সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

নিউইয়র্কে নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা এরিনের ৫ মাসের শিশুর জন্য ফান্ডে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ১১:২৭
নিউইয়র্কে নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা এরিনের ৫ মাসের শিশুর জন্য ফান্ডে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার
নিউইয়র্কে নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা এরিনের ৫ মাসের শিশুর জন্য ফান্ডে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যাংক অব আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিন পিয়াচেন্তির পাঁচ মাসের মেয়ে ম্যাডিসনের ভবিষ্যৎ ও দেখভালের জন্য চালু করা GoFundMe ফান্ডে এরই মধ্যে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলারের বেশি অনুদান জমা পড়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৭ হাজার ৯০০ জন এই ফান্ডে অনুদান দিয়েছেন। ফান্ডটির বর্তমান লক্ষ্য ১২ লাখ ডলার। 

 

মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই অনুদানের পরিমাণ এত দ্রুত বেড়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ফান্ডে ৫ লাখ থেকে ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি জমা পড়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। এরপরও অনুদান আসতে থাকায় বর্তমানে তা ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। 

 

ফান্ডটি মূলত এরিনের পাঁচ মাসের মেয়ে ম্যাডিসনের যত্ন, ভবিষ্যৎ এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য গড়ে তোলা হয়েছে। GoFundMe-তে বলা হয়েছে, এরিনকে যারা চিনতেন, তার সঙ্গে কাজ করেছেন কিংবা এই মর্মান্তিক ঘটনায় যাদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে, তাদের জন্য এটি তার মেয়ের পাশে দাঁড়ানোর একটি সুযোগ।

 

এরিন পিয়াচেন্তি ছিলেন ৩২ বছর বয়সী এবং ব্যাংক অব আমেরিকার একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট। ৩১ আগস্ট, সোমবার, মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে কাজে ফেরার প্রথম দিনেই ম্যানহাটনের ব্যস্ত টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতে তিনি নিহত হন। 

 

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ছিল আকস্মিক ও উদ্দেশ্যহীন হামলা। ৪৯ বছর বয়সী পামেলা সিসনেরোস প্রথমে ৬৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর এরিনকে পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়। ঘটনাস্থলের কাছেই থাকা নিউইয়র্ক পুলিশ অফিসাররা হামলাকারীকে থামানোর চেষ্টা করেন। দুই হাতে ছুরি নিয়ে পুলিশের দিকে এগিয়ে আসার পর অফিসাররা তাকে গুলি করেন। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। 

 

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, এরিনের মৃত্যুর মাত্র পাঁচ মাস আগে তার ও স্বামী ফ্র্যাঙ্ক পিয়াচেন্তির প্রথম সন্তান ম্যাডিসনের জন্ম হয়েছিল। GoFundMe-র বর্ণনায় বলা হয়েছে, মা হওয়া ছিল এরিনের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবং মেয়েকে নিয়ে নতুন পরিবার গড়ে তোলাই ছিল তার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের অধ্যায়গুলোর একটি। 

 

এরিন ও ফ্র্যাঙ্কের বিয়ের দ্বিতীয় বার্ষিকীও চলতি গ্রীষ্মে উদযাপিত হয়েছিল। তারা নিউ জার্সির চেস্টারে নিজেদের বাড়িতে নতুন সন্তানকে নিয়ে ভবিষ্যৎ সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এরিনের মৃত্যুর পর তাদের সেই জীবন এক মুহূর্তেই বদলে গেছে। 

 

এরিন শুধু একজন ব্যাংক কর্মকর্তা ছিলেন না। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিতে পড়াশোনা শেষে তিনি ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটি স্কুল অব ল থেকে ম্যাগনা কাম লডে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি ডেভিস পোলক আইন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এবং প্রায় ১৮ মাস আগে ব্যাংক অব আমেরিকায় যোগ দেন। সেখানে তিনি বিজনেস সিলেকশন অ্যান্ড কনফ্লিক্টস বিভাগে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। 

 

ফান্ডটি পরিচালনা করছেন এরিনের স্বামী ফ্র্যাঙ্কের ভাইয়ের স্ত্রী বা পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য শ্রে গুপ্তা। GoFundMe-র তথ্য অনুযায়ী, ফান্ডটি ফ্র্যাঙ্ক ও এরিনের পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করেই তৈরি করা হয়েছে এবং সংগৃহীত অর্থ সরাসরি ফ্র্যাঙ্কের কাছে যাবে ম্যাডিসনের দেখভাল ও ভবিষ্যতের জন্য ব্যবহারের উদ্দেশ্যে। 

 

পরিবারের পক্ষ থেকে এরিনের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে সবার কাছে গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফুল বা অন্য কোনো উপহার পাঠানোর পরিবর্তে ম্যাডিসনের ভবিষ্যতের জন্য নির্ধারিত এই ফান্ডে সহায়তা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। 

 

এদিকে এরিনকে হত্যার ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। নিউইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় পুলিশের গুলিতে হামলাকারী পামেলা সিসনেরোসের মৃত্যুর ঘটনাটিও পর্যালোচনা করছে, যা পুলিশ-জড়িত কোনো মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রচলিত প্রক্রিয়ার অংশ। 

 

এরিনের মৃত্যুর পর তার পাঁচ মাসের শিশুকে ঘিরে যে ব্যাপক জনসমর্থন তৈরি হয়েছে, সেটিই এখন ফান্ডটির দ্রুত বাড়তে থাকা অনুদানে প্রতিফলিত হচ্ছে। ১২ লাখ ডলারের লক্ষ্যের বিপরীতে ইতোমধ্যে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলারের বেশি জমা পড়ায় ফান্ডটি লক্ষ্যের প্রায় ৬৪ শতাংশে পৌঁছে গেছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ৯ মাস গর্ভে সন্তান, অথচ টেরই পাননি ২১ বছরের কলেজছাত্রী; হঠাৎ কন্যাসন্তানের জন্ম
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ৯ মাস গর্ভে সন্তান, অথচ টেরই পাননি ২১ বছরের কলেজছাত্রী; হঠাৎ কন্যাসন্তানের জন্ম

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক অবিশ্বাস্য ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ২১ বছর বয়সী এক কলেজছাত্রী। গর্ভাবস্থার কোনো লক্ষণ বা শারীরিক পরিবর্তন ছাড়াই সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে নিজের ফ্ল্যাটে এক কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি।   ঘটনাটি ঘটেছে গত ২০ ফেব্রুয়ারি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি ‘ক্রিপটিক প্রেগন্যান্সি’ বা গুপ্ত গর্ভাবস্থা, যেখানে একজন নারী সন্তান প্রসবের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজের গর্ভধারণ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত থাকেন।   অপরাধবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করা এই তরুণীর স্বপ্ন ছিল ল স্কুলে পড়ার। ২০২৩ সালে প্রেমিক প্রেস্টনের সঙ্গে পরিচয়ের পর থেকেই তিনি সতর্ক ছিলেন এবং নিয়মিত জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল গ্রহণ করছিলেন। প্রতি মাসে তার স্বাভাবিক পিরিয়ডও হতো। ২০২৫ সালের মে মাসে তিনি লন্ডনে ঘুরতে যান এবং আগস্টে ক্যাম্পাসে ফেরেন।   এরপর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তার ওজন ১০ পাউন্ডের মতো বেড়ে যায়, যাকে তিনি শুধুমাত্র অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের অভাব বলে ধরে নিয়েছিলেন। কোনো বমি বমি ভাব, ক্লান্তি বা অন্য কোনো গর্ভাবস্থার লক্ষণ তার মধ্যে ছিল না।   চিকিৎসকরা পরবর্তীতে জানান, তার প্লাসেন্টা বা অমরা জরায়ুর সামনের দিকে থাকায় তিনি গর্ভস্থ শিশুর কোনো নড়াচড়া টের পাননি।   ঘটনার দিন সকালে ক্লাস থেকে ফিরে পেটে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। ব্যথানাশক ওষুধ খেয়েও কোনো কাজ হয়নি। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে টয়লেটে যাওয়ার তীব্র চাপ অনুভব করেন এবং হঠাৎ করেই বুঝতে পারেন অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে। প্রথমে টিউমার ভেবে আতঙ্কিত হলেও দ্রুত প্রবৃত্তিগত তাড়নায় তিনি বেডরুমে গিয়ে একটি তোয়ালে বিছিয়ে ফ্লোরে বসে পড়েন।   অ্যাড্রেনালিনের প্রভাবে কোনো ব্যথা অনুভব না করেই মাত্র তিনটি পুশে তিনি নিজেই এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। এরপর ৯১১ নম্বরে কল করে সাহায্য চান এই হতবাক তরুণী।   খবর পেয়ে প্যারামেডিক দল এসে মা ও শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ছুটে আসেন হতবাক প্রেমিক প্রেস্টন। বয়স ও আর্থিক দিক বিবেচনা করে প্রথমে তারা সন্তান দত্তক দেওয়ার কথা ভাবলেও, পরদিনই প্রেস্টন একটি খেলনা নিয়ে এসে জানান তিনি সন্তানটিকে নিজেদের কাছেই রাখতে চান। তরুণীও একই অনুভূতি পোষণ করেন এবং তারা মেয়ের নাম রাখেন 'নেভি'।   সন্তান জন্মের আট দিন পর তারা পরিবারকে এই সুখবর জানান। শুরুতে তরুণী পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনের মধ্য দিয়ে গেলেও মায়ের সাহায্যে তিনি ধীরে ধীরে মানিয়ে নেন।   মাতৃত্বের কারণে সাময়িকভাবে পড়াশোনায় বিরতি দিলেও আগামী শরতেই গ্র্যাজুয়েশন শেষ করতে যাচ্ছেন এই তরুণী। অনাকাঙ্ক্ষিত এই মাতৃত্ব এখন তার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ১২:১৩
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের নতুন কল সেন্টার চালু

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের নতুন কল সেন্টার চালু, মিলবে দ্রুত কনস্যুলার সেবা

নিউইয়র্কে নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা এরিনের ৫ মাসের শিশুর জন্য ফান্ডে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার

নিউইয়র্কে নিহত ব্যাংক কর্মকর্তা এরিনের ৫ মাসের শিশুর জন্য ফান্ডে ৭ লাখ ৬৪ হাজার ডলার

গ্রিন কার্ড স্পনসরদের ক্রেডিট তথ্য যাচাইয়ের নতুন সুযোগ পেল ইউএসসিআইএস

গ্রিন কার্ড স্পনসরশিপে ইউএসসিআইএসের নতুন পদক্ষেপ, বাড়ছে যাচাই

অভিবাসন অভিযানের সময় গুলি চালানোর ঘটনায় আইসিই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফেডারেল অভিযোগ
ভেনেজুয়েলীয়কে গুলি, তদন্তকারীদের মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে আইসিই কর্মকর্তা আটক

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে অভিবাসনবিরোধী অভিযানের সময় এক ভেনেজুয়েলীয় নাগরিককে গুলি করার ঘটনায় তদন্তকারীদের মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে আইসিই কর্মকর্তা ক্রিশ্চিয়ান কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়েছে। জানুয়ারিতে জুলিও সেসার সোসা-সেলিস নামে ওই ব্যক্তির পায়ে গুলি লাগার ঘটনায় কাস্ত্রোকে অভিযুক্ত করা হয়।  অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ফেডারেল তদন্তকারীদের কাছে মিথ্যা বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগগুলো এখনো সিলগালা রয়েছে। একই ঘটনায় মিনেসোটা কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে হামলা এবং অপরাধের মিথ্যা প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগও করেছে।  ঘটনাটি ঘটে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মিনিয়াপোলিস ও সেন্ট পল এলাকায় চালানো ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’ অভিযানের সময়। ওই অভিযানে হাজার হাজার ফেডারেল কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছিল, যা তৎকালীন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সবচেয়ে বড় অভিবাসন অভিযান হিসেবে বর্ণনা করা হয়।  মিনেসোটা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, কাস্ত্রো এবং আরেক কর্মকর্তা এক ব্যক্তিকে ধাওয়া করে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ডুপ্লেক্সে যান। সেখানে কাস্ত্রো বাড়িটির সামনের দরজা দিয়ে গুলি চালিয়ে সোসা-সেলিসের উরুতে আঘাত করেন। পরে তিনি দাবি করেন, সোসা-সেলিস ও আরেক ব্যক্তি ঝাড়ুর হাতল ও তুষার সরানোর কোদাল দিয়ে এক আইসিই কর্মকর্তার ওপর হামলা করেছিলেন।  তবে পরে পাওয়া ভিডিও ফুটেজে ওই ঘটনার বিষয়ে কর্মকর্তাদের দেওয়া বর্ণনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ফেডারেল প্রসিকিউটররা সোসা-সেলিস ও অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহার করেন এবং কর্মকর্তাদের বক্তব্য নিয়ে তদন্ত শুরু হয়।  কাস্ত্রো ফেব্রুয়ারি থেকে বেতন ছাড়া আইসিই থেকে সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। পরে মে মাসে তাকে মিনেসোটার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় এবং টেক্সাসের ব্রাউনসভিলের একটি জেলে রাখা হয়। মিনেসোটায় হস্তান্তরের জন্য টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল। তবে অ্যাবট তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যর্পণ অনুমোদন না করায় কাস্ত্রোকে গত সপ্তাহে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর ফেডারেল কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন কাস্ত্রো। এই ঘটনায় তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের ‘অপারেশন মেট্রো সার্জ’-এর কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রথম ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তা হিসেবে ফৌজদারি অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। এদিকে সোসা-সেলিসের আইনজীবী অভিযোগ করেছেন, কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে আনা ফেডারেল অভিযোগ যথেষ্ট নয় এবং গুলি চালানোর ঘটনাটি আড়াল করতেই তিনি তদন্তকারীদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। তার পক্ষ থেকে ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। তবে কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। গুলি চালানোর ঘটনায় আরও গুরুতর নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হবে কি না, সে বিষয়ে ফেডারেল  তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ৯:২৯
পেন্সিল ব্যবহার করে জেলের সেলের দরজা খুলে পালিয়ে যান ৩০ বছর বয়সী এক বন্দী

পেন্সিল দিয়েই কারাগারের সেল খুলে পালালেন বন্দী, ৩০ মিনিটেই ফের আটক

নিউইয়র্কে গ্যাং সহিংসতায় বাংলাদেশি তরুণদের নাম, কমিউনিটিতে আতঙ্ক

টেট বর্তমানে তার ভাই ট্রিস্টান টেটের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মিয়ামির ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টারে আটক রয়েছেন

নাবালিকাকে যৌন শোষণের অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সার অ্যান্ড্রু টেটের বিরুদ্ধে রোমানিয়ায় নতুন মামলা

নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বন্ধের সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ
ফ্লোরিডার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিষিদ্ধ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নথিবিহীন বা বৈধ অভিবাসন মর্যাদা না থাকা শিক্ষার্থীদের নতুন করে ভর্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডা বোর্ড অব গভর্নরসের ভোটে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যারা ভবিষ্যতে ফ্লোরিডার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চান, তাদের অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রে আইনগতভাবে অবস্থানের প্রমাণ থাকতে হবে। সিদ্ধান্তটি নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিবাসী পরিবার ও অধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   নতুন এই নিষেধাজ্ঞা ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে কার্যকর হবে। তবে নিয়মটি মূলত নতুন করে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ বর্তমানে ফ্লোরিডার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করছেন এমন নথিবিহীন শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের কারণে তাদের বর্তমান পড়াশোনা হারাবেন না। কিন্তু ভবিষ্যতে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাওয়া নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার দরজা বন্ধ হয়ে যাবে।   এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি হতাশ হয়েছেন ফ্লোরিডার ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী আলেকজান্ডার ভ্যালেহোস। তিনি বলেন, খবরটি শুনে তার হৃদয় ভেঙে গেছে এবং পুরো বিষয়টি তার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। ভ্যালেহোসকে মাত্র এক বছর বয়সে তার বাবা-মা যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসেন। তিনি আগে পাম বিচ স্টেট কলেজে পড়াশোনা করেছেন এবং আগামী বসন্তে ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা থেকে স্নাতক হওয়ার কথা রয়েছে।   নতুন সিদ্ধান্তে ভ্যালেহোসের নিজের পড়াশোনায় কোনো প্রভাব পড়ছে না। তবে তার চেয়ে কম বয়সী নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। তার আশঙ্কা, যারা এখনো উচ্চশিক্ষায় যাওয়ার বয়সে পৌঁছায়নি, তারা ফ্লোরিডার সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ হারাবে। ভ্যালেহোস বলেন, তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। কিন্তু একই পরিস্থিতিতে থাকা অন্য শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে তার খুব খারাপ লাগছে।   ফ্লোরিডায় সরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের বিষয়ে এটি সাম্প্রতিক সময়ে নেওয়া দ্বিতীয় বড় সিদ্ধান্ত। এর আগে গত জুনে স্টেট বোর্ড অব এডুকেশন ফ্লোরিডা কলেজ ব্যবস্থার আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি নিয়ে নতুন নিয়ম অনুমোদন করে। ওই নিয়ম অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মার্কিন নাগরিক অথবা যুক্তরাষ্ট্রে আইনগতভাবে অবস্থানরত হতে হবে। ফলে ফ্লোরিডার সরকারি উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের সুযোগ আরও সংকুচিত হয়েছে।   বৃহস্পতিবারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডেস্যান্টিস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ফ্লোরিডার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অবৈধভাবে থাকা অভিবাসীদের ভর্তি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট। ডেস্যান্টিসের বক্তব্য, ফ্লোরিডার বাসিন্দা এবং আমেরিকান নাগরিকদের স্বার্থকে সবার আগে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তার এই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছেন অঙ্গরাজ্যের আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা।   ফ্লোরিডার লেফটেন্যান্ট গভর্নর জে কলিন্সও এই নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, ফ্লোরিডার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাদেরই পড়াশোনার সুযোগ থাকা উচিত যারা যুক্তরাষ্ট্রে আইনগতভাবে অবস্থান করছেন। ফ্লোরিডার করদাতাদের অর্থ এমন ব্যক্তিদের শিক্ষার সুযোগে ব্যয় করা উচিত নয়, যারা আইন ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ফ্লোরিডা ও আমেরিকার নাগরিকদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়াই রাজ্য সরকারের দায়িত্ব।   অন্যদিকে, নথিবিহীন শিক্ষার্থী ভ্যালেহোস বলেছেন, তার মতো শিক্ষার্থীরা কোনো বিশেষ সুবিধা বা সরকারি সহায়তা চাইছেন না। তারা শুধু নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ চান এবং সেই সুযোগ পেলে নিজেদের পরিশ্রমে এগিয়ে যেতে চান। তিনি বলেন, তারা কারও কাছ থেকে দান বা বিনামূল্যের সুবিধা চাইছেন না। শুধু পড়াশোনা করার সুযোগ পেলে পরবর্তী পথ তারা নিজেদের যোগ্যতা ও পরিশ্রম দিয়েই তৈরি করতে চান।   এদিকে, বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্যের জন্য ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর ফ্লোরিডার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় এর বাস্তব প্রয়োগ কীভাবে হবে, তা নিয়ে এখন নজর রয়েছে। বিশেষ করে ভবিষ্যতে নথিবিহীন শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ কতটা সীমিত হবে, সেটিই আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ৭:২৬
ড্রোন হামলার পর কোকা-কোলার কারখানা এলাকায় ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়

কিয়েভে কোকা-কোলার কারখানায় রুশ ড্রোন হামলা, জেলেনস্কির দাবি ‘আমেরিকার জন্য স্পষ্ট বার্তা’

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় রোগীর সঙ্গে গোপন যৌন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে থেরাপিস্ট মিশেল লুচাউ-রেবোরা গ্রেফতার হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

থেরাপি সেশনে রোগীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ, নারী থেরাপিস্ট গ্রেফতার

গোলাবারুদের ঘাটতির খবর নাকচ করে সমালোচকদের কড়া জবাব ট্রাম্পের

গোলাবারুদের ঘাটতি নেই দাবি করে সমালোচকদের ‘বিশ্বাসঘাতক আবর্জনা’ বললেন ট্রাম্প

0 Comments