রেমিট্যান্স

ছবি: সংগৃহীত
ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে রেমিট্যান্স, চাঙা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।   বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসারে এই রিজার্ভের পরিমাণ ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলার।   এর আগে, ৩ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৫.৩২ বিলিয়ন ডলার, যা বিপিএম-৬ অনুযায়ী ৩০.৫৮ বিলিয়ন ডলার হিসেবে ধরা হয়েছিল।   কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, চলতি মার্চ মাসের প্রথম ১৪ দিনে প্রবাসীরা ২২০.৪৪ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২৭,০০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)। এই প্রবাহ দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ঈদ উৎসবের আগে স্বস্তি যোগ করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২০, ২০২৬ 0
সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নিহত ৫ বাংলাদেশ
মালদ্বীপে সেহরি রান্নার সময় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: নিহত ৫ বাংলাদেশি

প্রবাসের মাটিতে আবারও ঝরল রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের রক্ত। মালদ্বীপের ধীগুরা আইল্যান্ডে একটি নির্মাণাধীন কোম্পানির লেবার কোয়ার্টারে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচ বাংলাদেশি কর্মী নিহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আরও দুই প্রবাসী হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে সেহরি তৈরির প্রস্তুতির সময় এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন—তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম ও মো. নূরনবী সরকার। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে সেহরি খাওয়ার জন্য রান্না করতে গেলে হঠাৎ বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে লেবার কোয়ার্টারে। সেই সময় কোয়ার্টারের ভেতর মোট ৩৮ জন বাংলাদেশি অবস্থান করছিলেন, যাদের মধ্যে সাতজন সরাসরি আগুনের গ্রাসে পড়েন। বাকিরা অন্য কক্ষে ঘুমিয়ে থাকায় অলৌকিকভাবে রক্ষা পান। স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত রাজধানী মালের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে, যেখানে তাদের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ গভীর শোক প্রকাশ করে জানান, হাইকমিশনের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল বর্তমানে ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। নিহতদের মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একই সাথে আহতদের চিকিৎসার সর্বোচ্চ তদারকি করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সিলিন্ডার বিস্ফোরণে লেবার কোয়ার্টারটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে। পবিত্র রমজানের শুরুতে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে মালদ্বীপে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার- ১১ মার্চ ২০২৬: ডলার ১২৩ টাকার বেশি, কুয়েতি দিনার ৪০০ টাকা ছাড়াল

প্রবাসী আয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাস থেকে দেশে টাকা পাঠানো কিংবা বিদেশি মুদ্রা কেনাবেচার ক্ষেত্রে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময় হার জানা জরুরি।   আজ বুধবার (১১ মার্চ ২০২৬) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যাংক, মোবাইল ওয়ালেট ও ক্যাশ লেনদেনের ক্ষেত্রে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে।   প্রবাস থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠালে বাংলাদেশি টাকায় যে মূল্য পাওয়া যাবে তার ভিত্তিতে নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার আজকের হার তুলে ধরা হলো-   আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার (বাংলাদেশি টাকায়)   মার্কিন ডলার (USD): ১২৩ টাকা ২৬ পয়সা (ব্যাংক) ইউরো (EUR): ১৪৫ টাকা ২১ পয়সা ব্রিটিশ পাউন্ড (GBP): ১৬৫ টাকা ০৬ পয়সা সৌদি রিয়াল (SAR): ৩২ টাকা ৬৪ পয়সা মালয়েশিয়ান রিংগিত (MYR): ৩১ টাকা ১০ পয়সা সিঙ্গাপুর ডলার (SGD): ৯৬ টাকা ৫৯ পয়সা অস্ট্রেলিয়ান ডলার (AUD): ৮৭ টাকা ৪৫ পয়সা নিউজিল্যান্ড ডলার (NZD): ৭২ টাকা ৬৩ পয়সা কানাডিয়ান ডলার (CAD): ৯০ টাকা ৩০ পয়সা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম (AED): ৩৩ টাকা ৩৪ পয়সা কাতারি রিয়াল (QAR): ৩৩ টাকা ৬০ পয়সা ওমানি রিয়াল (OMR): ৩১৭ টাকা বাহরাইনি দিনার (BHD): ৩২৫ টাকা ৭৬ পয়সা কুয়েতি দিনার (KWD): ৪০০ টাকা ২৬ পয়সা সুইস ফ্রাঁ (CHF): ১৫৩ টাকা ৬২ পয়সা জাপানি ইয়েন (JPY): ০.৭৭৫ টাকা দক্ষিণ কোরিয়ান ওন (KRW): ০.০৮২ টাকা ভারতীয় রুপি (INR): ১ টাকা ২৯ পয়সা   বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজার, বৈদেশিক বাণিজ্য, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং ডলারের চাহিদা–জোগানের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করে।   এদিকে সরকার বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহ দিতে ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দিয়ে থাকে। ফলে ব্যাংক বা বৈধ মাধ্যমে টাকা পাঠালে প্রবাসীরা অতিরিক্ত সুবিধা পান। তবে সময় ও লেনদেনের মাধ্যমভেদে প্রকৃত বিনিময় হার কিছুটা কমবেশি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১১, ২০২৬ 0
৭ দিনে দেশে এলো ১৩ হাজার ৪১ কোটি টাকার রেমিট্যান্স
৭ দিনে দেশে এলো ১৩ হাজার ৪১ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

পবিত্র রমজান এবং সামনে আসা ঈদুল ফিতরকে ঘিরে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি মার্চ মাসের প্রথম সাত দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৬ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ হাজার ৪১ কোটি ৮০ লাখ টাকার সমান (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।   রোববার (৮ মার্চ) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করেছে।   কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রবাসী আয় আসার গতি বেশ ভালো ছিল। বিশেষ করে ৫ থেকে ৭ মার্চ এই তিন দিনে দেশে এসেছে প্রায় ৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স।   ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রবাসী আয়ের এই বাড়তি প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।   পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের মার্চ মাসের প্রথম সাত দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স প্রায় ৩৭ দশমিক ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।   এদিকে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ১ হাজার ৯২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৮, ২০২৬ 0
৬ মার্চ ২০২৬: বাংলাদেশি টাকায় বিভিন্ন দেশের মুদ্রার আজকের বিনিময় হার
৬ মার্চ ২০২৬: বাংলাদেশি টাকায় বিভিন্ন দেশের মুদ্রার আজকের বিনিময় হার

আজ শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ (২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ)। দিনের শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার। প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার এই রেট জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর ওপর নির্ভর করে দেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রকৃত মূল্য।   প্রবাস থেকে বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর সময় সাধারণত ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের নির্ধারিত রেটে বাংলাদেশি টাকা পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশে বসে বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় বা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এর মূল্য ভিন্ন হতে পারে। এছাড়া স্থান, সময় ও লেনদেনের পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত রেট কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।   আজকের বৈদেশিক মুদ্রার রেট (বাংলাদেশি টাকায়)   মালয়েশিয়ান রিংগিত: ১ রিংগিত = ৩০ টাকা ৯৬ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ ৩০.৭০, ক্যাশ ৩০.৭০ সৌদি রিয়াল: ১ রিয়াল = ৩২ টাকা ৬২ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ), ক্যাশ ৩২.৪২ মার্কিন ডলার: ১ ডলার = ১২২ টাকা ৯১ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ১২২.৯১, ক্যাশ ১২৩.৭৪ ইউরো (ইউরোপ): ১ ইউরো = ১৪৪ টাকা ০৮ পয়সা (ব্যাংক/মোবাইল ওয়ালেট/ক্যাশ) ইউরো (ইতালি): ১ ইউরো = ১৪৪ টাকা ০৮ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ১৪০.৬৯, ক্যাশ ১৪৪.২৫ ব্রিটিশ পাউন্ড: ১ পাউন্ড = ১৬৩ টাকা ০৭ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ১৫৯.৯৯, ক্যাশ ১৬৩.৪২ সিঙ্গাপুর ডলার: ১ ডলার = ৯৬ টাকা ২৬ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ৯৬.২৭, ক্যাশ ৯৫.১০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ১ ডলার = ৮৫ টাকা ৯৫ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ৮৫.৮৮, ক্যাশ ৮৪.৯৬ নিউজিল্যান্ড ডলার: ১ ডলার = ৭২ টাকা ২৪ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ ৭১.৮৩, ক্যাশ ৬৮.৬৭ কানাডিয়ান ডলার: ১ ডলার = ৮৯ টাকা ৪৩ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ৮৮.৮৮, ক্যাশ ৮৯.৩৯ ইউএই দিরহাম: ১ দিরহাম = ৩৩ টাকা ৩০ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ/ক্যাশ) ওমানি রিয়াল: ১ রিয়াল = ৩১৭ টাকা (ব্যাংক/বিকাশ/ক্যাশ) বাহরাইন দিনার: ১ দিনার = ৩২৪ টাকা ৫৬ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ), ক্যাশ ৩২৩.৬৯ কাতারি রিয়াল: ১ রিয়াল = ৩৩ টাকা ৬০ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ/ক্যাশ) কুয়েতি দিনার: ১ দিনার = ৩৯৯ টাকা ১৯ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ), ক্যাশ ৩৯৫.৫০ সুইস ফ্রাঁ: ১ ফ্রাঁ = ১৫২ টাকা ৫৪ পয়সা (ব্যাংক), বিকাশ/নগদ ১৫২.০২, ক্যাশ ১৫৩.৭১ দক্ষিণ আফ্রিকান র্যান্ড: ১ র্যান্ড = ৭ টাকা ৩৭ পয়সা (ব্যাংক) জাপানি ইয়েন: ১ ইয়েন = ০.৭৭৭ টাকা (ব্যাংক/বিকাশ/ক্যাশ) দক্ষিণ কোরিয়ান ওন: ১ ওন = ০.০৮২৩৯৯৮৬ টাকা (ব্যাংক), বিকাশ/ক্যাশ ০.০৮১৯০৩৩৩ ভারতীয় রুপি: ১ রুপি = ১ টাকা ৩০ পয়সা (ব্যাংক/বিকাশ/ক্যাশ)   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারসহ বিভিন্ন মুদ্রার ওঠানামার কারণে যেকোনো সময় এই বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে। তাই প্রবাস থেকে টাকা পাঠানোর আগে সর্বশেষ রেট জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।   এদিকে সরকার বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহ দিতে বিশেষ প্রণোদনা চালু রেখেছে। বর্তমানে ব্যাংক বা অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠালে প্রেরিত অর্থের ওপর ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ বিদেশ থেকে ১০০ টাকা পাঠালে দেশে প্রায় ১০২ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যায়।   প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ নিরাপদে দেশে পাঠাতে ব্যাংক বা অনুমোদিত বৈধ চ্যানেল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অবৈধ পদ্ধতি যেমন হুন্ডি ব্যবহার না করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।   বি.দ্র.: বৈদেশিক মুদ্রার এই হার সময় ও লেনদেন পদ্ধতির ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে। সর্বশেষ তথ্য জানতে নিকটস্থ ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে।   সূত্র: ফরেন এক্রাচেন্জ

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন না হলে রেমিট্যান্স বন্ধের ঘোষণা প্রবাসীদের একাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি অংশ কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রবাসী কমিউনিটির বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া বার্তায় বলা হচ্ছে—যদি নতুন সরকার জুলাই সনদ সংসদে পাস না করে বা কার্যকর না করে, তাহলে তারা রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ রাখার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।   প্রবাসীদের কয়েকটি ফোরামে আলোচনায় উঠে এসেছে, “জনগণের সমর্থনে গৃহীত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে সেটি জাতির প্রত্যাশার বিরুদ্ধে যাবে।” কেউ কেউ এটিকে “নৈতিক প্রতিবাদ” হিসেবেও আখ্যা দিচ্ছেন। যদিও এখনো পর্যন্ত এটি কোনো কেন্দ্রীয় বা সমন্বিত সংগঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত মতামত হিসেবে সামনে আসছে।   অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আমদানি ব্যয় এবং সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতায় রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে বড় পরিসরে রেমিট্যান্স বন্ধ বা কমে গেলে তার প্রভাব পড়তে পারে ব্যাংকিং খাত, বাজারদর ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য, এমন পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট অবস্থান জানানো জরুরি। একই সঙ্গে প্রবাসীদের আবেগ ও দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন।   এ বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নির্ভর করবে সংসদে জুলাই সনদ নিয়ে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং প্রবাসী কমিউনিটির সংগঠিত অবস্থানের ওপর।   ‘আমেরিকা বাংলা’ বিষয়টির ওপর নজর রাখছে এবং নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা সিদ্ধান্ত এলে তা হালনাগাদভাবে প্রকাশ করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ফেব্রুয়ারির ২৩ দিনে ২৫৬ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার বা ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১৬ লাখ ডলার।   মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রবাসী আয়ের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে দেশে এসেছিল ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার।   চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ১৯৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।   সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। এর আগের মাস ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।   উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্সে জোয়ার, দিনে গড়ে ১২ কোটি ডলার
ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্সে জোয়ার, দিনে গড়ে ১২ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২১৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ডলার।   এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাসে দিনের সংখ্যা কম হলেও মোট রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর আগে টানা দুই মাস—ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে—৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল।   বাংলাদেশ ব্যাংক–এর তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ফেব্রুয়ারির একই সময়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছিল ১৬৭ কোটি ডলার। সেই তুলনায় এবার প্রায় ৪৬ কোটি ডলার বেশি এসেছে, যা প্রবৃদ্ধির হার ২৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ।   চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৫৬ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৬৩ কোটি ডলার।   অর্থাৎ বছরওয়ারি হিসাবে বেড়েছে ৩৯৩ কোটি ডলার বা ২২ দশমিক ২৯ শতাংশ। উল্লেখ্য, গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ছিল ৬৪২ কোটি ডলার, যা শতাংশের হিসাবে ২৬ দশমিক ৮৩।   দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড হয় গত বছরের মার্চে—৩৩০ কোটি ডলার। রমজান ও ঈদকে ঘিরে সে সময় প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠান। পরে ডিসেম্বরে আসে ৩২২ কোটি ডলার এবং জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ডলার। সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পেছনে নির্বাচন ও রোজাকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, অর্থ পাচার রোধে কঠোর নজরদারি এবং অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রম দমনে উদ্যোগের ফলে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বেড়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। গত বৃহস্পতিবার দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা গত ৩৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫০.৬ শতাংশ বেড়েছে

চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম ২৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫০.৬ শতাংশ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে প্রবাসীরা ২ হাজার ৯৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন।   গত বছর একই সময়ে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ১ হাজার ৯৫৫ মিলিয়ন ডলার।   চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৯ হাজার ২০৯ মিলিয়ন ডলার। যা আগের অর্থবছরে একই সময়ে ছিল ১৫ হাজার ৭৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0