Live update news
আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, মার্কিন প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান ভারতের

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা-বিষয়ক কমিশন (USCIRF)-এর সাম্প্রতিক বার্ষিক প্রতিবেদনকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই প্রতিবেদনকে কেবল ‘ভ্রান্ত’ নয়, বরং একটি ‘নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিকৃত’ দলিল হিসেবে অভিহিত করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই প্রতিবেদনে ভারতের বাস্তব চিত্রকে আড়াল করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক ও আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেন, "আমরা এই রিপোর্টটি দেখেছি। এটি পুরোপুরি পক্ষপাতদুষ্ট এবং ভারতের পক্ষ থেকে এটি সরাসরি খারিজ করা হচ্ছে।" প্রতিবেদনে যা ছিল এবং ভারতের কড়া জবাব উল্লেখ্য যে, USCIRF-এর প্রতিবেদনে ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্বের অভিযোগ তুলে দেশটির প্রভাবশালী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (আরএসএস) এবং গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (RAW)-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির সুপারিশ করা হয়েছে। ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগজনক দেশ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি ও বাণিজ্যনীতির ক্ষেত্রে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি শর্ত হিসেবে রাখারও প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে জয়সওয়াল বলেন, যেসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে, তার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। বরং কমিশন নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। ভারতের সমালোচনা করার আগে কমিশনের উচিত যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলা এবং হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুরের মতো ঘটনাগুলোর দিকে নজর দেওয়া।

৩ মিনিট Ago
আরব আমিরাতে ইরানের ক্রমাগত হামলার নেপথ্যে আসল কারণ কী?

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বইছে উত্তপ্ত হাওয়া। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত লক্ষ্য করে প্রায় ২,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। মূলত আমিরাতের মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত পরিবহন খাত এবং জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এই হামলাগুলো চালানো হচ্ছে।  সোমবার দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলার ফলে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা আন্তর্জাতিক আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটায়। শুধু বিমানবন্দরই নয়, অঞ্চলটির অন্যতম বৃহৎ তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র ফুজাইরাহ বন্দরেও ড্রোন হামলায় আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আবুধাবির উপকণ্ঠে একটি চলন্ত গাড়িতে রকেট হামলায় এক ফিলিস্তিনি নাগরিকের মৃত্যু পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলেছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে দুবাইয়ের একটি বিলাসবহুল হোটেলেও হামলা চালানো হয়। বিবিসির সংবাদদাতা আজাদেহ মশিরি জানিয়েছেন, আরব আমিরাত মনে করছে তাদের অন্যায়ভাবে এই যুদ্ধে টেনে আনা হয়েছে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান হয়তো ভাবছে এই চাপের মুখে আমিরাত সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করবে, কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই ক্রমাগত হামলায় আমিরাতের কর্মকর্তারা এখন চরম ক্ষুব্ধ।

১১ মিনিট Ago
নিরাপত্তা শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে অনাগ্রহ ইরানের

নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। দেশটির ফুটবল ফেডারেশন ইতোমধ্যে ফিফার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে, যাতে তাদের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে মেক্সিকোতে আয়োজন করা হয়।   গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা উল্লেখ করলেও তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার এই মন্তব্যের পরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয় ইরান।   মেক্সিকোয় নিযুক্ত ইরানের দূতাবাসের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই যখন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না, তখন সেখানে গিয়ে খেলা সম্ভব নয়।   তিনি জানান, এ বিষয়ে ফিফার সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ইরানের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।   তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ফিফার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা যৌথভাবে আয়োজন করছে। সূচি অনুযায়ী ইরানের গ্রুপপর্বের দুটি ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং একটি সিয়াটলে হওয়ার কথা ছিল।   মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং সাম্প্রতিক সংঘাত পরিস্থিতি ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে ভেন্যু পরিবর্তন না হলে ইরান বিশ্বকাপে খেলবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।  

৩০ মিনিট Ago
ঈদে নিজ দেশে ফেরার বদলে ১৫ মাসে নতুন করে আশ্রয় নিয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার রোহিঙ্গা

নিজ দেশে নিপীড়িত জাতি রোহিঙ্গা সম্প্রদায়। নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি- বরং নতুন করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার সংখ্যা বাড়ছে রোহিঙ্গাদের মধ্যে। গত প্রায় ১৫ মাসে বাংলাদেশে নতুন করে আশ্রয় নিয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা।   জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) প্রকাশিত সর্বশেষ মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নতুন আগত নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন। জানুয়ারির তুলনায় এ সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।   বর্তমানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে মোট ১১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪ জন রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন। তাদের বড় একটি অংশ ২০১৭ সালের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে নতুন করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সাল থেকে নতুন শরণার্থীদের ঢল লক্ষ্য করা গেছে এবং তাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে।   ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই নারী ও শিশু। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ প্রতিবন্ধী, গুরুতর অসুস্থ, একক অভিভাবক বা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এসব মানুষের আইনি ও শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

৪৯ মিনিট Ago
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল
আন্তর্জাতিক
আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, মার্কিন প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান ভারতের

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা-বিষয়ক কমিশন (USCIRF)-এর সাম্প্রতিক বার্ষিক প্রতিবেদনকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই প্রতিবেদনকে কেবল ‘ভ্রান্ত’ নয়, বরং একটি ‘নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিকৃত’ দলিল হিসেবে অভিহিত করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই প্রতিবেদনে ভারতের বাস্তব চিত্রকে আড়াল করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক ও আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেন, "আমরা এই রিপোর্টটি দেখেছি। এটি পুরোপুরি পক্ষপাতদুষ্ট এবং ভারতের পক্ষ থেকে এটি সরাসরি খারিজ করা হচ্ছে।" প্রতিবেদনে যা ছিল এবং ভারতের কড়া জবাব উল্লেখ্য যে, USCIRF-এর প্রতিবেদনে ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্বের অভিযোগ তুলে দেশটির প্রভাবশালী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (আরএসএস) এবং গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (RAW)-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির সুপারিশ করা হয়েছে। ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগজনক দেশ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি ও বাণিজ্যনীতির ক্ষেত্রে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি শর্ত হিসেবে রাখারও প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে জয়সওয়াল বলেন, যেসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে, তার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। বরং কমিশন নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। ভারতের সমালোচনা করার আগে কমিশনের উচিত যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলা এবং হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুরের মতো ঘটনাগুলোর দিকে নজর দেওয়া।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ঈদে নিজ দেশে ফেরার বদলে ১৫ মাসে নতুন করে আশ্রয় নিয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার রোহিঙ্গা

নিজ দেশে নিপীড়িত জাতি রোহিঙ্গা সম্প্রদায়। নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি- বরং নতুন করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার সংখ্যা বাড়ছে রোহিঙ্গাদের মধ্যে। গত প্রায় ১৫ মাসে বাংলাদেশে নতুন করে আশ্রয় নিয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা।   জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) প্রকাশিত সর্বশেষ মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নতুন আগত নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন। জানুয়ারির তুলনায় এ সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।   বর্তমানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে মোট ১১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪ জন রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন। তাদের বড় একটি অংশ ২০১৭ সালের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে নতুন করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সাল থেকে নতুন শরণার্থীদের ঢল লক্ষ্য করা গেছে এবং তাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে।   ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই নারী ও শিশু। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ প্রতিবন্ধী, গুরুতর অসুস্থ, একক অভিভাবক বা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এসব মানুষের আইনি ও শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেবে না জার্মানি: চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে সামরিকভাবে অংশ নেবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস।   রাজধানী বার্লিন-এ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জার্মানির সংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী এই যুদ্ধে অংশ নেওয়ার মতো কোনো অনুমোদন জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ন্যাটো—কোনো পক্ষ থেকেই পাওয়া যায়নি। শুরু থেকেই স্পষ্ট ছিল, এই সংঘাত ন্যাটোর আওতার বিষয় নয়।   মের্ৎস আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর আগে জার্মানির সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শও করেনি। পাশাপাশি ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে কখনোই কোনো যৌথ সিদ্ধান্ত হয়নি।   তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতিতে জার্মানি কীভাবে সামরিকভাবে এতে জড়িত হতে পারে—সে প্রশ্নই ওঠে না।”   বিশ্লেষকদের মতে, জার্মানির এই অবস্থান ইউরোপের বড় শক্তিগুলোর মধ্যে যুদ্ধ ইস্যুতে মতপার্থক্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করতে পারে।   সূত্র: আল জাজিরা

মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশি হাফেজ ইব্রাহীম শেখ (সংগৃহীত ছবি)
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি হাফেজ ইব্রাহীম শেখ

মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন বাংলাদেশি হাফেজ ইব্রাহীম শেখ। বাংলাদেশি ইয়ুথ কমিউনিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় মোট ২৮টি দেশের প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিল, যার মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের হাফেজরা।   প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন মালয়েশিয়ার হাফেজ নূরুল আবছার এবং তৃতীয় স্থান পেয়েছেন থাইল্যান্ডের হাফেজ সায়েদুর রহমান।   হাফেজ ইব্রাহীম বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা পরিচালিত মাদরাসা উম্মুল কুরার ছাত্র। সংস্থার মহাসচিব শায়েখ সাদ সাইফুল্লাহ মাদানী এই মাদরাসার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কুয়ালালামপুরে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার দাতো ডা. হাসনিজাল হাসান। ইয়ুথ কমিউনিটির সভাপতি মোহাম্মদ রাজু মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের লেবার মিনিস্টার সিদ্দিকুর রহমান। এছাড়া সম্মাননা প্রদান করা হয় যমুনা টেলিভিশনের মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মো. মনিরুজ্জামানকেও।

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে মিত্র দেশগুলোর অনাগ্রহে অসন্তোষ প্রকাশ ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যক্রমে অংশ নিতে কিছু মিত্র দেশের অনীহায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সোমবার (১৬ মার্চ) হোয়াইট হাউসে কেনেডি সেন্টারের বোর্ড সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু দেশ আগ্রহী হলেও অনেকেই এই কার্যক্রমে অংশ নিতে অনিচ্ছুক। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, এই অনাগ্রহীদের মধ্যে এমন দেশও আছে যেগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে।   ইরানের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফিংকালে ট্রাম্প জানান, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু দেশ ইতিমধ্যেই সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের মিত্র সত্ত্বেও অনেক দেশ কার্যক্রমে উৎসাহ দেখাচ্ছে না। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরে তাদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদান করেছে, কিন্তু সংকটের সময় তাদের সক্রিয়তা প্রত্যাশার তুলনায় কম।   এদিকে সোমবার কয়েকটি মার্কিন মিত্র দেশ জানিয়েছে, আপাতত তারা হরমুজ প্রণালি চালু রাখার জন্য কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না। ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে অন্তত ৩০টি মাইন স্থাপনকারী জাহাজ ধ্বংস করেছে, তবে নতুন মাইন স্থাপন হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত নন।   যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ওই নৌপথ দিয়ে জ্বালানি তেলসহ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সচল রাখা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মিত্রদের নির্লিপ্ততা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির, কর্মীদের এলাকা ছাড়ার আহ্বান

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র–সম্পর্কিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন করে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মী ও আশপাশের এলাকার মানুষকে দ্রুত সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি-এ প্রকাশিত এক বার্তায় আইআরজিসির এক মুখপাত্র বলেন, অঞ্চলে থাকা সব আমেরিকান শিল্পপ্রতিষ্ঠান খালি করে নিতে হবে। পাশাপাশি যেসব শিল্পকারখানায় আমেরিকানদের অংশীদারিত্ব রয়েছে, সেগুলোর আশপাশের এলাকার মানুষকেও দ্রুত সরে যেতে বলা হয়েছে, যাতে সম্ভাব্য হামলায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।   তবে ঠিক কোন কোন প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।   এর আগে গত সপ্তাহে তাসনিম নিউজ এজেন্সির টেলিগ্রাম চ্যানেলে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত কয়েকটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ের নাম উল্লেখ করা হয়। তালিকায় রয়েছে অ্যামাজন, গুগল, মাইক্রোসফট এবং এনভিডিয়া-এর অফিস।   বিশ্লেষকদের মতে, এই সতর্কবার্তা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনা করা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।   সূত্র: আল জাজিরা

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল
আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ, মার্কিন প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান ভারতের
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা-বিষয়ক কমিশন (USCIRF)-এর সাম্প্রতিক বার্ষিক প্রতিবেদনকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই প্রতিবেদনকে কেবল ‘ভ্রান্ত’ নয়, বরং একটি ‘নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিকৃত’ দলিল হিসেবে অভিহিত করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই প্রতিবেদনে ভারতের বাস্তব চিত্রকে আড়াল করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক ও আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেন, "আমরা এই রিপোর্টটি দেখেছি। এটি পুরোপুরি পক্ষপাতদুষ্ট এবং ভারতের পক্ষ থেকে এটি সরাসরি খারিজ করা হচ্ছে।" প্রতিবেদনে যা ছিল এবং ভারতের কড়া জবাব উল্লেখ্য যে, USCIRF-এর প্রতিবেদনে ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্বের অভিযোগ তুলে দেশটির প্রভাবশালী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (আরএসএস) এবং গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (RAW)-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির সুপারিশ করা হয়েছে। ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগজনক দেশ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি ও বাণিজ্যনীতির ক্ষেত্রে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি শর্ত হিসেবে রাখারও প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে জয়সওয়াল বলেন, যেসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে, তার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। বরং কমিশন নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। ভারতের সমালোচনা করার আগে কমিশনের উচিত যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলা এবং হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুরের মতো ঘটনাগুলোর দিকে নজর দেওয়া।

ছবি: সংগৃহীত।
আরব আমিরাতে ইরানের ক্রমাগত হামলার নেপথ্যে আসল কারণ কী?
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বইছে উত্তপ্ত হাওয়া। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত লক্ষ্য করে প্রায় ২,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। মূলত আমিরাতের মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত পরিবহন খাত এবং জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এই হামলাগুলো চালানো হচ্ছে।  সোমবার দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলার ফলে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা আন্তর্জাতিক আকাশপথে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটায়। শুধু বিমানবন্দরই নয়, অঞ্চলটির অন্যতম বৃহৎ তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র ফুজাইরাহ বন্দরেও ড্রোন হামলায় আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আবুধাবির উপকণ্ঠে একটি চলন্ত গাড়িতে রকেট হামলায় এক ফিলিস্তিনি নাগরিকের মৃত্যু পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলেছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে দুবাইয়ের একটি বিলাসবহুল হোটেলেও হামলা চালানো হয়। বিবিসির সংবাদদাতা আজাদেহ মশিরি জানিয়েছেন, আরব আমিরাত মনে করছে তাদের অন্যায়ভাবে এই যুদ্ধে টেনে আনা হয়েছে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান হয়তো ভাবছে এই চাপের মুখে আমিরাত সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করবে, কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই ক্রমাগত হামলায় আমিরাতের কর্মকর্তারা এখন চরম ক্ষুব্ধ।

ছবি: সংগৃহীত।
বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও রকেট হামলা: কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন গ্রিন জোন
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ভয়াবহ রকেট ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ, ২০২৬) ভোরে গ্রিন জোনে অবস্থিত অত্যন্ত সুরক্ষিত এই কূটনৈতিক মিশনে দফায় দফায় হামলা চালানো হয়। হামলার পর দূতাবাস চত্বর থেকে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উড়তে দেখা গেছে। ইরাকি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, অন্তত পাঁচটি ড্রোন এবং বেশ কয়েকটি রকেট লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অন্তত তিনটি ড্রোনকে দূতাবাসের দিকে ধেয়ে আসতে দেখা গেছে। দূতাবাসের সি-র‌্যাম (C-RAM) প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে দুটি ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হলেও একটি ড্রোন সরাসরি দূতাবাস প্রাঙ্গণের ভেতরে আঘাত হানে। এর পরপরই সেখানে আগুন ধরে যায় এবং ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে চারপাশ। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এটি এ যাবতকালের অন্যতম তীব্র হামলা। ইরান-ঘনিষ্ঠ মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো এই হামলার পেছনে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার মাত্রা বহুগুণ বেড়েছে। হামলার পরপরই ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী বাগদাদের উচ্চ সুরক্ষিত ‘গ্রিন জোন’ এলাকাটি সিলগালা করে দিয়েছে। সেখানে থাকা অন্যান্য কূটনৈতিক মিশন ও সরকারি ভবনগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে এই হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি চরম অস্থির হয়ে উঠেছে। ইরাকি ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে ইরান-পন্থি গোষ্ঠীগুলো মার্কিন অবস্থানে বারবার আঘাত হানছে, যার ধারাবাহিকতায় আজকের এই বড় ধরনের হামলাটি ঘটল।

ছবি: সংগৃহীত।
আবুধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাকিস্তানি নাগরিক নিহত
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় এর ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, গত রাতে আবুধাবির আকাশে অনুপ্রবেশকারী একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে সফলভাবে ধ্বংস করে আমিরাতের প্রতিরক্ষা বাহিনী।  তবে দুর্ভাগ্যবশত, ক্ষেপণাস্ত্রটির খণ্ডিত অংশ নিচে আছড়ে পড়লে সেখানে অবস্থানরত ওই ব্যক্তি গুরুতর আহত হন এবং পরবর্তীতে তার মৃত্যু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে হুমকিটি মোকাবিলা করেছে।  তবে জনবহুল এলাকায় এই ধ্বংসাবশেষ পতনের ফলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানির ঘটনাটি ঘটে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
184 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
200 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
133 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
আইন-আদালত
Advertisement
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
বাংলাদেশ
জাতীয়