আমেরিকা

ফ্লোরিডায় গাড়ি দুর্ঘটনার পর গ্রেফতার বিশ্বখ্যাত গলফার টাইগার উডস

নুরুল্লাহ সাইদ মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
গাড়ি দুর্ঘটনার পর গ্রেফতার বিশ্বখ্যাত গলফার টাইগার উডস
গাড়ি দুর্ঘটনার পর গ্রেফতার বিশ্বখ্যাত গলফার টাইগার উডস

বিশ্বখ্যাত গলফার টাইগার উডস ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে এক সড়ক দুর্ঘটনার পর মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে জুপিটার আইল্যান্ডস এলাকায় তার গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়, ফলে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

 

ঘটনার পরপরই মার্টিন কাউন্টি সেরিফের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তারা জানায়, টাইগার উডসের আচরণে স্বাভাবিকতার অভাব ছিল এবং তার মধ্যে মাদক বা অ্যালকোহলের প্রভাবের লক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এসব পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে তাকে ঘটনাস্থলেই আটক করা হয় এবং পরে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়।

 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ এখনও তদন্তাধীন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ আহত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত এখনও প্রকাশ করা হয়নি। একই সঙ্গে টাইগার উডসের শারীরিক অবস্থার সম্পর্কেও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তার ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং সবাই এখন পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ও তদন্তের অগ্রগতির দিকে তাকিয়ে আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Advertisement

আমেরিকা

View more
এবার ইরানের সাইবার হামলা - যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই প্রধানের ইমেইল হ্যাক
এবার ইরানের সাইবার হামলা - যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই প্রধানের ইমেইল হ্যাক

আমেরিকা বাংলা ব্রেকিং নিউজ | আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এক চাঞ্চল্যকর সাইবার হামলার ঘটনায়। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার প্রধান কাশ প্যাটেল এর ব্যক্তিগত ইমেইল অ্যাকাউন্টে হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে বিশ্বস্ত সূত্র।   মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা এই সাইবার হামলার সঙ্গে জড়িত। তারা এফবিআই প্রধানের ব্যক্তিগত ইমেইলে প্রবেশ করে বিভিন্ন নথি, ছবি এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইনে প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে।   প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হ্যাকাররা শুধু ইমেইল অ্যাক্সেস করেই থেমে থাকেনি—তারা সেখান থেকে সংবেদনশীল উপকরণ ডাউনলোড করে ফাঁস করেছে, যা নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। যদিও ঠিক কী ধরনের তথ্য ফাঁস হয়েছে, তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে সাইবার হামলা এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হয়ে উঠেছে। এমনকি উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টও যে নিরাপদ নয়, সেটি আবারও সামনে এলো।   এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি তদন্তে নেমেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।

নুরুল্লাহ সাইদ মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
গাড়ি দুর্ঘটনার পর গ্রেফতার বিশ্বখ্যাত গলফার টাইগার উডস

ফ্লোরিডায় গাড়ি দুর্ঘটনার পর গ্রেফতার বিশ্বখ্যাত গলফার টাইগার উডস

ছবি: সংগৃহীত।

ইরান সংঘাতে গুরুতর আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা ৩০০ ছাড়ালো

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ

পেন্টাগনে তোলপাড়: দুই কৃষ্ণাঙ্গ ও দুই নারী জেনারেলের পদোন্নতি আটকে দিলেন হেগসেথ

ছবি: সংগৃহীত।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের লড়াই চরমে

ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে শুরু হয়েছে এক নজিরবিহীন ‘তথ্য যুদ্ধ’। ট্রাম্প প্রশাসন ও মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যেকার এই বিরোধ এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা দেশটির জনমতকে গভীরভাবে বিভক্ত করে ফেলছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসন বড় বড় সংবাদ সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে সরাসরি ‘ফেক নিউজ’ বা ভুয়া খবর ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন। প্রশাসনের দাবি, এই মিডিয়াগুলো যুদ্ধের প্রকৃত সাফল্য আড়াল করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং সরকারের সামরিক বার্তাগুলোকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সাংবাদিকদের কড়া ভাষায় সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, “হয় আপনারা জনগণকে সত্য তথ্য জানাবেন, না হয় জানাবেন না; এখানে মাঝামাঝি কোনো পথ নেই।” সম্প্রতি প্রকাশিত এক চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত কয়েক দশকে ঐতিহ্যবাহী সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর আমেরিকানদের আস্থা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। সত্তরের দশকের শেষের দিকে যেখানে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ মূলধারার মিডিয়াকে বিশ্বাস করত, গত বছর তা নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৮ শতাংশে।  এর বিপরীতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয়তা। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মার্কিন নাগরিকদের প্রধান সংবাদের উৎস হিসেবে টেলিভিশনকে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। বর্তমানে প্রায় ৫৪ শতাংশ আমেরিকান ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে খবর সংগ্রহ করছেন। এই তথ্য বিভ্রাটের যুগে সাধারণ আমেরিকানরা এখন এক গোলকধাঁধায়। একদিকে সরকারি বয়ান, অন্যদিকে মিডিয়ার বিশ্লেষণ—এই দুই বিপরীতমুখী স্রোতের মাঝে প্রকৃত সত্য খুঁজে পাওয়াই এখন সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর পরিকল্পনা বিবেচনায় ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত।

মার্কিন কাগজের মুদ্রায় ট্রাম্পের স্বাক্ষর যুক্ত করার পরিকল্পনা

ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে আরো ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়ে ভাবছেন ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের পথে পেন্টাগন
মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের পথে পেন্টাগন

ওয়াশিংটন: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে সেখানে আরও প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে দ্রুত সামরিক শক্তি বাড়ানোর জন্য এই পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।   প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি, ইসরায়েল–মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার কারণে এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে হোয়াইট হাউস, পেন্টাগন এবং সামরিক কমান্ডারদের মধ্যে একাধিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে।   মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত সেনা, যুদ্ধবিমান, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নৌবাহিনীর জাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর মতো প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র কয়েক হাজার সেনা, বিমানবাহী রণতরী, ড্রোন ইউনিট এবং বিশেষ বাহিনী ওই অঞ্চলে মোতায়েন করেছে বলে জানা গেছে।   বিশেষ করে পারস্য উপসাগর, ইরাক, সিরিয়া এবং আশপাশের এলাকায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে ১০ হাজার সেনা পাঠানো হলে এটি হবে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি বৃদ্ধি।   নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে সামরিক চাপ বজায় রাখতে চায়, অন্যদিকে কূটনৈতিক আলোচনার পথও খোলা রাখতে চাইছে। ওয়াশিংটনের আশঙ্কা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দ্রুত বড় ধরনের সংঘাত শুরু হতে পারে।   আন্তর্জাতিক মহলেও এই খবরে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেক দেশ মনে করছে, মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যেতে পারে এবং নতুন করে বড় সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।   মার্কিন প্রশাসন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা না করলেও, পেন্টাগনের এই প্রস্তুতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর পর্যায়ে পৌঁছেছে।

নুরুল্লাহ সাইদ মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ডলারের নকশায় বড় পরিবর্তন, নতুন নোটে থাকছে ট্রাম্পের স্বাক্ষর

ডলারের নকশায় বড় পরিবর্তন, নতুন নোটে থাকছে ট্রাম্পের স্বাক্ষর

বাংলাদেশি দর্শকরা কি এখনও বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে পাবেন?

বাংলাদেশি দর্শকরা কি এখনও বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে পাবেন?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য ও স্থায়িত্ব নিয়ে ট্রাম্পের নিজের দলের মধ্যেই ক্ষোভ বাড়ছে

0 Comments