সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

তুরস্কের ব্যাংকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ইরানের ওপর চাপ আরও বাড়াল ওয়াশিংটন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ৯:৩৮
ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে তুরস্কের একটি ব্যাংক ও দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে তুরস্কের একটি ব্যাংক ও দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে তুরস্কের একটি ব্যাংক ও এর দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্তাম্বুলভিত্তিক গোল্ডেন গ্লোবাল ইয়াতিরিম ব্যাংকাসি এবং এর দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার কথা জানায়। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠান ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ও আর্থিক লেনদেনে সহায়তা করেছে।

 

নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো গোল্ডেন গ্লোবাল ইয়াতিরিম ব্যাংকাসি, গোল্ডেন গ্লোবাল পোর্টফয় পোনেতিমি এবং গোল্ডেন গ্লোবাল ভারলিক কিরালামা। মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনটি প্রতিষ্ঠানকেই বিশেষভাবে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে তাদের লেনদেনের সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

 

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, গোল্ডেন গ্লোবাল ইরানের ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে চীন থেকে তুরস্কে তেল বিক্রির অর্থ স্থানান্তরে ভূমিকা রেখেছে। পরে সেই অর্থ নগদ অর্থ ও সোনায় রূপান্তরের সুযোগ তৈরি করা হতো বলেও অভিযোগ করেছে ওয়াশিংটন। প্রতিষ্ঠানটি ইরানের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার মাধ্যমে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত হিসাব ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছে বলেও মার্কিন কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।

 

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য ও আর্থিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত রাখবে। ইরানের আর্থিক যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল করার বৃহত্তর মার্কিন উদ্যোগের অংশ হিসেবেই সর্বশেষ এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর আগে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে অন্য দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে ওয়াশিংটন।

 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান নিষেধাজ্ঞা কার্যক্রমে নেটো জোটভুক্ত কোনো দেশের ব্যাংকের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম এমন পদক্ষেপ। নিষেধাজ্ঞা বিশেষজ্ঞদের মতে, তুরস্কের একটি ব্যাংককে লক্ষ্য করে এ পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে আর্থিক যোগাযোগ রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, তুরস্কের ব্যাংকটির সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া অন্য বিদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানও পরবর্তী সময়ে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

 

তবে গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংক মার্কিন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। ব্যাংকটি জানিয়েছে, তারা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং এবং নিয়মনীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তারা তাদের গ্রাহক নয় এবং তাদের সঙ্গে ব্যাংকটির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো সম্পর্কও নেই বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অভিযোগকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে আইনি অধিকার প্রয়োগের কথাও জানিয়েছে ব্যাংকটি।

 

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৫ হাজার কোটি তুর্কি লিরা। রয়টার্সের হিসাবে, এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫২ কোটি মার্কিন ডলারের সমান। আকারে ছোট হলেও তুরস্কের এই ব্যাংককে লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা দেওয়াকে ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কের ওপর চাপ বাড়ানোর বৃহত্তর মার্কিন উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

এদিকে নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। একজন নিষেধাজ্ঞা বিশেষজ্ঞ মনে করেন, গোল্ডেন গ্লোবালের ওপর পদক্ষেপ ইরানের ওপর চাপ কিছুটা বাড়াতে পারে। তবে এর মাধ্যমে যুদ্ধের গতিপথ পরিবর্তন করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

 

সর্বশেষ এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের অর্থনৈতিক ও আর্থিক যোগাযোগব্যবস্থার ওপর চাপ আরও জোরদার করল যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কয়েকটি ব্যাংক শাখার বিরুদ্ধেও ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল ওয়াশিংটন। মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন ও নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর কাজে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

 

সূত্র: রয়টার্স


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে তুরস্কের একটি ব্যাংক ও দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত
তুরস্কের ব্যাংকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ইরানের ওপর চাপ আরও বাড়াল ওয়াশিংটন

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে তুরস্কের একটি ব্যাংক ও এর দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্তাম্বুলভিত্তিক গোল্ডেন গ্লোবাল ইয়াতিরিম ব্যাংকাসি এবং এর দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার কথা জানায়। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠান ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ও আর্থিক লেনদেনে সহায়তা করেছে।   নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো গোল্ডেন গ্লোবাল ইয়াতিরিম ব্যাংকাসি, গোল্ডেন গ্লোবাল পোর্টফয় পোনেতিমি এবং গোল্ডেন গ্লোবাল ভারলিক কিরালামা। মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনটি প্রতিষ্ঠানকেই বিশেষভাবে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে তাদের লেনদেনের সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।   মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, গোল্ডেন গ্লোবাল ইরানের ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে চীন থেকে তুরস্কে তেল বিক্রির অর্থ স্থানান্তরে ভূমিকা রেখেছে। পরে সেই অর্থ নগদ অর্থ ও সোনায় রূপান্তরের সুযোগ তৈরি করা হতো বলেও অভিযোগ করেছে ওয়াশিংটন। প্রতিষ্ঠানটি ইরানের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার মাধ্যমে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুদস বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত হিসাব ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছে বলেও মার্কিন কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।   মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য ও আর্থিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত রাখবে। ইরানের আর্থিক যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল করার বৃহত্তর মার্কিন উদ্যোগের অংশ হিসেবেই সর্বশেষ এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর আগে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে অন্য দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে ওয়াশিংটন।   রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান নিষেধাজ্ঞা কার্যক্রমে নেটো জোটভুক্ত কোনো দেশের ব্যাংকের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম এমন পদক্ষেপ। নিষেধাজ্ঞা বিশেষজ্ঞদের মতে, তুরস্কের একটি ব্যাংককে লক্ষ্য করে এ পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে আর্থিক যোগাযোগ রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, তুরস্কের ব্যাংকটির সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া অন্য বিদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানও পরবর্তী সময়ে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।   তবে গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংক মার্কিন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। ব্যাংকটি জানিয়েছে, তারা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং এবং নিয়মনীতি মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তারা তাদের গ্রাহক নয় এবং তাদের সঙ্গে ব্যাংকটির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো সম্পর্কও নেই বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অভিযোগকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে আইনি অধিকার প্রয়োগের কথাও জানিয়েছে ব্যাংকটি।   মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৫ হাজার কোটি তুর্কি লিরা। রয়টার্সের হিসাবে, এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫২ কোটি মার্কিন ডলারের সমান। আকারে ছোট হলেও তুরস্কের এই ব্যাংককে লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা দেওয়াকে ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কের ওপর চাপ বাড়ানোর বৃহত্তর মার্কিন উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   এদিকে নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। একজন নিষেধাজ্ঞা বিশেষজ্ঞ মনে করেন, গোল্ডেন গ্লোবালের ওপর পদক্ষেপ ইরানের ওপর চাপ কিছুটা বাড়াতে পারে। তবে এর মাধ্যমে যুদ্ধের গতিপথ পরিবর্তন করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।   সর্বশেষ এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের অর্থনৈতিক ও আর্থিক যোগাযোগব্যবস্থার ওপর চাপ আরও জোরদার করল যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কয়েকটি ব্যাংক শাখার বিরুদ্ধেও ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল ওয়াশিংটন। মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন ও নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর কাজে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।   সূত্র: রয়টার্স

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ৯:৩৮
মস্কো সফর শেষে উইটকফ ও কুশনার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে যাবেন

যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে মস্কোয় উইটকফ-কুশনার, কিয়েভ সফর ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

ছেলেকে হারানোর শোকের কথা জানিয়ে বাইডেনকে চিঠি, মায়ের হাতে ফিরল আবেগঘন উত্তর

ছেলেকে ক্যানসারে হারিয়ে বাইডেনকে চিঠি, ৫ দিন পর যে উত্তর পেলেন মা

ট্রাম্পবিরোধী প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে মাথা ন্যাড়া করছেন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নারী

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মাথা ন্যাড়া করছেন যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা

এনভিডিয়া, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেনারেল মোটরস ও এটিঅ্যান্ডটির মতো বড় প্রতিষ্ঠান এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে
কলেজ ডিগ্রি ছাড়াই ৬ অঙ্কের বেতন! যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে নতুন ক্যারিয়ারের সুযোগ

যুক্তরাষ্ট্রে ভালো বেতনের চাকরি করতে চার বছরের কলেজ ডিগ্রি সবসময় প্রয়োজন নয় বলে জানিয়েছেন লো’জের প্রধান নির্বাহী মারভিন এলিসন। তার মতে, দক্ষ পেশার অনেক চাকরিতে বছরে এক লাখ ডলারের বেশি আয় করা সম্ভব। প্লাম্বিং, ইলেকট্রিকের কাজ, ওয়েল্ডিং ও এইচভিএসির মতো পেশায় ভালো ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। এসব পেশাকে জনপ্রিয় করতেই নতুন উদ্যোগ নিয়েছে লো’জ ফাউন্ডেশন।   লো’জ ফাউন্ডেশন ‘বিল্ডিং ফিউচার্স স্কিলড ট্রেডস কোয়ালিশন’ নামে একটি নতুন জোট গঠন করেছে। এর লক্ষ্য ২০৩৫ সালের মধ্যে ১০ লাখ মানুষকে দক্ষ পেশার জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুত করা।প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এসব কর্মীকে চাকরির সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। দেশজুড়ে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণ করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। এলিসন বলেন, চার বছরের কলেজ ডিগ্রিই সফল ক্যারিয়ার গড়ার একমাত্র পথ—এই ধারণা বদলানো দরকার। তার মতে, দক্ষ পেশার অনেক চাকরিই ভালো বেতন ও স্থায়ী ক্যারিয়ারের সুযোগ দিতে পারে। বিশেষ করে কারিগরি দক্ষতা থাকা কর্মীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। তাই তরুণদের এসব পেশার দিকেও আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। লো’জ ফাউন্ডেশন ইতোমধ্যে ২০৩৫ সালের মধ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার দক্ষ কর্মী প্রশিক্ষণের জন্য ২৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে দেশটির দক্ষ কর্মীর ঘাটতির তুলনায় এই উদ্যোগ আরও বড় পরিসরে নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। এ কারণেই বিভিন্ন বড় কোম্পানিকে যুক্ত করে নতুন জোট তৈরি করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ ও সনদ দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের পথও তৈরি করা হবে। এনভিডিয়া, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেনারেল মোটরস ও এটিঅ্যান্ডটির মতো বড় প্রতিষ্ঠান এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। তারা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার সনদ দেওয়ার কর্মসূচিতে বিনিয়োগ করবে। কমিউনিটি কলেজ ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও এর আওতায় থাকবে। প্রশিক্ষণ শেষে কর্মীদের উপযুক্ত চাকরির সুযোগ খুঁজে পেতেও সহায়তা করা হবে। নিজের জীবনের উদাহরণ দিয়ে এলিসন বলেন, তার বাবা হাইস্কুলও শেষ করতে পারেননি। তিনি সাত ভাইবোনের মধ্যে মাঝের সন্তান এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন। পরবর্তীতে তিনি দুটি ফরচুন ৫০০ কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তার মতে, এই অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে সফল হওয়ার জন্য শুধু প্রচলিত শিক্ষার পথ অনুসরণ করা জরুরি নয়। এলিসন আরও সতর্ক করে বলেন, দক্ষ কর্মীর ঘাটতি সমাধান করা না গেলে মার্কিন অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে। তার হিসাবে, ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২১ লাখ দক্ষ কর্মীর পদ খালি থাকতে পারে। এই ঘাটতির কারণে দেশটির অর্থনীতিতে বছরে ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে। তাই দক্ষ পেশায় প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ৬:৩৮
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে গবাদিপশু রক্ষার জন্য খামারি ও পশুপালকদের নেকড়ে হত্যার সুযোগ তৈরি হতে পারে

নেকড়ে হত্যা বৈধ করার পথে ট্রাম্প! ৯০ দিনের মধ্যে আসছে বড় সিদ্ধান্ত

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, কোনো ভিসা থাকলেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিশ্চিত না

বি-১/বি-২ ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

ট্রাম্পের নীতি প্রচারে হোয়াইট হাউসের পাঁচ রেট্রো গেম

ট্রাম্পের নীতির প্রচারে হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে ৫ ভিডিও গেম

গ্যাসের দাম বাড়ায় লেবার ডে ভ্রমণে বাড়ছে মার্কিনদের খরচ
গ্যাসের দাম বাড়ায় লেবার ডে ভ্রমণে বাড়ছে মার্কিনদের খরচ

জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে এবারের লেবার ডে উইকএন্ডে ভ্রমণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে গাড়িতে দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণকারী পরিবারগুলোকে গত বছরের তুলনায় গ্যাসের জন্য বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে। AAA-এর সাম্প্রতিক তথ্যেও এবারের ছুটিতে গ্যাসের দাম গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে।    AAA-এর হিসাবে, ২০২৫ সালের লেবার ডে-তে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিত গ্যাসের জাতীয় গড় দাম ছিল প্রতি গ্যালন ৩ ডলার ১৯ সেন্ট। চলতি বছর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার কারণে সেই তুলনায় দাম অনেক বেশি। একই সময়ে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাউন্ডট্রিপ ফ্লাইটের গড় ভাড়াও গত বছরের তুলনায় ২ শতাংশ বেড়ে প্রায় ৭৫০ ডলার হয়েছে। জনপ্রিয় অভ্যন্তরীণ গন্তব্যগুলোর ক্ষেত্রে গড় ভাড়া প্রায় ২০ শতাংশ বেশি, প্রায় ৮০০ ডলার।    শুধু বিমান নয়, হোটেল খরচও বেড়েছে। ফলে গাড়ি, বিমান কিংবা হোটেল - প্রায় সব ধরনের ভ্রমণেই এবারের ছুটিতে অতিরিক্ত খরচের মুখে পড়ছেন যাত্রীরা। তবে গাড়ি ভাড়ার গড় খরচ কিছুটা কমেছে বলে AAA-এর তথ্য জানিয়েছে।    গ্যাসের দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারের অস্থিরতাও বড় কারণ। রয়টার্সের ৪ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ায় সপ্তাহের শেষ দিকে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সপ্তাহ শেষে ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলার ৬৮ সেন্টে পৌঁছায়, যা এক সপ্তাহে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের গড় দাম রেকর্ড ৫ ডলার ৮৫ সেন্ট প্রতি গ্যালনে উঠেছে।    জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের আরেকটি কারণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়া। রয়টার্স জানিয়েছে, ৪ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে বৃহস্পতিবার মাত্র চারটি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে, যেখানে আগের ১০ দিনের গড় ছিল ১৫টি।    এদিকে লেবার ডে উইকএন্ডে ভ্রমণের চাপও বেশি থাকবে। AAA বলছে, অনেক যাত্রী বৃহস্পতিবার কর্মদিবস শেষে এবং শুক্রবার রাস্তায় বের হচ্ছেন। শনিবারও দুপুরের পর সড়কে যানজট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ছুটির সময়ে সিয়াটল, অরল্যান্ডো, বোস্টন, ডেনভার ও নিউইয়র্ক ছিল জনপ্রিয় অভ্যন্তরীণ গন্তব্যগুলোর মধ্যে।    ফলে গ্যাসের বাড়তি দাম, ফ্লাইট ও থাকার খরচ এবং সড়কে বাড়তি চাপ - সব মিলিয়ে এবারের লেবার ডে উইকএন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক পরিবারের জন্য ভ্রমণের বাজেট আগের চেয়ে বড় হতে পারে।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ৪:২১
আমেরিকায় গুরুত্বপূর্ণ মেইল হারালে যে ৭টি পদক্ষেপ নিতে হবে দ্রুত

আমেরিকায় গুরুত্বপূর্ণ মেইল হারালে যে ৭টি পদক্ষেপ নিতে হবে দ্রুত, জেনে নিন

আমেরিকান সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ, জেনে নিন যোগ্যতা ও সুবিধাসমূহ

আমেরিকান সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ, জেনে নিন যোগ্যতা ও সুবিধাসমূহ

রেডি হয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় নিজেই নিজের গুলিতে আহত

রেডি হয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় নিজেই নিজের গুলিতে আহত এনওয়াইপিডি কর্মকর্তা

0 Comments