বিশ্ব

ইসরায়েলি হেলিকপ্টার ও সেনানিাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হিজবুল্লাহর

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর একের পর এক শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। 


দক্ষিণ লেবাননের রামিয়া সীমান্ত এলাকায় একটি ইসরায়েলি হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে, যার ফলে হেলিকপ্টারটি পিছু হটতে বাধ্য হয়। 


এছাড়া, কাউজাহ গ্রামে একটি বাড়িতে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে গাইডেড মিসাইল হামলা চালিয়েছে গোষ্ঠীটি। 


এদিকে উত্তর ইসরায়েলের মেতুলা বসতি লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় রকেট হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে হিজবুল্লাহ। 


মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতময় পরিস্থিতিতে সীমান্তে উত্তেজনা এখন চরম তুঙ্গে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ
ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, তীব্র সমালোচনা ফরাসি প্রেসিডেন্টের

ইরানের সাথে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ সচল করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক শক্তি প্রয়োগের আহ্বানকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ। ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে ‘অবাস্তব’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ায় রাষ্ট্রীয় সফরে থাকা ম্যাখোঁ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, সামরিক অভিযানের মাধ্যমে জোরপূর্বক হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করার ধারণাটি বাস্তবসম্মত নয়। তিনি মনে করেন, এ ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদে পরমাণু সংকটের কোনো সমাধান আনতে পারবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি অভিযোগ করেছিলেন যে, মিত্র দেশগুলো তাকে ইরানের বিরুদ্ধে যথাযথ সমর্থন দিচ্ছে না। তিনি প্রকাশ্যেই আহ্বান জানিয়েছিলেন, অন্য দেশগুলোর উচিত হরমুজ প্রণালীতে গিয়ে সেটি দখল করে নেওয়া। এর জবাবে ম্যাখোঁ বলেন, "গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে কথা বলার সময় প্রতিদিন নিজের অবস্থানের পরিবর্তন করা মোটেও দায়িত্বশীল আচরণ নয়।" ম্যাখোঁ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইরান বিরোধী চলমান এই অভিযান মূলত মার্কিন-ইসরায়েল জোটের একটি নিজস্ব পরিকল্পনা এবং ফ্রান্স এতে কোনোভাবেই অংশ নেবে না। তার মতে, একটি সফল সমাধানের জন্য প্রয়োজন: অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা। ইরানের সাথে পুনরায় কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করা। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে একটি 'রিঅ্যাসুরেন্স মিশন' বা নিরাপত্তা দল গঠন করা। ম্যাখোঁ আরও উল্লেখ করেন যে, বাইরের প্রতিনিধিদের দিয়ে যথাযথ পরিদর্শন ছাড়া চলমান এই সামরিক পদক্ষেপ মোটেও ফলপ্রসূ হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানে দক্ষ জনবল এবং গোপন পারমাণবিক স্থাপনাগুলো যেভাবে রয়ে গেছে, তাতে কয়েক সপ্তাহের টার্গেটেড হামলা এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান দিতে অক্ষম।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
নিউ ইয়র্কে নির্বিচার গুলিতে ৭ মাসের শিশুর মৃত্যু

নিউ ইয়র্কে নির্বিচার গুলিতে ৭ মাসের শিশুর মৃত্যু, শোকস্তব্ধ পরিবার

দুই বছর পরও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় পরিবার

নিউ ইয়র্কে উইন রোজারিও হত্যা: দুই বছর পরও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় পরিবার

ছবি: সংগৃহীত।

ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দিতে ইসরায়েলের নতুন আইন, কঠোর নিন্দা ৮ মুসলিম দেশের

ছবি: সংগৃহীত।
ইসরায়েলি হেলিকপ্টার ও সেনানিাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হিজবুল্লাহর

লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর একের পর এক শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।  দক্ষিণ লেবাননের রামিয়া সীমান্ত এলাকায় একটি ইসরায়েলি হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে, যার ফলে হেলিকপ্টারটি পিছু হটতে বাধ্য হয়।  এছাড়া, কাউজাহ গ্রামে একটি বাড়িতে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে গাইডেড মিসাইল হামলা চালিয়েছে গোষ্ঠীটি।  এদিকে উত্তর ইসরায়েলের মেতুলা বসতি লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় রকেট হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে হিজবুল্লাহ।  মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতময় পরিস্থিতিতে সীমান্তে উত্তেজনা এখন চরম তুঙ্গে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো।

বিশ্ববাজারে সোনার দামে নজিরবিহীন ধস

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং

হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থার জন্য ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী: চীন

ইমানুয়েল মাখোঁ ও ডোনাল্ড ট্রাম্প

মাখোঁর স্ত্রী তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন: ট্রাম্প

ছবি: রয়টার্স
সবাই হেরে যাচ্ছে ‘উলঙ্গ রাজা’ যুদ্ধে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত এমন এক যুদ্ধে পরিণত হয়েছে যেখানে কেউ জয়ী নয়। প্রচলিত যুদ্ধের নিয়ম অনুযায়ী, যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীরা জেতে বা হারতে পারে; কিন্তু ইরান যুদ্ধ এক ব্যতিক্রম। এখানে প্রতিটি দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, প্রতিটি মানুষের জীবন প্রভাবিত হচ্ছে।   যুদ্ধ শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, তখন তারা আশা করেছিল তা মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হবে। তারা বিশ্বাস করেছিল, খামেনিকে লক্ষ্য করলে ইরানের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ সৃষ্টি হবে এবং দ্রুত জয় আসবে। কিন্তু বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন। যুদ্ধ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে, এবং আরম্ভকারী পক্ষগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।   কার্টুনিস্ট ইলা ব্যারনের একটি কার্টুন যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বলতা প্রকাশ করেছে, যেখানে ট্রাম্পকে মিসাইল দিয়ে আচ্ছাদিত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে, আর নেতানিয়াহু তাকে পথ দেখাচ্ছেন। যুদ্ধের এক মাসের মধ্যে মার্কিন সামরিক সম্ভার, বিশেষ করে টমাহক মিসাইলের বড় অংশ, প্রায় শেষ হয়ে গেছে। একেকটি মিসাইলের দাম কয়েক মিলিয়ন ডলার, এবং বার্ষিক উৎপাদন সীমিত। যুদ্ধের আর্থিক প্রভাব ইতিমধ্যেই আমেরিকান নাগরিকদের ব্যয় ও দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলিত হচ্ছে—তেলের দাম, মুদ্রাস্ফীতি এবং নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি।   ইসরায়েলের পরিস্থিতিও সংকটজনক। সেনাবাহিনী জনবলসংকটে পড়ে এবং সস্তা ইরানি ড্রোন প্রতিহত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। নাগরিকরা আশ্রয়শিবিরে দৌড়াচ্ছেন, আর সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের সিদ্ধান্তগুলো তাদের দেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।   ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধের অংশ না হলেও, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে। চীন ও রাশিয়াও মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।   বাংলাদেশে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেই, কিন্তু জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক সংকট এবং হরমুজ প্রণালির অস্থিতিশীলতা দেশের অর্থনীতি ও ভোক্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় তেলের মজুত রাখা হচ্ছে, যার ফলে আগুন লাগলে বিপদ বেড়ে যেতে পারে।   সরকারের ভর্তুকি ব্যবস্থা সাময়িক রেহাই দিলেও, দীর্ঘমেয়াদে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে।   ইরানের অবস্থাও গুরুতর। দেশটি বহু নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিকে হারিয়েছে, সহস্রাধিক মানুষ নিহত হয়েছে, তবে তারা সম্মানের সঙ্গে লড়ছে। ইরানের নাগরিকরা প্রশ্ন করছেন—এই যুদ্ধ কখন শেষ হবে? ইসরায়েলের ধ্বংস বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার পর্যন্ত কি লড়াই চলবে?   পরিস্থিতি স্পষ্ট—এ যুদ্ধের কোনো বাস্তব বিজয়ী নেই। যুদ্ধে শুধু দেখা যায় কে বেঁচে আছে এবং কে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ জন্যই নোবেল বিজয়ী মনীষী বার্নার্ড শ বলেছেন, যুদ্ধ কেবল নির্ধারণ করে কে বেঁচে থাকে, আর জয়ী বা পরাজিত হওয়ার ধারাবাহিকতা তা প্রকাশ করে না।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
গত ২৫ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত

আরব সাগরে যৌথ নৌ মহড়া করছে পাকিস্তান ও চীন

সৌদি আরবের যু্বরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ইরান পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প–সৌদি যুবরাজের আলোচনা

সংগৃহীত ছবি

ন্যাটোকে ঘিরে যুদ্ধের আশঙ্কা—রাশিয়ার অভিযোগ

0 Comments