Live update news
ভুলবশত নিজেই নিজের বিমান ভূপাতিত করল মার্কিন বাহিনী

কুয়েতের আকাশসীমায় একাধিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের ঘটনায় প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, ভূমি থেকে নিক্ষেপ করা আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তবে পরে জানা যায়, মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যবহৃত এবং যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমান ভুলবশত তিনটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল ভূপাতিত করেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঘটে যাওয়া এ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   এফ/এ-১৮ হর্নেট একটি সামুদ্রিক মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান, যা প্রধানত মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী থেকে পরিচালিত হয়। প্রথম প্রজন্মের এফ-১৮-এর পর এর একাধিক উন্নত সংস্করণ তৈরি হয়েছে, যেগুলোর দায়িত্ব ও সক্ষমতায় ভিন্নতা রয়েছে। ‘এফ/এ’ অর্থ হলো, বিমানটি আকাশে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ও ভূমিতে আঘাত—উভয় ধরনের মিশনে সক্ষম। কুয়েতের আকাশে কীভাবে এ ভুল হামলা ঘটেছে, তা এখনো তদন্তাধীন।   এফ/এ-১৮ হর্নেটকে মার্কিন নৌবাহিনীর এফ-১৪ টমক্যাটের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৮৬ সালের ‘টপ গান’ চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত এফ-১৪ টমক্যাটের জায়গায় পরবর্তীতে এফ/এ-১৮ দায়িত্ব গ্রহণ করে। একই সঙ্গে এটি এ–৭ করসেয়ার ও এফ–৪ ফ্যান্টমের দায়িত্বও নেয়। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘টপ গান–২’ সিনেমায়ও এফ-১৮ হর্নেটকে দেখানো হয়। বোয়িংয়ের মতে, এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট ক্যারিয়ার এয়ার উইংসের মেরুদণ্ড এবং এটি বহুমুখী স্ট্রাইক ফাইটার।   এফ/এ-১৮-এর আরেক সংস্করণ ইএ–১৮ গ্রোলার, যা ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত। এটি আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে এবং রাডার সিগন্যালের উৎস লক্ষ্য করে অ্যান্টি রেডিয়েশন ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে সক্ষম। বোয়িংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, সুপার হর্নেট ও গ্রোলার একসঙ্গে পরিপূরক ক্যারিয়ার-ভিত্তিক দল গঠন করে, যা বহুমাত্রিক আঘাত ও ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক আধিপত্য নিশ্চিত করে।   কুয়েতের আকাশে সাম্প্রতিক ভুল হামলার ঘটনা আবারও আলোচনায় এনেছে এই যুদ্ধবিমানকে, যা বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রের পাশাপাশি হলিউডের পর্দাতেও পরিচিত।   সূত্র: এনডিটিভি

৮ মিনিট Ago
শ্রীলঙ্কা উপকূলে ইরানি জাহাজে হামলা

শ্রীলঙ্কা উপকূলে একটি ইরানি জাহাজে সাবমেরিন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে অন্তত ১০১ জন নিখোঁজ এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৪ মার্চ) শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।   প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। এর আগে একই দিনে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ জানান, নিজেদের আঞ্চলিক জলসীমার ঠিক বাইরে ডুবতে থাকা ইরানি ফ্রিগেট ‘আইরিস ডেনা’ থেকে ৩০ জন নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে জাহাজটির সমস্যার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। সাবমেরিন হামলার শিকার জাহাজ এবং ডুবতে থাকা ‘আইরিস ডেনা’ একই কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়।   হেরাথ পার্লামেন্টে বলেন, আহত নাবিকদের দক্ষিণাঞ্চলের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ১৮০ জন ক্রু-সদস্য নিয়ে ফ্রিগেটটি ভোরে বিপৎসংকেত পাঠায়। উদ্ধার অভিযানে শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনীর দুটি জাহাজ ও একটি বিমান অংশ নেয়। তবে ইরানি যুদ্ধজাহাজটি কেন ডুবেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।   পার্লামেন্টে এক বিরোধী আইনপ্রণেতা প্রশ্ন তোলেন, চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি হামলার অংশ হিসেবে জাহাজটিতে বোমা হামলা হয়েছিল কি না। এ বিষয়ে শ্রীলঙ্কা সরকার তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।   শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনীর মুখপাত্র বুদ্ধিকা সম্পাথ জানান, ভারত মহাসাগরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অঞ্চলের আওতায় আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী তারা বিপৎসংকেতে সাড়া দিয়েছেন।

১৫ মিনিট Ago
মার্কিন রণতরিতে ‘টয়লেট’ সংকট

মার্কিন নৌবাহিনীর সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে আলোচনায় এসেছে। যুদ্ধ প্রস্তুতির পরিবর্তে জাহাজটির অচল টয়লেট পরিস্থিতিই এখন বেশি সমালোচিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যঙ্গ করে কেউ কেউ একে ‘টয়লেট যুদ্ধ’ বলেও উল্লেখ করছেন।   এনপিআর ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক ও সেনা বহনকারী এ রণতরিতে সচল টয়লেটের সংখ্যা খুবই কম। ফলে অনেক নাবিককে শৌচাগার ব্যবহারের জন্য প্রায় ৪৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গত ১৫ জানুয়ারি এনপিআর জানায়, জাহাজটি মোতায়েন অবস্থায় থাকতেই এর বর্জ্যনিষ্কাশন নালাগুলো বারবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। জটিল ভ্যাকুয়াম সিস্টেমের কারণে ডকইয়ার্ডে না ফেরা পর্যন্ত এটি পুরোপুরি মেরামত সম্ভব নয়।   মার্কিন নৌবাহিনী দাবি করেছে, এ সমস্যা তাদের যুদ্ধ প্রস্তুতি বা সক্ষমতায় প্রভাব ফেলবে না। তবে দীর্ঘ সময় সাগরে অবস্থান ও প্লাম্বিং ত্রুটির কারণে সেনাদের ভোগান্তি ও মনোবল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।   কয়েক মাস সাগরে থাকার পর ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড আবারও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা হয়েছে। প্রথমে ভূমধ্যসাগর, পরে ক্যারিবীয় অঞ্চলে মোতায়েন থাকার পর এখন এটি পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযানে সহায়তার জন্য মিশনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনও মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে।   রণতরিটির অধিনায়ক ক্যাপ্টেন ডেভিড স্কারোসি নাবিকদের পরিবারের কাছে লেখা চিঠিতে মিশনের মেয়াদ দ্বিতীয়বার বাড়ানোর কথা স্বীকার করেছেন। সাধারণত শান্তিকালে একটি বিমানবাহী রণতরির মিশন ছয় মাসের হয়। অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার অ্যাডমিরাল মার্ক মন্টগোমারি বলেন, জরুরি প্রয়োজনে সময় বাড়ানো হলেও জেরাল্ড আর ফোর্ড স্বাভাবিক সময়সীমার চেয়ে বেশি সময় ধরে সাগরে রয়েছে।   নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে জানান, জাহাজটির ৬৫০টি শৌচাগার নিয়ন্ত্রণকারী বর্জ্যনিষ্কাশন ব্যবস্থায় নিয়মিত সমস্যা হচ্ছে এবং প্রায় প্রতিদিনই প্রকৌশলীদের ডাকা লাগছে।

১৯ মিনিট Ago
ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় মুখ খুললেন তিথি

ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় চলমান আলোচনার মধ্যে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় আলভী, তার মা ও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ইকরার পরিবার। মামলায় তিথির নামও এসেছে।   ঘটনার সময় আলভী ও তিথি নাটকের শুটিংয়ের কাজে নেপালে ছিলেন বলে জানা যায়। তিথি বলেন, ঘটনার দিনই তারা দ্রুত দেশে ফেরার চেষ্টা করেন, তবে টিকিট জটিলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। তার দাবি, আলভীর দেশে ফেরার ইচ্ছা থাকলেও সেদিন ফ্লাইটে সিট পাওয়া যায়নি। পরদিন টিকিট নিশ্চিত হলে পুরো টিম দেশে ফিরে আসে।   আলভীর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিথি জানান, নেপাল থেকে বিদায়ের পর আর তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি। এয়ারপোর্টে শেষবার কথা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে তিথি বলেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি এবং কাউকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগ ভিত্তিহীন। আলভীকে বিয়ে ও সন্তানসম্ভবা হওয়ার গুঞ্জনও তিনি নাকচ করেন। তার ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এসব তথ্য সঠিক নয়।   তিথি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, চলমান পরিস্থিতি তার ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি বলেন, কেউ কেউ দূর থেকে সহানুভূতি জানালেও অনেকেই প্রকাশ্যে সমর্থন দিচ্ছেন না, আবার কাজের ক্ষেত্রেও দূরত্ব তৈরি হচ্ছে।   ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

২৩ মিনিট Ago
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
জাতীয়
ই-হেলথ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।   প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ই-হেলথ কার্ড বাস্তবায়নের কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মন্ত্রণালয়কে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।   বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবন চিহ্নিত করে সেগুলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়। জানানো হয়, কেবল এলজিইডিরই ১৭০টি পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। এসব ভবন ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।   দেশে প্রতিবছর ৩৪ লাখ নবজাতক জন্ম নেওয়ার পরিসংখ্যান তুলে ধরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এ প্রেক্ষিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়কে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ—যার মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী ও ২০ শতাংশ পুরুষ—এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়। দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।   বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তাবাস্সুম মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি।
ঈদের আগে বাড়ছে আরও একদিন ছুটি

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাড়ি ফেরা মানুষের যাতায়াত সহজ করতে ঈদের আগে একদিন অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। নির্বাহী আদেশে আগামী ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। এতে ১৬ মার্চ অফিস করার পর থেকেই সরকারি চাকরিজীবীদের ঈদের ছুটি শুরু হবে।   সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৯, ২০, ২১, ২২ ও ২৩ মার্চ সাধারণ ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর আগে ১৭ মার্চ পবিত্র শবেকদরের ছুটি রয়েছে। ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা হলে ১৬ মার্চই হবে শেষ কর্মদিবস।   জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।   ঈদের ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে। এরপর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটি রয়েছে। ২৭ ও ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ঈদের পরও টানা তিন দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

কুয়েতে ধ্বংস তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরে থাকা যুদ্ধবিমান। ছবি: সংগৃহীত
ভুলবশত নিজেই নিজের বিমান ভূপাতিত করল মার্কিন বাহিনী

কুয়েতের আকাশসীমায় একাধিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের ঘটনায় প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, ভূমি থেকে নিক্ষেপ করা আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তবে পরে জানা যায়, মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যবহৃত এবং যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমান ভুলবশত তিনটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল ভূপাতিত করেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঘটে যাওয়া এ ঘটনার বিস্তারিত তথ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   এফ/এ-১৮ হর্নেট একটি সামুদ্রিক মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান, যা প্রধানত মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী থেকে পরিচালিত হয়। প্রথম প্রজন্মের এফ-১৮-এর পর এর একাধিক উন্নত সংস্করণ তৈরি হয়েছে, যেগুলোর দায়িত্ব ও সক্ষমতায় ভিন্নতা রয়েছে। ‘এফ/এ’ অর্থ হলো, বিমানটি আকাশে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ও ভূমিতে আঘাত—উভয় ধরনের মিশনে সক্ষম। কুয়েতের আকাশে কীভাবে এ ভুল হামলা ঘটেছে, তা এখনো তদন্তাধীন।   এফ/এ-১৮ হর্নেটকে মার্কিন নৌবাহিনীর এফ-১৪ টমক্যাটের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৮৬ সালের ‘টপ গান’ চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত এফ-১৪ টমক্যাটের জায়গায় পরবর্তীতে এফ/এ-১৮ দায়িত্ব গ্রহণ করে। একই সঙ্গে এটি এ–৭ করসেয়ার ও এফ–৪ ফ্যান্টমের দায়িত্বও নেয়। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘টপ গান–২’ সিনেমায়ও এফ-১৮ হর্নেটকে দেখানো হয়। বোয়িংয়ের মতে, এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট ক্যারিয়ার এয়ার উইংসের মেরুদণ্ড এবং এটি বহুমুখী স্ট্রাইক ফাইটার।   এফ/এ-১৮-এর আরেক সংস্করণ ইএ–১৮ গ্রোলার, যা ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত। এটি আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে এবং রাডার সিগন্যালের উৎস লক্ষ্য করে অ্যান্টি রেডিয়েশন ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে সক্ষম। বোয়িংয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, সুপার হর্নেট ও গ্রোলার একসঙ্গে পরিপূরক ক্যারিয়ার-ভিত্তিক দল গঠন করে, যা বহুমাত্রিক আঘাত ও ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক আধিপত্য নিশ্চিত করে।   কুয়েতের আকাশে সাম্প্রতিক ভুল হামলার ঘটনা আবারও আলোচনায় এনেছে এই যুদ্ধবিমানকে, যা বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রের পাশাপাশি হলিউডের পর্দাতেও পরিচিত।   সূত্র: এনডিটিভি

বক্তব্য রাখছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
ফেসবুক থেকে কত টাকা আয় করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ? জানালেন নিজেই

ফেসবুক পেজ থেকে আয়ের বিষয়টি সচরাচর গোপন রাখতেই পছন্দ করেন ইনফ্লুয়েন্সার বা তারকারা। তবে এক্ষেত্রে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে মাসিক ও বাৎসরিক আয়ের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো চমক দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ৪৯ লাখ ছাড়িয়েছে। নিয়মিত জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে ভিডিও, ছবি এবং মতামত শেয়ার করেন তিনি। সম্প্রতি এক তথ্যে তিনি জানান, তার একটি ভিডিও ১৭ মিলিয়ন ভিউ হওয়ার বিপরীতে তিনি মাত্র ৪০ ডলার আয় করেছেন। তবে সবশেষ দুই দিনেই এসেছে ১২০ ডলার। আয়ের ধারাবাহিকতা নিয়ে হাসনাত জানান, গত মাসে তার পেজ থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৩৯৯ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ লাখ ১৫ হাজার টাকার সমান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি আয়ের এই ধারা বজায় থাকে, তবে তার মাসিক গড় আয় ৪ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। সেই হিসেবে বছরে তার আয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৪৫ থেকে ৪৮ লাখ টাকা। সাধারণত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আয়ের উৎস নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন থাকে। এমন পরিস্থিতিতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া আয়ের হিসাব জনসমক্ষে এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার এক নতুন নজির গড়লেন এই নেতা। তার এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ ও অনুসারীরা।

ছবি: সংগৃহীত
ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তার কোনো সেবা নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, ভবিষ্যতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কোনো সেবা আর ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া দেওয়া হবে না। তিনি জানান, বাজেটে সম্প্রসারণমূলক রাজস্বনীতি বা কঠোর মিতব্যয়িতা—কোনোটিই নয়; বরং অপচয় রোধই হবে সরকারের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে এলটিইউ-নির্ভর কর আদায়ের চর্চা থেকেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-কে বেরিয়ে আসতে হবে।   বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘লুকিং ইনটু বাংলাদেশ’স ডেভেলপমেন্ট: প্রায়োরিটি ফর দ্য নিউলি ইলেক্টেড গভর্নমেন্ট ইন দ্য শর্ট টু মিডিয়াম টার্ম’ শীর্ষক এ আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও দ্য ডেইলি স্টার।   অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নিয়ে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকার ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’-এর দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যার ভিত্তি হবে ইন্টার-অপারেবিলিটি। অর্থাৎ সব সেবা ও ডাটাবেইস একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। সরকারের লক্ষ্য ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’—এর মাধ্যমে সেবা প্রাপ্তিতে অনিয়ম ও অপচয় কমানো সম্ভব হবে।   তিনি আরও বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বর্তমানে তিনটি বড় সমস্যা রয়েছে—বঞ্চনা (এক্সক্লুশন এরর), অযোগ্যদের অন্তর্ভুক্তি (ইনক্লুশন এরর) এবং কর্মসূচির খণ্ডিত অবস্থা। ডিজিটাল কার্ড ও একক সনাক্তকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধান করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   প্রলম্বিত মূল্যস্ফীতির কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণি ঝুঁকিতে পড়ছে উল্লেখ করে তিনি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি, যা নারীকেন্দ্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে জোরদার করবে। লক্ষ্য হচ্ছে টার্গেটভিত্তিক ব্যবস্থা থেকে ধীরে ধীরে সর্বজনীন ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়া।   কর ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমিতসংখ্যক বড় করদাতার ওপর নির্ভরশীলতা টেকসই নয়। কর সংস্কৃতি বিস্তার ও কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হবে। বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সম্প্রসারণমূলক রাজস্বনীতি বা কঠোর মিতব্যয়িতা—দুটোর কোনোটিই সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে একমাত্র পথ হলো অপচয় রোধ।”

ছবি: সংগৃহীত
ইরানে হামলার প্রথম চার দিনেই ২ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের

শনিবার থেকে ইরান-এর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম হারিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম আনাদোলু-এর সংকলিত তথ্য ও অনুমানে জানা গেছে।   সবচেয়ে বড় ক্ষতির মধ্যে রয়েছে কাতার-এর আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি-তে স্থাপিত মার্কিন এএন/এফপিএস-১৩২ প্রারম্ভিক সতর্কতা রাডার ব্যবস্থা, যার মূল্য প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কাতার নিশ্চিত করেছে।   রোববার কুয়েত-এ বন্ধুত্বপূর্ণ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়। ছয়জন ক্রু প্রাণে বেঁচে গেলেও বিমানগুলো রক্ষা করা যায়নি। এসব বিমানের প্রতিস্থাপন ব্যয় প্রায় ২৮২ মিলিয়ন ডলার বলে অনুমান করা হচ্ছে।   এ ছাড়া বাহরাইন-এর রাজধানী মানামা-এ অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে হামলায় স্যাটেলাইট যোগাযোগ টার্মিনাল ও একাধিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ওপেন-সোর্স তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনালগুলোর মূল্য কয়েক কোটি ডলার হতে পারে।   সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর আল-রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে মোতায়েন করা একটি অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রাডার উপাদান ধ্বংসের দাবিও করেছে ইরান। স্যাটেলাইট চিত্রে আঘাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়, যার সম্ভাব্য ক্ষতি শত কোটি ডলারের বেশি।   এসব হিসাব একত্র করলে অঞ্চলে প্রায় ১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন সামরিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংঘাত শুরুর পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একাধিক মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কুয়েতের আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি ও ক্যাম্প আরিফজান, ইরাকের এরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামরিক অংশ, কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি এবং বাহরাইনের নৌঘাঁটি। কিছু স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ড ও অবকাঠামোগত ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।   সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি কূটনৈতিক মিশনও হামলার শিকার হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। সৌদি আরব-এর রাজধানী রিয়াদ-এ মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে সীমিত অগ্নিকাণ্ড ও সামান্য ক্ষয়ক্ষতির কথা জানানো হয়েছে। কুয়েত সিটি ও দুবাই-এ অবস্থিত মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোর কাছেও বিস্ফোরণ ও ধোঁয়া দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও বড় ধরনের কাঠামোগত ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত হয়নি।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
প্রতীকী ছবি
শ্রীলঙ্কা উপকূলে ইরানি জাহাজে হামলা
তাবাস্সুম মার্চ ৪, ২০২৬ 0

শ্রীলঙ্কা উপকূলে একটি ইরানি জাহাজে সাবমেরিন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে অন্তত ১০১ জন নিখোঁজ এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৪ মার্চ) শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।   প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। এর আগে একই দিনে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ জানান, নিজেদের আঞ্চলিক জলসীমার ঠিক বাইরে ডুবতে থাকা ইরানি ফ্রিগেট ‘আইরিস ডেনা’ থেকে ৩০ জন নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে জাহাজটির সমস্যার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। সাবমেরিন হামলার শিকার জাহাজ এবং ডুবতে থাকা ‘আইরিস ডেনা’ একই কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়।   হেরাথ পার্লামেন্টে বলেন, আহত নাবিকদের দক্ষিণাঞ্চলের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ১৮০ জন ক্রু-সদস্য নিয়ে ফ্রিগেটটি ভোরে বিপৎসংকেত পাঠায়। উদ্ধার অভিযানে শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনীর দুটি জাহাজ ও একটি বিমান অংশ নেয়। তবে ইরানি যুদ্ধজাহাজটি কেন ডুবেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।   পার্লামেন্টে এক বিরোধী আইনপ্রণেতা প্রশ্ন তোলেন, চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি হামলার অংশ হিসেবে জাহাজটিতে বোমা হামলা হয়েছিল কি না। এ বিষয়ে শ্রীলঙ্কা সরকার তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।   শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনীর মুখপাত্র বুদ্ধিকা সম্পাথ জানান, ভারত মহাসাগরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অঞ্চলের আওতায় আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী তারা বিপৎসংকেতে সাড়া দিয়েছেন।

ফাইল ফটো।
ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে বিভক্তি চরমে
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৪, ২০২৬ 0

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া যুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের ভেতরে তীব্র মতপার্থক্য ও বিভক্তি দেখা দিয়েছে। হোয়াইট হাউস যখন তেহরানের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী যুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করছে, তখন আইনপ্রণেতাদের একাংশ এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছেন এবং এর সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের পক্ষ থেকে কথিত ‘আসন্ন হুমকি’ মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সামরিক কৌশলের বিষয়ে আইনপ্রণেতারা স্পষ্টত দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দাবি, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থের ওপর বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছে। এই হুমকি মোকাবিলায় ‘প্রতিরক্ষামূলক’ যুদ্ধের কোনো বিকল্প নেই বলে তারা মনে করছেন। রিপাবলিকান দলের কট্টরপন্থী অনেক নেতা এই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে বলছেন, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইরানের আগ্রাসন রুখতে কঠোর পদক্ষেপের সময় এসেছে। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অধিকাংশ সদস্য এবং কিছু যুদ্ধবিরোধী রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা এই গোয়েন্দা তথ্যের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, প্রশাসন যুদ্ধের সপক্ষে যে প্রমাণগুলো উপস্থাপন করছে তা অপর্যাপ্ত এবং অতিরঞ্জিত হতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা আশঙ্কা করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন অনেকটা ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের মতো পরিস্থিতির দিকে দেশকে ঠেলে দিচ্ছে, যেখানে ভ্রান্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ শুরু করা হয়েছিল। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকলেও, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে প্রেসিডেন্টরা প্রায়ই বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার করে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। অনেক আইনপ্রণেতা এখন ‘ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট’ (War Powers Act) ব্যবহারের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের এই ক্ষমতা সীমিত করার দাবি তুলছেন। তারা জোর দিয়ে বলছেন, কংগ্রেসের সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু করা যাবে না। ওয়াশিংটনের এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও যুদ্ধের দামামা বিশ্ব রাজনীতিতেও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ইউরোপীয় মিত্ররা আগে থেকেই এই উত্তেজনার সমালোচনা করে আসছে এবং কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সাথে এই সংঘাত যদি শেষ পর্যন্ত সরাসরি যুদ্ধে রূপ নেয়, তবে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে তেলের দাম এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। বর্তমানে ক্যাপিটল হিলে এই বিতর্ক তুঙ্গে এবং আগামী দিনগুলোতে হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের মধ্যে এই উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি এখনও ‘বিরাট চ্যালেঞ্জ’, স্বীকারোক্তি ইসরায়েলের
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৪, ২০২৬ 0

ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক অভিযানে ইরানের কয়েক ডজন মিসাইল লঞ্চার ধ্বংস করা হলেও তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সক্ষমতা এখনও ফুরিয়ে যায়নি।  ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফফি ডেফরিন এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন যে, যদিও তারা ইসরায়েলি সীমান্তের জন্য হুমকিস্বরূপ বহু লঞ্চার গুঁড়িয়ে দিয়েছেন, তবুও ইরানের হাতে এখনও ‘উল্লেখযোগ্য পরিমাণে’ ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ রয়েছে। ডেফরিন সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “আমরা ক্রমাগত হামলা চালিয়ে তাদের সক্ষমতা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি, কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে যে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শতভাগ অভেদ্য নয়।”  ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এই স্বীকারোক্তি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ছবি: সংগৃহীত।
এবার ইকুয়েডরে মার্কিন বাহিনীর অভিযান শুরু
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৪, ২০২৬ 0

ইকুয়েডরে সক্রিয় শক্তিশালী মাদক কার্টেল ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে দমনে বড় ধরনের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইকুয়েডরের সশস্ত্র বাহিনী। গত ৩ মার্চ থেকে এই অভিযান শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড (US Southern Command)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, ইকুয়েডরের অভ্যন্তরে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে এই সামরিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে। লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে 'নারকো-টেরোরিজম' বা মাদক-সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় মার্কিন অংশীদারদের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, এই অভিযান ওয়াশিংটনের আঞ্চলিক মিত্রদের মাদক কার্টেলের বিরুদ্ধে লড়াই করার সক্ষমতা এবং প্রস্তুতির একটি বড় উদাহরণ। মূলত ইকুয়েডরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়াই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। উল্লেখ্য, সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসে ইকুয়েডর থেকে আসা একটি বিশাল মাদকের চালান জব্দ করার পর এই যৌথ অভিযানের বিষয়টি সামনে এল। ডাচ প্রসিকিউশন সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ইকুয়েডর থেকে একটি জাহাজে করে আসা ইলেকট্রিক ম্যাগনেটের কন্টেইনার তল্লাশি করে প্রায় ৪.৮ টন কোকেন উদ্ধার করা হয়, যা দেশটির ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম মাদকের চালান। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইকুয়েডর থেকে ইউরোপ ও আমেরিকায় মাদকের সরবরাহ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দুই দেশ এই কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে ইকুয়েডরের বিভিন্ন স্থানে মাদক কার্টেল বিরোধী এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
161 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
175 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
113 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
শিক্ষা
Advertisement
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
বাংলাদেশ
জাতীয়