Live update news
‘জুলাই ঐক্য’: রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণের দাবি

‘জুলাই ঐক্য’ নামে একটি সংগঠন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনকে সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণ ও সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে সংসদের মাধ্যমে অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) করে পদ থেকে অপসারণ এবং গণহত্যার সহযোগী হিসেবে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।   শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক ফাহিম ফারুকী।   লিখিত বক্তব্যে ফাহিম ফারুকী বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য প্রদান করে ‘জনতার সংসদকে অপবিত্র’ করছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপিকে দুটি শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তারা জুলাই সনদের শপথ গ্রহণ করেনি। পরিবর্তে রাষ্ট্রপতির ভাষণের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হয়েছে।   তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সংসদ গঠিত হয়েছে এবং জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে অস্বীকার করা হলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে।   সংগঠনটির দাবি, রাষ্ট্রপতি একাধিকবার শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন। ফাহিম ফারুকী উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, ২০২৪ সালের অক্টোবরে ‘জুলাই ঐক্য’ বঙ্গভবন ঘেরাও করতে গিয়েছিল। অথচ সংগঠনটি ২০২৫ সালের মে মাসে আত্মপ্রকাশ করেছে।   সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, যারা এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি, তাদের দ্রুত শপথ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে তারা জুলাইয়ের বিভিন্ন সংগঠনকে সক্রিয় ও একীভূত করার লক্ষ্যে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সংগ্রহ কার্যক্রম চালানোর ঘোষণা দিয়েছে।

২৮ মিনিট Ago
ইরানবিরোধী মনোভাবের হেগসেথ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে আগের দীর্ঘ সময়ের তীব্র মন্তব্য এবং উসকানিমূলক বক্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বিভিন্ন বই, টেলিভিশন অনুষ্ঠান, ইসরায়েলি সম্মেলন ও শিক্ষামূলক ভিডিওতে হেগসেথের ইরানবিরোধী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।   দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে হেগসেথ বারবার ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শত্রু হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ২০২০ সালে প্রকাশিত তার বই ‘আমেরিকান ক্রুসেড’-এ তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সামরিক প্রচেষ্টাকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখিয়েছেন। হেগসেথ ইরানকে “অক্টোপাস” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যার শাখা–প্রশাখা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছে।   হেগসেথের কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে, তিনি ইসরায়েলের প্রতি গভীর আনুগত্য বজায় রেখে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও সামরিক নীতিতে প্রভাব বিস্তার করেছেন। ২০১৮ সালে জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত এক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম সম্মেলনে তিনি ইরানকে “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শত্রু” হিসেবে অভিহিত করেন এবং ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।   কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপনসিবল স্টেটক্রাফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পারসি বলেন, হেগসেথের বক্তব্য ও প্রকাশিত লেখা বোঝায় যে, ইসলামবিরোধী মনোভাব যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামরিক বৃত্তে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপকভাবে উপস্থিত। হেগসেথ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য নীতি বিশেষ করে ইরান ও ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।   তিনি আরও বলেন, হেগসেথের দর্শন অনুযায়ী, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য ইসলামপন্থী গোষ্ঠীর কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য অস্তিত্বগত হুমকি তৈরি করছে। এতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে প্রণোদনা হিসেবে দেখা যায়।   হেগসেথের প্রকাশিত বক্তব্যে দেখা যায়, তিনি ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং রাজনৈতিক স্বার্থের অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন। পাশাপাশি ধর্মীয় ভাষা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক নীতি ও বাইবেলীয় মূল্যবোধকে মিলিয়ে ইসরায়েলের পক্ষে সমর্থন জানাতে উসকানিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করেন।   বিশ্লেষকরা মনে করেন, হেগসেথের নেতিবাচক মনোভাব ও কড়া সমর্থন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও জটিল এবং উত্তেজনাপূর্ণ করেছে। তার এই অবস্থান আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

৪৭ মিনিট Ago
ইরাকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত, ৪ ক্রু নিহত

ইরাকের আকাশসীমায় মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে চারজন ক্রু নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শুক্রবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।   সেন্টকম জানায়, পশ্চিম ইরাকের একটি স্থানে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে। বিমানটিতে মোট ছয়জন ক্রু ছিলেন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের সংখ্যা চার। বাকি দুইজন ক্রুর অবস্থার বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।   সেন্টকমের একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমান বিধ্বস্তের কোনো প্রমাণ শত্রুপক্ষের হামলা বা মার্কিন বাহিনীর গুলির কারণে হয়নি। তবে সঠিক কারণ জানার জন্য তদন্ত চলছে।   উদ্ধার কার্যক্রম এখনো চলমান। সংস্থাটি নিহতদের পরিবার এবং আহতদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছে।

১ ঘন্টা Ago
ইরানে নিহত শিক্ষার্থীদের জন্য চীনের অনুদান

ইরানের হরমজগান প্রদেশের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক স্কুলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবারগুলোর জন্য ২ লাখ ডলার অনুদান ঘোষণা করেছে চীন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মানবিক সহায়তার কথা জানায়। জরুরি মানবিক সহায়তা হিসেবে এই অর্থ ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে প্রদান করবে চীনের রেড ক্রস সোসাইটি। মূলত নিহত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের প্রতি সমবেদনা ও ক্ষতিপূরণ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক আগ্রাসনের সময় মিনাবের ওই স্কুলে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে অন্তত ১৭৫ জন নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই শিশু শিক্ষার্থী। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন এই হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্কুল ও শিশুদের ওপর এমন হামলা বিবেক ও নৈতিকতার সর্বনিম্ন সীমাকেও অতিক্রম করেছে।   মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই কঠিন সময়ে ইরানের জনগণের পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। যদিও এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করার মতো বিভিন্ন প্রমাণ সামনে এসেছে, তবুও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল উভয়ই দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে সমালোচকদের মতে, একটি প্রাথমিক স্কুলে এই হামলা বর্তমান যুদ্ধের ভয়াবহতাকে বিশ্ববাসীর সামনে নতুন করে তুলে ধরেছে।

১ ঘন্টা Ago
ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা
ইরানবিরোধী মনোভাবের হেগসেথ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে আগের দীর্ঘ সময়ের তীব্র মন্তব্য এবং উসকানিমূলক বক্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বিভিন্ন বই, টেলিভিশন অনুষ্ঠান, ইসরায়েলি সম্মেলন ও শিক্ষামূলক ভিডিওতে হেগসেথের ইরানবিরোধী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।   দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে হেগসেথ বারবার ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শত্রু হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ২০২০ সালে প্রকাশিত তার বই ‘আমেরিকান ক্রুসেড’-এ তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সামরিক প্রচেষ্টাকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখিয়েছেন। হেগসেথ ইরানকে “অক্টোপাস” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যার শাখা–প্রশাখা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছে।   হেগসেথের কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে, তিনি ইসরায়েলের প্রতি গভীর আনুগত্য বজায় রেখে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও সামরিক নীতিতে প্রভাব বিস্তার করেছেন। ২০১৮ সালে জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত এক ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম সম্মেলনে তিনি ইরানকে “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শত্রু” হিসেবে অভিহিত করেন এবং ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।   কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপনসিবল স্টেটক্রাফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পারসি বলেন, হেগসেথের বক্তব্য ও প্রকাশিত লেখা বোঝায় যে, ইসলামবিরোধী মনোভাব যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামরিক বৃত্তে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপকভাবে উপস্থিত। হেগসেথ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য নীতি বিশেষ করে ইরান ও ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।   তিনি আরও বলেন, হেগসেথের দর্শন অনুযায়ী, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য ইসলামপন্থী গোষ্ঠীর কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য অস্তিত্বগত হুমকি তৈরি করছে। এতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে প্রণোদনা হিসেবে দেখা যায়।   হেগসেথের প্রকাশিত বক্তব্যে দেখা যায়, তিনি ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং রাজনৈতিক স্বার্থের অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন। পাশাপাশি ধর্মীয় ভাষা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক নীতি ও বাইবেলীয় মূল্যবোধকে মিলিয়ে ইসরায়েলের পক্ষে সমর্থন জানাতে উসকানিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করেন।   বিশ্লেষকরা মনে করেন, হেগসেথের নেতিবাচক মনোভাব ও কড়া সমর্থন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও জটিল এবং উত্তেজনাপূর্ণ করেছে। তার এই অবস্থান আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
‘জুলাই ঐক্য’: রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণের দাবি

‘জুলাই ঐক্য’ নামে একটি সংগঠন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনকে সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণ ও সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে সংসদের মাধ্যমে অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) করে পদ থেকে অপসারণ এবং গণহত্যার সহযোগী হিসেবে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।   শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক ফাহিম ফারুকী।   লিখিত বক্তব্যে ফাহিম ফারুকী বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বক্তব্য প্রদান করে ‘জনতার সংসদকে অপবিত্র’ করছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপিকে দুটি শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তারা জুলাই সনদের শপথ গ্রহণ করেনি। পরিবর্তে রাষ্ট্রপতির ভাষণের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হয়েছে।   তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সংসদ গঠিত হয়েছে এবং জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে অস্বীকার করা হলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে।   সংগঠনটির দাবি, রাষ্ট্রপতি একাধিকবার শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন। ফাহিম ফারুকী উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, ২০২৪ সালের অক্টোবরে ‘জুলাই ঐক্য’ বঙ্গভবন ঘেরাও করতে গিয়েছিল। অথচ সংগঠনটি ২০২৫ সালের মে মাসে আত্মপ্রকাশ করেছে।   সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, যারা এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি, তাদের দ্রুত শপথ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে তারা জুলাইয়ের বিভিন্ন সংগঠনকে সক্রিয় ও একীভূত করার লক্ষ্যে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সংগ্রহ কার্যক্রম চালানোর ঘোষণা দিয়েছে।

আকাশপথে বড় হামলার মুখে সৌদি আরব
আকাশপথে বড় হামলার মুখে সৌদি আরব: সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

সৌদি আরবের আকাশসীমায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজধানী রিয়াদসহ দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রিয়াদের কূটনৈতিক পাড়া লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা একটি ড্রোনসহ বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ১১টি ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করা অন্তত ২৮টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।  এর আগে বৃহস্পতিবার প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোঁড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও আকাশেই ধ্বংস করা হয়। একই দিনে শায়বাহ তেলক্ষেত্র এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে মোট ৫০টি ড্রোন ধ্বংস করে নিজেদের আকাশসীমা সুরক্ষিত রেখেছে আরবের সামরিক বাহিনী। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আল-খারজ এলাকায় জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে সিভিল ডিফেন্স। নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে হামলার স্থানে ভিড় না করতে, ছবি তোলা থেকে বিরত থাকতে এবং বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে চলার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলাকে ইরানের একটি সরাসরি উসকানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। রিয়াদের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে এবং প্রতিবেশী সুলভ আচরণের পরিপন্থী। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি রক্ষার স্বার্থে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে সজাগ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নাহিদ ইসলাম
গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অপচেষ্টাকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে নাহিদ ইসলাম

ঢাকা: জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মামলার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই ঘটনাকে ‘উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়’ হিসেবে অভিহিত করেন। নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে এই ধরনের তৎপরতা জুলাই বিপ্লবের চেতনা এবং তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।   নাহিদ ইসলাম তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে অভ্যুত্থানকালীন ভূমিকার জন্য যে মামলাটি দায়ের করার চেষ্টা হয়েছিল, আদালত তা গ্রহণ করেনি। তিনি মনে করেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ফ্যাসিবাদের পরাজিত শক্তির একটি গভীর চক্রান্ত। তাঁর মতে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আজ দেশের তরুণ প্রজন্মের ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের লড়াইয়ের প্রতীক, আর সেই আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধাদের আইনিভাবে হয়রানি করার মাধ্যমে ৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি এখনো মাঠে সক্রিয় থাকার প্রমাণ দিচ্ছে।   বিগত দিনের সংগ্রামের উদাহরণ টেনে নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অতীতেও মামলা বা ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাত্র নেতৃত্বকে দমন করা সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের অপশক্তি সফল হবে না। এই অপচেষ্টা রুখতে তিনি সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরাজিত শক্তির যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও জোর দেন তিনি।   পোস্টের শেষে তিনি জুলাই বিপ্লবের মূল স্পৃহা বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বর্তমান প্রজন্ম এবং আন্দোলনকারীরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই ধরনের হয়রানিমূলক মামলার অপচেষ্টা বন্ধ না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে নির্মূল করা ‘মহা সম্মানের’: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তাদের সদস্যদের হত্যা করা তার কাছে এক ‘মহা সম্মানের’ বিষয়।  শুক্রবার সকালে নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ট্রাম্প তার পোস্টে দাবি করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে’ সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিচ্ছে। তিনি বলেন, “ইরানের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী এখন অস্তিত্বহীন। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংসের পথে এবং তাদের শীর্ষ নেতাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”   ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “আমাদের হাতে রয়েছে অতুলনীয় অস্ত্রশক্তি এবং সীমাহীন গোলাবারুদ। ৪৭ বছর ধরে যারা নিরীহ মানুষকে হত্যা করে আসছে, আজ এই বিকৃত অপরাধীদের পরিণতি দেখুন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাদের নির্মূল করা আমার জন্য এক বিশাল সম্মানের বিষয়।”   এদিকে, তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। ট্রাম্প লিখেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী হওয়ায় তেলের দাম বাড়লে দেশটির লাভ হয়। তবে এর চেয়ে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে বাধা দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।   ট্রাম্পের এই নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক কেলি। ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কেলি জানান, ট্রাম্প যে যুদ্ধ শুরু করেছেন তাতে সাধারণ কর্মজীবী আমেরিকানরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, গ্যাসের আকাশছোঁয়া দামের ফলে কেবল বড় তেল কোম্পানিগুলোই লাভবান হচ্ছে। ট্রাম্প কেবল ধনীদের স্বার্থ নিয়ে ভাবছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হওয়ার মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।   মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, বিশেষ লাইসেন্সের মাধ্যমে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত জাহাজে লোড করা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়িত্বে থাকা ট্রেজারির অধীন সংস্থা অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়।   এর আগে ইউক্রেন যুদ্ধে আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে নতুন পরিস্থিতিতে সেই নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে।   মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কৌশলের অংশ। একই সঙ্গে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার কারণে তেলের দাম যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেটিও এই পদক্ষেপের অন্যতম লক্ষ্য।   ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে হয়। ফলে পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি বাজারে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত মজুত থেকে ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণাও দিয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা তাদের সদস্য দেশগুলোকে সরকারি মজুত থেকে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা সংস্থাটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমন্বিত মজুত ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   এদিকে বিভিন্ন সূত্র বলছে, চলমান সংঘাতের মধ্যেও ইরান তাদের তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। পারস্য উপসাগরে অন্য দেশগুলোর তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের তেলের মূল্য আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরাকে মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত, ৪ ক্রু নিহত
শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

ইরাকের আকাশসীমায় মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে চারজন ক্রু নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শুক্রবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।   সেন্টকম জানায়, পশ্চিম ইরাকের একটি স্থানে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে। বিমানটিতে মোট ছয়জন ক্রু ছিলেন। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের সংখ্যা চার। বাকি দুইজন ক্রুর অবস্থার বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।   সেন্টকমের একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমান বিধ্বস্তের কোনো প্রমাণ শত্রুপক্ষের হামলা বা মার্কিন বাহিনীর গুলির কারণে হয়নি। তবে সঠিক কারণ জানার জন্য তদন্ত চলছে।   উদ্ধার কার্যক্রম এখনো চলমান। সংস্থাটি নিহতদের পরিবার এবং আহতদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক আগ্রাসনে মিনাবে ওই স্কুলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৭৫ জন নিহত হয়। ছবি: এপি
ইরানে নিহত শিক্ষার্থীদের জন্য চীনের অনুদান
তাবাস্সুম মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

ইরানের হরমজগান প্রদেশের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক স্কুলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবারগুলোর জন্য ২ লাখ ডলার অনুদান ঘোষণা করেছে চীন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মানবিক সহায়তার কথা জানায়। জরুরি মানবিক সহায়তা হিসেবে এই অর্থ ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে প্রদান করবে চীনের রেড ক্রস সোসাইটি। মূলত নিহত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের প্রতি সমবেদনা ও ক্ষতিপূরণ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক আগ্রাসনের সময় মিনাবের ওই স্কুলে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে অন্তত ১৭৫ জন নিহত হয়, যাদের বেশিরভাগই শিশু শিক্ষার্থী। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন এই হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্কুল ও শিশুদের ওপর এমন হামলা বিবেক ও নৈতিকতার সর্বনিম্ন সীমাকেও অতিক্রম করেছে।   মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই কঠিন সময়ে ইরানের জনগণের পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। যদিও এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করার মতো বিভিন্ন প্রমাণ সামনে এসেছে, তবুও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল উভয়ই দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে সমালোচকদের মতে, একটি প্রাথমিক স্কুলে এই হামলা বর্তমান যুদ্ধের ভয়াবহতাকে বিশ্ববাসীর সামনে নতুন করে তুলে ধরেছে।

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
ইমরান খানের জন্য মেডিকেল বোর্ডের নির্দেশ
তাবাস্সুম মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নতুন একটি মেডিকেল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, এই বোর্ড ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত নেবে যে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কারাগারের বাইরে কোনো হাসপাতালে স্থানান্তর করা প্রয়োজন কি না। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শিফা আন্তর্জাতিক হাসপাতালে স্থানান্তরের আবেদনটি নাকচ করে দিয়েছে আদালত।   বিচারপতি আরবাব মুহাম্মদ তাহির শুনানিকালে জানান, নতুন গঠিত বোর্ডে শিফা চক্ষু হাসপাতালের ডাক্তার নাদিম কুরেশিসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। বোর্ডের চূড়ান্ত রিপোর্ট ছাড়া তাকে হাসপাতালে স্থানান্তরের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। শুনানিতে আদালত আগের মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্ট উপস্থাপন না করায় উষ্মা প্রকাশ করলে ইসলামাবাদ অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, ইমরান খানের স্বাস্থ্য বর্তমানে সন্তোষজনক এবং সরকার তার চিকিৎসার বিষয়ে দায়বদ্ধ।   শুনানি চলাকালে পিটিআই আইনজীবী বাবর আওয়ান বন্দীদের সঠিক চিকিৎসার অধিকার তুলে ধরেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের দৃষ্টান্ত দিয়ে ব্যক্তিগত ডাক্তারদের প্রবেশের অনুমতি দাবি করেন। অন্যদিকে ইমরান খানের বোন আলীমা খানও আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, যদি ইমরান খানের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে তবে এর সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর বর্তাবে। নতুন মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশের ওপর ভিত্তি করেই এখন তার পরবর্তী চিকিৎসা ব্যবস্থা নির্ধারিত হবে।

ছবি: সংগৃহীত
ড্রোন হামলা নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে রাডারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করছে চীন
তাবাস্সুম মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় ড্রোন হামলা শনাক্ত করার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাডার প্রযুক্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে চীন। নতুন এই এআই অ্যালগরিদম রাডারকে যেকোনো চলমান লক্ষ্যবস্তুকে বিভিন্ন দিক থেকে পর্যবেক্ষণ করা, গতিশীল তথ্য সংগ্রহ এবং এমনকি বিভ্রান্তিকর বা ভুয়া ড্রোন শনাক্ত করতেও সক্ষম করে তুলবে। বুধবার (১১ মার্চ) চীনের শীর্ষ বিমান প্রতিরক্ষা রাডার বিশেষজ্ঞ শু জিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বার্ষিক রাজনৈতিক অধিবেশন ‘টু সেশনস’-এ শু জিন জানান, পরীক্ষায় দেখা গেছে নতুন এই এআই প্রযুক্তি রাডারের লক্ষ্য শনাক্ত করার ক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটিয়েছে। বিশেষ করে নিচু উচ্চতায় উড়তে থাকা বিপুল সংখ্যক ড্রোন শনাক্ত করতে এটি অত্যন্ত কার্যকর। শু জিন বর্তমানে চীনের বিমান প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান 'চায়না ইলেকট্রনিকস টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন' (সিইটিসি)-এর প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত।   বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক যুদ্ধে দুই পক্ষই বিপুল সংখ্যক স্বল্পমূল্যের আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করছে। একসাথে অনেক ড্রোন যখন সমন্বিতভাবে কাজ করে বা দায়িত্ব ভাগ করে নেয়, তখন প্রচলিত রাডার ব্যবস্থার ওপর তা বড় ধরনের চাপ তৈরি করে। প্রচলিত পদ্ধতিতে বিপুল সংখ্যক ড্রোনকে আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়ায় এআই-চালিত রাডার এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।   শু জিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, আত্মঘাতী ড্রোন আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এই বাস্তবতায় চীন তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে নিম্ন-উচ্চতার আগাম সতর্কতা রাডার প্রযুক্তিতে এআই অ্যালগরিদমকে চূড়ান্তভাবে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ করছে।

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
178 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
193 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
126 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
আইন-আদালত
Advertisement
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
বাংলাদেশ
জাতীয়