হরমুজে একটি জাহাজে হামলা হলেই ইরানের একটি অবকাঠামো ধ্বংস হবে: ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজে ইরানের যেকোনো হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, এখন থেকে ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে কোনো জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন বা অন্য কোনো অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করবে।
তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে তেহরানের রাজধানীর আশপাশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বৈশ্বিক সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ চলাচল করে। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এর জবাবেই ট্রাম্প এই নতুন সতর্কবার্তা দিলেন।
তবে ট্রাম্প প্রশাসন এতদিন ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোকে সরাসরি লক্ষ্য করে হামলা চালানো থেকে বিরত ছিল। চলতি বছরের এপ্রিলেও ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হলে “একটি পুরো সভ্যতাই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।”
নতুন এই ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্ট হলো, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তাকে এখন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি নিজেদের জাতীয় ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্বার্থের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। ফলে ওই জলপথে নতুন কোনো হামলা হলে ওয়াশিংটনের সামরিক প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর হতে পারে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের সাউথ লস অ্যাঞ্জেলেসে অবৈধ স্ট্রিট রেসিং এবং বেপরোয়া গাড়ি মহড়ার বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে পরিচালিত এই বড় ধরনের অভিযানে শতাধিক গাড়ি জব্দ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আটক করা হয়েছে শত শত বেপরোয়া চালক ও দর্শককে। স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ২১ মিনিটে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (এলএপিডি) একটি ট্যাকটিক্যাল অ্যালার্ট জারি করে এবং সকাল ৯টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে তাদের সাঁড়াশি তৎপরতা অব্যাহত থাকে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সাউথ ফিগেরোয়া স্ট্রিট ও ওয়েস্ট অলোনড্রা বুলেভার্ডের মোড়ে রাস্তা আটকে থাকা বিপুল সংখ্যক গাড়ি ও মানুষকে ঘিরে রেখেছেন কয়েক ডজন পুলিশ কর্মকর্তা। অবৈধ এই আসরটি ভেঙে দিতে তৈরি রাখা হয় বেশ কয়েকটি টো-ট্রাক। সংবাদ সংস্থা আরএমজি নিউজের বরাতে জানা গেছে, ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে পেট্রোল, লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি শেরিফ ডিপার্টমেন্ট এবং এলএপিডি যৌথভাবে এই অভিযানটি পরিচালনা করে। ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ৩০০ চালক ও দর্শককে আটক করা হয় এবং প্রায় ১০০টি গাড়ি জব্দ করে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়। অবৈধ সমাবেশে অংশ নেওয়ার কারণে অনেককে জরিমানার নোটিশও দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের হেফাজতে নিতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক প্রিজন ভ্যান প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে মোট গ্রেপ্তার বা জরিমানার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি। এলএপিডির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তদন্তকারী কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত সবার বিস্তারিত তথ্য ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে ব্যস্ততম সড়ক ও মোড় দখল করে গাড়ির বেপরোয়া কসরত সাধারণ মানুষের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন কঠোর ও বিশাল অভিযানকে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চার দশকের ঐক্যের ফোবানা এখন চার ‘টুকরো’, নেতৃত্বের কোন্দলে হারাচ্ছে জৌলুস
লস অ্যাঞ্জেলেসে টেসলার ভ য়াবহ ধাক্কায় নিহত ১, আহত ৪; চালকের দাবি, ব্রেক কাজ করেনি
টেনেসিতে কিন্ডারগার্টেনে পড়ুয়া ছেলের স্কুলের খাবারে বছরে ৫৪০ ডলার খরচ, হিসাব দেখে হতবাক শিক্ষিকা মা
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হাসপাতালে যাওয়ার পথে গাড়ির সামনের সিটেই কন্যাসন্তান প্রসব করেছেন এক নারী। পরিস্থিতি সামলাতে প্রথমবার বাবা হতে যাওয়া ইয়াসের সোলোরজানো নিজেই প্রসবে সহায়তা করেন। বৃহস্পতিবার রাতে ইয়াসের সোলোরজানো ও তাঁর সঙ্গী আয়শা তেনোরি হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথে আয়শার প্রসববেদনা দ্রুত বেড়ে গেলে তিনি বুঝতে পারেন, হাসপাতালে পৌঁছানোর মতো সময় আর নেই। মাত্র কয়েক মিনিটের পথ যাওয়ার পরই তিনি গাড়ি থামাতে বলেন। সোলোরজানো দ্রুত ফ্লোরিডার ব্র্যান্ডনের একটি ভ্যালু পন অ্যান্ড জুয়েলারি দোকানের পার্কিং লটে গাড়ি থামিয়ে ৯১১-এ ফোন করেন। তখন তিনি বুঝতে পারেন, শিশুটি উল্টো অবস্থানে বা ব্রিচ পজিশনে আছে। এরপর গাড়ির সামনের সিটেই নিজের কন্যাসন্তানকে প্রসব করাতে সহায়তা করেন তিনি। প্রায় ছয় মিনিট পর জরুরি চিকিৎসাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে মা ও নবজাতককে অ্যাম্বুলেন্সে করে এইচসিএ ফ্লোরিডা ব্র্যান্ডন হাসপাতালে নেওয়া হয়। শিশুটি নির্ধারিত সময়ের প্রায় চার সপ্তাহ আগেই জন্ম নেয়। পরিবার পরে মেয়ের নাম রাখে লিয়ানা ভ্যালেনটিনা সোলোরজানো। জন্মের সময় তার ওজন ছিল ৪ পাউন্ড ১০ আউন্স। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকলেও তাকে এনআইসিইউতে নিতে হয়নি। মা ও মেয়ে দুজনই সুস্থ আছেন বলে পরিবার জানিয়েছে। প্রথমবার বাবা হওয়ার এই অভিজ্ঞতাকে সোলোরজানো জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি হিসেবে দেখছেন। হাসপাতাল থেকে শনিবার মা ও মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরার আশা করছে পরিবার।
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় বৃষ্টিতে কাদার সাগরে পরিণত বার্নিং ম্যান উৎসব, ৬ মাইল হেঁটে ফিরলেন ডিজে ডিপলো
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিখোঁজ ক্যালিফোর্নিয়ার বৈমানিক, ৮২ বছর পর শনাক্ত দেহাবশেষ
নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ধ্বংসস্তূপে বেঁচে যাওয়া ‘সারভাইভার ট্রি’, ৯/১১-এর ক্ষত বুকে আজও দাঁড়িয়ে
এআই চ্যাটবটে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের ওপর গুলি চালানোর পরিকল্পনার কথা লেখার অভিযোগে টেক্সাসের সান অ্যান্টোনিওতে ২২ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কর্মকর্তাদের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নাথানিয়েল মাইকেল কারাসকোর কথোপকথনে সার্না এলিমেন্টারি স্কুলকে লক্ষ্য করে হামলার হুমকির কথা উঠে আসে। স্কুলটি তার বাসার পাশেই অবস্থিত। আদালতের হলফনামা অনুযায়ী, ১১ আগস্ট কারাসকো অ্যানথ্রপিকের এআই চ্যাটবট ক্লডে একাধিক হুমকিমূলক বার্তা লেখেন। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি দ্রুত একটি আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করে স্কুলে ঢুকে শিশুদের ওপর হামলা চালানোর কথা বলেন। এমনকি স্কুলে আহত বা মৃত শিশুদের ছবি খুঁজে দিতে চাওয়ার কথাও ওই কথোপকথনে ছিল বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। কারাসকোর কথোপকথন নিয়ে ২৮ আগস্ট এফবিআইয়ের ন্যাশনাল থ্রেট অপারেশনস সেকশন স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে। এরপর তদন্তকারীরা টি-মোবাইল, চার্টার কমিউনিকেশনস ও গুগলের কাছ থেকে জরুরি তথ্য সংগ্রহ করে ওই এআই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কারাসকোর ফোন নম্বর, আইপি তথ্য ও বাসার ঠিকানা মিলিয়ে দেখেন। এরপর ২৯ আগস্ট রাত ১১টার পর সান অ্যান্টোনিও পুলিশ কারাসকোকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হুমকি দেওয়ার তৃতীয়-শ্রেণির গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাকে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বন্ডে বেক্সার কাউন্টি জেলে রাখা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তার সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। ঘটনায় কোনো হামলা হয়নি এবং কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি। পুলিশও কারাসকোর কাছে কোনো অস্ত্র পাওয়া গেছে বা তিনি হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিলেন - এমন তথ্য প্রকাশ করেনি। তিনি এখনো অভিযুক্ত, দোষী সাব্যস্ত নন। ঘটনার আরেকটি দিক নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সার্না এলিমেন্টারি স্কুলের অধ্যক্ষ জেনিফার লোমাস জানিয়েছেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ শুরুতে হুমকিটির পূর্ণ বিবরণ জানতে পারেনি। সংবাদমাধ্যমে বিস্তারিত প্রকাশের পর ৩১ আগস্ট তিনি অভিভাবকদের পরিস্থিতি সম্পর্কে সরাসরি জানান। এদিকে অ্যানথ্রপিকের নিজস্ব নীতিমালায় গুরুতর সহিংসতার ঝুঁকি শনাক্ত করা এবং জীবনহানির আশঙ্কা থাকলে জরুরি পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তথ্য দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির স্বচ্ছতা প্রতিবেদনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি তথ্য-অনুরোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
“আমেরিকান সড়ক, আমেরিকান গাড়িচালক” - ক্যালিফোর্নিয়ায় আইসিইর অভিযান জোরদার
‘ক্ষমতা ছাড়লে কেউ স্মৃতিস্তম্ভ বানাবে না’, তাই সবকিছুতেই নিজের নাম দিচ্ছেন ট্রাম্প