আমেরিকা

ওহাইওর একটি বাড়ি থেকে ১৬ শিশুকে জীবিত উদ্ধার, অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে চার প্রাপ্তবয়স্ক গ্রেপ্তার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১, ২০২৬ ৮:৪৫
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলের ছোট্ট গ্রাম হ্যামডেনে এক হৃদয়বিদারক অভিযানে একটি বাড়ি থেকে ১৬ জন শিশুকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শিশুদের অনেকেই গুরুতর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিল এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল। এ ঘটনায় চারজন প্রাপ্তবয়স্ককে শিশুদের জীবন বিপন্ন করার গুরুতর অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


মঙ্গলবার পরিচালিত অভিযানে ওহাইও ব্যুরো অব ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন এবং ভিন্টন কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সদস্যরা বাড়িটিতে প্রবেশ করে শিশুদের অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও মানবেতর পরিবেশে বসবাস করতে দেখেন। উদ্ধার হওয়া শিশুদের বয়স দেড় বছর থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা এতটাই গুরুতর ছিল যে দুই শিশুকে হেলিকপ্টারে করে বিশেষায়িত ট্রমা সেন্টারে নেওয়া হয় এবং অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


গ্রেপ্তার হওয়া চারজন হলেন গ্যারি সাইডার্স সিনিয়র, গ্যারি সাইডার্স জুনিয়র, এলিজাবেথ সাইডার্স এবং ক্রিস্টিনা সাইডার্স। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর শারীরিক ক্ষতির অভিযোগসহ একাধিক ফেলনি শিশু নির্যাতন ও শিশুদের জীবন বিপন্ন করার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ওহাইওর অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যান্ডি উইলসন ঘটনাস্থলের পরিস্থিতিকে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের অন্যতম ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শিশুদের যে পরিবেশে রাখা হয়েছিল তা কল্পনারও বাইরে এবং তাদের জন্য দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা ছিল অত্যন্ত জরুরি।


তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে মানবপাচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ, শিশুদের সঙ্গে অভিযুক্তদের সম্পর্ক এবং তারা কতদিন ধরে ওই অবস্থায় ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাড়িটিতে আরও একটি পৃথক তল্লাশিও চালানো হচ্ছে।


ওহাইওর গভর্নর মাইক ডিওয়াইন এক বিবৃতিতে বলেন, শিশুদের এমন অবস্থার খবর অত্যন্ত মর্মান্তিক। তিনি শিশু সুরক্ষা বিভাগ, চিকিৎসাকর্মী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।


বর্তমানে চার অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে শিশুদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ মিনেসোটা ও উত্তর আইওয়া অঙ্গরাজ্যে আজ (১ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত শক্তিশালী থেকে অতি তীব্র বজ্রঝড় আঘাত হানতে পারে বলে সতর্ক করেছে স্থানীয় আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সময়ে প্রবল দমকা হাওয়া, বড়

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ মিনেসোটা ও উত্তর আইওয়া অঙ্গরাজ্যে আজ (১ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত শক্তিশালী থেকে অতি তীব্র বজ্রঝড় আঘাত হানতে পারে বলে সতর্ক করেছে স্থানীয় আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সময়ে প্রবল দমকা হাওয়া, বড় আকারের শিলাবৃষ্টি, বিচ্ছিন্ন টর্নেডো এবং অতিভারী বৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।   সকালের ঝড় সরে যাওয়ার পর দিনের বেলায় গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করবে। বিকেলের শেষ ভাগ থেকে নতুন করে বজ্রঝড় সৃষ্টি হওয়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে এবং সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঝড়ের তীব্রতা বাড়তে পারে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কিছু এলাকায় ঘণ্টায় প্রায় ১১৩ কিলোমিটার (৭০ মাইল) বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এছাড়া গলফ বলের সমান বা তারও বড় শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নিচু এলাকা, ছোট নদী-খাল এবং দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার এলাকাগুলোতে আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। ধীরগতির বজ্রঝড়ের কারণে অল্প সময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা ও সড়ক প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বাসিন্দাদের আবহাওয়ার সর্বশেষ সতর্কবার্তা অনুসরণ, অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং বজ্রঝড় শুরু হলে নিরাপদ ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে প্লাবিত সড়ক পার হওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১, ২০২৬ ৯:১৯

ফ্লোরিডায় একসঙ্গে কার্যকর ১৩২ নতুন আইন, বদলে যাচ্ছে ট্রাফিক, শিক্ষা, ব্যবসা ও ভোক্তা সুরক্ষার নিয়ম

ওহাইওর একটি বাড়ি থেকে ১৬ শিশুকে জীবিত উদ্ধার, অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে চার প্রাপ্তবয়স্ক গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রে ৪ দিনের কর্মসপ্তাহ প্রস্তাব, বেতন অপরিবর্তিত রাখার পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্রে ৪ দিনের কর্মসপ্তাহ প্রস্তাব, বেতন অপরিবর্তিত রাখার পরিকল্পনা

সংগৃহীত
ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন খাদ্য নিরাপত্তা আইন কার্যকর, অলিভ গার্ডেনসহ বড় রেস্তোরাঁ চেইনের মেনুতে বাধ্যতামূলক অ্যালার্জেন তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন খাদ্য নিরাপত্তা আইন, যার ফলে অলিভ গার্ডেনসহ বড় রেস্তোরাঁ চেইনগুলোকে তাদের মেনুতে খাবারে থাকা প্রধান অ্যালার্জেন সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য উল্লেখ করতে হবে। নতুন আইনের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ২০ বা তার বেশি শাখা রয়েছে এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় পরিচালিত এমন সব রেস্তোরাঁ চেইনকে প্রতিটি খাবারে তথাকথিত “বিগ নাইন” বা নয়টি প্রধান খাদ্য অ্যালার্জেনের উপস্থিতি লিখিতভাবে জানাতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে দুধ, ডিম, মাছ, খোলসযুক্ত সামুদ্রিক প্রাণী, গাছজাত বাদাম, চিনাবাদাম, গম, সয়াবিন এবং তিল। আইন অনুযায়ী, এই তথ্য সরাসরি মেনুতে, কিউআর কোডের মাধ্যমে ডিজিটালভাবে অথবা আলাদা লিখিত তালিকার মাধ্যমে গ্রাহকদের সামনে উপস্থাপন করা যাবে। তবে শুধুমাত্র ডিজিটাল তথ্য দিলে তার পাশাপাশি একটি অ-ডিজিটাল বিকল্পও রাখতে হবে, যাতে সব গ্রাহক সহজে তথ্য দেখতে পারেন। এই নতুন বিধানের আওতায় অলিভ গার্ডেন, টেক্সাস রোডহাউস, লংহর্ন স্টেকহাউসসহ বড় জাতীয় রেস্তোরাঁ ব্র্যান্ডগুলো তাদের মেনু ও অর্ডারিং পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছে। যদিও অলিভ গার্ডেন আগে থেকেই তাদের ওয়েবসাইটে অ্যালার্জেন-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করত, এখন ক্যালিফোর্নিয়ার আইনের কারণে সেই তথ্য গ্রাহকদের অর্ডার দেওয়ার সময় আরও স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে।   ক্যালিফোর্নিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুরুতর খাদ্য অ্যালার্জিতে আক্রান্ত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং খাবার নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ করাই এই আইনের মূল উদ্দেশ্য। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম অঙ্গরাজ্যভিত্তিক আইন, যেখানে বড় রেস্তোরাঁ চেইনের জন্য মেনুতে প্রধান খাদ্য অ্যালার্জেন উল্লেখ বাধ্যতামূলক করা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১, ২০২৬ ৭:৫৫
সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের তিন অঙ্গরাজ্যে নতুন আইন কার্যকর, বদলাচ্ছে চাকরি, মজুরি ও সড়ক নিরাপত্তার নিয়ম

সংগৃহীত

যুদ্ধ, মূল্যস্ফীতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উদ্বেগ উপেক্ষা করে রেকর্ড ছুঁইছুঁই যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে পিএইচডি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্ত নিজ বোনের স্বামী; যাকে বলেছিলেন ‘পৃথিবীর অন্যতম অসাধারণ মানুষ’

হোয়াইট হাউসের সামনে ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
এক বছরে ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকেই ১.২ বিলিয়ন ডলার আয় ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত এক বছরে ক্রিপ্টোকারেন্সি-সংশ্লিষ্ট ব্যবসা থেকে প্রায় ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রকাশিত সর্বশেষ আর্থিক বিবরণীতে এই তথ্য উঠে এসেছে। এ আয় তাঁর পরিবারের সদস্যদের পরিচালিত বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্যোগে অংশগ্রহণ ও লাইসেন্সিং চুক্তির মাধ্যমে এসেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।   মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিকতা বিষয়ক সরকারি দপ্তর ৯২৭ পৃষ্ঠার একটি আর্থিক বিবরণী প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, ট্রাম্প ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইনানশিয়াল নামের একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি স্টার্টআপের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থেকে ৫৫০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।   ডব্লিউএলএফ নামে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে রয়েছেন ট্রাম্পের তিন ছেলে এবং তাঁর মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ছেলে।   এ ছাড়া $TRUMP নামে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সির লাইসেন্সিং চুক্তি থেকে ট্রাম্প আরও ৬৩৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি এই ক্রিপ্টোকারেন্সিকে নিজের নাম ব্যবহারের অনুমতি দেন।   ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে পাওয়া বিপুল আয়ের কারণে ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। বর্তমানে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফোর্বসের বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তাঁর অবস্থান ৬৯২তম।   রাজনীতিতে আসার আগে ট্রাম্প একজন আবাসন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আশির দশকেই তিনি বিলিয়নিয়ার হিসেবে পরিচিতি পান। তবে প্রেসিডেন্ট থাকাকালেই ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে বিনিয়োগ এবং একই সময়ে এ খাতের নিয়ন্ত্রণ শিথিল করতে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ উঠেছে। সমালোচকদের দাবি, এসব সিদ্ধান্তের ফলে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।   যদিও এ ধরনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউস। এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের প্রধান উপপ্রেস সচিব আনা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্ট বা তাঁর পরিবারের সদস্যরা কখনোই স্বার্থের সংঘাতে জড়াননি এবং ভবিষ্যতেও জড়াবেন না।   তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানীতে পরিণত করতে কাজ করেছেন। তাঁর প্রশাসনের প্রতিটি সিদ্ধান্তই মার্কিন জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে নেওয়া হয়েছে। আনা কেলির দাবি, ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনায় যেসব প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে, সেগুলোর মাধ্যমে কিছু গণমাধ্যম ডেমোক্র্যাটদের রাজনৈতিক বক্তব্যকেই পুনরায় প্রচার করছে।   যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৮ সালের একটি আইন অনুযায়ী, দেশটির প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টকে নিয়মিতভাবে তাঁদের আয়, সম্পদ ও আর্থিক স্বার্থের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১, ২০২৬ ৬:৪৫
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে রিপাবলিকান-ডেমোক্র্যাট ঐক্য, বাড়ছে চাপ

ফাইল ছবি

নিউইয়র্কে শিশু ডে-কেয়ার সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বিল পাস

সংগৃহীত

জে. কে. রাউলিংয়ের সঙ্গে ছবি প্রকাশে বিতর্কে রানি ক্যামিলা, প্রাইড মাসে সমালোচনার ঝড়

0 Comments