিমানের টহল, ধ্বংস বহু সামরিক স্থাপনা

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে তালেবানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (পিএএফ) ভয়াবহ বিমান হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

 

হামলার পর থেকে আফগানিস্তানের কান্দাহারসহ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানগুলোকে টহল দিতে দেখা গেছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পিটিভি নিউজ এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা সূত্র এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।


পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, ‘অপারেশন গাজব লিল-হক’-এর আওতায় কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৩৩ জন তালেবান সদস্য নিহত এবং দুই শতাধিক আহত হয়েছেন। তবে হতাহতের এই সংখ্যা কোনো স্বাধীন মাধ্যম থেকে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।


ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ ও বর্তমান পরিস্থিতি:

 

পাক মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যমতে, এই হামলায় তালেবানের বিপুল পরিমাণ সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

 

২৭টি চেকপোস্ট সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং ৯টি পোস্টের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ।

 

২টি কর্পস সদর দপ্তর ও ৩টি ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংস।

 

বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ডিপো, লজিস্টিক ঘাঁটি এবং ৩টি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দেওয়া।

 

প্রায় ৮০টিরও বেশি ট্যাংক, আর্টিলারি গান এবং সাঁজোয়া যান ধ্বংস করার দাবি করেছে পাকিস্তান।


নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, যেকোনো ধরনের পাল্টা আক্রমণ মোকাবিলায় পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। এই বিমান হামলার পর দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ডুরান্ড লাইনে যুদ্ধাবস্থা
আফগানিস্তানে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান: ২২৮ আফগানি নিহত

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত উত্তেজনা এখন এক ভয়াবহ যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। শুক্রবার ভোরে তালেবান বাহিনীর বড় ধরনের আক্রমণের জবাবে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান বিমানবাহিনী। ডুরান্ড লাইন বরাবর শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে দুই দেশই একে অপরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির দাবি করেছে। তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এই অভিযানকে পাকিস্তানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘বড় ধরনের আক্রমণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।   পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত ২২৮ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং ৩১৪ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া তালেবানের ৭৪টি নিরাপত্তা চৌকি ধ্বংস এবং ১৮টি দখল করার দাবি করেছে ইসলামাবাদ। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে আফগানিস্তান পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ, সোয়াবি এবং নওশেরা শহরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যদিও পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, ড্রোন হামলায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি, তবে সীমান্ত এলাকায় অন্তত ২৭ জন পাকিস্তানি নাগরিক আহত হয়েছেন। বর্তমানে লান্ডি কোতাল সীমান্ত এলাকায় ভারী কামান ও বিমান হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।   এই সংকটের মধ্যে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল পাকিস্তানের এই বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি একে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা আড়ালের চেষ্টা হিসেবে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক বেসামরিক মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সামরিক শক্তির পরিবর্তে রাজনৈতিক সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। পাকিস্তানের সাবেক অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইলও এক বিবৃতিতে তালেবানদের সহিংসতা বন্ধের অনুরোধ জানিয়ে নিরপরাধ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। পুরো অঞ্চলে এখন এক অস্থিতিশীল ও চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

কান্দাহারের আকাশে পাক যুদ্ধবিমানের টহল, ধ্বংস বহু সামরিক স্থাপনা

হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা

আন্তর্জাতিক থিঙ্কট্যাংক দাবি: পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের শীর্ষ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিহত

ছবি সংগৃহীত।

২০২৫ সালে রেকর্ড ১২৯ সাংবাদিক নিহত

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি
পাকিস্তান-আফগানিস্তান দ্বন্দ্বে মধ্যস্থতার প্রস্তাব ইরানের

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং সুপ্রতিবেশী হিসেবে শান্তিতে থাকতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে ইরান। দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা ও ক্রমবর্ধমান মতপার্থক্য নিরসনে এবার সরাসরি ‘সংলাপ সহজতর’ করার বা মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে আলোচনার টেবিলে দেখতে চায় তেহরান। দুই দেশ যাতে “ভালো প্রতিবেশীর মতো সম্পর্ক” বজায় রাখে, সে বিষয়ে জোর দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য যে, গত কয়েক মাস ধরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে টানাপোড়েন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় ইরানের এই মধ্যস্থতার প্রস্তাবকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এর আগেও বিভিন্ন সময় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার সদিচ্ছা প্রকাশ করেছিল ইরান। তেহরানের এই উদ্যোগ দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির নতুন পথ খুলতে পারে কিনা, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ওআইসির সচিবালয়ে বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিন ইস্যুতে ওআইসি নেতাদের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনা

ছবি: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু । এক্স থেকে নেওয়া

দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ইসরায়েল ও নেতানিয়াহুকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানালেন মোদি

পাকিস্তানের হামলায় নিহতদের মরদেহ কফিন

পাকিস্তানের ‘যুদ্ধ ঘোষণা’, আফগানিস্তানজুড়ে অতর্কিত হামলা

বেলুচিস্তানে তল্লাশি অভিযানে নিহত ১০, ‘ভারত-সমর্থনের’ অভিযোগ
বেলুচিস্তানে তল্লাশি অভিযানে নিহত ১০, ‘ভারত-সমর্থনের’ অভিযোগ

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের ঝোব জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১০ জন ‘ভারত-সমর্থিত’ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী।   বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় পাকিস্তানের সামরিক গণমাধ্যম শাখা Inter-Services Public Relations (আইএসপিআর)। খবর প্রকাশ করেছে Geo News।   আইএসপিআর জানায়, ২৪ ফেব্রুয়ারি ঝোব জেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এক অভিযানে (আইবিও) আটজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করার পরদিন সেখানে আরও বিস্তৃত তল্লাশি শুরু হয়। অভিযানটির লক্ষ্য ছিল ভারতীয় মদদপুষ্ট বলে দাবি করা গোষ্ঠী ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের খুঁজে বের করা।   বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন রুটে তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজনদের অবস্থান শনাক্ত করে এবং তাদের আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে। পরবর্তী গোলাগুলিতে আরও ১০ জন নিহত হয় বলে দাবি করা হয়েছে।   নিহতদের কাছ থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানায় আইএসপিআর। তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।   এছাড়া সংস্থাটি জানায়, ঝোব ও আশপাশের এলাকায় অন্য কোনো সন্দেহভাজন সদস্য লুকিয়ে আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ফেডারেল অ্যাপেক্স কমিটির অনুমোদিত ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান এবং ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ ভিশনের আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী তৎপরতা জোরদার করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়, যাতে বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের হুমকি পুরোপুরি মোকাবিলা করা যায়।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ছবি: সংগৃহীত

সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দৃঢ় বার্তা দিলেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী

সীমান্ত উত্তেজনার জেরে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’, নিহত ১৩৩

সীমান্ত উত্তেজনার জেরে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’, নিহত ১৩৩

পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় নিহত ৪৪ আফগান সেনা

0 Comments