জনগণের চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান, ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ দ্রুত শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হতে বলা হয়েছে। বৈঠকে বিভিন্ন সরকারি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবন চিহ্নিত করে সেগুলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়। জানানো হয়, শুধু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এরই প্রায় ১৭০টি পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। এসব ভবন স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহার করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। প্রতি বছর প্রায় ৩৪ লাখ নবজাতক জন্ম নিচ্ছে—এ তথ্য তুলে ধরে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ (যার ৮০ শতাংশ নারী) এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়। দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
শ্রীলঙ্কা উপকূলে একটি ইরানি জাহাজে সাবমেরিন থেকে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে ইরান নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শ্রীলঙ্কান কর্তৃপক্ষ জানায়, জাহাজটি থেকে বিপদ সংকেত পাওয়ার পর নাবিকদের উদ্ধারে নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিথা হেরাথ সংসদে জানান, ভোরের দিকে ‘আইআরআইএস ডেনা’ জাহাজ থেকে তারা বিপদ সংকেত পান। তিনি বলেন, জাহাজটিতে মোট ১৮০ জন আরোহী ছিলেন। আহত ৩০ জনকে উদ্ধার করে গ্যালে বন্দরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩২ জনের খোঁজ পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। বাকিদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চীন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইসরায়েল-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এ আহ্বান জানান বলে মঙ্গলবার রাতে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আলোচনায় ওয়াং ই আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যু সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমে সমাধানের পক্ষে বেইজিংয়ের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করছিল এবং এতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। তবে সামরিক হামলার কারণে সেই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। চীন সংঘাত আরও বিস্তৃত ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ঠেকাতে তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধের দাবি জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিরোধিতা করে বেইজিং। তাদের মতে, শক্তি প্রয়োগ কখনোই সমস্যার স্থায়ী সমাধান দেয় না; বরং নতুন সংকট তৈরি করে এবং দীর্ঘমেয়াদি গুরুতর প্রভাব ফেলে। চলমান সংঘাতের ফলে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো থেকে জ্বালানি আমদানিনির্ভর চীনের সরবরাহ ব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক অভিযানে ইরানের কয়েক ডজন মিসাইল লঞ্চার ধ্বংস করা হলেও তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সক্ষমতা এখনও ফুরিয়ে যায়নি। ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফফি ডেফরিন এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন যে, যদিও তারা ইসরায়েলি সীমান্তের জন্য হুমকিস্বরূপ বহু লঞ্চার গুঁড়িয়ে দিয়েছেন, তবুও ইরানের হাতে এখনও ‘উল্লেখযোগ্য পরিমাণে’ ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ রয়েছে। ডেফরিন সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “আমরা ক্রমাগত হামলা চালিয়ে তাদের সক্ষমতা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি, কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে যে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শতভাগ অভেদ্য নয়।” ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এই স্বীকারোক্তি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
জনগণের চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান, ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ দ্রুত শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হতে বলা হয়েছে। বৈঠকে বিভিন্ন সরকারি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবন চিহ্নিত করে সেগুলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়। জানানো হয়, শুধু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এরই প্রায় ১৭০টি পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। এসব ভবন স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহার করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। প্রতি বছর প্রায় ৩৪ লাখ নবজাতক জন্ম নিচ্ছে—এ তথ্য তুলে ধরে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ (যার ৮০ শতাংশ নারী) এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়। দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ইসরায়েলের সামরিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের (আইএআই) সদরদপ্তরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। বুধবার গভীর রাতে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানো হয় বলে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ এই অভিযানকে লেবাননের বিভিন্ন শহর ও জনপদে ইসরায়েলি ‘অপরাধমূলক আগ্রাসনের’ পাল্টা জবাব হিসেবে উল্লেখ করেছে। রাত ২টার দিকে অধিকৃত ফিলিস্তিনের কেন্দ্রে অবস্থিত এই সদরদপ্তরে ড্রোনগুলো আঘাত হানে। আইএআই মূলত ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক ড্রোন তৈরির প্রধান প্রতিষ্ঠান। একই রাতে উত্তর ইসরায়েলের একটি ড্রোন নিয়ন্ত্রণকারী সামরিক ঘাঁটিতেও নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানোর দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। তবে এই জোড়া হামলার ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, সে সম্পর্কে ইসরায়েল বা নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক, নিজ কক্ষে ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। ঘটনার পর একই কক্ষে অবস্থানকারী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রশাসনিক সূত্র জানায়, বিভাগের ভেতর থেকে চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম এবং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে। দ্রুত তাদের বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আসমা সাদিয়া রুনা–কে মৃত ঘোষণা করেন বলে নিশ্চিত করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইমাম হোসাইন। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড ও আত্মহত্যার চেষ্টার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি জটিল পরিস্থিতি হিসেবে তদন্ত করছে। তবে হত্যার কারণ বা ঘটনার পেছনের বিস্তারিত এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্তে সহযোগিতা করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ফেসবুক পেজ থেকে আয়ের বিষয়টি সচরাচর গোপন রাখতেই পছন্দ করেন ইনফ্লুয়েন্সার বা তারকারা। তবে এক্ষেত্রে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে মাসিক ও বাৎসরিক আয়ের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো চমক দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ৪৯ লাখ ছাড়িয়েছে। নিয়মিত জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে ভিডিও, ছবি এবং মতামত শেয়ার করেন তিনি। সম্প্রতি এক তথ্যে তিনি জানান, তার একটি ভিডিও ১৭ মিলিয়ন ভিউ হওয়ার বিপরীতে তিনি মাত্র ৪০ ডলার আয় করেছেন। তবে সবশেষ দুই দিনেই এসেছে ১২০ ডলার। আয়ের ধারাবাহিকতা নিয়ে হাসনাত জানান, গত মাসে তার পেজ থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৩৯৯ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ লাখ ১৫ হাজার টাকার সমান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি আয়ের এই ধারা বজায় থাকে, তবে তার মাসিক গড় আয় ৪ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। সেই হিসেবে বছরে তার আয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৪৫ থেকে ৪৮ লাখ টাকা। সাধারণত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আয়ের উৎস নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন থাকে। এমন পরিস্থিতিতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া আয়ের হিসাব জনসমক্ষে এনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার এক নতুন নজির গড়লেন এই নেতা। তার এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ ও অনুসারীরা।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, ভবিষ্যতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কোনো সেবা আর ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া দেওয়া হবে না। তিনি জানান, বাজেটে সম্প্রসারণমূলক রাজস্বনীতি বা কঠোর মিতব্যয়িতা—কোনোটিই নয়; বরং অপচয় রোধই হবে সরকারের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে এলটিইউ-নির্ভর কর আদায়ের চর্চা থেকেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-কে বেরিয়ে আসতে হবে। বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘লুকিং ইনটু বাংলাদেশ’স ডেভেলপমেন্ট: প্রায়োরিটি ফর দ্য নিউলি ইলেক্টেড গভর্নমেন্ট ইন দ্য শর্ট টু মিডিয়াম টার্ম’ শীর্ষক এ আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও দ্য ডেইলি স্টার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নিয়ে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকার ‘ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’-এর দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যার ভিত্তি হবে ইন্টার-অপারেবিলিটি। অর্থাৎ সব সেবা ও ডাটাবেইস একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। সরকারের লক্ষ্য ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’—এর মাধ্যমে সেবা প্রাপ্তিতে অনিয়ম ও অপচয় কমানো সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বর্তমানে তিনটি বড় সমস্যা রয়েছে—বঞ্চনা (এক্সক্লুশন এরর), অযোগ্যদের অন্তর্ভুক্তি (ইনক্লুশন এরর) এবং কর্মসূচির খণ্ডিত অবস্থা। ডিজিটাল কার্ড ও একক সনাক্তকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধান করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রলম্বিত মূল্যস্ফীতির কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণি ঝুঁকিতে পড়ছে উল্লেখ করে তিনি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি, যা নারীকেন্দ্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে জোরদার করবে। লক্ষ্য হচ্ছে টার্গেটভিত্তিক ব্যবস্থা থেকে ধীরে ধীরে সর্বজনীন ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়া। কর ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সীমিতসংখ্যক বড় করদাতার ওপর নির্ভরশীলতা টেকসই নয়। কর সংস্কৃতি বিস্তার ও কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হবে। বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সম্প্রসারণমূলক রাজস্বনীতি বা কঠোর মিতব্যয়িতা—দুটোর কোনোটিই সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে একমাত্র পথ হলো অপচয় রোধ।”
শনিবার থেকে ইরান-এর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম হারিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম আনাদোলু-এর সংকলিত তথ্য ও অনুমানে জানা গেছে। সবচেয়ে বড় ক্ষতির মধ্যে রয়েছে কাতার-এর আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি-তে স্থাপিত মার্কিন এএন/এফপিএস-১৩২ প্রারম্ভিক সতর্কতা রাডার ব্যবস্থা, যার মূল্য প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কাতার নিশ্চিত করেছে। রোববার কুয়েত-এ বন্ধুত্বপূর্ণ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়। ছয়জন ক্রু প্রাণে বেঁচে গেলেও বিমানগুলো রক্ষা করা যায়নি। এসব বিমানের প্রতিস্থাপন ব্যয় প্রায় ২৮২ মিলিয়ন ডলার বলে অনুমান করা হচ্ছে। এ ছাড়া বাহরাইন-এর রাজধানী মানামা-এ অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে হামলায় স্যাটেলাইট যোগাযোগ টার্মিনাল ও একাধিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ওপেন-সোর্স তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনালগুলোর মূল্য কয়েক কোটি ডলার হতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর আল-রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে মোতায়েন করা একটি অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রাডার উপাদান ধ্বংসের দাবিও করেছে ইরান। স্যাটেলাইট চিত্রে আঘাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়, যার সম্ভাব্য ক্ষতি শত কোটি ডলারের বেশি। এসব হিসাব একত্র করলে অঞ্চলে প্রায় ১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন সামরিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংঘাত শুরুর পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একাধিক মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কুয়েতের আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি ও ক্যাম্প আরিফজান, ইরাকের এরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামরিক অংশ, কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি এবং বাহরাইনের নৌঘাঁটি। কিছু স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ড ও অবকাঠামোগত ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি কূটনৈতিক মিশনও হামলার শিকার হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। সৌদি আরব-এর রাজধানী রিয়াদ-এ মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে সীমিত অগ্নিকাণ্ড ও সামান্য ক্ষয়ক্ষতির কথা জানানো হয়েছে। কুয়েত সিটি ও দুবাই-এ অবস্থিত মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোর কাছেও বিস্ফোরণ ও ধোঁয়া দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও বড় ধরনের কাঠামোগত ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত হয়নি।
মো: আবদুর রহমান মিঞা
ড. মাহরুফ চৌধুরী
শ্রীলঙ্কা উপকূলে একটি ইরানি জাহাজে সাবমেরিন থেকে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে ইরান নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শ্রীলঙ্কান কর্তৃপক্ষ জানায়, জাহাজটি থেকে বিপদ সংকেত পাওয়ার পর নাবিকদের উদ্ধারে নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিথা হেরাথ সংসদে জানান, ভোরের দিকে ‘আইআরআইএস ডেনা’ জাহাজ থেকে তারা বিপদ সংকেত পান। তিনি বলেন, জাহাজটিতে মোট ১৮০ জন আরোহী ছিলেন। আহত ৩০ জনকে উদ্ধার করে গ্যালে বন্দরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩২ জনের খোঁজ পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি। বাকিদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চীন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ইসরায়েল-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এ আহ্বান জানান বলে মঙ্গলবার রাতে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আলোচনায় ওয়াং ই আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ইস্যু সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমে সমাধানের পক্ষে বেইজিংয়ের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করছিল এবং এতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। তবে সামরিক হামলার কারণে সেই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। চীন সংঘাত আরও বিস্তৃত ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ঠেকাতে তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধের দাবি জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিরোধিতা করে বেইজিং। তাদের মতে, শক্তি প্রয়োগ কখনোই সমস্যার স্থায়ী সমাধান দেয় না; বরং নতুন সংকট তৈরি করে এবং দীর্ঘমেয়াদি গুরুতর প্রভাব ফেলে। চলমান সংঘাতের ফলে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো থেকে জ্বালানি আমদানিনির্ভর চীনের সরবরাহ ব্যবস্থা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক অভিযানে ইরানের কয়েক ডজন মিসাইল লঞ্চার ধ্বংস করা হলেও তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সক্ষমতা এখনও ফুরিয়ে যায়নি। ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফফি ডেফরিন এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন যে, যদিও তারা ইসরায়েলি সীমান্তের জন্য হুমকিস্বরূপ বহু লঞ্চার গুঁড়িয়ে দিয়েছেন, তবুও ইরানের হাতে এখনও ‘উল্লেখযোগ্য পরিমাণে’ ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ রয়েছে। ডেফরিন সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “আমরা ক্রমাগত হামলা চালিয়ে তাদের সক্ষমতা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি, কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে যে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শতভাগ অভেদ্য নয়।” ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এই স্বীকারোক্তি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
ইরান-এর সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-র রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করা হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানায়, চলমান সংঘাতের মধ্যে তেহরানে অভূতপূর্ব জনসমাগমের আশঙ্কায় জানাজার অনুষ্ঠান পেছানো হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানী তেহরান-এ রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের কথা ছিল। সম্প্রচারে বলা হয়, “শহীদ ইমামের বিদায়ী অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। নতুন তারিখ পরে জানানো হবে।” গত শনিবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় তেহরানে খামেনি নিহত হন বলে জানানো হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তার মৃত্যুতে দেশে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হন। এর আগে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি-র নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লবে অংশ নেন। সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার আগে ১৯৮০-এর দশকে ইরাকের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।