বিশ্ব

জাপানে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

জাপানের বৃহত্তম দ্বীপ হনশু-এর পূর্ব উপকূলে ৬ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে এই কম্পন অনুভূত হয়।

 

ভূমিকম্প সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করেছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস। সংস্থাটির বিবৃতিতে জানানো হয়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।

 

এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

এর আগের দিন বুধবার রাতেও একই অঞ্চলে ৪ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। সেই কম্পনের কেন্দ্র ছিল প্রায় ২০ কিলোমিটার গভীরে। একদিনের ব্যবধানে দুই দফা ভূমিকম্পে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

 

সূত্র: রয়টার্স

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

Advertisement

বিশ্ব

View more
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় ইরান ও লেবাননে ঘরছাড়া প্রায় ৪০ লাখ মানুষ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার ফলে ইরান ও লেবাননে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় ৩২ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩ শতাংশ। অন্যদিকে লেবাননে ইসরাইলি স্থল অভিযানের মুখে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন আরও প্রায় ১০ লাখ মানুষ। দুই দেশ মিলিয়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০ লাখে।   ইরানে টানা ২৭ দিনের সংঘাতে অন্তত এক হাজার ৫০০ জন নিহত হয়েছেন, যদিও প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সময়ে দেশটির অভ্যন্তরে ৮৫ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৮২টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ৬০০টি স্কুল এবং প্রায় ৬৫ হাজার ঘরবাড়ি। রাজধানী তেহরানেই অন্তত ১৪ হাজার আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানিয়েছে, হামলা শুরুর পর থেকে ইরানের মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দেশের ভেতরেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছুটছেন। পাকিস্তান, তুরস্ক ও আজারবাইজান সীমান্ত এখনো স্থিতিশীল থাকলেও দেশত্যাগী মানুষের চাপ বাড়ছে।   অন্যদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে। লিটানি নদী থেকে জাহরানি নদী পর্যন্ত এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়ায় দেশটির প্রায় ১৪ শতাংশ ভূখণ্ড জনশূন্য হয়ে পড়েছে। নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এখন বাস্তুচ্যুত। আশ্রয়ের অভাবে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে বা রাস্তায় রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ লেবানন ছেড়ে সিরিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন, যাদের অর্ধেকই শিশু।   যুদ্ধকৌশলের অংশ হিসেবে দক্ষিণ লেবাননের গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। কাসমিয়েহ, আল-কানতারা ও খর্দালিসহ একাধিক সেতু ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এ হামলার সমালোচনা করে বলেছেন, এটি দক্ষিণাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করে একটি ‘বাফার জোন’ তৈরির চেষ্টা। এতে সাধারণ মানুষের পালানোর পথ সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। সূত্র: আল জাজিরা  

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সৌদি যুবরাজের বৈঠক

ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে দিচ্ছেন নেতানিয়াহু: এরদোয়ান

ছবি: সংগৃহীত।

বাব-আল-মান্দাব লক্ষ্য করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে হুথিরা

ছবি: সংগৃহীত।
হরমুজ সংকটেও দৈনিক তেল থেকে ১৩৯ মিলিয়ন ডলার আয় ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝেও ইরান বিপুল আর্থিক লাভ করছে তেল বিক্রি থেকে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে এবং নিজের রপ্তানি প্রায় অটুট রাখার কারণে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে দ্বিগুণ উপকৃত হচ্ছে। বিশ্লেষক ও জাহাজ ট্র্যাকিং সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে ইরানের তেল রপ্তানি যুদ্ধ শুরুর আগের পর্যায়ের কাছাকাছি—প্রতি দিন প্রায় ১৬ লাখ ব্যারেল। এর মাধ্যমে দেশটি প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩৯ মিলিয়ন ডলার আয় করছে।   ইরানের প্রধান অপরিশোধিত তেল ‘ইরানিয়ান লাইট’ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্টের তুলনায় বর্তমানে সর্বনিম্ন ছাড়ে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি ব্যারেলের ছাড় মাত্র ২.১০ ডলার, যেখানে যুদ্ধ শুরুর আগে তা ছিল ১০ ডলারের বেশি। একই সময়ে, ব্রেন্টের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় ইরানের সামগ্রিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।   যুদ্ধের কারণে অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলো রপ্তানি কমাতে বা বিকল্প পথ খুঁজতে ব্যস্ত থাকলেও, ইরান হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে স্বাভাবিকভাবে তেল রপ্তানি চালিয়ে যেতে পেরেছে। প্রধান রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের তেল অবকাঠামো যুক্তরাষ্ট্র-এর আক্রমণ থেকে রক্ষা পেয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, কয়েক সপ্তাহে খার্গ টার্মিনালে একাধিক বিশাল তেলবাহী জাহাজ একসাথে পণ্য বোঝাই করেছে।   বিশ্লেষকরা বলছেন, তেলের দামের ওপর যুদ্ধের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের রপ্তানিতে কিছু নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র গবেষক ও সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র কর্মকর্তা রিচার্ড নেফিউ মন্তব্য করেছেন, “ট্রাম্প প্রশাসন কার্যত ইরানের কাছে তেল বিক্রির জন্য ভিক্ষা করছে।”   যুদ্ধে ইরানের জ্বালানি খাত তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রতিবেশী দেশগুলো ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। কাতারের রাস লাফান এলএনজি স্থাপনায় শত শত কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে। ইরাক ও কুয়েতের তেল উৎপাদন কমেছে, আর সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিকল্প রপ্তানি পথ খুঁজছে।   সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী পুনরায় না খুলে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার পরও পরে অবস্থান থেকে সরে এসেছে। অন্যদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘ-এর সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বৈঠক শেষ হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের হামলায় পশ্চিম এশিয়ায় ১৩ মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত।

জাপানে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প

ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের হামলায় পশ্চিম এশিয়ায় নিশ্চিহ্ন ১৩ মার্কিন ঘাঁটি

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরের অচলাবস্থা কাটাতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ — বেতন পাচ্ছেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরের অচলাবস্থা কাটাতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ — বেতন পাচ্ছেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা

যুক্তরাষ্ট্রে চলমান সরকারি অচলাবস্থার কারণে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে তৈরি হওয়া সংকট মোকাবিলায় নতুন পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, একটি নির্বাহী আদেশ জারি করে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের অধীনে কর্মরত বিমানবন্দর নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বেতন পরিশোধের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে নিরাপত্তা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা যায়।   সরকারি অর্থায়ন বন্ধ থাকায় অনেক কর্মচারীর বেতন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে বিভিন্ন বিমানবন্দরে কর্মীসংকট দেখা দেয় এবং যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। নিরাপত্তা তল্লাশি ধীর হয়ে পড়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই জরুরি ভিত্তিতে এই নির্বাহী আদেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।   প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, বিমানবন্দরগুলোতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। তিনি এই পরিস্থিতির জন্য বিরোধী দলকে দায়ী করে বলেন, রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি অচলাবস্থা দীর্ঘ হলে শুধু বিমানবন্দর নয়, সীমান্ত নিরাপত্তা, ভিসা কার্যক্রম এবং অন্যান্য সরকারি সেবাতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রশাসন বিকল্প উপায়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।   দুই দলের মধ্যে মতবিরোধ এখনো পুরোপুরি শেষ না হলেও, বিমানবন্দরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নেওয়া এই পদক্ষেপকে তাৎক্ষণিক স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

হরমুজ সংকট: যুদ্ধ না করেও সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে ভারত?

যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ভিসা স্থগিত থাকলেও ইমিগ্রেশনের অন্যান্য ক্যাটাগরির তারিখ অনেক এগিয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ভিসা স্থগিত থাকলেও ইমিগ্রেশনের অন্যান্য ক্যাটাগরির তারিখ অনেক এগিয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে “ট্রাম্প ড্যান্স” করে ভাইরাল ইরানি তরুণী, দেশে যুদ্ধে হারালেন পরিবারের সদস্য

যুক্তরাষ্ট্রে “ট্রাম্প ড্যান্স” করে ভাইরাল ইরানি তরুণী, দেশে যুদ্ধে হারালেন পরিবারের সদস্য

0 Comments