Live update news
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: আরব পর্যটনে ৬ হাজার কোটি ডলারের ক্ষতির আশঙ্কা

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথভাবে ইরান আক্রমণের পর সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। পারস্য উপসাগর তীরবর্তী প্রায় সব দেশই এ পরিস্থিতির প্রভাবের মধ্যে রয়েছে। প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষতির পাশাপাশি বড় ধাক্কা খাচ্ছে পর্যটন শিল্প।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার পর যুদ্ধ চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। এর মধ্যেই অঞ্চল ছাড়তে শুরু করেছেন ধনকুবের ও পর্যটকেরা। চলমান সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের পর্যটন খাতে ৬০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।   নতুন পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার প্রভাবে এ বছর মধ্যপ্রাচ্যে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।   Tourism Economics মঙ্গলবার (৩ মার্চ) প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে জানায়, সংঘাত অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক আগমন ১১ থেকে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।   এ পূর্বাভাস প্রতিষ্ঠানটির গত ডিসেম্বরের অনুমানের সম্পূর্ণ বিপরীত। তখন তারা চলতি বছরে পর্যটকসংখ্যা ১৩ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখিয়েছিল।   সর্বোচ্চ হ্রাসের আশঙ্কা বাস্তব হলে অঞ্চলটি প্রত্যাশার তুলনায় প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৮০ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক হারাতে পারে। পর্যটকদের ব্যয়ের হিসাবে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন থেকে ৫৬ বিলিয়ন ডলার।   সূত্র: আলজাজিরা।

৮ মিনিট Ago
সীতাকুণ্ডে শিশু ইরা হত্যা: সিসিটিভি সূত্রে মূল অভিযুক্ত মাহবুব আটক

সীতাকুণ্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকায় শিশু জান্নাতুল নিশা ইরাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মাহবুব আলমকে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।   চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঘটনার দিন সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে মাহবুব শিশু ইরা মনির হাত ধরে ইকো পার্কের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। তদন্তে এটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে কাজ করে।   এর আগে গত ১ মার্চ রোববার সীতাকুণ্ড পৌর সদরের ইকোপার্কের একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। চন্দ্রনাথ মন্দির সড়কের সংস্কারকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা তাকে দেখতে পেয়ে দ্রুত সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সেদিন রাতেই তার গলায় জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।   চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নেওয়া হয়। সেখান থেকে নাক, কান ও গলা (ইএনটি) ওয়ার্ডে স্থানান্তরের পর মঙ্গলবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত পর্যন্ত সে ইশারায় কথা বলছিল এবং অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। তবে শেষ রাতে অস্বস্তি শুরু হলে এবং চিকিৎসকদের নির্দেশনায় খাবার বা পানি না দেওয়ায় ভোরে সে মারা যায়।   ঘটনার পর ১ মার্চ রাতেই শিশুটির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করেন।

১৭ মিনিট Ago
ইরান অভিযানের মাঝেই ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, হামলা বাড়ার আশঙ্কা

ওয়াশিংটন: ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে আসছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টমাহক ভূমি-আক্রমণ ক্ষেপণাস্ত্র এবং এসএম-৩ প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো কৌশলগত অস্ত্রের রিজার্ভ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।   এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে সিএনএন জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলার মাত্রা “উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি” পেতে পারে বলে ওয়াশিংটন আশঙ্কা করছে। চলমান পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মজুদে চাপ তৈরি হয়েছে।   টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণত দূরপাল্লার নির্ভুল হামলায় ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে স্থলভিত্তিক সামরিক স্থাপনায়। অন্যদিকে এসএম-৩ ইন্টারসেপ্টর মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যবহৃত হয়, যা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই দুই ধরনের অস্ত্রই চলমান সংঘাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত উৎপাদন বাড়ানো বা মিত্র দেশগুলোর সহায়তা নিতে হতে পারে। একই সঙ্গে সামরিক কৌশলেও পরিবর্তন আসতে পারে, যাতে বিদ্যমান মজুদ দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করা যায়।   পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে তা এখন নির্ভর করছে সংঘাতের তীব্রতা ও কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর। তবে ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের খবর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

২৬ মিনিট Ago
ইসরায়েলি রাডার ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ লক্ষ্য করে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর

লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটির রাডার স্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।   মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, ভোরের দিকে সমন্বিতভাবে একাধিক ড্রোন ব্যবহার করে এই হামলা পরিচালনা করা হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল বিমানঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা ও কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কক্ষ, যা আকাশ প্রতিরক্ষা ও সামরিক যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে Ramat David Airbase-কে। উত্তর ইসরায়েলে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিটি ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর একটি কৌশলগত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং অতীতে একাধিক সামরিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।   তবে এ হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কেও নিশ্চিত তথ্য জানা যায়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের ড্রোন-ভিত্তিক হামলার দাবি সংঘাতের বিস্তার ঘটাতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কা বাড়ছে বলে তারা মনে করছেন। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে তা এখন নির্ভর করছে পরবর্তী সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের ওপর।

৩৫ মিনিট Ago
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ
সীতাকুণ্ডে শিশু ইরা হত্যা: সিসিটিভি সূত্রে মূল অভিযুক্ত মাহবুব আটক

সীতাকুণ্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক এলাকায় শিশু জান্নাতুল নিশা ইরাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মাহবুব আলমকে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।   চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঘটনার দিন সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে মাহবুব শিশু ইরা মনির হাত ধরে ইকো পার্কের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। তদন্তে এটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে কাজ করে।   এর আগে গত ১ মার্চ রোববার সীতাকুণ্ড পৌর সদরের ইকোপার্কের একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। চন্দ্রনাথ মন্দির সড়কের সংস্কারকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা তাকে দেখতে পেয়ে দ্রুত সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সেদিন রাতেই তার গলায় জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।   চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নেওয়া হয়। সেখান থেকে নাক, কান ও গলা (ইএনটি) ওয়ার্ডে স্থানান্তরের পর মঙ্গলবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত পর্যন্ত সে ইশারায় কথা বলছিল এবং অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। তবে শেষ রাতে অস্বস্তি শুরু হলে এবং চিকিৎসকদের নির্দেশনায় খাবার বা পানি না দেওয়ায় ভোরে সে মারা যায়।   ঘটনার পর ১ মার্চ রাতেই শিশুটির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করেন।

তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ৪ প্রো-প্যালেস্টাইন কর্মীর মুক্তির দাবি তুললেন নিউইয়র্ক মেয়র মামদানি!

গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত এক অনির্ধারিত বৈঠকে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র Zohran Mamdani মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের তৎপরতার বিষয়টি উত্থাপন করেন। বৈঠকে তিনি প্রো-প্যালেস্টাইন আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজন কর্মীর বিরুদ্ধে চলমান পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।   মেয়র মামদানি প্রেসিডেন্টকে জানান, মাহমুদ খলিল, ইউনসিও চুং, মোহসেন মাহদাউই এবং লেকা কর্দিয়া—এই চারজনের বিরুদ্ধে ফেডারেল অভিবাসন সংস্থার অনুসরণ ও সম্ভাব্য ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তার দাবি, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক মতপ্রকাশ ও আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে কাউকে টার্গেট করা হলে তা নাগরিক স্বাধীনতার প্রশ্ন তোলে।   সিটি হল সূত্রে জানা যায়, মামদানি বৈঠকে মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলে ধরেন এবং সংশ্লিষ্টদের মামলাগুলো স্বচ্ছভাবে পর্যালোচনার আহ্বান জানান।   অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও অভিবাসন আইন প্রয়োগের প্রশ্নে ফেডারেল সংস্থাগুলো তাদের দায়িত্ব পালন করছে। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত বিবৃতি পাওয়া যায়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকটি স্থানীয় ও ফেডারেল প্রশাসনের মধ্যে অভিবাসন নীতি এবং রাজনৈতিক আন্দোলন নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও জোরালো করে তুলতে পারে।   ঘটনাটি ইতোমধ্যেই সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

ছবি: সংগৃহীত
শুটিং সেটে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ

মানিকগঞ্জে একটি নাটকের শুটিং চলাকালে ছোটপর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ এনেছেন আরেক অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাফাত মজমুদার রিংকু পরিচালিত একটি নাটকের সেটে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সামিয়া।   ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে এসে সামিয়া অথৈ দাবি করেন, শুটিংয়ের প্রথম দিন থেকেই তানজিন তিশার আচরণ অস্বাভাবিক ছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনের শুটিংয়ে একটি দৃশ্য ধারণের সময় তিশা তাঁকে জোরে আঘাত করেন, এতে তাঁর হাত রক্তাক্ত হয়। বিষয়টি দেখে ইউনিটের কয়েকজন সদস্য কারণ জানতে চান বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   সামিয়ার দাবি, অতীতে অভিনেতা মুশফিক ফারহানের সঙ্গে কাজ করা নিয়ে তানজিন তিশা তাঁকে ফোন করে আপত্তি জানিয়েছিলেন। সেই পুরোনো ঘটনার জের ধরে বিরূপ আচরণ করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।   তিনি আরও বলেন, শেষ দিনের শুটিংয়ে একটি চড় দেওয়ার দৃশ্য ছিল। দৃশ্যের প্রয়োজনে তিনি আস্তে করে তিশার গালে হাত রাখেন, তবে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তিশা তাঁকে জোরে আঘাত করেন। এতে তাঁর চোখে আঘাত লাগে এবং কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে বলে দাবি করেন সামিয়া।   এ বিষয়ে জানতে তানজিন তিশার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিষয়ে সামিয়া জানান, বিষয়টি অভিনয়শিল্পী সংঘকে জানাবেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ করা হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।   ঘটনার সত্যতা ও বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা ইউনিটের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

যুবদল নেতা
ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিরোধ: যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মো. ইদ্রিস (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে স্বজনরা তাঁর মরদেহ থানায় নিয়ে গেলে বিষয়টি সামনে আসে।   নিহত ইদ্রিস দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার এলাকায় ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে তাঁকে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়।   অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান।   পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে পোস্ট ও মন্তব্য করেন। এতে ক্ষুব্ধ হন জহিরুল।   পরিবারের দাবি, কিছুদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি পাখিমারা বাজারে গেলে জহিরুল ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে ডেকে নিয়ে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে ব্যাপক মারধর করেন। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।   স্বজনরা প্রথমে তাঁকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন, পরে ঢাকায় নিয়ে যান। নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফেরানো হয়। তবে সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।   অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ইদ্রিস তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিলেন। তবে তিনি বা তাঁর সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করা হবে।

জাহের আলভী। ছবি: সংগৃহীত
ইকরার আত্মহত্যা: ভিডিওতে ‘মব’ আতঙ্কের দাবি আলভীর

স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার মৃত্যুর পর দাফনে না আসায় সমালোচনার মুখে পড়া ছোট পর্দার অভিনয়শিল্পী জাহের আলভী ২৮ মিনিটের এক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। সোমবার রাত আটটার পর ফেসবুকে প্রকাশিত ওই ভিডিওতে দেশে না ফেরা, স্ত্রীর শেষযাত্রায় অনুপস্থিত থাকা এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ—এসব বিষয়ে কথা বলেন তিনি।   ভিডিওর শুরুতে আলভী বলেন, ঘটনার একপাক্ষিক বিবরণ দেখে তাঁকে বিচার করা হচ্ছে। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় সবকিছু গুছিয়ে বলা তাঁর পক্ষে কঠিন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দাফনে উপস্থিত না থাকার বিষয়ে আলভীর দাবি, দেশে ফিরলে ‘মব’ বা গণআক্রমণের শিকার হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাঁর ভাষ্য, নেপাল থেকে ঢাকায় ফেরার টিকিট কেটে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করলেও নিরাপত্তাঝুঁকির তথ্য পেয়ে ফিরে যান। ফোনে হুমকি পাওয়ার কথাও জানান তিনি।   আলভী বলেন, আইনগতভাবে জবাব দিতে তিনি প্রস্তুত ছিলেন; কিন্তু যদি সহিংসতার শিকার হন, তাহলে তাঁর সন্তানের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তিনি আরও দাবি করেন, ইকরার পরিবার তাঁকে শেষবার স্ত্রীর মুখ দেখতে দেয়নি।   ভিডিওতে তাঁদের ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের কথাও তুলে ধরেন আলভী। তাঁর বক্তব্য, সম্পর্কের টানাপোড়েন আগে থেকেই ছিল এবং স্ত্রী তালাক চাইতেন। তবে সন্তানের কথা ভেবে তিনি বিচ্ছেদ চাননি। সহশিল্পী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ প্রসঙ্গে আলভী বলেন, বাইরের মানুষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। এ বিষয়ে তাঁর কাছে ‘প্রমাণ’ রয়েছে বলে দাবি করেন, যদিও বিস্তারিত পরে জানাবেন বলে জানান।   গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুর DOHS–এর একটি বাসায় ইকরা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার সময় আলভী নেপালে শুটিংয়ে ছিলেন।   ইকরার মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, দাম্পত্য কলহ ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় ইকরার বাবা কবির হায়াত খান পল্লবী থানায় আলভী ও তাঁর মা নাসরিন সুলতানা শিউলির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা, অবহেলা ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।   রোববার ময়মনসিংহের ভালুকায় ইকরার দাফন সম্পন্ন হয়। সেখানে আলভীর অনুপস্থিতি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সোমবারের ভিডিও বার্তায় সেই সমালোচনার জবাব দেন তিনি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
যুক্তরাষ্ট্রের নাম না নিয়ে ইরানে হামলার নিন্দা জামায়াত আমিরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রবিবার (১ মার্চ) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই উদ্বেগ জানান। তবে ওই বিবৃতিতে ইসরায়েলের নাম উল্লেখ থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করা হয়নি। একই সঙ্গে ইরানের পাল্টা হামলাকে তিনি অকার্যকর ও পরিস্থিতি আরও অবনতির কারণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং এসব কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানান।   বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ইরানে সাম্প্রতিক সামরিক হামলা এবং এর পরবর্তী সময়ে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণ সংঘাতের ভয়ংকর বিস্তারকে নির্দেশ করছে, যা পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তোলার আশঙ্কা তৈরি করেছে। জাতীয় সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন, বেসামরিক মানুষের জীবন বিপন্ন করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী যেকোনো হামলার আমরা দ্ব্যর্থহীন নিন্দা জানাই।”   তিনি আরও বলেন, “অঞ্চলে ইসরায়েলের অস্থিতিশীলতামূলক কর্মকাণ্ড আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে। এসব পদক্ষেপ উত্তেজনা বাড়াচ্ছে, সংলাপের পথ সংকুচিত করছে এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় ও আঞ্চলিক ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের পাল্টা হামলাও অকার্যকর এবং পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। সংঘাতের বিস্তার নিরীহ মানুষের দুর্ভোগ বাড়াবে এবং মুসলিম বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা গভীরতর করবে।”   ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও স্বীকৃত আইনি কাঠামো উপেক্ষা করে রাষ্ট্রপ্রধান ও জাতীয় নেতাদের হত্যার প্রবণতা ক্রমেই স্বাভাবিক হয়ে উঠছে, যা আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিপজ্জনক নজির স্থাপন করে, বৈশ্বিক নীতিমালাকে দুর্বল করে এবং অঞ্চলকে দীর্ঘস্থায়ী বিশৃঙ্খলা ও আইনহীনতার দিকে ঠেলে দিতে পারে।”   তিনি আরও বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের জনগণ ও বিশ্ববাসী আরেকটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ চায় না। তারা শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রত্যাশা করে। সংযম ও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার না হলে পুরো অঞ্চল আরও বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার গুরুতর ঝুঁকিতে পড়বে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”   বিবৃতির শেষাংশে জামায়াত আমির সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন, অবিলম্বে সামরিক তৎপরতা বন্ধ এবং সংলাপ ও কূটনীতির পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত ও সফররত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তিনি। পূর্ণাঙ্গ কনস্যুলার সহায়তা, সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করে তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।   এই সংকটময় সময়ে রক্তপাত বন্ধ ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে ঐক্য, প্রজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ওপরও তিনি জোর দেন।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: আরব পর্যটনে ৬ হাজার কোটি ডলারের ক্ষতির আশঙ্কা
তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথভাবে ইরান আক্রমণের পর সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। পারস্য উপসাগর তীরবর্তী প্রায় সব দেশই এ পরিস্থিতির প্রভাবের মধ্যে রয়েছে। প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষতির পাশাপাশি বড় ধাক্কা খাচ্ছে পর্যটন শিল্প।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার পর যুদ্ধ চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। এর মধ্যেই অঞ্চল ছাড়তে শুরু করেছেন ধনকুবের ও পর্যটকেরা। চলমান সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের পর্যটন খাতে ৬০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।   নতুন পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার প্রভাবে এ বছর মধ্যপ্রাচ্যে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।   Tourism Economics মঙ্গলবার (৩ মার্চ) প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে জানায়, সংঘাত অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক আগমন ১১ থেকে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।   এ পূর্বাভাস প্রতিষ্ঠানটির গত ডিসেম্বরের অনুমানের সম্পূর্ণ বিপরীত। তখন তারা চলতি বছরে পর্যটকসংখ্যা ১৩ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখিয়েছিল।   সর্বোচ্চ হ্রাসের আশঙ্কা বাস্তব হলে অঞ্চলটি প্রত্যাশার তুলনায় প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৮০ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক হারাতে পারে। পর্যটকদের ব্যয়ের হিসাবে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন থেকে ৫৬ বিলিয়ন ডলার।   সূত্র: আলজাজিরা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরান অভিযানের মাঝেই ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, হামলা বাড়ার আশঙ্কা
তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0

ওয়াশিংটন: ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে আসছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টমাহক ভূমি-আক্রমণ ক্ষেপণাস্ত্র এবং এসএম-৩ প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো কৌশলগত অস্ত্রের রিজার্ভ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।   এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে সিএনএন জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলার মাত্রা “উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি” পেতে পারে বলে ওয়াশিংটন আশঙ্কা করছে। চলমান পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মজুদে চাপ তৈরি হয়েছে।   টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণত দূরপাল্লার নির্ভুল হামলায় ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে স্থলভিত্তিক সামরিক স্থাপনায়। অন্যদিকে এসএম-৩ ইন্টারসেপ্টর মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যবহৃত হয়, যা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই দুই ধরনের অস্ত্রই চলমান সংঘাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত উৎপাদন বাড়ানো বা মিত্র দেশগুলোর সহায়তা নিতে হতে পারে। একই সঙ্গে সামরিক কৌশলেও পরিবর্তন আসতে পারে, যাতে বিদ্যমান মজুদ দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করা যায়।   পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে তা এখন নির্ভর করছে সংঘাতের তীব্রতা ও কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর। তবে ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের খবর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলি রাডার ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ লক্ষ্য করে হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0

লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটির রাডার স্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।   মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, ভোরের দিকে সমন্বিতভাবে একাধিক ড্রোন ব্যবহার করে এই হামলা পরিচালনা করা হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল বিমানঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা ও কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল কক্ষ, যা আকাশ প্রতিরক্ষা ও সামরিক যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে Ramat David Airbase-কে। উত্তর ইসরায়েলে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিটি ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর একটি কৌশলগত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং অতীতে একাধিক সামরিক অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।   তবে এ হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কেও নিশ্চিত তথ্য জানা যায়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের ড্রোন-ভিত্তিক হামলার দাবি সংঘাতের বিস্তার ঘটাতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কা বাড়ছে বলে তারা মনে করছেন। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে তা এখন নির্ভর করছে পরবর্তী সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের ওপর।

ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। ছবি: রয়টার্স
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, সতর্ক করল রোসাটম
তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0

ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে সতর্কবার্তা দিয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা রোসাটম। এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।   মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রোসাটমের প্রধান আলেক্সি লিখাচেভ এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।   গত শনিবার রোসাটম জানায়, তারা ইরান থেকে প্রায় ১০০ রুশ কর্মকর্তাকে সরিয়ে নিয়েছে। তবে রাশিয়া-নির্মিত বিদ্যুৎকেন্দ্রে তাদের কর্মীরা এখনো বন্দর নগরীতে অবস্থান করছেন।   একইসঙ্গে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। এক বিবৃতিতে রোসাটম বলেছে, ‘কোনো অবস্থাতেই’ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো উচিত নয়।   এদিকে জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএ জানিয়েছে, ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলায় কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার সংস্থাটি জানায়, হামলায় নাতানজ কেন্দ্রের ভূগর্ভস্থ অংশে প্রবেশের ভবনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ক্ষতির কারণে কোনো তেজস্ক্রিয় প্রভাবের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে আইএইএ।

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
158 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
170 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
110 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
শিক্ষা
Advertisement
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
বাংলাদেশ
জাতীয়