সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ফোবানা কনভেনশনে যোগ দিতে লস অ্যাঞ্জেলেসে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: আগস্ট ২৯, ২০২৬ ২২:৫৬
লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ফোবানা আয়োজকেরা। ছবি: সংগৃহীত
লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ফোবানা আয়োজকেরা। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছেছেন ৪০তম ফোবানা কনভেনশন ২০২৬ এর প্রধান অতিথি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

 

শনিবার দুপুরে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ফোবানা হোস্ট কমিটির কনভেনর ড. জয়নুল আবেদীন, টাইটেল স্পন্সর মুনিরুল ইসলাম, চিফ প্যাট্রন শিপার চৌধুরীসহ হোস্ট কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

এ সময় লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল কাজী মুহাম্মদ জাবেদ ইকবাল, ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী শিপলু, সাধারণ সম্পাদক এম. ওয়াহিদ রহমান, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মুনিম, সাধারণ সম্পাদক লায়েক আহমেদ, বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস অ্যাঞ্জেলেস (বাফলা)-এর সাধারণ সম্পাদক নাসির সৈয়দ জেবুলসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং মন্ত্রীর নিকটাত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

 

তিন দিনব্যাপী ৪০তম ফোবানা কনভেনশন ২০২৬ লস অ্যাঞ্জেলেসের ইউনিভার্সাল সিটিতে অবস্থিত ইউনিভার্সল হিলটন এ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর এ কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। ভেন্যুটির ঠিকানা ৫৫৫ Universal Hollywood Drive, Universal City, California

কনভেনশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

 

উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে পরিচিত ফোবানা কনভেনশন। প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও প্রদেশ থেকে বাংলাদেশি-আমেরিকান ও বাংলাদেশি-কানাডিয়ানরা এ আয়োজনে অংশ নেন।

এবারের ৪০তম ফোবানা কনভেনশনের হোস্ট সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্নিয়া। লস অ্যাঞ্জেলেসের হলিউড সংলগ্ন ইউনিভার্সাল সিটিতে আয়োজন হওয়ায় এবারের কনভেনশনকে ঘিরে প্রবাসীদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

 

আয়োজকদেরা জানান, তিন দিনের এই কনভেনশনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা, বিভিন্ন প্রতিভা প্রদর্শন, যুব কার্যক্রম, সম্মাননা ও কমিউনিটি গ্যাদারিংয়ের পাশাপাশি খাবার, পরিবারকেন্দ্রিক আয়োজন ও বিভিন্ন কর্মশালার ব্যবস্থা থাকবে।

 

ফোবানা দীর্ঘদিন ধরে উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠন ও প্রবাসীদের একটি বৃহৎ প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখে আসছে। বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চর্চা, নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং প্রবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদার করাও এ ধরনের আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

 

৪০তম ফোবানা কনভেনশনে বাংলাদেশ সরকারের একজন মন্ত্রীর প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণকে তাই প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

লস অ্যাঞ্জেলেসে মন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ফোবানা হোস্ট কমিটি ও স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। কনভেনশনকে সফল করতে আয়োজকরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিও হত্যাকাণ্ডে তদন্তাধীন হোসে সেরানোকে ইকুয়েডরে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ইকুয়েডরের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেশে ফেরত পাঠাল আইসিই, প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ

ইকুয়েডরের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে সেরানোকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করে নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। ২০২৩ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইকুয়েডরের তদন্তে থাকা সেরানো শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইকুয়েডরে ফেরেন। দেশটিতে পৌঁছানোর পর তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে।   সেরানো ইকুয়েডরের সাবেক প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়ার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৭ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশটির জাতীয় পরিষদের সভাপতিও ছিলেন। ভিলাভিসেনসিও হত্যাকাণ্ডের তদন্তে তিনি সাতজন সন্দেহভাজনের একজন হিসেবে রয়েছেন।   ইকুয়েডরের সরকারি কৌঁসুলির কার্যালয়ের অভিযোগ, সেরানো মাদক চোরাচালানকারী গোষ্ঠী লস লোবোসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ভিলাভিসেনসিওর চলাফেরা ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করেছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।   ভিলাভিসেনসিও ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট রাজধানী কুইটোতে নির্বাচনী প্রচারের একটি সমাবেশ শেষে বের হওয়ার সময় গুলিতে নিহত হন। ওই সময় তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী ছিলেন। হামলায় ছয়জন কলম্বীয় নাগরিককে হত্যাকারী হিসেবে আটক করা হয়েছিল। পরে ২০২৩ সালের অক্টোবরে কারাগারে ওই ছয়জনই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।   সেরানোর বিরুদ্ধে তদন্তে আরও কয়েকজনের নাম এসেছে। এর মধ্যে লস লোবোসের নেতা উইলমার ‘পিপো’ চাভারিয়া রয়েছেন। তিনি নিজের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে আত্মগোপন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে স্পেনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বর্তমানে তাকে ইকুয়েডরে প্রত্যর্পণের অপেক্ষায় রাখা হয়েছে। ভিলাভিসেনসিও হত্যাকাণ্ডে লস লোবোসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঁচজনকে ২০২৪ সালে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।   যুক্তরাষ্ট্রে সেরানোর অবস্থানও ছিল দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসনসংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে। তিনি ২০২১ সালের মে মাসে পর্যটন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন এবং পাঁচ মাস পর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। ২০২৫ সালের আগস্টে ভিসার অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ কর্তৃপক্ষ আইসিই তাকে মিয়ামির বাসা থেকে আটক করে। এরপর তিনি অভিবাসন হেফাজতে ছিলেন।   চলতি বছরের মে মাসে মার্কিন অভিবাসন বিচারক রোমি লার্নার সেরানোর আশ্রয়ের আবেদন নাকচ করেন। তবে একই সঙ্গে জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনের আওতায় তার বহিষ্কার স্থগিত করা হয়। ইকুয়েডরে ফেরত পাঠালে তিনি নির্যাতনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন, এমন আশঙ্কার কারণে ওই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল।   তারপরও শেষ পর্যন্ত আইসিই সেরানোকে ইকুয়েডরে পাঠায়। যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম গোলার্ধবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুয়ান পাবলো সেগুরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, দুর্নীতি ও মাদক চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ইন্টারপোলের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি সেরানোকে ইকুয়েডরে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন আর বিদেশি অপরাধীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হবে না।   ইকুয়েডরে পৌঁছানোর পর সেরানোকে নিরাপত্তার মধ্যে কারাগারে নেওয়া হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ আগস্ট রাতে তার বহনকারী বিমান গুয়ায়াকিলের জোসে জোয়াকিন দে ওলমেদো বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর তাকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার কারাগার এল এনকুয়েন্ত্রোতে পাঠানো হয়। তার বিরুদ্ধে দেশটিতে আগে থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও হেফাজতে রাখার আদেশ কার্যকর ছিল।   সেরানোকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি ইকুয়েডরের রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোড়ন তৈরি করেছে। প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেরানোকে এল এনকুয়েন্ত্রো কারাগারের নতুন ‘অতিথি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই পোস্টে তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরিয়ার দিকেও ইঙ্গিত করে লেখেন, ‘এবার আপনার পালা।’ কোরিয়া বর্তমানে বেলজিয়ামে বসবাস করছেন।   অন্যদিকে ভিলাভিসেনসিওর দুই মেয়ে আমান্ডা ও তামিয়া সেরানোর ইকুয়েডরে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা ঘটনাটিকে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে সেরানোর পরিবারের পক্ষ থেকে তার বহিষ্কার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে এবং তার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।   ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিও হত্যাকাণ্ড ইকুয়েডরের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। দুর্নীতি ও সংগঠিত অপরাধ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার জন্য পরিচিত এই রাজনীতিককে নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে হত্যা করা হয়েছিল। তার হত্যার তদন্তে মাদক চক্র, কারাগার ও রাজনৈতিক যোগাযোগের সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   সেরানোকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইকুয়েডরে ফেরত পাঠানোর ফলে এখন তার বিরুদ্ধে চলমান মামলার পরবর্তী ধাপ দেশটির আদালতেই এগোবে। তবে হত্যাকাণ্ডে তার প্রকৃত ভূমিকা কী ছিল, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।   সংবাদ সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৯, ২০২৬ ২৩:৪৮
নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন ধর্মীয় ও নাগরিক অধিকার সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত

নিউ ইয়র্কে ভারতের হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন আরএসএস প্রধানের অনুষ্ঠান ঘিরে বিক্ষোভ মুসলিমদের

চাকরি হারানো এইচ-১বি কর্মীদের জন্য ৬০ দিনের সুযোগ বাতিলের প্রস্তাব এগিয়ে নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত

চাকরি হারালেই দ্রুত ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্র, H-1B ভিসাধারীদের জন্য ট্রাম্পের নতুন পরিকল্পনা

লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ফোবানা আয়োজকেরা। ছবি: সংগৃহীত

ফোবানা কনভেনশনে যোগ দিতে লস অ্যাঞ্জেলেসে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

ইসরায়েলের সমালোচনা করার কারণে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আর দেশ থেকে বের করে দিতে পারবে না ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের সমালোচনা করা শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করতে পারবেন না ট্রাম্প, মার্কিন আদালতের রায়

যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধের সমালোচনা বা ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে মত প্রকাশের কারণে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল বা দেশ থেকে বহিষ্কার করা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ফেডারেল আদালত। আদালত বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের বাক্‌স্বাধীনতার সুরক্ষা লঙ্ঘন করে।   সান হোসের ফেডারেল বিচারক নোয়েল ওয়াইজ শুক্রবার দেওয়া ৯০ পৃষ্ঠার রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া কিছু অভিবাসন পদক্ষেপকে অসাংবিধানিক বলে উল্লেখ করেন। মামলাটি করেছিল স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিচালিত সংবাদপত্র ‘দ্য স্ট্যানফোর্ড ডেইলি’। পত্রিকাটির দাবি ছিল, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে মত প্রকাশের কারণে বিদেশি শিক্ষার্থীরা ভিসা বাতিল ও বহিষ্কারের আশঙ্কায় নিজেদের মত প্রকাশ থেকে বিরত থাকছিলেন।   বিচারক ওয়াইজ তাঁর রায়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী নাগরিকদের পাশাপাশি বৈধভাবে দেশটিতে অবস্থানরত অ-নাগরিকদেরও মত প্রকাশের অধিকার সুরক্ষিত করে। সরকারের পছন্দ নয় এমন মত প্রকাশ করলেই অভিবাসন আইন ব্যবহার করে কাউকে শাস্তি দেওয়া সেই অধিকারকে কার্যত সীমিত করে দেয়।   মামলার সূত্রপাত মূলত ২০২৫ সালের ঘটনাপ্রবাহ থেকে। সে সময় ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনে যুক্ত কয়েকজন বিদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীকে ভিসা বাতিল, আটক এবং বহিষ্কারের উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাহমুদ খলিল এবং টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের রুমাইসা ওজতুর্কের ঘটনাও ব্যাপক আলোচনায় আসে। এসব ঘটনার পর স্ট্যানফোর্ড ডেইলি আশঙ্কা প্রকাশ করে যে তাদের বিদেশি শিক্ষার্থী সাংবাদিকরাও একই ধরনের সরকারি পদক্ষেপের মুখে পড়তে পারেন।   আদালতের নথি অনুযায়ী, স্ট্যানফোর্ড ডেইলির কয়েকজন বৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি শিক্ষার্থী ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন নিয়ে লেখা প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছিলেন। কেউ আগে প্রকাশিত লেখা সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেছেন, কেউ নতুন লেখা প্রকাশ থেকে বিরত থেকেছেন, আবার কেউ নিজেদের পরিচয় গোপন রাখার অনুরোধ করেছেন। এমনকি কয়েকজন শিক্ষার্থী সংবাদপত্রটির কাজ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন।   বিচারক ওয়াইজ বলেন, সরকারের পদক্ষেপের ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে একটি ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে কার্যত এমন বার্তা পৌঁছেছিল যে ইসরায়েলের সমালোচনা বা ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে কথা বললে তাদের ভিসা বাতিল এবং বহিষ্কার করা হতে পারে। ফলে অনেকেই নিজেদের মত প্রকাশ থেকে বিরত হয়েছেন।   রায়ে বিচারক আরও বলেন, সরকারের পররাষ্ট্রনীতি ও অভিবাসন বিষয়ে যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে। তবে সেই ক্ষমতা এমনভাবে প্রয়োগ করা যাবে না, যাতে সাধারণ মানুষ বুঝতেই না পারেন কোন ধরনের বক্তব্য আইনসম্মত এবং কোন বক্তব্যের কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তিনি এই ধরনের অস্পষ্ট মানদণ্ডকে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।   ওয়াইজের মতে, গণতন্ত্রে বাক্‌স্বাধীনতার অর্থ শুধু সরকারের সঙ্গে একমত হওয়ার অধিকার নয়। সরকারের নীতি, পররাষ্ট্রনীতি, সামরিক কর্মকাণ্ড বা যুদ্ধের সমালোচনা করার অধিকারও এর অংশ। এমনকি কোনো মতামত প্রচলিত রাজনৈতিক ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বা অনেকের কাছে অগ্রহণযোগ্য হলেও, সেটি প্রকাশের অধিকার সংবিধান সুরক্ষা দিতে পারে।   এই মামলায় স্ট্যানফোর্ড ডেইলির পক্ষে কাজ করেছে ফাউন্ডেশন ফর ইন্ডিভিজুয়াল রাইটস অ্যান্ড এক্সপ্রেশন। সংগঠনটির আইনজীবী কনর ফিটজপ্যাট্রিক আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাক্‌স্বাধীনতা শুধু সরকারের পছন্দের মত প্রকাশকারীদের জন্য নয়।   স্ট্যানফোর্ড ডেইলির প্রধান সম্পাদক জর্জ পোরটিয়াসও রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, সংবাদকক্ষে কাজ করা সাংবাদিকদের কোনো প্রতিবেদন লেখার কারণে দেশ থেকে বহিষ্কারের ভয় পাওয়া উচিত নয়। তাঁর মতে, আদালতের সিদ্ধান্তের ফলে সেই ভয় অনেকটাই দূর হবে।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ রায়টির বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। ফলে প্রশাসন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।   ক্যালিফোর্নিয়ার এই রায়টি এমন সময়ে এলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন দমনের পদক্ষেপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক আইনি লড়াই চলছে। এর আগে বোস্টনের একজন ফেডারেল বিচারকও রায় দিয়েছিলেন যে শুধু ফিলিস্তিনিদের সমর্থন বা ইসরায়েলের সমালোচনার কারণে অ-নাগরিকদের বহিষ্কারের উদ্যোগ সংবিধানবিরোধী।   সাম্প্রতিক রায়টি বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ আদালত স্পষ্ট করেছে, যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রেও সাংবিধানিক বাক্‌স্বাধীনতার সুরক্ষা প্রযোজ্য এবং অভিবাসন আইনের ক্ষমতা ব্যবহার করে রাজনৈতিক মত প্রকাশ দমন করা যাবে না।   সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, রয়টার্স ও স্ট্যানফোর্ড ডেইলি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৯, ২০২৬ ২১:২৮
স্বাস্থ্যকর খাবার ও সঠিক ডায়েট নির্বাচনের ওপর লিভারের সুস্থতা অনেকটাই নির্ভর করে। ছবি: সংগৃহীত

লিভারের চর্বি কমাতে কিটো ডায়েট এগিয়ে, গবেষণায় চর্বি কমেছে ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত

ফ্লোরিডায় ১৭ বছরের ছাত্রের সঙ্গে একাধিকবার যৌ ন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে শিক্ষিকার ৭ বছরের কারাদণ্ড

ফ্লোরিডায় ১৭ বছরের ছাত্রের সঙ্গে একাধিকবার যৌ ন সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে শিক্ষিকার ৭ বছরের কারাদণ্ড

লস অ্যাঞ্জেলেসে অ্যাপার্টমেন্টের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে নারীর আত্মহ ত্যা, থামাতে পারেনি উদ্ধারকর্মীরা

লস অ্যাঞ্জেলেসে অ্যাপার্টমেন্টের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে নারীর আত্মহ ত্যা, থামাতে পারেনি উদ্ধারকর্মীরা

বেনিয়ার্ড, ৭৪ বছর বয়সী বৃদ্ধা গ্রেফতার
ফ্লোরিডায় তপ্ত গাড়িতে এক বছরের নাতনির মৃ ত্যু, শিশুকে গাড়িতে রেখে ঘুমানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার দাদি

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় এক বছর বয়সী নিজের নাতনিকে তপ্ত গাড়ির ভেতর ফেলে রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে কারেন বেনিয়ার্ড নামের ৭৪ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।   মর্মান্তিক এই অবহেলার কারণে ওই দাদির বিরুদ্ধে গুরুতর নরহত্যার (অ্যাগ্রাভেটেড ম্যানস্লটার) অভিযোগ এনেছে স্থানীয় পুলিশ।   তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত কারেন বেনিয়ার্ড শিশুটিকে অন্তত ৯০ মিনিটের বেশি সময় ধরে একটি বন্ধ ও উত্তপ্ত গাড়ির ভেতর রেখে বাড়ির ভেতরে গিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছিলেন।   তীব্র গরমে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার ফলে একপর্যায়ে শিশুটির করুণ মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে সেলফোনের ডেটা এবং বাড়ির রিং ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ এই মর্মান্তিক মৃত্যুর পেছনের সময়রেখা সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হয়েছে।   আপন দাদির এমন চরম অবহেলায় ছোট্ট একটি প্রাণের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ২৯, ২০২৬ ১৭:৫১
ই স রায়েলের সমালোচনা করলেই ডিপোর্ট? ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগকে অসাংবিধানিক বলল ফেডারেল আদালত

ই স রায়েলের সমালোচনা করলেই ডিপোর্ট? ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগকে অসাংবিধানিক বলল ফেডারেল আদালত

বিদেশে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে ২৪৬টি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, সবচেয়ে বেশি পোল্যান্ডে

বিদেশে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে ২৪৬টি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, সবচেয়ে বেশি পোল্যান্ডে

নিউইয়র্কে তরুণ-তরুণীদের বিনামূল্যে ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণ, সঙ্গে অর্থ উপার্জনের সুযোগ

নিউইয়র্কে তরুণ-তরুণীদের বিনামূল্যে ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণ, সঙ্গে অর্থ উপার্জনের সুযোগ

0 Comments