বিমান

ছবি: সংগৃহীত
বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরে ইরানি মিসাইলের আঘাতে ৩ বিমান ধ্বংস

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মাঝে এবার ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়ানে আছড়ে পড়ল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ।  বুধবার সকালে ঘটা এই বিস্ফোরণে বিমানবন্দরের রানওয়েতে থাকা অন্তত তিনটি ব্যক্তিগত বিমান (প্রাইভেট জেট) মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসরায়েল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ (IAA) খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করার সময় সেগুলোর জ্বলন্ত অংশ বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গার ও রানওয়ে এলাকায় এসে পড়ে। কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র লিজা দ্ভির জানান, এই পতনের ফলে একটি বিমানে তাৎক্ষণিক আগুন ধরে যায় এবং অন্য দুটি বিমান আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়। টাইমস অফ ইসরায়েল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে হামলার পর থেকে বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং সামরিক বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানি কর্মকর্তাদের ওপর ইসরায়েলি হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান এই বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। যদিও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (IDF) অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করার দাবি করেছে, তবুও খোদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।  বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ইসরায়েলে বিমান চলাচল বর্তমানে অনেকটাই সীমিত রাখা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরাকে মার্কিন জ্বালানি বিমান বিধ্বস্ত: ৬ ক্রু সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু

ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান (KC-135 Stratotanker) বিধ্বস্ত হয়ে বিমানে থাকা সকল ক্রু সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এক শোকাবহ বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, এই দুর্ঘটনায় বিমানের ছয়জন আরোহীর কেউই বেঁচে নেই। প্রাথমিকভাবে চারজন নিহতের খবর জানানো হলেও, সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানটি গতকাল বন্ধুত্বপূর্ণ আকাশসীমায় অবস্থানকালে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যে শত্রুপক্ষের হামলা বা ভুলবশত নিজেদের কোনো গোলাবর্ষণের (friendly fire) প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চলছে।  নিহতদের পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না; সামরিক নিয়ম অনুযায়ী তাদের পরিবারের কাছে সংবাদ পৌঁছানোর ২৪ ঘণ্টা পর নাম-পরিচয় জনসমক্ষে আনা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
৫ যাত্রী নিয়ে ইরাকে মার্কিন সামরিক বিমান বিধ্বস্ত

ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় আকাশে মাঝ-আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী একটি মার্কিন KC-135 স্ট্রাটোট্যাঙ্কার বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে দুর্ঘটনাস্থলে বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সেন্টকম জানায়, মার্কিন সামরিক অভিযান 'অপারেশন এপিক ফিউরি' চলাকালীন এই দুর্ঘটনা ঘটে। অভিযানে অংশ নেওয়া দুটি বিমানের মধ্যে একটি ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে ভূপাতিত হয় এবং অন্যটি ইসরায়েলের বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, বিমানটি কোনো শত্রুভাবাপন্ন বা বন্ধুপ্রতিম পক্ষের হামলায় বিধ্বস্ত হয়নি। তবে বিমানে থাকা অন্তত ৫ থেকে ৬ জন ক্রু সদস্যের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। মার্কিন কর্তৃপক্ষ কারিগরি ত্রুটির দিকে ইঙ্গিত দিলেও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ইরাকি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিমানটি ভূপাতিত হয়েছে এবং এর সকল আরোহী নিহত হয়েছেন। তবে সেন্টকম এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, ঘটনাটি একটি নিরাপদ আকাশসীমায় ঘটেছে। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের পর এটি চতুর্থ মার্কিন বিমান হারানোর ঘটনা। গত সপ্তাহেও কুয়েতি বাহিনীর ভুলে তিনটি মার্কিন F-15E যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং মার্কিন বাহিনী পূর্ণ শক্তি নিয়ে কাজ করছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
জরুরি পরিস্থিতিতে আকাশপথে নিষেধাজ্ঞা জারি ইসরায়েলের
জরুরি পরিস্থিতিতে আকাশপথে নিষেধাজ্ঞা জারি ইসরায়েলের

ইসরায়েল সরাসরি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজেদের আকাশসীমা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।   দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বেসামরিক বিমান চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।   সরকারি বিবৃতিতে সাধারণ নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরে না যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের নিজ নিজ এয়ারলাইনস ও সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে সর্বশেষ তথ্য অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম BBC এ তথ্য জানিয়েছে।   কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আকাশসীমা পুনরায় চালু করা হবে এবং সে ক্ষেত্রে অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া হবে। সম্ভাব্য পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা থেকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর শনিবার সকালে ইরান–এর রাজধানী তেহরান–এ হামলা শুরু হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকায় অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।   এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দেশজুড়ে “বিশেষ ও স্থায়ী জরুরি অবস্থা” জারি করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এটি একটি ‘প্রতিরোধমূলক অভিযান’।   ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে তারা তথ্য পেয়েছে। পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
কান্দাহারের আকাশে পাক যুদ্ধবিমানের টহল, ধ্বংস বহু সামরিক স্থাপনা

আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে তালেবানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (পিএএফ) ভয়াবহ বিমান হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।   হামলার পর থেকে আফগানিস্তানের কান্দাহারসহ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানগুলোকে টহল দিতে দেখা গেছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পিটিভি নিউজ এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা সূত্র এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, ‘অপারেশন গাজব লিল-হক’-এর আওতায় কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৩৩ জন তালেবান সদস্য নিহত এবং দুই শতাধিক আহত হয়েছেন। তবে হতাহতের এই সংখ্যা কোনো স্বাধীন মাধ্যম থেকে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ ও বর্তমান পরিস্থিতি:   পাক মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যমতে, এই হামলায় তালেবানের বিপুল পরিমাণ সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:   ২৭টি চেকপোস্ট সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং ৯টি পোস্টের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ।   ২টি কর্পস সদর দপ্তর ও ৩টি ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংস।   বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ডিপো, লজিস্টিক ঘাঁটি এবং ৩টি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দেওয়া।   প্রায় ৮০টিরও বেশি ট্যাংক, আর্টিলারি গান এবং সাঁজোয়া যান ধ্বংস করার দাবি করেছে পাকিস্তান। নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, যেকোনো ধরনের পাল্টা আক্রমণ মোকাবিলায় পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। এই বিমান হামলার পর দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
জেরাল্ড এডি ব্রাউন জুনিয়র, ছবি: সংগৃহীত
চীনের সেনাকে এফ-৩৫ এর প্রশিক্ষণ দিয়ে গ্রেফতার সাবেক মার্কিন পাইলট

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য পাচার ও শত্রুপক্ষকে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে দেশটির বিমান বাহিনীর সাবেক এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেরাল্ড এডি ব্রাউন জুনিয়র (৬৫) নামের ওই ব্যক্তি এক সময় মার্কিন বিমান বাহিনীর অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের ইনস্ট্রাক্টর বা প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের জেফারসনভিল থেকে তাকে হেফাজতে নেয় মার্কিন কর্তৃপক্ষ। কলম্বিয়া ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি অফিসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ব্রাউনের বিরুদ্ধে 'আর্মস এক্সপোর্ট কন্ট্রোল অ্যাক্ট' লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ারফোর্স (PLAAF)-এর পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছিলেন। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দাবি, ব্রাউন ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চীন সফরে যান এবং চলতি মাসের শুরু পর্যন্ত সেখানে প্রায় দুই বছর অবস্থান করেন। চীনে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই তিনি মার্কিন বিমান বাহিনী সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে তিন ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন এবং পরবর্তীতে চীনা সামরিক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে ব্রিফিং প্রদান করেন। এ বিষয়ে এফবিআই-এর নিউইয়র্ক ফিল্ড অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর জেমস বারনাকল বলেন, "ব্রাউনের এই বিশ্বাসঘাতকতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবেদনশীল সামরিক কৌশলগুলোকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে, যা আমাদের দেশ, সশস্ত্র বাহিনী এবং মিত্রদের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি।" কর্মজীবন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জেরাল্ড ব্রাউন মার্কিন বিমান বাহিনীতে ২৪ বছর সেবা দিয়ে ১৯৯৬ সালে মেজর হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। কর্মজীবনে তিনি এফ-৪ ফ্যান্টম, এফ-১৫ এবং এফ-১৬ এর মতো শক্তিশালী যুদ্ধবিমান চালিয়েছেন। অবসরের পর তিনি দুটি মার্কিন প্রতিরক্ষা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের হয়ে এফ-৩৫ লাইটনিং-২ এবং এ-১০ অ্যাটাক এয়ারক্রাফটের সিমুলেটর প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছিলেন। মার্কিন প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, ব্রাউন একজন সহ-ষড়যন্ত্রকারীর মাধ্যমে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। এই সহ-ষড়যন্ত্রকারী স্টিফেন সু বিন নামের এক চীনা নাগরিকের সংস্পর্শে ছিলেন, যিনি ২০১৬ সালে মার্কিন সামরিক তথ্য চুরির অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। এদিকে, বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। বর্তমানে ব্রাউনের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
মাসিক ১৮১৮ টাকায় আকাশপথে কক্সবাজার ভ্রমণের সুযোগ
মাসিক ১৮১৮ টাকায় আকাশপথে কক্সবাজার ভ্রমণের সুযোগ

বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার কক্সবাজার ভ্রমণে আকর্ষণীয় একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। মাত্র ১,৮১৮ টাকা মাসিক কিস্তিতে দুই রাতের এই ভ্রমণ সুবিধা পাওয়া যাবে। অফারটি আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চালু থাকবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।   এই প্যাকেজটি নিতে হলে অন্তত দুইজনের জন্য বুকিং করতে হবে। প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত সুবিধার মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারে যাওয়া-আসার বিমান টিকিট (সব ধরনের ট্যাক্স ও সারচার্জসহ), হোটেলে থাকা, বিমানবন্দর থেকে হোটেলে যাতায়াত এবং সাহ্‌রি অথবা ইফতারের ব্যবস্থা।   ছয় মাসে কিস্তিতে অর্থ পরিশোধ করা যাবে এবং এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো সার্ভিস চার্জ বা সুদ দিতে হবে না। দেশের শীর্ষ ২৪টি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তির আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে গ্রাহকেরা এ প্যাকেজ কিনতে পারবেন।   ভ্রমণকারীরা কক্সবাজারের ১৫টি হোটেলের মধ্যে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী আবাসন বেছে নিতে পারবেন। নির্বাচিত হোটেলের ধরন ও রুমের মান অনুযায়ী প্যাকেজের মূল্য পরিবর্তিত হবে। তালিকাভুক্ত হোটেলের মধ্যে রয়েছে সি প্যালেস, উইনডি টেরেস, গ্রেস কক্স স্মার্ট হোটেল, হোটেল কল্লোল, নিসর্গ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজ, বেস্ট ওয়েস্টার্ন বে হিল, কক্স টুডে, লং বিচ হোটেল, ওশান প্যারাডাইস, গ্রিন নেচার রিসোর্ট অ্যান্ড সুইট, সীগাল হোটেল, রামাদা, ডেরা রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা এবং সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা।   এ ছাড়া নভোএয়ারের ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম ‘স্মাইলস’-এর সদস্যরা ভ্রমণের মাধ্যমে পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন। নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জমা হলে তারা বিনামূল্যে টিকিটসহ বিভিন্ন সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। অংশীদার বিভিন্ন ব্র্যান্ড থেকেও বিশেষ ছাড় পাওয়া যাবে। নভোএয়ারের ওয়েবসাইটে নিবন্ধনের মাধ্যমে সহজেই স্মাইলস সদস্য হওয়া যায়।   বর্তমানে নভোএয়ার ঢাকা থেকে কক্সবাজার ছাড়াও চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
আইন মেনেই বিমানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছি শেখ বশিরউদ্দীন
আইন মেনেই বিমানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছি: শেখ বশিরউদ্দীন

বাংলাদেশ বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিজের নিয়োগ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ককে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য ও বেসামরিক বিমান পরিবহন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেছেন, তার নিয়োগ সম্পূর্ণভাবে আইনসম্মত এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।   রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বাংলাদেশ বিমানের ইতিহাসে তিনি ২৩তম চেয়ারম্যান এবং তার আগেও মন্ত্রী ও উপদেষ্টারাই এই দায়িত্ব পালন করেছেন। সিভিল এভিয়েশন আইনেও এমন কোনো বিধান নেই যা তার চেয়ারম্যান পদে থাকার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।   সংবাদ সম্মেলনে বিমান উপদেষ্টা দাবি করেন, কাঠামোগত সংস্কারের ফলে বিমানের টিকিটের ভাড়া উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটে প্রতিযোগিতা বাড়ায় ভাড়া প্রায় অর্ধেক পর্যন্ত নেমে এসেছে। বর্তমানে ২০ হাজার টাকায় টিকিট বিক্রির মাধ্যমে বিমান প্রায় ১২০ কোটি টাকা অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করতে পারবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশিত ‘লর্ড অব উইংস’ শিরোনামের প্রতিবেদন নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, হেলিকপ্টারের ডানা নেই—এই মৌলিক বিষয় না জেনেই এমন শিরোনাম দেওয়া হয়েছে। তার ব্যক্তিগত হেলিকপ্টারটি প্রায় ১৪ বছর আগে কেনা এবং সেটি ব্যবহার করে কোনো ধরনের প্রভাব খাটানো হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে নিজের খরচে হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছেন এবং সরকার থেকে কোনো গাড়ি বা বাসভবন নেননি বলেও জানান তিনি।   স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ৩৯ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যেখানে তার পরিবারের দুই সদস্যও অন্তর্ভুক্ত। এতে প্রমাণ হয় যে আইন প্রয়োগে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি।   তিনি আরও জানান, বিমানের পরিচালনা পর্ষদে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে টিকিট বুকিংয়ের অনিয়ম, ডিজিটাল প্রতারণা এবং ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা দূর করা যায়। জিডিএস ব্যবস্থায় অতিরিক্ত ব্যয় কমিয়ে বিমানকে দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।   স্বার্থের সংঘাত সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, বিষয়টি আইন লঙ্ঘনের নয়, বরং নৈতিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ লক্ষ্যে ট্রাভেল এজেন্সির বি-টু-বি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে, টিকিটে মূল্য উল্লেখ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে বিমান লিজ সংক্রান্ত নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Top week

বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?
আমেরিকা

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0