বিশ্ব

শিশুদের সুরক্ষায় ইইউর নতুন পদক্ষেপ, আসছে ‘এজ-ভেরিফিকেশন অ্যাপ’

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

ইন্টারনেটের বিশাল জগতে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ক্ষতিকর কন্টেন্ট থেকে তাদের দূরে রাখতে বড় এক পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ব্লকটি একটি বিশেষ ‘এজ-ভেরিফিকেশন’ বা বয়স যাচাইকারী অ্যাপ উন্মোচন করেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন ব্রাসেলসে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অ্যাপটির কারিগরি কাজ সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা দেন।


বিশ্বজুড়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শিশুদের প্রবেশাধিকার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে ক্ষতিকর কন্টেন্ট, আসক্তি এবং সাইবার বুলিং থেকে শিশুদের বাঁচাতে বিভিন্ন দেশ কঠোর আইন প্রণয়ন করছে। অস্ট্রেলিয়া সম্প্রতি ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করেছে। ইউরোপের দেশগুলোও একই পথে হাঁটছে। এই প্রেক্ষাপটে ইইউ এই ‘সহজ ও কার্যকর’ সমাধানটি নিয়ে এসেছে।


এই অ্যাপটি অনেকটা করোনাকালীন ‘ভ্যাকসিন পাসপোর্টের’ আদলে তৈরি। ব্যবহারকারীরা তাদের স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে অ্যাপটি ডাউনলোড করে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্রের (ID Card) মাধ্যমে বয়স যাচাই করবেন। কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশের সময় অ্যাপটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করেই কেবল তিনি নির্দিষ্ট বয়সের কি না, তা নিশ্চিত করবে।


ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, এই অ্যাপটি সম্পূর্ণ বেনামী (anonymous) এবং এটি ব্যবহারকারীর অনলাইন গতিবিধি ট্র্যাক করতে পারবে না। এটি মূলত ‘ওপেন সোর্স’ প্রযুক্তিতে তৈরি, যাতে যেকোনো প্ল্যাটফর্ম সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারে। ফন ডার লিয়েন স্পষ্ট করে বলেন, “অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য এখন আর কোনো অজুহাত নেই। শিশুদের সুরক্ষার জন্য ইউরোপ একটি নিখরচায় এবং সহজ সমাধান দিচ্ছে।”


অ্যাপটি চালুর পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইইউ। বলা হয়েছে, যেসব কোম্পানি শিশুদের অধিকার রক্ষা করবে না এবং সঠিক বয়স যাচাই পদ্ধতি প্রয়োগ করবে না, তাদের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করা হবে। ডিজিটাল সার্ভিস অ্যাক্ট (DSA) অনুযায়ী বড় ধরনের জরিমানার মুখে পড়তে পারে টিকটক, ইনস্টাগ্রাম বা মেটার মতো টেক জায়ান্টরা।


প্রাথমিকভাবে ফ্রান্স, ইতালি, ডেনমার্ক এবং স্পেনের মতো সাতটি দেশ এই সিস্টেমটি গ্রহণ করার পথে রয়েছে। খুব শীঘ্রই পুরো ইউরোপ জুড়ে এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
যুদ্ধবিরতির মাঝেই শক্তি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা মোতায়েন

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। এপ্রিলের শেষ নাগাদ আরও ১০ হাজারের বেশি অতিরিক্ত সেনা ওই অঞ্চলে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম।   একাধিক বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে পাঠানো সেনাদের একটি বড় অংশ যাবে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’-এর মাধ্যমে। এই জাহাজসহ আরও কয়েকটি নৌযানে করে প্রায় ৬ হাজার সেনা মোতায়েন করা হবে।   এর পাশাপাশি ‘বক্সার’ উভচর প্রস্তুত গ্রুপ এবং ১১তম মেরিন ইউনিটের আরও প্রায় ৪ হাজার ২০০ সেনা চলতি মাসের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে। সব মিলিয়ে নতুন এই মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিকে আরও শক্তিশালী করবে।   গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা এই অঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে দুটি প্রধান বিমানবাহী রণতরি মোতায়েন রয়েছে, যেগুলো সরাসরি অভিযানে অংশ নিচ্ছে। নতুন রণতরি যুক্ত হলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে তিনে।   এদিকে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ কার্যকর রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সামরিক কর্তৃপক্ষ বলছে, সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। যদিও সাম্প্রতিক কিছু তথ্য অনুযায়ী, সীমিত সংখ্যক জাহাজ এখনো এই অবরোধ অতিক্রম করতে সক্ষম হচ্ছে।   একই সময়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। এর আগে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছিল।   বিশ্লেষকদের মতে, এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একদিকে যেমন ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখতে চাইছে, অন্যদিকে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতিও জোরদার করছে। যুদ্ধবিরতির বর্তমান সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বাড়ছে কৌতূহল।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
উরচেস্টার এলজিবিটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ১৭৫ জনের বেশি মানুষ জড়ো হন

যুক্তরাজ্যে সমকামী সেজে আশ্রয়ের জালিয়াত চক্র: বিবিসির অনুসন্ধানে বাংলাদেশিদের নাম

ছবি: সংগৃহীত।

শিশুদের সুরক্ষায় ইইউর নতুন পদক্ষেপ, আসছে ‘এজ-ভেরিফিকেশন অ্যাপ’

ছবি: সংগৃহীত।

ডিম পাড়ত আমাদের পূর্বপুরুষরাও! ২৫ কোটি বছরের রহস্য উন্মোচন করলেন বিজ্ঞানীরা

পিকাসোর আঁকা বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'তেত দ্য ফাম'
মাত্র ১৩ হাজারের লটারিতে মিলল ১১ কোটি টাকার অমূল্য শিল্পকর্ম!

ভাগ্যের চাকা কখন কার দিকে ঘোরে, তা বলা মুশকিল। মাত্র ১০০ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ হাজার টাকা) খরচ করে একটি লটারি কিনে রাতারাতি প্রায় ১১ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের অমূল্য এক শিল্পকর্মের মালিক হলেন এক ফরাসি নাগরিক। কিংবদন্তি শিল্পী পাবলো পিকাসোর আঁকা একটি তেলচিত্র জিতে নিয়েছেন তিনি। ফ্রান্সের প্যারিসে আয়োজিত এই বিশেষ লটারি বা র‍্যাফেল ড্র-টির মূল লক্ষ্য ছিল আলঝেইমার্স (স্মৃতিভ্রম) রোগের গবেষণার জন্য তহবিল সংগ্রহ করা। ড্র-এর বিজয়ী হিসেবে আরী হোদারা নামের এক ব্যক্তির নাম ঘোষণা করা হয়। লটারিতে জেতা ছবিটি হলো ১৯৪১ সালে পিকাসোর আঁকা বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'তেত দ্য ফাম' (Tête de Femme)। এটি একটি অসাধারণ গুয়াশ শিল্পকর্ম, যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ ইউরো বা ১ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। বিজয়ী আরী হোদারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, তিনি মূলত একটি মহৎ কাজে সহায়তা করতেই টিকিটটি কিনেছিলেন। কিন্তু সেই টিকিটে যে খোদ পিকাসোর আঁকা আসল ছবি তার ঘরে আসবে, তা তিনি স্বপ্নেও ভাবেননি। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই লটারির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ আলঝেইমার্স নিয়ে গবেষণার কাজে ব্যয় করা হবে। শিল্পকলার মাধ্যমে মানবহিতৈষী কাজে মানুষকে উৎসাহিত করতেই এই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো পিকাসোর শিল্পকর্ম দিয়ে এই ধরণের দাতব্য র‍্যাফেল ড্র আয়োজন করা হলো।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

চীনে হিলিয়াম গ্যাসের তীব্র সংকট, বন্ধ হতে পারে চিপ ও মেডিকেল সরঞ্জাম উৎপাদন

ছবি: সংগৃহীত।

বিসিসিতে বড় ধরনের ছাঁটাই: চাকরি হারাচ্ছেন ২০০০ কর্মী

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

ট্রাম্পের চাপের মুখেও অনড় স্টারমার; ‘মাথা নত করবে না ব্রিটেন’

ছবি: এআই জেনারেটেড।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়, কিন্তু ইসরায়েলের বেলায় কেন নীরবতা?

গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলছে তীব্র সমালোচনা, কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং একের পর এক কূটনৈতিক আলোচনা। কিন্তু এর ঠিক বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক শক্তি ইসরায়েলের ক্ষেত্রে।  ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, ইসরায়েলের কাছে পারমাণবিক অস্ত্রের বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে, যদিও দেশটি আজ পর্যন্ত এই বিষয়টি স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটাই করেনি। অথচ ইসরায়েলের এই গোপনীয়তা বা স্বচ্ছতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নেই কোনো চাপ। বিগত ১০ মাসে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে এক প্রকার যুদ্ধংদেহী অবস্থান নিয়েছে। তাদের দাবি—ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। যদিও এই দাবির সপক্ষে এখন পর্যন্ত অকাট্য কোনো প্রমাণ তারা হাজির করতে পারেনি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলো একে পশ্চিমাদের 'দ্বিমুখী নীতি' বা 'ডাবল স্ট্যান্ডার্ড' হিসেবে অভিহিত করেছে। ইরান অভিযোগ করেছে যে, একই অঞ্চলে একটি দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিশ্ব উত্তাল হলেও অন্য দেশের বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে সবাই চোখ বুজে আছে। এই বৈষম্যমূলক আচরণ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

দেশে ফিরলেন ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলে ফ্রান্সে কারাবন্দী সেই ইরানি তরুণী

ফাইল ছবি

দুর্ঘটনা ও সংঘর্ষে ইসরাইলি সেনাদের ক্ষয়ক্ষতি, আহত ১০

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিং। ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে অস্ত্র না দিতে শি জিনপিংকে চিঠি ট্রাম্পের

0 Comments