সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের মেইনে সিনেট নির্বাচনে যোগ্যতার প্রশ্নে উদ্ভট উত্তর দিয়ে ভাইরাল ট্রান্সজেন্ডার ডেমোক্র্যাট প্রার্থী

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ১৬:০
যোগ্যতার প্রশ্নে উদ্ভট উত্তর দিয়ে ভাইরাল ট্রান্সজেন্ডার ডেমোক্র্যাট প্রার্থী I ছবি: সংগৃহীত
যোগ্যতার প্রশ্নে উদ্ভট উত্তর দিয়ে ভাইরাল ট্রান্সজেন্ডার ডেমোক্র্যাট প্রার্থী I ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্যে সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে লড়তে ইচ্ছুক ট্রান্সজেন্ডার ও ইন্টারসেক্স অ্যাক্টিভিস্ট অ্যাশলি ওয়েব বিতর্কে এক উদ্ভট উত্তর দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক বিতর্কে সঞ্চালক তার যোগ্যতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অত্যন্ত অসংলগ্ন উত্তর দেন।

 

ওয়েব জানান, তিনি এর আগেও কয়েকবার নির্বাচনে লড়েছেন, যদিও কখনো জিততে পারেননি। নিজের যোগ্যতার বর্ণনায় তিনি নিজেকে গীতিকার ও লেখক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন যে তিনি জনগণের সঙ্গে কোনো প্রতারণা করবেন না। এছাড়া তিনি নিজেকে একজন 'ক্ষুব্ধ নাগরিক' হিসেবে দাবি করে বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি একজন 'ক্ষুব্ধ সিনেটর' হবেন, যা হয়তো সবার জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়াবে। এক্সে (সাবেক টুইটার) ছড়িয়ে পড়া তার এই উত্তরের ভিডিওটি ইতোমধ্যেই সাড়ে সাত লাখেরও বেশি মানুষ দেখেছেন।

 

মেইনের ডেমোক্র্যাট প্রার্থী গ্রাহাম প্ল্যাটনারের বিরুদ্ধে তার সাবেক এক প্রেমিকা ধর্ষণের অভিযোগ আনলে তিনি চলতি মাসের শুরুতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন। প্ল্যাটনার এই অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করলেও তার বিদায়ে দলে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়।

 

প্ল্যাটনারের শূন্যস্থানে আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে বর্তমান রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্সের বিপক্ষে লড়তে অ্যাশলি ওয়েবসহ মোট ১২ জন প্রার্থী ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়নের দৌড়ে রয়েছেন। এই তালিকায় মেইনের সেক্রেটারি অব স্টেট শেনা বেলোস, মেইন বিয়ার কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ড্যান ক্লেবান এবং লেখক ক্রিস্টিনা লিবি-র মতো ব্যক্তিরাও রয়েছেন। চলতি মাসের শেষে দলের সম্মেলনে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।

 

এদিকে, অ্যাশলি ওয়েবের এমন অসংলগ্ন উত্তরের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ। রক্ষণশীল রাজনীতিক ডেভ রুবিন এক্সে ওয়েবের পারফরম্যান্স নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। আরেকজন মন্তব্যকারী ওয়েবের বক্তব্যকে ২০০৪ সালের কাল্ট-ক্লাসিক সিনেমা 'নেপোলিয়ন ডাইনামাইট'-এর স্ক্রিপ্টের সঙ্গে তুলনা করেছেন। অনেকেই তার এই জবাবকে 'টুইলাইট জোন'-এর মতো অবাস্তব বলে মন্তব্য করেছেন। তবে নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে ওয়েব জানিয়েছেন, মেইনের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সরাসরি লড়াই করতেই তার এই নির্বাচনে আসা এবং তিনি সেই জনসমর্থন কাজে লাগাতেই কাজ করবেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
প্রেমিকের ছবি ফাঁসের হুমকি দিয়ে অর্থ দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার নাথালি রদ্রিগেজ গনজালেজ। ছবি: সংগৃহীত
প্রেমিকের গোপন ছবি ফাঁসের হুমকিতে ২০ হাজার ডলার দাবি, তরুণী গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মায়ামি-ডেড কাউন্টিতে প্রেমিকের গোপন ছবি ফাঁসের হুমকি দিয়ে ২০ হাজার ডলার দাবি করার অভিযোগে ১৯ বছর বয়সী নাথালি রদ্রিগেজ গনজালেজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ওই তরুণী জানতে পারেন, তার সঙ্গে সম্পর্কে থাকা এক ব্যবসায়ীর আগে থেকেই একজন প্রেমিকা রয়েছে। এরপর তিনি ওই ব্যক্তির কাছে অর্থ দাবি করে হুমকিমূলক বার্তা পাঠাতে শুরু করেন।   কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নাথালি মায়ামি-ডেড কাউন্টির একটি রেস্তোরাঁয় ওয়েট্রেস হিসেবে কাজ করতেন। সেখানেই ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। কয়েকবার দেখা করার পর নাথালি জানতে পারেন, ওই ব্যবসায়ীর পুরো সময়জুড়েই অন্য একজন প্রেমিকা ছিলেন।   এরপর অভিযোগ অনুযায়ী, নাথালি ওই ব্যবসায়ীকে হুমকি দিয়ে তার ব্যাংক হিসাব থেকে ২০ হাজার ডলার দাবি করেন। তিনি সতর্ক করে দেন, অর্থ পরিশোধ না করলে দাবির সঙ্গে আরও ৫ হাজার ডলার যোগ করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীর অন্তরঙ্গ ছবি তার প্রেমিকা ও ব্যবসায়িক অংশীদারের কাছে পাঠানোর হুমকিও দেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   ভুক্তভোগী অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। অভিযোগ রয়েছে, নাথালি তার ব্যবসায়িক অংশীদারের কাছে একটি অন্তরঙ্গ ছবি পাঠান। এরপর ওই অংশীদারের কাছে ভুক্তভোগীর প্রেমিকার ফোন নম্বর চান, যাতে তাকেও ছবিটি পাঠাতে পারেন। পরে ছবিটি ভুক্তভোগীর প্রেমিকার কাছেও পাঠানো হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।   কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, নাথালি এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিগুলো প্রকাশ করার হুমকি দিতে থাকেন। তিনি টিকটকেও ছবিগুলো প্রকাশ করেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অর্থ না দিলে আরও ছবি প্রকাশ এবং বিষয়টি আরও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীকে একাধিক বার্তা পাঠানো হয়।   ভুক্তভোগী ২৪ আগস্ট মায়ামি-ডেড শেরিফের কার্যালয়ের কেন্ডাল জেলা স্টেশনে যান। সেখানে তিনি একটি ছবির মাধ্যমে নাথালিকে শনাক্ত করেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর শুক্রবার তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের সঙ্গে কথা বলার সময় নাথালি অভিযোগের বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বীকারোক্তি দিয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।   গ্রেপ্তারের পর নাথালির বিরুদ্ধে হুমকি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ আনা হয়েছে। তাকে টার্নার গিলফোর্ড সংশোধন কেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে ৭ হাজার ৫০০ ডলারের জামিনে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মামলাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।   ঘটনাটি সামনে আসার পর অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে অর্থ আদায়ের জন্য অন্তরঙ্গ ছবি প্রকাশের হুমকি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়টি। তবে মামলাটি এখনো অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় এ বিষয়ে আদালতে আরও তথ্য উপস্থাপিত হবে।

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ ১১:৩৫
মৃত্যুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে স্বামীর সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী উদ্‌যাপন করেছিলেন এরিন পিয়াচেন্টি। ছবি: সংগৃহীত

টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যাংক অব আমেরিকার ভিপি, উদ্‌যাপন করেছিলেন ২য় বিবাহবার্ষিকী

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির জন্য আবেদন করার আগে জীবনবৃত্তান্তের ফরম্যাট ঠিক করা জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকায় চাকরি খোঁজার আগে রেজুমে-তে যে ১০টি বিষয় ঠিক করতে হবে, জেনে নিন

ইরান টিভি চ্যানেলের লক্ষ্যবস্তু হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলে ব্যারন ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

আমার ২০ বছরের ছেলেকে হত্যার হুমকি! ট্রাম্পের অভিযোগে ইরানের জবাব ‘জাহরা ছিল ১৪ মাসের’

ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রশ্ন নাকচ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ইরানে পারমাণবিক বোমার ব্যবহার করবেন কি না জানালেন ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবেন কি না, এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, ইরানের ওপর পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই। তবে একই সঙ্গে ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।   সোমবার (৩১ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প ওই প্রশ্নকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে ইরান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাম্পের ভাষ্য, ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও সামরিক নেতৃত্ব ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে।   তবে পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা নাকচ করলেও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ট্রাম্প। তার দাবি, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া যাবে না।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি রকেট উৎক্ষেপণকারীকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে রয়টার্স। এরপর ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন বাহিনীর ওপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।   হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এই উত্তেজনার প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। সর্বশেষ পাল্টাপাল্টি হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও এলএনজি পরিবহনপথ হওয়ায় সেখানে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।   ট্রাম্পের অবস্থান এখন স্পষ্ট, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন নেই, কিন্তু ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতেও দেওয়া হবে না।   সূত্র: গালফ নিউজ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ ৯:৪০
লেক অন্টারিওর নাম বদলে ‘লেক আমেরিকা’ করার পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের কানাডা শুল্ক ও ‘লেক আমেরিকা’ সিদ্ধান্তে নেই মার্কিনদের সমর্থন

তেল উৎপাদন চুক্তি

চীন-রাশিয়ার হাতছাড়া, ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্রে এবার মার্কিন কোম্পানি

আনা মারিয়া গার্সিয়া

পাসপোর্টের ছবিতে হিজাব পরা প্রথম নারী মারিয়া গার্সিয়া, মেক্সিকোয় গড়লেন ইতিহাস

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র: সারাহ আলড্রিচ

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রয়োজনীয় যেকোনো সহায়তায় ওয়াশিংটন বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ আলড্রিচ।   জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   সারাহ আলড্রিচ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। বর্তমানে একটি নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে এবং বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।   তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে। ভবিষ্যতে দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহী ওয়াশিংটন।   স্মরণসভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যানসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, মার্কিন কর্মকর্তারা ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।   মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে পরিবর্তনের সূচনা করেছে, তা বিশ্বের অন্যান্য তরুণদের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।   অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘জুলাইকন্যা’ প্রদর্শন করা হয়। এতে আন্দোলনে নারীদের অংশগ্রহণ ও অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ ৪:৭
শিকাগোয় ফেডারেল অভিযানে ৩০৫ গ্রেপ্তার

শিকাগোয় ফেডারেল অভিযানে ৩০৫ গ্রেপ্তার, উদ্ধার ২৪ নিখোঁজ শিশু

টাইমস স্কয়ারে দুইজনকে ছুরিকাঘাত

টাইমস স্কয়ারে দুইজনকে ছুরিকাঘাত, পুলিশের গুলিতে হামলাকারী নারী নিহত

মাকে বাঁচাতে মায়ের বয়ফ্রেন্ডকে ছুরিকাঘাত ১২ বছরের ছেলের

"চুপ করে থাকতে পারেনি" মাকে বাঁচাতে মায়ের বয়ফ্রেন্ডকে ছুরিকাঘাত ১২ বছরের ছেলের

0 Comments