আমেরিকা

হরমুজে একটি জাহাজে হামলা হলেই ইরানের একটি অবকাঠামো ধ্বংস হবে: ট্রাম্প

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ১০:৫৩
ইরানের যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজে ইরানের যেকোনো হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

 

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, এখন থেকে ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে কোনো জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন বা অন্য কোনো অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করবে।

 

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে তেহরানের রাজধানীর আশপাশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে।

 

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বৈশ্বিক সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ চলাচল করে। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এর জবাবেই ট্রাম্প এই নতুন সতর্কবার্তা দিলেন।

 

তবে ট্রাম্প প্রশাসন এতদিন ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোকে সরাসরি লক্ষ্য করে হামলা চালানো থেকে বিরত ছিল। চলতি বছরের এপ্রিলেও ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হলে “একটি পুরো সভ্যতাই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।”

 

নতুন এই ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্ট হলো, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তাকে এখন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি নিজেদের জাতীয় ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্বার্থের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। ফলে ওই জলপথে নতুন কোনো হামলা হলে ওয়াশিংটনের সামরিক প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

আমেরিকা

View more
অ্যারিজোনা প্রাইমারি নির্বাচনে নিজের সমর্থিত প্রার্থীদের বড় জয়কে “সম্পূর্ণ বিজয়” আখ্যা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
অ্যারিজোনা প্রাইমারিতে ট্রাম্পের শক্ত অবস্থান, সমর্থিত প্রার্থীদের একের পর এক জয়

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে অনুষ্ঠিত রিপাবলিকান পার্টির প্রাইমারি নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থিত একাধিক প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ফলাফল প্রকাশের পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এটিকে “সম্পূর্ণ বিজয়” হিসেবে উল্লেখ করে বিজয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানান।   নিজের পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, তার সমর্থিত “মাগা” প্রার্থীরা অ্যারিজোনার গুরুত্বপূর্ণ সব প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, অ্যারিজোনা ধীরে ধীরে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হচ্ছে।   তবে এই নির্বাচন ছিল রিপাবলিকান পার্টির অভ্যন্তরীণ প্রাইমারি। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যবস্থায় প্রাইমারির মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণ নির্বাচনের জন্য নিজেদের প্রার্থী চূড়ান্ত করে। ফলে এই নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীরা নিজেদের দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করতে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।   রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সমর্থিত কংগ্রেস সদস্য অ্যান্ডি বিগস অ্যারিজোনার গভর্নর পদে রিপাবলিকান মনোনয়ন পেয়েছেন। একই সঙ্গে সাবেক এনএফএল খেলোয়াড় জে ফিলিও অ্যারিজোনার প্রথম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টে রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।   অ্যারিজোনা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বা ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড’ অঙ্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনে রাজ্যটিতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেছে। সে কারণে এবারের প্রাইমারি ফলাফল রিপাবলিকান পার্টির অভ্যন্তরে ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাবের আরেকটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।   তবে বিশ্লেষকদের মতে, প্রাইমারি নির্বাচনের ফল সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করে না। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা মুখোমুখি হবেন। সেই নির্বাচনের ফলের ভিত্তিতেই গভর্নর, কংগ্রেসের বিভিন্ন আসন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্ধারিত হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ১২:১১
নদীতে ডুবে মারা যাওয়া হন্ডুরাসের দুই দম্পতি এবং তাদের এতিম হয়ে পড়া দুই শিশু। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নদীতে ডুবে ৫ জনের মৃত্যু: এতিম দুই শিশুকে নিয়ে স্বজনদের হাহাকার

ইরানের যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজে একটি জাহাজে হামলা হলেই ইরানের একটি অবকাঠামো ধ্বংস হবে: ট্রাম্প

অভিবাসীদের কাজের অধিকার রক্ষায় ট্রাম্পের নীতির ওপর বোস্টন আদালতের সাময়িক স্থগিতাদেশ। ছবি: সংগৃহীত

হাজারো অভিবাসীর স্বস্তি, কর্মঅনুমতি বাতিলে ট্রাম্প প্রশাসনকে আটকাল ফেডারেল আদালত

জর্ডানে ইরানি হামলায় নিহত নিউইয়র্কের ওজোন পার্কের বাসিন্দা সার্জেন্ট অ্যাঞ্জেল র্যাম্পারসাড। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের হামলায় নিহত ১৮তম মার্কিন সেনা নিউইয়র্কের বাসিন্দা, কর্মরত ছিলেন বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ইউনিটে

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) নিউইয়র্কের ওজোন পার্ক এলাকার বাসিন্দা ২৮ বছর বয়সী সার্জেন্ট অ্যাঞ্জেল এস. র্যাম্পারসাডের পরিচয় প্রকাশ করেছে। তিনি জর্ডানে ইরানের হামলার পর নিখোঁজ ছিলেন। পরে তাঁর মরদেহ শনাক্ত হওয়ার পর তাঁকে নিহত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।    পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, সার্জেন্ট র্যাম্পারসাড ১৭ জুলাই জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় নিখোঁজ হন। হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড প্রথমে দুই সেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলেও একজনকে নিখোঁজ বলে জানায়। পরবর্তী অনুসন্ধান ও পরিচয় শনাক্তকরণের পর পেন্টাগন জানায়, নিখোঁজ সেই সেনাই ছিলেন সার্জেন্ট র্যাম্পারসাড। ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন।    সার্জেন্ট অ্যাঞ্জেল এস. র্যাম্পারসাড জার্মানির আন্সবাখে অবস্থানরত ১ম ব্যাটালিয়ন, ৫৭তম এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি রেজিমেন্ট, ৫২তম এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ব্রিগেড এবং ১০ম আর্মি এয়ার অ্যান্ড মিসাইল ডিফেন্স কমান্ডের সদস্য ছিলেন। তিনি সিগন্যাল অপারেশনস সাপোর্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তাঁর ইউনিটের প্রধান দায়িত্ব ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশপথের হুমকি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রবাহিনীর ঘাঁটি রক্ষা করা।    এর আগে একই হামলায় নিহত আরও দুই মার্কিন সেনার পরিচয় প্রকাশ করা হয়। তারা হলেন হাওয়াইয়ের ২৫ বছর বয়সী ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট টাইলার জেমস ফিহান এবং টেক্সাসের ১৯ বছর বয়সী প্রাইভেট ইসাবেলা গনজালেস। তিনজনই জর্ডানে ইরানের হামলায় প্রাণ হারান।    এদিকে, ইরাকে একটি ভূপাতিত ইরানি ড্রোন নিরাপদে ধ্বংস করার অভিযানের সময় পৃথক এক ঘটনায় নর্থ ক্যারোলাইনার সার্জেন্ট মাইকেল ইমানুয়েল সুইনটন নিহত হন। তাঁর মৃত্যুসহ চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে পৌঁছেছে।    জর্ডানে হামলার ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মার্কিন বাহিনীর অবস্থানরত ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং হামলার ঘটনায় পেন্টাগনের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ১০:৩৬
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেলেন অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকার সর্বোচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে অনুমোদন পেলেন বাংলাদেশি-আমেরিকান অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করা হবে না বলে ঘোষণা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নেতারাই গ্রেপ্তার হওয়ার যোগ্য, নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের প্রশ্নই ওঠে না: ট্রাম্প

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সফল আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে যুক্ত হলো রেকর্ড ২০ বিলিয়ন ডলার। ছবি: কোলাজ - আমেরিকা বাংলা

বিশ্বকাপ ফুটবলের ছোঁয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের আয় বাড়ল দুই হাজার কোটি ডলার

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পদ্ধতি ফেডারেল আইন ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপন্থী বলে জানাল বিচার বিভাগ। ছবি: সংগৃহীত
ইউসি সান ডিয়েগো মেডিকেল স্কুলে শ্বেতাঙ্গ ও এশীয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈষম্যের অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ অভিযোগ করেছে, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সান ডিয়েগো (ইউসি সান ডিয়েগো) স্কুল অব মেডিসিন ভর্তিপ্রক্রিয়ায় শ্বেতাঙ্গ ও এশীয় আবেদনকারীদের প্রতি বৈষম্য করেছে। বিভাগের তদন্তে বলা হয়েছে, কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিক আবেদনকারীদের ভর্তি বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় এমন কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করেছে, যা ফেডারেল আইন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপন্থী।    যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সিভিল রাইটস ডিভিশন সোমবার জানায়, তাদের তদন্তে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়টি আবেদনকারীদের এমসিএটি স্কোর ও জিপিএর মতো একাডেমিক যোগ্যতার পাশাপাশি এমন কিছু বিষয় বিবেচনা করেছে, যা বাস্তবে বর্ণভিত্তিক অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়েছে। বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, এর ফলে তুলনামূলকভাবে কম একাডেমিক যোগ্যতা থাকা কিছু কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিক আবেদনকারী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, আর বেশি যোগ্যতা থাকা কিছু শ্বেতাঙ্গ ও এশীয় আবেদনকারী বাদ পড়েছেন।    বিচার বিভাগ আরও দাবি করেছে, আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত দুর্ভোগ বা প্রতিকূলতা সম্পর্কিত উত্তরের মাধ্যমে তথাকথিত ‘আন্ডাররিপ্রেজেন্টেড মাইনরিটি’ শনাক্ত করা হতো। পরে সেই তথ্য ব্যবহার করে সাক্ষাৎকারের জন্য প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর আবেদনকারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তদন্তে এ পদ্ধতিকে ১৯৬৪ সালের সিভিল রাইটস অ্যাক্টের টাইটেল সিক্স এবং ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের ‘স্টুডেন্টস ফর ফেয়ার অ্যাডমিশনস বনাম হার্ভার্ড’ মামলার রায়ের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।    তবে ইউসি সান ডিয়েগো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা বিচার বিভাগের চিঠি পর্যালোচনা করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, তাদের মেডিকেল স্কুলে ভর্তি হওয়া সব শিক্ষার্থীকে একই কঠোর একাডেমিক মানদণ্ড পূরণ করতে হয় এবং তারা আইন মেনেই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।    বিচার বিভাগ জানিয়েছে, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে ভর্তিনীতি সংশোধনের চেষ্টা করবে। সমঝোতা না হলে আদালতে মামলা করা হতে পারে।    ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণভিত্তিক ভর্তি নীতি বাতিলের রায় দেওয়ার পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক তদন্ত শুরু করেছে। এর আগে ইউসিএলএ, ইয়েল এবং ইউসি ডেভিসের মেডিকেল স্কুলের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ তুলে তদন্তের ফল প্রকাশ করেছিল বিচার বিভাগ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ৯:১৭
"ক্যালিফোর্নিয়া ডিএমভি (DMV) ড্রাইভিং লাইসেন্স জালিয়াতি তদন্তের জেরে হাজার হাজার চালককে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার নির্দেশ"। ছবি : সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ার ড্রাইভিং পরীক্ষায় সন্দেহজনক ফল, ৩০ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার নির্দেশ ১১ হাজার চালককে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি:সংগৃহীত

ট্রাম্পের আর্থিক তথ্য প্রকাশের নির্দেশ, বিবিসির ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলায় নতুন মোড়

কমলা হ্যারিস। ছব:সংগৃহীত

২০২৮ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের প্রথম পছন্দ কি আবার কমলা হ্যারিস?

0 Comments