৩ নভেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৪ ব্যালট প্রস্তাবে ভোট, বদলে যেতে পারে কর, আবাসন ও ভোটব্যবস্থা
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ভোটাররা আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যব্যাপী ব্যালট প্রস্তাবের ওপর ভোট দেবেন। এসব প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে বিলিয়নিয়ারদের ওপর নতুন কর, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, জলবায়ু নীতি, ভোটার পরিচয় যাচাই, নির্বাচনী অর্থায়ন এবং করব্যবস্থার বিভিন্ন পরিবর্তন। প্রস্তাবগুলোর ফলাফল ক্যালিফোর্নিয়ার করনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ব্যালট প্রস্তাবগুলোতে কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বী কর পরিকল্পনা, আবাসন ও চিকিৎসা গবেষণায় বড় অঙ্কের ঋণ অনুমোদন, পরিবেশগত পর্যালোচনার সময়সীমা কমানো এবং ভোট ও নির্বাচনী অর্থায়ন ব্যবস্থায় নতুন নিয়ম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সবচেয়ে আলোচিত প্রস্তাবগুলোর একটি হলো বিলিয়নিয়ার কর। এতে ক্যালিফোর্নিয়ার প্রায় ২০০ জন বিলিয়নিয়ারের সম্পদের ওপর এককালীন ৫ শতাংশ কর আরোপের কথা বলা হয়েছে। পাঁচ বছরে এই কর আদায় করা হবে। প্রস্তাব অনুযায়ী, আদায়ের বেশির ভাগ অর্থ নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ব্যয় হবে। বাকি অর্থ শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হবে।
এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেছে এসইআইইউ ইউনাইটেড হেলথকেয়ার ওয়ার্কার্স ওয়েস্ট, মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, টিমস্টার্স ক্যালিফোর্নিয়াসহ কয়েকটি শ্রমিক সংগঠন। অন্যদিকে গভর্নর গ্যাভিন নিউসম, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা সের্গেই ব্রিন ও ক্রিস লারসেন, ক্যালিফোর্নিয়া মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন এবং ক্যালিফোর্নিয়া টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন এর বিরোধিতা করছে। আরেকটি প্রস্তাবে নতুন কর থেকে প্রাপ্ত অর্থের বাধ্যতামূলক নিরীক্ষার বিধান রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সেই অর্থ অঙ্গরাজ্যের ব্যয় সীমা নির্ধারণের নিয়মের আওতায় আনা হবে। বিলিয়নিয়ার কর প্রস্তাবের সঙ্গে এটি একসঙ্গে পাস হলে যে প্রস্তাব বেশি ভোট পাবে, সেটিই কার্যকর হবে।
আরেকটি প্রস্তাবে ব্যক্তিগত সম্পদের ওপর নতুন কর এবং অতীত থেকে কার্যকর (রেট্রোঅ্যাকটিভ) কর আরোপ নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি মূলত বিলিয়নিয়ার কর বাস্তবায়ন ঠেকানোর উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে। উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের ওপর বর্তমানে যে অতিরিক্ত আয়কর রয়েছে, সেটিকে ২০৩১ সালের পরও স্থায়ী করার প্রস্তাবও ব্যালটে রয়েছে। এ কর ব্যক্তি পর্যায়ে বছরে ৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং দম্পতিদের ক্ষেত্রে ৭ লাখ ২১ হাজার ডলারের বেশি আয়ের ওপর প্রযোজ্য। এই অর্থ সরকারি স্কুল ও কমিউনিটি কলেজে ব্যয় করা হয়।
স্থানীয় বিশেষ কর অনুমোদনের ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। বর্তমানে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে স্থানীয় বিশেষ কর অনুমোদন সম্ভব হলেও নতুন প্রস্তাবে তা দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। আবাসন সংকট মোকাবিলায় ১১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের বন্ড অনুমোদনের প্রস্তাবও রয়েছে। এ অর্থ সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ, সংস্কার, বিদ্যমান আবাসন সংরক্ষণ এবং প্রবীণ সেনাসদস্যদের আবাসন সহায়তায় ব্যয় করা হবে।
এ ছাড়া প্রথমবারের মতো বাড়ি কিনতে আগ্রহীদের জন্য ২৫ বিলিয়ন ডলারের রাষ্ট্র-সমর্থিত মর্টগেজ সহায়তা কর্মসূচির প্রস্তাব আনা হয়েছে। যোগ্য ক্রেতারা বাড়ির মূল্যের সর্বোচ্চ ১৭ শতাংশ পর্যন্ত সহায়তা পাবেন। তবে তাদের অন্তত ৩ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিতে হবে। ব্যালটে থাকা অন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজ্যের জরুরি তহবিলের সীমা বৃদ্ধি, আবাসন ও অবকাঠামো প্রকল্পে পরিবেশগত পর্যালোচনার সময়সীমা কমানো, সরাসরি ভোটের ক্ষেত্রে সরকারি পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা, ডাকযোগে ভোটে অতিরিক্ত পরিচয় যাচাই, নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি অর্থায়নের সুযোগ এবং গভর্নরসহ নির্বাচিত কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার (রিকল) নির্বাচন পদ্ধতিতে পরিবর্তন।
এই ১৪টি প্রস্তাবের ওপর ভোটের ফলাফল ক্যালিফোর্নিয়ার করনীতি, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreনিউইয়র্কের লোয়ার ম্যানহাটনে ১০০ গোল্ড স্ট্রিটের পুরোনো সরকারি ভবনের জায়গায় প্রায় ৪ হাজার বাসা নির্মাণের পরিকল্পনা জনপর্যালোচনার পর্যায়ে নিয়েছে মেয়র জোহরান মামদানির প্রশাসন। ২২ সেপ্টেম্বর সিটির ঘোষণায় বলা হয়, প্রস্তাবিত বাসাগুলোর প্রায় ১ হাজার স্থায়ীভাবে সাশ্রয়ী ভাড়ার ও রেন্ট স্ট্যাবিলাইজড হবে। প্রকল্পটি এখনো নির্মাণ পর্যায়ে পৌঁছায়নি। সিটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থা এনওয়াইসিইডিসি জানিয়েছে, নতুন পরিকল্পনায় আগের হিসাবের চেয়ে প্রায় ৩০০টি বাসা বেশি রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন মেয়র এরিক অ্যাডামসের প্রশাসন প্রায় ৩ হাজার ৭০০ বাসা নির্মাণের জন্য জিএফপি রিয়েল এস্টেটকে নির্বাচিত করেছিল। মামদানি প্রশাসন সেই প্রকল্পের পরিসর বাড়িয়ে জনপর্যালোচনা শুরু করেছে। ১০০ গোল্ড স্ট্রিটে বর্তমানে সিটির কয়েকটি দপ্তর এবং বয়স্কদের একটি সেবাকেন্দ্র রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পে সেবাকেন্দ্রটির জন্য নতুন জায়গা, জনসাধারণের ব্যবহারের উন্মুক্ত পরিসর ও অন্যান্য সুবিধা থাকবে। বর্তমানে ভবনটিতে থাকা সরকারি দপ্তরগুলোকে অন্য অফিসে সরানো হবে। সিটির তথ্য অনুযায়ী, আগামী মাসে প্রকল্পের পরিবেশগত পর্যালোচনা নিয়ে গণশুনানি হবে। ভূমি ব্যবহারসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রক্রিয়ায় প্রকল্পটি ২০২৭ সালে প্রবেশ করতে পারে। ফলে বাসা নির্মাণের সংখ্যা, সময়সূচি ও চূড়ান্ত রূপ পর্যালোচনার পরই নিশ্চিত হবে।
ট্রাম্প এতই জঘন্য যে, আমার লেখা যেকোনো ভয়ের গল্পের চেয়েও তা ভয়ংকর : স্টিফেন কিং
রেস্তোরাঁয় খেয়ে বিল ফাঁকি: গ্রাহকদের শায়েস্তা করতে সামাজিক মাধ্যমে ছবি প্রকাশ করছেন নিউইয়র্কের মালিকরা
নিউইয়র্কে ডেলিভারি দিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার নারী, গ্রেপ্তার ১৪ বছরের কিশোর
যুক্তরাষ্ট্রে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, মাস্টার্স কিংবা পিএইচডি করতে আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ভিসা প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধারাবাহিক ধাপে সম্পন্ন হয়। বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, অ্যাপ্লিকেশন সাবমিট, সিলেকশন ও অফার লেটার, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা, আই-২০, সেভিস ফি, ডিএস-১৬০, ভিসা ফি এবং শেষ পর্যন্ত ভিসা ইন্টারভিউ, প্রতিটি ধাপ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে শিক্ষার্থীকে সেভিস অনুমোদিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হবে। প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীকে গ্রহণ করলে তাকে সেভিসে নিবন্ধন করা হয় এবং এরপর প্রতিষ্ঠান আই-২০ ইস্যু করে। আই-২০ পাওয়ার পর শিক্ষার্থী স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পুরো প্রক্রিয়াটি সহজভাবে বুঝতে হলে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি ধাপে প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে। প্রথম ধাপ: বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন - শুরুতেই শিক্ষার্থীকে নিজের একাডেমিক যোগ্যতা, পছন্দের বিষয়, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং আর্থিক সক্ষমতা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে গবেষণা করতে হবে। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং অ্যাপ্লিকেশনের নিয়ম আলাদা হতে পারে। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের মেজর বা গবেষণার সুযোগ রয়েছে, টিউশন ফি কত, স্কলারশিপ বা ফাইন্যান্সিয়াল এইডের সুযোগ আছে কি না, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কেমন এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কী ধরনের সুযোগ রয়েছে, এসব বিষয় যাচাই করে নিজের জন্য উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা তৈরি করা উচিত।y এডুকেশনইউএসএ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শুরুর অন্তত ১২ থেকে ১৮ মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রাম নিয়ে গবেষণা শুরু করার পরামর্শ দেয়। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো একক অফিসিয়াল কলেজ র্যাংকিং নেই। শিক্ষার্থীর একাডেমিক, আর্থিক ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনের সঙ্গে যে বিশ্ববিদ্যালয় সবচেয়ে ভালোভাবে মেলে, সেটিই তার জন্য উপযুক্ত হতে পারে। দ্বিতীয় ধাপ: বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাপ্লিকেশন সাবমিট - বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করার পর প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী অ্যাপ্লিকেশন প্রস্তুত করতে হবে। ট্রান্সক্রিপ্ট, পরীক্ষার ফলাফল, ইংরেজি ভাষা দক্ষতার প্রমাণ, সুপারিশপত্র, ব্যক্তিগত প্রবন্ধ, স্টেটমেন্ট অব পারপাস, সিভি বা গবেষণাসংক্রান্ত নথি প্রয়োজন হতে পারে। তবে সব বিশ্ববিদ্যালয় বা সব প্রোগ্রামের জন্য একই ধরনের ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় না। তাই যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা হচ্ছে, তাদের অফিসিয়াল অ্যাডমিশন নির্দেশনা অনুসরণ করাই গুরুত্বপূর্ণ। তৃতীয় ধাপ: বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেকশন ও অফার লেটার - অ্যাপ্লিকেশন সাবমিট করার পর বিশ্ববিদ্যালয় আবেদনকারীর একাডেমিক রেকর্ড, যোগ্যতা এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করবে। বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন গ্রহণ করলে শিক্ষার্থীকে সাধারণত একটি অফার লেটার বা অ্যাডমিশন লেটার দেওয়া হয়। এই পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দিতে হতে পারে এবং ভর্তি নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু কাজ সম্পন্ন করতে হতে পারে। চতুর্থ ধাপ: আই-২০ - অফার লেটার পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর তথ্য সেভিসে নিবন্ধন করে এবং এরপর ফর্ম আই-২০ ইস্যু করে। আই-২০ শিক্ষার্থী নিজে তৈরি করেন না। সেভিস অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত কর্মকর্তা শিক্ষার্থীর জন্য আই-২০ ইস্যু করেন। এতে শিক্ষার্থীর প্রোগ্রাম, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেভিস আইডিসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, আই-২০ পাওয়ার পর এবং সেভিসে নিবন্ধন সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বা কনস্যুলেটে স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। ভিসা ইন্টারভিউয়ের সময় আই-২০ দেখাতে হয়। পঞ্চম ধাপ: সেভিস ফি- আই-২০ পাওয়ার পর এফ-১ শিক্ষার্থীদের সেভিস আই-৯০১ ফি পরিশোধ করতে হয়। বর্তমানে এফ ও এম শিক্ষার্থীদের সেভিস ফি ৩৫০ ডলার। সেভিস ফি পরিশোধের রসিদ অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। পরবর্তী ভিসা প্রক্রিয়ায় এই রসিদ প্রয়োজন হতে পারে। ষষ্ঠ ধাপ: ডিএস-১৬০ - এরপর শিক্ষার্থীকে ডিএস-১৬০ পূরণ করতে হবে। ডিএস-১৬০ হলো যুক্তরাষ্ট্রের নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন। ডিএস-১৬০ পূরণ করার সময় আই-২০ সামনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে থাকা সেভিস আইডি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রয়োজন হবে। নাম, জন্মতারিখ, পাসপোর্টের তথ্য, শিক্ষাগত তথ্য, ভ্রমণের উদ্দেশ্যসহ সব তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। ডিএস-১৬০ সাবমিট করার পর এর কনফার্মেশন পেজ সংরক্ষণ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ডিএস-১৬০-এর তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে অ্যাপ্লিকেশন সংশোধন এবং ভিসা ইন্টারভিউ পুনর্নির্ধারণের প্রয়োজন হতে পারে। সপ্তম ধাপ: ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফি ও ইন্টারভিউ স্কেডিউল - ডিএস-১৬০ সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীকে প্রযোজ্য ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফি পরিশোধ করতে হবে। বর্তমানে এফ-১ স্টুডেন্ট ভিসার নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফি ১৮৫ ডলার। ফি পরিশোধের পর সংশ্লিষ্ট ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে ইন্টারভিউয়ের তারিখ নিতে হবে। তবে ডিএস-১৬০, ফি পরিশোধ এবং ইন্টারভিউ স্কেডিউলের সুনির্দিষ্ট ক্রম দূতাবাসভেদে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। তাই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বর্তমান গ্লোবাল ভিসা ওয়েট টাইম তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় এফ, এম ও জে ক্যাটাগরির পরবর্তী ইন্টারভিউ অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষার সময় বর্তমানে অর্ধ মাসের কম দেখানো হচ্ছে। তবে এই তথ্য নিয়মিত পরিবর্তিত হয় এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রাপ্যতা মৌসুম ও আবেদনকারীর সংখ্যার ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের আগেভাগেই ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অষ্টম ধাপ: ভিসা ইন্টারভিউ - ইন্টারভিউয়ের দিন শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। এর মধ্যে পাসপোর্ট, ডিএস-১৬০ কনফার্মেশন পেজ, ভিসা ফি পরিশোধের প্রমাণ, আই-২০ এবং সেভিস ফি পরিশোধের রসিদ গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজন অনুযায়ী একাডেমিক ও আর্থিক ডকুমেন্টও প্রস্তুত রাখা উচিত। কনস্যুলার অফিসার শিক্ষার্থীর একাডেমিক প্রস্তুতি, কেন যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে চান, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং কোন প্রোগ্রামে পড়বেন, পড়াশোনার খরচ কীভাবে বহন করবেন এবং পড়াশোনা শেষে পরিকল্পনা কী, এসব বিষয়ে জানতে পারেন। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত ডকুমেন্টও চাওয়া হতে পারে। তাই ইন্টারভিউয়ের আগে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়, প্রোগ্রাম, মেজর, পড়াশোনার খরচ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। মুখস্থ করা উত্তর দেওয়ার চেয়ে নিজের বাস্তব পরিস্থিতি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত ও সত্য উত্তর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনকারীদের অনলাইন প্রেজেন্সও বর্তমানে ভিসা ভেটিংয়ের অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সাম্প্রতিক নির্দেশনা অনুযায়ী, এফ-১ ও এম-১সহ শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অনলাইন প্রেজেন্স রিভিউ করা হতে পারে। ফলে ভিসা অ্যাপ্লিকেশনে দেওয়া তথ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ। সবশেষে মনে রাখতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পাওয়া মানেই স্টুডেন্ট ভিসা নিশ্চিত হওয়া নয়। একইভাবে আই-২০ পাওয়াও ভিসা অনুমোদনের নিশ্চয়তা নয়। ভিসা ইন্টারভিউতে প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হয় এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত ডকুমেন্ট বা প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতে পারে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পুরো প্রক্রিয়াটি তাই হওয়া উচিত ধারাবাহিকভাবে: প্রথমে নিজের জন্য উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় খোঁজা, এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাপ্লিকেশন সাবমিট, সিলেকশন হলে অফার লেটার পাওয়া, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দিয়ে আই-২০ সংগ্রহ, সেভিস ফি পরিশোধ, ডিএস-১৬০ সম্পন্ন, ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফি পরিশোধ, ইন্টারভিউ স্কেডিউল নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট নিয়ে ভিসা ইন্টারভিউ দেওয়া। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রতিটি ধাপে তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করা। ভিসা প্রক্রিয়ার নিয়ম, ফি এবং ইন্টারভিউয়ের সময়সূচি পরিবর্তিত হতে পারে। তাই আবেদন করার সময় সর্বশেষ সরকারি তথ্য যাচাই করেই পরবর্তী ধাপে যাওয়া উচিত।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় মা ও তার প্রেমিককে হত্যায় ১৮ বছরের তরুণীর ৫০ বছরের কারাদণ্ড
২০০ বছর পর প্রথম কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি
সাধারণ দাঁতব্যথা থেকে ধরা পড়ল ভয়াবহ ক্যানসার, বাঁচার লড়াই ৪ বছরের এলেনার
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বিখ্যাত কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪ সালে সংঘটিত একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের (গ্যাং রেপ) অভিযোগের তদন্ত পুনরায় শুরু করেছেন প্রসিকিউটররা। সম্প্রতি ভুক্তভোগী নারী নতুন করে একটি দেওয়ানি (সিভিল) মামলা দায়ের করলে ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সোমবার টম্পকিন্স কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ম্যাথিউ ভ্যান হাউটেন নতুন করে তদন্ত শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এক দীর্ঘ বিবৃতিতে তিনি জানান, তার কার্যালয় সাতজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযোগ গঠনের জন্য মামলাটি গ্র্যান্ড জুরির কাছে উপস্থাপন করবে। দুই বছর আগে কেন এই ঘটনার ফৌজদারি তদন্ত এগোয়নি—তার ব্যাখ্যায় ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি জানান, ওই সময় ক্যাম্পাসের পুলিশের কাছে দেওয়া ভুক্তভোগীর প্রাথমিক জবানবন্দির সঙ্গে বর্তমান মামলার অভিযোগের বেশ পার্থক্য রয়েছে। সে সময় ভুক্তভোগী তার মাদক গ্রহণ ও শারীরিক সম্পর্ককে 'স্বেচ্ছায় এবং সম্মতিসূচক' বলে উল্লেখ করেছিলেন। তবে ভুক্তভোগীর আইনজীবী থমাস জিউফ্রা সিএনএনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, পুলিশ রিপোর্টের সঙ্গে বর্তমান দাবির কোনো মৌলিক পার্থক্য নেই। শুরুতে যথাযথভাবে ও গভীরভাবে তদন্ত না করার জন্য তিনি উলটো ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির 'চি ফি' (Chi Phi) ফ্র্যাটার্নিটির সাত সদস্য এবং কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলায় দাবি করা হয়েছে, ঘটনার সময় ২০ বছর বয়সী ওই ছাত্রীকে অতিরিক্ত মদ ও মাদক পান করিয়ে বেসামাল করে তোলা হয়েছিল। তিনি যখন সম্মতি দেওয়ার মতো শারীরিক ও মানসিক অবস্থায় ছিলেন না, ঠিক তখনই তাকে যৌন নির্যাতন করা হয়। এমনকি স্ন্যাপচ্যাটের একটি গ্রুপ চ্যাটের মাধ্যমে অন্যান্য সদস্যদেরও এই পাশবিকতায় অংশ নিতে উৎসাহিত করা হয়েছিল বলে মামলায় প্রমাণসহ উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র কাইল কিম্বল জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন করে। তিনি আরও জানান, ২০২৪ সাল থেকেই অভিযুক্ত ফ্র্যাটার্নিটি সংগঠনটিকে ক্যাম্পাস থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে সময় নিজস্ব তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের আজীবনের জন্য বহিষ্কার ও সাময়িক বরখাস্তসহ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। অন্যদিকে, অভিযুক্তদের একজনের আইনজীবী জেরেমি স্যালান্ড দাবি করেছেন, তার মক্কেল কেবল স্ন্যাপচ্যাট গ্রুপে একটি অপরিণত মন্তব্য করেছিলেন, এর বাইরে তিনি কোনো অপরাধে জড়িত নন। তাই তারা যেকোনো সুষ্ঠু তদন্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে ফ্র্যাটার্নিটি হলো মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরুষ শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধাসহ বিশেষ ক্লাব।
মেয়েকে গাড়ি চালানো শেখাতে গিয়ে মিশিগানে বাংলাদেশি বাবার মর্মান্তিক মৃত্যু
নিউইয়র্কে তীব্র গরম মোকাবিলায় মামদানির উদ্যোগ, রোপণ করা হলো ১৮ হাজার গাছ