আমেরিকা

নিউইয়র্কে সরকারি অনুদানে এসি স্থাপনের সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্স’

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে সরকারি অনুদানের মাধ্যমে বাসা-বাড়িতে এয়ার কন্ডিশনিং (এসি) স্থাপনের সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশি-আমেরিকান ব্যবসায়ী ও মূলধারার রাজনীতিক তোফায়েল চৌধুরী-এর মালিকানাধীন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্স’।

 

ইয়ংকার্সে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি গত কয়েক বছরে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং মূলধারার মার্কিন সমাজে সেবা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে।

 

তোফায়েল চৌধুরী জানান, সরকারি অনুদানে বাসা-বাড়িতে এসি স্থাপনের এই সুবিধা শিগগিরই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি এ বছরের শেষে এই কর্মসূচি বন্ধ হওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তাই আগ্রহীদের দ্রুত বুকিং নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

 

তিনি আরও জানান, বর্তমানে নিউইয়র্ক সিটি থেকে প্রতি পরিবারকে ৮ থেকে ১০ হাজার ডলারের রিবেট দেওয়া হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একই সুবিধা প্রযোজ্য। তার ভাষায়, এটি একটি সময়সীমাবদ্ধ সুযোগ, যা “আগে আসলে আগে পাবেন” ভিত্তিতে প্রদান করা হচ্ছে।

 

প্রতিষ্ঠানটি বাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব হিটিং ও কুলিং সিস্টেম স্থাপন করে থাকে বলে জানান তিনি। এতে পুরোনো বয়লার সিস্টেম থেকে মুক্তি পাওয়া এবং বিদ্যুৎ ব্যয় কমানোর সুযোগ রয়েছে।

 

তোফায়েল চৌধুরী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য নিউইয়র্ক সিটির গ্রিন সিটি পরিকল্পনায় অবদান রাখা। পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটিকে এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা।”

 

তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পের আওতায় ১০ বছরের গ্যারান্টি ও ওয়্যারেন্টি এবং বিক্রয়োত্তর সেবাও প্রদান করা হচ্ছে। তার দাবি অনুযায়ী, গ্রাহকের সিদ্ধান্তের পর সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন ও অর্থায়নের প্রক্রিয়াও প্রতিষ্ঠানটি সমন্বয় করে।

 

প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে তিনি দ্রুত যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সুযোগটি সীমিত সময়ের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে সরকারি অনুদানে এসি স্থাপনের সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্স’

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে সরকারি অনুদানের মাধ্যমে বাসা-বাড়িতে এয়ার কন্ডিশনিং (এসি) স্থাপনের সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশি-আমেরিকান ব্যবসায়ী ও মূলধারার রাজনীতিক তোফায়েল চৌধুরী-এর মালিকানাধীন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘গ্রি মেকানিক্যাল ইয়ংকার্স’।   ইয়ংকার্সে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি গত কয়েক বছরে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং মূলধারার মার্কিন সমাজে সেবা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে।   তোফায়েল চৌধুরী জানান, সরকারি অনুদানে বাসা-বাড়িতে এসি স্থাপনের এই সুবিধা শিগগিরই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি এ বছরের শেষে এই কর্মসূচি বন্ধ হওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। তাই আগ্রহীদের দ্রুত বুকিং নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”   তিনি আরও জানান, বর্তমানে নিউইয়র্ক সিটি থেকে প্রতি পরিবারকে ৮ থেকে ১০ হাজার ডলারের রিবেট দেওয়া হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একই সুবিধা প্রযোজ্য। তার ভাষায়, এটি একটি সময়সীমাবদ্ধ সুযোগ, যা “আগে আসলে আগে পাবেন” ভিত্তিতে প্রদান করা হচ্ছে।   প্রতিষ্ঠানটি বাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব হিটিং ও কুলিং সিস্টেম স্থাপন করে থাকে বলে জানান তিনি। এতে পুরোনো বয়লার সিস্টেম থেকে মুক্তি পাওয়া এবং বিদ্যুৎ ব্যয় কমানোর সুযোগ রয়েছে।   তোফায়েল চৌধুরী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য নিউইয়র্ক সিটির গ্রিন সিটি পরিকল্পনায় অবদান রাখা। পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটিকে এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা।”   তিনি আরও জানান, এই প্রকল্পের আওতায় ১০ বছরের গ্যারান্টি ও ওয়্যারেন্টি এবং বিক্রয়োত্তর সেবাও প্রদান করা হচ্ছে। তার দাবি অনুযায়ী, গ্রাহকের সিদ্ধান্তের পর সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন ও অর্থায়নের প্রক্রিয়াও প্রতিষ্ঠানটি সমন্বয় করে।   প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে তিনি দ্রুত যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সুযোগটি সীমিত সময়ের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ৮, ২০২৬ 0
এসএনএপি জালিয়াতি দমনে যুক্তরাষ্ট্রে অভিযান জোরদার করেছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ | ছবি: এআই, আমেরিকা বাংলা

বিলাসবহুল গাড়ির মালিকদের কাছেও ফুড স্ট্যাম্প, যুক্তরাষ্ট্রে অভিযানে গ্রেপ্তার ১,০ হাজারের বেশি

ছবি: সংগৃহীত

ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি দোকানকর্মীকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যার ঘটনায় হাইতিয়ান অভিবাসীর মৃত্যুদণ্ড চায় প্রসিকিউশন

নিউইয়র্কে গাড়ির বীমা খরচ কমাতে নতুন বাজেট চুক্তি ঘোষণা করেছেন গভর্নর ক্যাথি হোকল | ছবি: আমেরিকা বাংলা

নিউইয়র্কে গাড়ির বীমা খরচ কমাতে বড় বাজেট চুক্তি ঘোষণা করলেন গভর্নর ক্যাথি হোকল

নবজাতক কন্যাসন্তানের আগমনের খবর সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট | ছবি: আমেরিকা বাংলা
আবার মা হলেন ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট দ্বিতীয় সন্তানের মা হয়েছেন। তিনি কন্যাসন্তানের জন্মের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করেন।   পোস্টে লেভিট জানান, গত ১ মে তাদের পরিবারে নতুন সদস্য হিসেবে কন্যাসন্তান ‘ভিভিয়ানা’ জন্ম নেয়। পরিবারে তাকে আদর করে ‘ভিভি’ নামে ডাকা হচ্ছে। নবজাতক বর্তমানে সুস্থ রয়েছে এবং পরিবারে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।   তিনি আরও জানান, তার বড় ছেলে নিকোলাস ছোট বোনকে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করেছে। নতুন সদস্যকে ঘিরে পরিবারটি বর্তমানে সময় কাটাচ্ছে।   গর্ভাবস্থার সময়ে শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা ও প্রার্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ক্যারোলিন লেভিট।   গত এপ্রিল মাস থেকে তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। তার অনুপস্থিতিতে হোয়াইট হাউসের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং পরিচালনা করছেন প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা। কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি সাময়িকভাবে দায়িত্বে ফিরে সংবাদমাধ্যমকে তথ্য দেন।   বর্তমানে তার প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তার নিয়মিত কাজে ফেরার সময়সূচি নিয়ে হোয়াইট হাউস এখনো কোনো নির্দিষ্ট ঘোষণা দেয়নি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ৮, ২০২৬ 0
নিউইয়র্কে ভাড়া স্থগিতের দাবিতে রেন্ট গাইডলাইনস বোর্ডের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন ভাড়াটিয়ারা । ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ভাড়া বৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, ‘ভাড়া স্থগিত’ দাবিতে উত্তাল রাজপথ

আন্দীয় আলু | ছবি: সংগৃহীত

খাদ্যাভ্যাস কি বদলে দিতে পারে মানুষের জিন? আলুর প্রভাবে আন্দিজবাসীর ডিএনএ-তে বড় পরিবর্তন

ছবি: সংগৃহীত

পেছনের ক্যামেরায় ত্রুটি: ২ লাখ ২০ হাজার গাড়ি তুলে নিচ্ছে টেসলা

ছবি: সংগৃহীত
হলিউডের শহরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মহামিলন, লস অ্যাঞ্জেলেসে ৪০তম ফোবানা ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ফোবানা (FOBANA)-এর ৪০তম কনভেনশন আগামী সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই বৃহৎ মিলনমেলাকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে আয়োজকরা।   আগামী ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে Hilton Los Angeles / Universal City হোটেলে। আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়া (BAC) জানিয়েছে, এবারের কনভেনশনকে স্মরণীয় করে তুলতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কমিউনিটি আলোচনা, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং, নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন রাখা হবে।   “উত্তরণের পথে আগামীর প্রত্যয়ে প্রবাস বাংলাদেশ” থিমকে সামনে রেখে এবারের ফোবানার আয়োজন করা হচ্ছে। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রবাসে বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করাই এবারের কনভেনশনের অন্যতম লক্ষ্য।   ফোবানার চেয়ারম্যান রবিউল করিম বেলাল, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি খালেদ রউফ, কনভেনর ড. জয়নুল আবেদীন এবং মেম্বার সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মো ইকবাল সহ আয়োজক কমিটির নেতারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   বিশেষ করে হলিউড ও ইউনিভার্সাল সিটির কাছাকাছি ভেন্যু হওয়ায় এবারের আয়োজন নিয়ে প্রবাসীদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের পর্যটন আকর্ষণ, বিনোদন কেন্দ্র এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ কনভেনশনকে ভিন্নমাত্রা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   উল্লেখ্য, গত বছর ফোবানা কনভেনশন জর্জিয়ার আটলান্টায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেটি ব্যাপক সফলতা পায়। দেশ-বিদেশের শিল্পী, কমিউনিটি নেতা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি ছিল প্রাণবন্ত ও দর্শকপূর্ণ। সেই সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবার লস অ্যাঞ্জেলেস কনভেনশনকে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।   প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেই মনে করছেন, ফোবানা শুধু একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বরং এটি উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশি পরিচয়, ঐক্য ও কমিউনিটির শক্তির প্রতীক হয়ে উঠেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মে ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে কিশোরী পরিচয়ে হাইস্কুলে ভর্তি ২৮ বছরের নারী

২০২৫ সালে ইনফান্তিনো ট্রাম্পকে বিশ্বকাপ ট্রফি উপহার দেন। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের টিকিটের আকাশচুম্বী দাম নিয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, তদন্তের ইঙ্গিত

ছবি: সংগৃহীত।

ইন্ডিয়ানা ও ওহাইও প্রাইমারিতে জয়: নির্বাচনী লড়াইয়ে চমক ট্রাম্পের

0 Comments