Live update news
ইরানে টন টন খাদ্য ও ওষুধ পাঠালো আজারবাইজান

কাকাসাস অঞ্চলে যুদ্ধের উত্তেজনা কমিয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে হাজির হলো আজারবাইজান। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ড্রোন হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে যখন চরম অস্থিরতা বিরাজ করছিল, ঠিক তখনই ইরানের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিল বাকু।   আজারবাইজানের জরুরি অবস্থা বিষয়ক মন্ত্রণালয় আজ নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইরানে বিশাল পরিমাণ মানবিক সহায়তা হিসেবে টন টন খাদ্যসামগ্রী এবং জরুরি ওষুধ পাঠিয়েছে। মূলত গত ৮ মার্চ আজারবাইজান ও ইরানের রাষ্ট্রপতির মধ্যে এক টেলিফোন আলাপের পর এই সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   দীর্ঘদিন ধরে তেহরান অভিযোগ করে আসছে যে, আজারি ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইসরায়েল তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা চালাচ্ছে। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মাঝেই আজারবাইজানের এই 'অলিভ ব্রাঞ্চ' বা শান্তির প্রস্তাব মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।  

১ ঘন্টা Ago
এক লিটার তেলও দেব না, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের অব্যাহত সামরিক তৎপরতার বিরুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। সোমবার রাতে এক কড়া বিবৃতিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েইনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের অবকাঠামোতে হামলা চললে এই অঞ্চল থেকে বিশ্ববাজারে ‘এক লিটার তেলও’ পৌঁছাতে দেওয়া হবে না। জেনারেল নায়েইনি ট্রাম্পকে ‘মিথ্যাবাদী’ আখ্যা দিয়ে বলেন, মার্কিন সেনাদের মনোবল ভেঙে পড়া ঠেকাতে ট্রাম্প শক্তির মিথ্যা দম্ভ করছেন। যুদ্ধের ১০ম দিনে এসে তিনি পরিষ্কার করেছেন যে, মার্কিন ও ইসরাইলি যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় তেহরান এখন আগের চেয়েও বেশি প্রস্তুত। বিবৃতিতে জেনারেল নায়েইনি মার্কিন নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর দাবি তুলে ধরেন: মার্কিন নৌবহরের পশ্চাদপসরণ: ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে অবাধ চলাচলের দাবি করলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ইরানের মিসাইল ও ড্রোন আক্রমণের ভয়ে মার্কিন রণতরী এবং ফাইটার জেটগুলো ইরান সীমান্ত থেকে ১,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থান নিচ্ছে। আব্রাহাম লিংকন-এ হামলা: মুখপাত্র জানান, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন লক্ষ্য করে মাত্র চারটি মিসাইল ছোঁড়ার পরেই মার্কিন নৌবাহিনী আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ দূরত্বে সরে গেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের বিধ্বংসী ক্ষমতা: ট্রাম্প ইরানের মিসাইল ফুরিয়ে যাওয়ার দাবি করলেও নায়েইনি জানান, বর্তমানে এক টনেরও বেশি ওজনের বিস্ফোরকবাহী (ওয়ারহেড) ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলি ভূখণ্ডে আঘাত হানার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে ট্রাম্পের নীতির উপহাস করে নায়েইনি বলেন, যুদ্ধের প্রথম ৯ দিনেই তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। যদি ইরান আক্রান্ত হয়, তবে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের সমস্ত কৃত্রিম চেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং অঞ্চলটি থেকে তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এতে বিশ্ব অর্থনীতি এক ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়বে বলে তিনি সতর্ক করেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইরানের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ট্রাম্পের অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির উত্থানকে ইরানের জন্য এক নতুন বিপ্লবী উদ্দীপনা হিসেবে দেখছেন তারা। নায়েইনি দাবি করেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিবৃতি শেষে জেনারেল নায়েইনি একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, যদি ইরানের মিসাইল কোনো ক্ষতিই না করে থাকে, তবে কেন সাংবাদিকদের ক্ষয়ক্ষতির ছবি তুলতে দেওয়া হচ্ছে না? কেন হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করা হচ্ছে? তিনি স্পষ্টভাবে জানান, যুদ্ধের সমাপ্তি যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং ইরানই নির্ধারণ করবে এবং এ নিয়ে কোনো আলোচনার সুযোগ নেই। ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সুপার-ক্যারিয়ার ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে এবং যুদ্ধের পরিধি আরও বাড়ানোর জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।

১ ঘন্টা Ago
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালীতে চলাচলের অনুমতি: ইরানের ঘোষণা

ইরান ঘোষণা দিয়েছে, যে কোনো আরব বা ইউরোপীয় দেশ যদি তাদের ভূখণ্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কার করে, তাহলে ওই দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবাধে চলাচলের পূর্ণ অনুমতি দেওয়া হবে।   ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন এই সিদ্ধান্ত আগামী দিন থেকে কার্যকর হতে পারে এবং এটি বর্তমান আঞ্চলিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে।   তেহরানের দাবি, যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তাদের জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হতে পারে। তবে যারা দূতাবাস বন্ধ করবে বা রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করবে, তাদের জন্য হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখা হবে।   বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন হয়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে এই পথ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই ঘোষণার মাধ্যমে আরব ও ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে, যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল থেকে দূরে সরে আসে।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার কারণে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠেছে।

১ ঘন্টা Ago
ইরান উত্তেজনার মধ্যে তেলের দাম কমাতে পরিকল্পনার কথা জানালেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার একটি পরিকল্পনা রয়েছে এবং এতে তেলের দাম কমে আসতে পারে বলে আশা করছেন।   দক্ষিণ ফ্লোরিডার ডোরাল এলাকায় নিজের গলফ ক্লাবের বলরুমে তিন দিনের সম্মেলনে হাউস রিপাবলিকানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ট্রাম্প বলেন, তার সবকিছুর জন্য একটি পরিকল্পনা রয়েছে এবং তিনি আশা করেন এতে আমেরিকানরা সন্তুষ্ট হবে ও তেলের দাম কমে যাবে।   সোমবার এক সংক্ষিপ্ত ফোন সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা বা যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হতে পারে এবং তিনি বিষয়টি নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন। তবে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ট্রাম্প।   তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ট্যাঙ্কারের চলাচলে বাধা দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর জবাব দেবে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, যদি এমন কিছু ঘটে যাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত যতটা আঘাত করেছে তার চেয়ে ২০ গুণ বেশি আঘাত হানবে।   ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সহজেই ধ্বংসযোগ্য বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম, যা ইরানের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না। তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থানকে চীনসহ অন্যান্য দেশ উপকার হিসেবেই দেখবে, কারণ এতে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বজায় থাকবে।

২ ঘন্টা Ago
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা
ইরান উত্তেজনার মধ্যে তেলের দাম কমাতে পরিকল্পনার কথা জানালেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার একটি পরিকল্পনা রয়েছে এবং এতে তেলের দাম কমে আসতে পারে বলে আশা করছেন।   দক্ষিণ ফ্লোরিডার ডোরাল এলাকায় নিজের গলফ ক্লাবের বলরুমে তিন দিনের সম্মেলনে হাউস রিপাবলিকানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ট্রাম্প বলেন, তার সবকিছুর জন্য একটি পরিকল্পনা রয়েছে এবং তিনি আশা করেন এতে আমেরিকানরা সন্তুষ্ট হবে ও তেলের দাম কমে যাবে।   সোমবার এক সংক্ষিপ্ত ফোন সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা বা যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হতে পারে এবং তিনি বিষয়টি নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন। তবে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ট্রাম্প।   তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ট্যাঙ্কারের চলাচলে বাধা দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর জবাব দেবে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, যদি এমন কিছু ঘটে যাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত যতটা আঘাত করেছে তার চেয়ে ২০ গুণ বেশি আঘাত হানবে।   ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সহজেই ধ্বংসযোগ্য বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম, যা ইরানের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না। তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থানকে চীনসহ অন্যান্য দেশ উপকার হিসেবেই দেখবে, কারণ এতে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বজায় থাকবে।

তাবাস্সুম মার্চ ১০, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালীতে চলাচলের অনুমতি: ইরানের ঘোষণা

ইরান ঘোষণা দিয়েছে, যে কোনো আরব বা ইউরোপীয় দেশ যদি তাদের ভূখণ্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কার করে, তাহলে ওই দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবাধে চলাচলের পূর্ণ অনুমতি দেওয়া হবে।   ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন এই সিদ্ধান্ত আগামী দিন থেকে কার্যকর হতে পারে এবং এটি বর্তমান আঞ্চলিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে।   তেহরানের দাবি, যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তাদের জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হতে পারে। তবে যারা দূতাবাস বন্ধ করবে বা রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করবে, তাদের জন্য হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখা হবে।   বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন হয়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে এই পথ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই ঘোষণার মাধ্যমে আরব ও ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে, যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল থেকে দূরে সরে আসে।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার কারণে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠেছে।

আইআরজিসি মুখপাত্র জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েইনি
এক লিটার তেলও দেব না, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের অব্যাহত সামরিক তৎপরতার বিরুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। সোমবার রাতে এক কড়া বিবৃতিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েইনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের অবকাঠামোতে হামলা চললে এই অঞ্চল থেকে বিশ্ববাজারে ‘এক লিটার তেলও’ পৌঁছাতে দেওয়া হবে না। জেনারেল নায়েইনি ট্রাম্পকে ‘মিথ্যাবাদী’ আখ্যা দিয়ে বলেন, মার্কিন সেনাদের মনোবল ভেঙে পড়া ঠেকাতে ট্রাম্প শক্তির মিথ্যা দম্ভ করছেন। যুদ্ধের ১০ম দিনে এসে তিনি পরিষ্কার করেছেন যে, মার্কিন ও ইসরাইলি যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় তেহরান এখন আগের চেয়েও বেশি প্রস্তুত। বিবৃতিতে জেনারেল নায়েইনি মার্কিন নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর দাবি তুলে ধরেন: মার্কিন নৌবহরের পশ্চাদপসরণ: ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে অবাধ চলাচলের দাবি করলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ইরানের মিসাইল ও ড্রোন আক্রমণের ভয়ে মার্কিন রণতরী এবং ফাইটার জেটগুলো ইরান সীমান্ত থেকে ১,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থান নিচ্ছে। আব্রাহাম লিংকন-এ হামলা: মুখপাত্র জানান, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন লক্ষ্য করে মাত্র চারটি মিসাইল ছোঁড়ার পরেই মার্কিন নৌবাহিনী আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ দূরত্বে সরে গেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের বিধ্বংসী ক্ষমতা: ট্রাম্প ইরানের মিসাইল ফুরিয়ে যাওয়ার দাবি করলেও নায়েইনি জানান, বর্তমানে এক টনেরও বেশি ওজনের বিস্ফোরকবাহী (ওয়ারহেড) ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলি ভূখণ্ডে আঘাত হানার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে ট্রাম্পের নীতির উপহাস করে নায়েইনি বলেন, যুদ্ধের প্রথম ৯ দিনেই তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। যদি ইরান আক্রান্ত হয়, তবে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের সমস্ত কৃত্রিম চেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং অঞ্চলটি থেকে তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এতে বিশ্ব অর্থনীতি এক ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়বে বলে তিনি সতর্ক করেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইরানের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ট্রাম্পের অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির উত্থানকে ইরানের জন্য এক নতুন বিপ্লবী উদ্দীপনা হিসেবে দেখছেন তারা। নায়েইনি দাবি করেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিবৃতি শেষে জেনারেল নায়েইনি একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, যদি ইরানের মিসাইল কোনো ক্ষতিই না করে থাকে, তবে কেন সাংবাদিকদের ক্ষয়ক্ষতির ছবি তুলতে দেওয়া হচ্ছে না? কেন হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করা হচ্ছে? তিনি স্পষ্টভাবে জানান, যুদ্ধের সমাপ্তি যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং ইরানই নির্ধারণ করবে এবং এ নিয়ে কোনো আলোচনার সুযোগ নেই। ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সুপার-ক্যারিয়ার ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে এবং যুদ্ধের পরিধি আরও বাড়ানোর জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানে টন টন খাদ্য ও ওষুধ পাঠালো আজারবাইজান

কাকাসাস অঞ্চলে যুদ্ধের উত্তেজনা কমিয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে হাজির হলো আজারবাইজান। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ড্রোন হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে যখন চরম অস্থিরতা বিরাজ করছিল, ঠিক তখনই ইরানের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিল বাকু।   আজারবাইজানের জরুরি অবস্থা বিষয়ক মন্ত্রণালয় আজ নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইরানে বিশাল পরিমাণ মানবিক সহায়তা হিসেবে টন টন খাদ্যসামগ্রী এবং জরুরি ওষুধ পাঠিয়েছে। মূলত গত ৮ মার্চ আজারবাইজান ও ইরানের রাষ্ট্রপতির মধ্যে এক টেলিফোন আলাপের পর এই সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   দীর্ঘদিন ধরে তেহরান অভিযোগ করে আসছে যে, আজারি ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইসরায়েল তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা চালাচ্ছে। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মাঝেই আজারবাইজানের এই 'অলিভ ব্রাঞ্চ' বা শান্তির প্রস্তাব মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।  

ট্রফি উন্মোচন
বাংলাদেশ - পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন! শুরু শিরোপার লড়াই।

ফয়জুল ইসলাম : ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন একটাই প্রশ্নে—কার হাতে উঠবে এই ট্রফি? শুরু হয়ে গেলো বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উন্মোচন। দুই দলের তারকা ক্রিকেটারদের উপস্থিতিতে উন্মোচিত হলো সিরিজের কাঙ্ক্ষিত ট্রফি, আর সেখান থেকেই শুরু শিরোপার লড়াইয়ের উত্তেজনা। মাঠের পারফরম্যান্স, কৌশল আর লড়াই—সবকিছুর সমন্বয়ে নির্ধারিত হবে কে হবে শেষ হাসির মালিক। এখন দেখার বিষয়, টাইগারদের ঘরেই কি থাকবে ট্রফি, নাকি তা নিয়ে যাবে পাকিস্তান।

ডোনাল্ড ট্রাম্প
তেলের দাম সামাল দিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

বিশ্ববাজারে  জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে থাকায় কিছু তেল–সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।   মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় কয়েকটি দেশের ওপর আরোপিত তেলসংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।   বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “কিছু দেশের ওপর আমাদের নিষেধাজ্ঞা আছে। পরিস্থিতি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আমরা সেগুলো তুলে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছি।”   তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে যেখানে নতুন করে আর কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রয়োজনই হবে না। তার ভাষায়, “তারপর কে জানে? হয়তো এতটাই শান্তি থাকবে যে আর নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে না।”   একই সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প জানান, সম্প্রতি তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একটি “খুব ভালো” ফোনালাপ করেছেন। তবে ঠিক কোন দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হতে পারে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।   খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে সাময়িকভাবে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে, যাতে সমুদ্রপথে আটকে থাকা রুশ তেল ক্রয়ের সুযোগ তৈরি হয়। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ কমানোর চেষ্টা চলছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান বৈশ্বিক তেলবাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানে টন টন খাদ্য ও ওষুধ পাঠালো আজারবাইজান
আবু জোবায়ের মার্চ ১০, ২০২৬ 0

কাকাসাস অঞ্চলে যুদ্ধের উত্তেজনা কমিয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে হাজির হলো আজারবাইজান। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ড্রোন হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে যখন চরম অস্থিরতা বিরাজ করছিল, ঠিক তখনই ইরানের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিল বাকু।   আজারবাইজানের জরুরি অবস্থা বিষয়ক মন্ত্রণালয় আজ নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইরানে বিশাল পরিমাণ মানবিক সহায়তা হিসেবে টন টন খাদ্যসামগ্রী এবং জরুরি ওষুধ পাঠিয়েছে। মূলত গত ৮ মার্চ আজারবাইজান ও ইরানের রাষ্ট্রপতির মধ্যে এক টেলিফোন আলাপের পর এই সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   দীর্ঘদিন ধরে তেহরান অভিযোগ করে আসছে যে, আজারি ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইসরায়েল তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা চালাচ্ছে। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মাঝেই আজারবাইজানের এই 'অলিভ ব্রাঞ্চ' বা শান্তির প্রস্তাব মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।  

আইআরজিসি মুখপাত্র জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েইনি
এক লিটার তেলও দেব না, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের
আবু জোবায়ের মার্চ ১০, ২০২৬ 0

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের অব্যাহত সামরিক তৎপরতার বিরুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। সোমবার রাতে এক কড়া বিবৃতিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েইনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের অবকাঠামোতে হামলা চললে এই অঞ্চল থেকে বিশ্ববাজারে ‘এক লিটার তেলও’ পৌঁছাতে দেওয়া হবে না। জেনারেল নায়েইনি ট্রাম্পকে ‘মিথ্যাবাদী’ আখ্যা দিয়ে বলেন, মার্কিন সেনাদের মনোবল ভেঙে পড়া ঠেকাতে ট্রাম্প শক্তির মিথ্যা দম্ভ করছেন। যুদ্ধের ১০ম দিনে এসে তিনি পরিষ্কার করেছেন যে, মার্কিন ও ইসরাইলি যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় তেহরান এখন আগের চেয়েও বেশি প্রস্তুত। বিবৃতিতে জেনারেল নায়েইনি মার্কিন নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর দাবি তুলে ধরেন: মার্কিন নৌবহরের পশ্চাদপসরণ: ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে অবাধ চলাচলের দাবি করলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ইরানের মিসাইল ও ড্রোন আক্রমণের ভয়ে মার্কিন রণতরী এবং ফাইটার জেটগুলো ইরান সীমান্ত থেকে ১,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থান নিচ্ছে। আব্রাহাম লিংকন-এ হামলা: মুখপাত্র জানান, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন লক্ষ্য করে মাত্র চারটি মিসাইল ছোঁড়ার পরেই মার্কিন নৌবাহিনী আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ দূরত্বে সরে গেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের বিধ্বংসী ক্ষমতা: ট্রাম্প ইরানের মিসাইল ফুরিয়ে যাওয়ার দাবি করলেও নায়েইনি জানান, বর্তমানে এক টনেরও বেশি ওজনের বিস্ফোরকবাহী (ওয়ারহেড) ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলি ভূখণ্ডে আঘাত হানার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে ট্রাম্পের নীতির উপহাস করে নায়েইনি বলেন, যুদ্ধের প্রথম ৯ দিনেই তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। যদি ইরান আক্রান্ত হয়, তবে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের সমস্ত কৃত্রিম চেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং অঞ্চলটি থেকে তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এতে বিশ্ব অর্থনীতি এক ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়বে বলে তিনি সতর্ক করেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইরানের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ট্রাম্পের অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির উত্থানকে ইরানের জন্য এক নতুন বিপ্লবী উদ্দীপনা হিসেবে দেখছেন তারা। নায়েইনি দাবি করেন, নতুন নেতৃত্বের অধীনে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিবৃতি শেষে জেনারেল নায়েইনি একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, যদি ইরানের মিসাইল কোনো ক্ষতিই না করে থাকে, তবে কেন সাংবাদিকদের ক্ষয়ক্ষতির ছবি তুলতে দেওয়া হচ্ছে না? কেন হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করা হচ্ছে? তিনি স্পষ্টভাবে জানান, যুদ্ধের সমাপ্তি যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং ইরানই নির্ধারণ করবে এবং এ নিয়ে কোনো আলোচনার সুযোগ নেই। ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন সুপার-ক্যারিয়ার ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে এবং যুদ্ধের পরিধি আরও বাড়ানোর জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালীতে চলাচলের অনুমতি: ইরানের ঘোষণা
আবু জোবায়ের মার্চ ১০, ২০২৬ 0

ইরান ঘোষণা দিয়েছে, যে কোনো আরব বা ইউরোপীয় দেশ যদি তাদের ভূখণ্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কার করে, তাহলে ওই দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবাধে চলাচলের পূর্ণ অনুমতি দেওয়া হবে।   ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন এই সিদ্ধান্ত আগামী দিন থেকে কার্যকর হতে পারে এবং এটি বর্তমান আঞ্চলিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে।   তেহরানের দাবি, যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তাদের জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হতে পারে। তবে যারা দূতাবাস বন্ধ করবে বা রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করবে, তাদের জন্য হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখা হবে।   বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন হয়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে এই পথ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই ঘোষণার মাধ্যমে আরব ও ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে, যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল থেকে দূরে সরে আসে।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার কারণে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠেছে।

হাইফায় ভয়াবহ ড্রোন হামলা
হাইফা বন্দরের জ্বালানি সংরক্ষাণাগারে ইরানের ড্রোন হামলা
আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ১০, ২০২৬ 0

ইসরায়েলের হাইফা বন্দরে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় শহরটির গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস শোধনাগার এবং জ্বালানি সংরক্ষাণাগারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানি সেনাবাহিনী। সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইরানি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।  বিবৃতিতে বলা হয়, হাইফার জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার উদ্দেশ্যেই এই সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।  সম্প্রতি ইরানের নিজস্ব জ্বালানি সম্পদের ওপর চালানো হামলার পাল্টা জবাব হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
172 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
188 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
124 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
আইন-আদালত
Advertisement
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
বাংলাদেশ
জাতীয়