সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

গ্রিন কার্ড ও H-1B আবেদনকারীদের সতর্কতা, যে ভুলে বাতিল হতে পারে আবেদন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১২, ২০২৬ ২৩:৩
H-1B ও গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। ছবি: সংগৃহীত
H-1B ও গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (USCIS) ১০ জুলাই থেকে আবেদনপত্রে স্বাক্ষর সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা কার্যকর করেছে। নতুন নীতির ফলে H-1B ভিসা, গ্রিন কার্ড, নাগরিকত্বসহ বিভিন্ন ধরনের অভিবাসন আবেদনে টাইপ করা নাম, অটো-জেনারেটেড বা কপি-পেস্ট করা ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহার করলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হতে পারে।

 

ইউএসসিআইএসের হালনাগাদ নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনপত্রে অবশ্যই আবেদনকারীর নিজ হাতে করা স্বাক্ষর অথবা সেই হাতে করা স্বাক্ষরের আসল কপি থাকতে হবে। স্ক্যান করা বা ফটোকপি করা স্বাক্ষর গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদি সেটি মূল হাতে করা স্বাক্ষরের সঠিক অনুলিপি হয়। তবে কেবল নাম টাইপ করে লেখা, কম্পিউটার-জেনারেটেড সিগনেচার, ফন্টভিত্তিক স্বাক্ষর বা কপি-পেস্ট করা ডিজিটাল সিগনেচার বৈধ হিসেবে গণ্য হবে না।

 

সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আবেদনপত্রে সঠিক স্বাক্ষর না থাকলে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আবেদনকারীকে নতুন করে আবেদন জমা দিতে হতে পারে, যার ফলে অতিরিক্ত সময়, অর্থ এবং অভিবাসন প্রক্রিয়ায় বিলম্বের ঝুঁকি তৈরি হবে।

 

এই নির্দেশনা H-1B কর্মভিসা, স্থায়ী বাসিন্দার জন্য গ্রিন কার্ড, মার্কিন নাগরিকত্বের আবেদন, কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত ফর্ম এবং ইউএসসিআইএসে জমা দেওয়া অন্যান্য অধিকাংশ কাগজপত্রের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

 

অভিবাসন আইনজীবীরা আবেদনকারীদের কাগজপত্র জমা দেওয়ার আগে স্বাক্ষর সংক্রান্ত বিষয়টি বিশেষভাবে যাচাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে আবেদন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়া ডিজিটাল সিগনেচারের কারণে আবেদন বাতিলের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

 

ইউএসসিআইএসের এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হলো আবেদনপত্রের সত্যতা নিশ্চিত করা, জালিয়াতি প্রতিরোধ করা এবং আবেদনকারীর পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়াকে আরও নির্ভরযোগ্য করা।

 

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বা নতুন করে ভিসা, গ্রিন কার্ড কিংবা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের জন্য নতুন এই নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবেদন জমা দেওয়ার আগে স্বাক্ষর সংক্রান্ত ইউএসসিআইএসের সর্বশেষ নিয়ম অনুসরণ করলে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা ও আবেদন বাতিলের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ডে-কেয়ারের খরচ জোগাতে সন্তানদের রেখে দ্বিতীয় চাকরিতে মা
ডে-কেয়ারের খরচ জোগাতে সন্তানদের রেখে দ্বিতীয় চাকরিতে মা

যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহোর বোইস শহরে এক মায়ের দৈনন্দিন জীবন নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক একটি প্রতিবেদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেনা রিজ নামে এক মা সন্তানদের ডে-কেয়ারে রেখে দ্বিতীয় চাকরিতে যাচ্ছেন, আর সেই বাড়তি আয় দিয়েই সন্তানদের ডে-কেয়ারের খরচ মেটাচ্ছেন। তবে ঘটনাটি বাস্তব সংবাদ নয়, এটি ব্যঙ্গধর্মী সংবাদমাধ্যম বেবিলন বি -এর একটি রম্য প্রতিবেদন।    প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনা তাঁর দুই ছোট সন্তানকে ‘Mountains of Fun Daycare’-এ রেখে দ্বিতীয় চাকরির শিফটে যান। সন্তানদের ডে-কেয়ারে রেখে যাওয়ার সময় তিনি মজা করে বলেন, তারা যেন ভালোভাবে থাকে, কারণ তাদের সেখানে রাখার খরচ জোগাতে তাঁকে কাজ করতে যেতে হচ্ছে। পরে তাদের বাবা কর্মস্থল থেকে ছুটি পাওয়ার পর সন্তানদের নিয়ে যাবেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।    ব্যঙ্গাত্মক লেখাটিতে আরও বলা হয়, জেনা সন্ধ্যায় একটি সুপারমার্কেটের বেকারি বিভাগে পার্টটাইম কাজ করেন। তাঁর বক্তব্য হিসেবে প্রতিবেদনে ডে-কেয়ারের বাড়তি খরচের কারণে দ্বিতীয় চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে সন্তানদের সঙ্গে আরও সময় কাটাতে না পারার বিষয়টিও হাস্যরসের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে।    প্রতিবেদনটির মূল বিষয় হলো যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের ডে-কেয়ারের ব্যয় মেটাতে অনেক পরিবারের ওপর তৈরি হওয়া আর্থিক চাপকে ব্যঙ্গ করে তুলে ধরা। তবে এতে বর্ণিত চরিত্র ও ঘটনাগুলোকে বাস্তব সংবাদ বা যাচাই করা ব্যক্তিগত ঘটনা হিসেবে নেওয়া ঠিক হবে না। Babylon Bee নিজেই একটি ব্যঙ্গধর্মী সংবাদমাধ্যম, যেখানে সমসাময়িক সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে রম্য প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৮, ২০২৬ ৯:৩৪
লং আইল্যান্ডে ম্যানহোলে পাঁচজনের রহস্যময় প্রবেশ

লং আইল্যান্ডে ম্যানহোলে পাঁচজনের রহস্যময় প্রবেশ, এক সপ্তাহ পর ফের একই ঘটনা

৬ হাজার ইলেকট্রিক শক গ্লাভস কিনছে আইসিই, খরচ ১ কোটি ৬৭ লাখ ডলার

৬ হাজার ইলেকট্রিক শক গ্লাভস কিনছে আইসিই, খরচ ১ কোটি ৬৭ লাখ ডলার

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলে ব্যারন ট্রাম্প

ইরানের হুমকি, বাবার ওপর হত্যাচেষ্টা ও চার্লি কার্ক হত্যার পর আড়ালে ব্যারন ট্রাম্প

american-us-dollars-money-bills-and-us-social-security
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে মূল্যস্ফীতির প্রভাবে ২০২৭ সালে বাড়তে পারে সোশ্যাল সিকিউরিটি ভাতা

যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি অব্যাহত থাকায় ২০২৭ সালে সোশ্যাল সিকিউরিটি সুবিধাভোগীদের মাসিক ভাতা বাড়তে পারে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও জ্বালানির দাম বাড়ায় আগামী বছর ভাতা কতটা বাড়বে, তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।   সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এসএসএ) নিয়ম অনুযায়ী, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লে সুবিধাভোগীদের ভাতাতেও সমন্বয় করা হয়। এই বার্ষিক সমন্বয়কে বলা হয় কস্ট-অব-লিভিং অ্যাডজাস্টমেন্ট বা সিওএলএ।   প্রতি বছর মূল্যস্ফীতির তথ্য বিশ্লেষণ করে এসএসএ পরবর্তী বছরে ভাতা কতটা বাড়বে, তা নির্ধারণ করে। ২০২৬ সালে সোশ্যাল সিকিউরিটি ভাতা ২ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। এতে গড় অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর মাসিক ভাতা প্রায় ২ হাজার ১৫ ডলার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৭২ ডলারে দাঁড়ায়।   ২০২৭ সালে কত বাড়তে পারে?   ২০২৭ সালের সিওএলএ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এসএসএ আগামী অক্টোবর মাসে এ বিষয়ে ঘোষণা দেবে। তবে বর্তমান মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতির ভিত্তিতে বিভিন্ন পূর্বাভাসে আগামী বছর ভাতা ৩ দশমিক ৫ থেকে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে।   সিওএলএ নির্ধারণ করা হয় কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স ফর আরবান ওয়েজ আর্নার্স অ্যান্ড ক্লেরিক্যাল ওয়ার্কার্স (সিপিআই-ডব্লিউ)-এর তথ্যের ভিত্তিতে। আগের বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের সঙ্গে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের মূল্যসূচকের পরিবর্তন হিসাব করে এই সমন্বয় নির্ধারণ করা হয়।   তবে চূড়ান্ত হিসাবের জন্য সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হলে সাধারণত নতুন হারে অর্থ পাওয়া শুরু হয় পরবর্তী বছরের জানুয়ারি থেকে।   মূল্যস্ফীতি কেন গুরুত্বপূর্ণ?   মার্কিন নাগরিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লে একই পরিমাণ সোশ্যাল সিকিউরিটি ভাতা দিয়ে আগের মতো পণ্য ও সেবা কেনা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে প্রতি বছর সিওএলএ নির্ধারণ করা হয়।   বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালে ভাতা বাড়লে সুবিধাভোগীদের মাসিক আয় কিছুটা বাড়বে। তবে খাদ্য, জ্বালানি ও বাসস্থানের মতো খাতে ব্যয়ও বাড়তে থাকায় তাদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কতটা বাড়বে, সেটিই বড় প্রশ্ন।   এসএসআই সুবিধাভোগীদের ক্ষেত্রেও কি বাড়বে?   সাধারণত সাপ্লিমেন্টাল সিকিউরিটি ইনকাম (এসএসআই) সুবিধাভোগীরাও একই সিওএলএ সমন্বয়ের আওতায় থাকেন। তবে সোশ্যাল সিকিউরিটি ও এসএসআই আলাদা কর্মসূচি এবং এগুলোর অর্থায়ন ও যোগ্যতার নিয়মও ভিন্ন।   ২০২৬ সালের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৭ কোটি ৫০ লাখের বেশি মানুষ সোশ্যাল সিকিউরিটি বা এসএসআই সুবিধা, অথবা দুটিই পান। ফলে ২০২৭ সালের সিওএলএ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত বিপুলসংখ্যক মানুষের মাসিক আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।   নোট: ২০২৭ সালের চূড়ান্ত বৃদ্ধির হার এখনো ঘোষণা করা হয়নি। এসএসএ অক্টোবর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন হার জানাবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৮, ২০২৬ ৭:৪৪
ইরান যুদ্ধের ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়েছে ৩৭%,ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা

ইরান যুদ্ধের ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়েছে ৩৭%, আগস্টে হতে যাচ্ছে নতুন রেকর্ড

young-man-paying-with-contactless-credit-card

রেস্তোরাঁয় বিল দেন পুরুষ, তবে টিপের সিদ্ধান্তে প্রভাব থাকে নারীর—সাবেক ওয়েট্রেসের দাবি

man-with-beard-talking-on-landline-phone

তিনটি সাধারণ কারণে শরীর দ্রুত বুড়িয়ে যেতে পারে, দাবি বিশেষজ্ঞের

গুগলে দেওয়া ১-স্টার রিভিউকে মিথ্যা দাবি করে এক নারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে স্টার ম্যানুফ্যাকচারিং। ছবি: সংগৃহীত
গুগলে ১-স্টার রিভিউ দেওয়ায় নারীর বিরুদ্ধে ২৫ হাজার ডলারের মানহানি মামলা

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের একটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গুগলে দেওয়া ১-স্টার রিভিউকে মিথ্যা ও মানহানিকর দাবি করে এক নারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ভিয়েনা শহরের স্টার ম্যানুফ্যাকচারিং ইনকরপোরেটেড কলম্বাসের বাসিন্দা জুলি ওয়াটসনের বিরুদ্ধে ট্রাম্বুল কাউন্টি কোর্ট অব কমন প্লিজে করা মামলায় ২৫ হাজার ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ চেয়েছে।   গ্যাস উৎপাদন সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, ওয়াটসন চলতি বছরের মার্চে গুগলে তাদের বিরুদ্ধে একটি ১-স্টার রিভিউ প্রকাশ করেন। মামলায় প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, ওই পর্যালোচনায় তাদের উৎপাদন ও কাজের মান নিয়ে মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, রিভিউ প্রকাশের পর তাদের সুনাম ও ব্যবসায় ক্ষতি হয়েছে।   মামলার নথিতে পর্যালোচনার পুরো বক্তব্য সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওয়াটসনের নামে প্রকাশিত একটি গুগল রিভিউয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে ঠিকাদারদের কাজের মান, বিভিন্ন কূপ এলাকায় কাজ সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা এবং বোল্ট ও ফাস্টেনার সঠিকভাবে সংযুক্ত না করার মতো অভিযোগ তোলা হয়েছিল। একই সঙ্গে এসব সমস্যার বিষয়ে আরও ব্যক্তির নাম ও অবস্থান দেওয়ার কথাও ওই পর্যালোচনায় বলা হয়েছিল।   স্টার ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের আইনজীবী থমাস নাদের দাবি করেছেন, ওয়াটসন কখনোই প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক ছিলেন না। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই নারীর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল এবং পরে সেই সম্পর্কের অবনতি হয়। আইনজীবী অভিযোগ করেছেন, এরপরই কথিত মিথ্যা পর্যালোচনাটি প্রকাশ করা হয় এবং এটিকে তিনি ব্যক্তিগত বিদ্বেষের ফল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।   প্রতিষ্ঠানটি মামলায় দাবি করেছে, ওয়াটসনের বক্তব্যের কারণে তাদের উল্লেখযোগ্য সুনামগত ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। ভবিষ্যতেও তিনি ইন্টারনেটে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কথিত মিথ্যা ও ক্ষতিকর অভিযোগ প্রকাশ করতে পারেন বলেও মামলায় আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটি আদালতের মাধ্যমে এমন বক্তব্য প্রকাশ বন্ধের নির্দেশও চেয়েছে।   স্টার ম্যানুফ্যাকচারিং প্রকৃত ও ক্ষতিপূরণমূলক অর্থের পাশাপাশি ২৫ হাজার ডলারের বেশি দণ্ডমূলক ক্ষতিপূরণ, আইনজীবীর পারিশ্রমিক ও মামলার খরচ দাবি করেছে। মামলাটি ১২ আগস্ট ট্রাম্বুল কাউন্টি কোর্ট অব কমন প্লিজে করা হয়েছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   তবে মামলায় প্রতিষ্ঠানটির করা অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। জুলি ওয়াটসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে রিভিউতে করা অভিযোগগুলো সত্য না মিথ্যা, এবং প্রতিষ্ঠানটির দাবিকৃত ক্ষতির পরিমাণ কতটা, তা আদালতের প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৮, ২০২৬ ৪:১৭
নিউইয়র্কের কুইন্সে ছেলের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে ডিজের পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধের জেরে গ্রেপ্তার হওয়া জামি চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

নিউ ইয়র্কে মারধরের ঘটনায় বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, ধর্মীয় বিদ্বেষের অভিযোগ

ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা খাতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের নীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন গবেষকরা, ৪৮ জনকে নিয়োগ দিল কানাডা বিশ্ববিদ্যালয়

দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসনবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের আমলে আইসিইর রেকর্ড গ্রেপ্তার, অর্ধেকের বেশি অভিবাসীর নেই অপরাধের রেকর্ড

0 Comments