বিশ্ব

আমিরাতে ড্রোন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
আমিরাতে ড্রোন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
আমিরাতে ড্রোন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ অঞ্চলে প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুলি করে নামানো একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে একজন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনও নিশ্চিত হয়নি।

 

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি মানববিহীন উড়োজাহন (ড্রোন) সনাক্ত করে তা ভূপাতিত করেছে। তবে ধ্বংসাবশেষ এল-রিফা’আ এলাকার একটি খামারে পড়ে ঘটনাস্থলে একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জরুরি সেবা দল ও নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

বিশ্ব

View more
মিজানুর রহমান আজহারী
অস্ট্রেলিয়া বাতিল করল আজহারীর ভিসা, সফরের মাঝপথে দেশে ফেরত

অস্ট্রেলিয়ায় একাধিক ইসলামিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে তাকে সফরের মাঝপথেই দেশে ফিরে আসতে হচ্ছে।   সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, আজহারী আগে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। সেখানে তিনি নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারের প্রশংসা করেন এবং ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেন। এই কারণে অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা তার সফরকে প্রাথমিকভাবে সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল সিনেটর জোনাথান দুনলাম আজ বুধবার জানিয়েছেন, তাকে এবং অন্যান্য সংসদ সদস্যদের আজহারীর অস্ট্রেলিয়া সফরের ব্যাপারে সতর্ক করেছিল কমিউনিটি গ্রুপ।   তিনি বলেছেন, “আমার জানামতে আজহারীর সফরের ব্যাপারে মন্ত্রীসহ একাধিক সংসদ সদস্যের সঙ্গে ‘অস্ট্রেলিয়াস্থ বাংলাদেশ জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু ফেডারেশন’ যোগাযোগ করেছে।”   সংবাদমাধ্যমটি আরও বলেছে, ২০২৩ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আজহারী ইহুদিদের বিরুদ্ধে কথা বলেন, হলোকাস্টের প্রশংসা করেন এবং তার স্রোতাদের ইহুদিদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে বলেন।   তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ইহুদিদের জন্য ‘ঐশ্বরিক শাস্তি’ ছিলেন হিটলার। এছাড়া ইহুদিদের বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী এবং তাদের বিষাক্ত কলঙ্ক হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।   এর পাশাপাশি ইহুদিরা বিশ্বে এইডস ছড়িয়েছে এবং বিশ্বের অনেক অশান্তির জন্য তারা দায়ী বলে বক্তব্য দেন তিনি।   অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল সিনেটর জোনাথান দুনলাম জানান, কমিউনিটি গ্রুপ এবং সংসদ সদস্যরা তাদের সতর্ক করেছিলেন। আজহারী ব্রিসবেন, মেলবোর্ন ও সিডনিতে সম্মেলন করার কথা থাকলেও এখন তা সম্ভব হচ্ছে না। মূল সম্মেলনগুলো ৩ এপ্রিল মেলবোর্নে, ৪ এপ্রিল সিডনিতে এবং ৬ এপ্রিল ক্যানবেরায় হওয়ার কথা ছিল।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
আমিরাতে ড্রোন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত

আমিরাতে ড্রোন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত

মার্কিন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক শেলি কিটলসন

বাগদাদে অপহৃত মার্কিন সাংবাদিক—রহস্য ঘনীভূত, তল্লাশি জোরদার

ছবি: সংগৃহীত

ক্রিমিয়ায় বিধ্বস্ত রুশ বিমানে ২৯ জনের প্রাণহানি

এক মাসের বেশি সময় ধরে ইরানে যুদ্ধ চলছে। ছবি সংগৃহীত
ইরান সম্পূর্ণ ধ্বংস, পুনর্গঠন হবে দুই দশক পর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি দ্রুতই শেষ হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে, তাই ওই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী উপস্থিতির প্রয়োজন আর নেই।   হোয়াইট হাউসে বুধবার (১ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরানের প্রায় সব সামর্থ্য ধ্বংস করেছি। দেশটি পুনর্গঠনের জন্য অন্তত ১৫ থেকে ২০ বছর সময় নেবে। আমরা তাদের অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছি।”   তিনি আরও জানান, ইরানের নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী এবং বিমানবাহিনী প্রায় পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নেতৃত্ব ব্যবস্থাও প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।   প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “ইরান যদি আলোচনার টেবিলে আসে, তাহলে তা স্বাভাবিকভাবে গ্রহণযোগ্য। কিন্তু তারা আলোচনায় অংশ নেয় কি না, তাতে এখন আমাদের কোনো প্রভাব নেই।”   তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল ইরানের সামর্থ্য ধ্বংস করে দেশটিকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পিছিয়ে দেওয়া। ট্রাম্পের এই মন্তব্য যুদ্ধের পরবর্তী পরিস্থিতি এবং ইরানের পুনর্গঠনের দীর্ঘ মেয়াদি চিত্র তুলে ধরেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান ইস্যুতে ইউরোপের অনীহা—যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে মিলছে না প্রত্যাশিত সাড়া

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি

ইরান সংঘাতের খরচ সামলাতে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় কমানোর উদ্যোগ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরান ইস্যুতে জাতির উদ্দেশে জরুরি ভাষণ দেবেন ট্রাম্প

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। এতে বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ এলাকায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে কুয়েতি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।   দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল-রাজি জানান, ইরান এবং তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এই হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, হামলায় একটি জ্বালানি ট্যাংকারে আঘাত হানার ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।   তিনি আরও জানান, জরুরি সেবা কর্মীরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। কিছু অবকাঠামোগত ক্ষতি হলেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ওই ঘটনার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায় ইরান। এর অংশ হিসেবে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের অভিযোগ, কিছু আরব দেশ তাদের বিমানবন্দর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কাজে ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে।   এদিকে, একই দিনে বাহরাইনেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোতে আগুন লেগেছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। তবে ঠিক কোন প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   এর আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-সম্পৃক্ত কোম্পানিগুলোকেও তারা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে।   সূত্র: আলজাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
হাজারো অভিবাসীর আইনি স্ট্যাটাস পুনর্বহালের নির্দেশ আদালতের

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে ধাক্কা—হাজারো অভিবাসীর আইনি স্ট্যাটাস পুনর্বহালের নির্দেশ আদালতের

সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার ব্যালকনিতে নতুন নির্বাচিত পোপ চতুর্দশ লিও। ভ্যাটিকান, ৮ মে ২০২৫। ছবি: এপি

পোপ লিও চতুর্দশ ট্রাম্পকে আহ্বান: ইরানের সঙ্গে সংঘাত থেকে সরে আসুন

মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত, তবে চায় ভবিষ্যতের হামলার বিরুদ্ধে নিশ্চয়তা

0 Comments