আন্তর্জাতিক

অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে ঝুঁকিতে শিশুর মানসিক বিকাশ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আধুনিক জীবনের প্রতিটি মোড়ে এখন শৈশবের এক ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। রাস্তাঘাট, রেস্তোরাঁ কিংবা ঘরের ড্রয়িংরুম—সবখানেই শিশুদের মনোযোগ কেড়ে নিয়েছে স্মার্টফোনের উজ্জ্বল স্ক্রিন। চোখের পলক না ফেলে দীর্ঘক্ষণ শর্ট ভিডিও কিংবা রিল স্ক্রল করে যাওয়া এখনকার শিশুদের প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

 

অনেক সময় ব্যস্ত অভিভাবকরা শিশুকে শান্ত রাখতে কিংবা নিজের কাজে মনোযোগ দিতে অবলীলায় তাদের হাতে এই প্রযুক্তি তুলে দিচ্ছেন। তবে আপাতদৃষ্টিতে এটি নিরীহ মনে হলেও, এর আড়ালে শিশুদের মানসিক ও ভাষাগত বিকাশে কতটা গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হচ্ছে, তা নিয়ে নতুন করে সতর্ক করেছেন গবেষকরা।

 

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়ার একদল গবেষক তাদের এক গবেষণায় অত্যন্ত উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, শৈশব এবং বয়ঃসন্ধির শুরুতে যারা নিয়মিত ও দীর্ঘ সময় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, তাদের শব্দভান্ডার এবং পড়ার ক্ষমতা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

 

সোশ্যাল মিডিয়ার ছোট ভিডিও বা ভিজ্যুয়াল কন্টেন্টে অভ্যস্ত হয়ে পড়ায় শিশুরা নতুন নতুন শব্দ শেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। এর ফলে তারা সাধারণ শব্দ চিনতে এবং সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে গিয়ে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের শিক্ষার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

 

এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের ডিজিটাল আসক্তির হাত থেকে রক্ষা করতে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে কঠোর আইনি তৎপরতা। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকার ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার মতো যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্বের আরও অনেক দেশ এখন শিশুদের সুরক্ষায় একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা গুরুত্বের সাথে ভাবছে।

 

ঠিক এমন এক সময়ে ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়ার এই গবেষণাটি জনসমক্ষে এলো, যা শিশুদের হাতে প্রযুক্তির লাগাম টেনে ধরার প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালো করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেবল আইন নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থ বিকাশে অভিভাবকদের সচেতনতাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
মস্তিষ্কের জীবন্ত কোষে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম আধুনিক ডেটা সেন্টার

কল্পবিজ্ঞানের মুভিগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় ল্যাবরেটরির কাঁচের জারে রাখা আছে মানুষের জীবন্ত মস্তিষ্ক, আর তার সঙ্গে সহস্র তার জুড়ে দিয়ে চালানো হচ্ছে শক্তিশালী কোনো সুপারকম্পিউটার। এতদিন এসব দৃশ্যকে নিছক পরিচালকের বুনো কল্পনা ভেবে যারা উড়িয়ে দিতেন, তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এক চমকপ্রদ বাস্তবতা।    প্রযুক্তির অবিশ্বাস্য এই সন্ধিক্ষণে বিশাল সব ডেটা সেন্টারে সারি সারি সিলিকন চিপের জায়গা দখল করতে যাচ্ছে জীবন্ত কোষ তথা মানুষের মস্তিষ্কের নিউরন। আধুনিক প্রযুক্তির ইতিহাসে এই প্রথম সিলিকন চিপ নয়, বরং সম্পূর্ণ জৈবিক উপাদানের সমন্বয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম জীবন্ত ডেটা সেন্টার।   বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর জয়জয়কারের ফলে ডেটা সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা এখন আকাশচুম্বী। তবে এই কেন্দ্রগুলোর প্রাণভোমরা আধুনিক সিলিকন চিপের আকাশচুম্বী দাম এবং এগুলো চালাতে প্রয়োজনীয় বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ এখন বিশ্বজুড়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।    এই বিশাল বিদ্যুৎ খরচ ও চিপের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিজ্ঞানীরা এক জাদুকরী ও টেকসই সমাধানের সন্ধান পেয়েছেন, যা হলো জৈবিক কম্পিউটার। সিলিকন চিপের বদলে মস্তিষ্কের নিউরন ব্যবহার করার ফলে বিদ্যুৎ খরচ যেমন অবিশ্বাস্যভাবে হ্রাস পাবে, তেমনি কম্পিউটিং সক্ষমতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।   এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনের নেতৃত্বে রয়েছে অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক স্টার্টআপ কোম্পানি ‘কোর্টিক্যাল ল্যাবস’। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি মানুষের মস্তিষ্কের নিউরন দিয়ে তৈরি দুটি জৈবিক ডেটা সেন্টার নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে গোটা প্রযুক্তি বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। কোর্টিক্যাল ল্যাবস এর আগেও তাদের ল্যাবরেটরিতে কৃত্রিমভাবে তৈরি নিউরনের সাহায্যে ক্লাসিক ভিডিও গেম ‘পং’ খেলিয়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছিল।   এমনকি চলতি বছরের মার্চ মাসের শুরুতে তারা বিশ্বকে দেখিয়েছে যে, তাদের ফ্ল্যাগশিপ জৈবিক কম্পিউটার ‘সিএল১’ মাত্র এক সপ্তাহের অনুশীলনে বর্তমান বিশ্বের অত্যন্ত জটিল ও জনপ্রিয় ভিডিও গেম ‘ডুম’ (Doom) দারুণভাবে আয়ত্ত করে ফেলেছে।   জীবন্ত কোষের এই ডেটা সেন্টার প্রযুক্তির বিবর্তনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এটি কেবল একটি সাশ্রয়ী সমাধানই নয়, বরং তথ্যের প্রক্রিয়াকরণে মানুষের জৈবিক কাঠামোর অবিশ্বাস্য ক্ষমতার সফল প্রয়োগ। সিলিকন যুগের পর এবার মানুষের নিউরনের এই অভাবনীয় যাত্রা কম্পিউটিং জগতের ইতিহাসকে চিরতরে বদলে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে ঝুঁকিতে শিশুর মানসিক বিকাশ

ভারতীয় রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট ফাতিমা তাহিলিয়া | ছবি: সংগৃহীত

কেরালা বিধানসভায় ইতিহাস; প্রথম মুসলিম নারী সদস্য নির্বাচিত হলেন ফাতিমা

নির্বাচনী ফলাফলের পর সমর্থকদের অভিনন্দন বার্তা গ্রহণ করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গে ‘পদ্ম’ ফুটেছে, জনশক্তির জয়: মোদি

থালাপতি বিজয়। ছবি: সংগৃহীত
ভোট গণনা: তামিলনাড়ুতে এগিয়ে থালাপতি বিজয়ের দল

ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (৪ মে) সকাল ৮টায় ভোট গণনা শুরু হয়।  তামিলনাড়ু প্রাথমিক ভোট গণনায় বিপুল ভোটে এগিয়ে রয়েছেন দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন দল তামিলগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে)। সকাল থেকে ক্ষমতাসীন ডিএমকে এবং বিজয়ের টিভিকে-র মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে তা পাল্টে যেতে শুরু করেছে। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিজয়ের টিভিকে এগিয়ে রয়েছে ১০৪ আসনে।  অন্যদিকে রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতাসীন ডিএমকে এগিয়ে রয়েছে ৫০ আসনে। আর ৭৭ আসনে এগিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এডিএমকে জোট। নির্বাচন পরবর্তী বুথফেরত জরিপে অধিকাংশ সংস্থা ডিএমকে-এর জয়ের সম্ভাবনার কথা বলেছিল। তবে জেভিসি এক্সিট পোলসহ বেশ কিছু জরিপে এনডিএ জোট এবং বিজয় থালাপতির দলের জয়ের কথা উঠে আসে। অন্যদিকে একই সময়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ণনা করা ভোটের প্রবণতা অনুযায়ী, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এগিয়ে রয়েছে ১৭৫ আসনে। অন্যদিকে রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১১৫ আসনে।  এছাড়া আসামে বিজেপি জোট ৯৩ আসনে এবং কংগ্রেস জোট ২৫ আসনে এগিয়ে রয়েছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মে ৪, ২০২৬ 0
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতির কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ | ছবি: সংগৃহীত

ডলার সংকটে চীনা ইউয়ানে তেল বিক্রির হুঁশিয়ারি আরব আমিরাতের

ছবি: সংগৃহীত

অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ফ্রান্সকে ৬৬০ মিলিয়ন পাউন্ড দিচ্ছে ব্রিটেন

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীর টোল থেকে প্রথম রাজস্ব পেল ইরান

ছবি: সংগৃহীত
শ্রীলংকার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাইবার হামলা, চুরি হলো আড়াই মিলিয়ন ডলার

শ্রীলংকার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার সিস্টেমে ভয়াবহ সাইবার হামলা চালিয়ে ২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চুরি করেছে সাইবার অপরাধীরা। এটি এখন পর্যন্ত দেশটির কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানে ঘটা সবচেয়ে বড় সাইবার অর্থচুরির ঘটনা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) শ্রীলঙ্কা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনায় দেশটির পাবলিক ডেট ম্যানেজমেন্ট অফিসের চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।   অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব হার্শানা সুরিয়াপেরুমা জানান, চুরি হওয়া এই অর্থটি মূলত অস্ট্রেলিয়ার একটি ঋণ পরিশোধের জন্য পাঠানোর কথা ছিল। তবে নিয়মিত তদন্তের সময় দেখা যায়, নির্ধারিত সেই অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব থেকে হঠাৎ করেই গায়েব হয়ে গেছে। তদন্তে আরও উঠে আসে যে, অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার আগে অপরাধীরা প্রথমে মন্ত্রণালয়ের ই-মেইল সার্ভারে অনুপ্রবেশ করেছিল।   বর্তমানে এই ঘটনা নিয়ে দেশটিতে ব্যাপক ফৌজদারি তদন্ত চলছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে বিদেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সহায়তাও চেয়েছে শ্রীলঙ্কা। এদিকে অস্ট্রেলিয়ার কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, তারা এই রহস্যজনক অর্থ লেনদেনের বিষয়ে অবগত আছেন এবং লঙ্কান কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করছেন।   ২০২২ সালের চরম অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে দেশটি যখন ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, ঠিক সেই সময়ে এই বিশাল অংকের অর্থ চুরি লঙ্কান অর্থনীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার পর দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক নাগরিকদের সতর্ক করে জানিয়েছে, জাতীয় আর্থিক ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে সাইবার হামলার ঝুঁকি বর্তমানে আগের চেয়ে অনেক বেশি বাড়ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটেনে ‘ধূমপানমুক্ত প্রজন্ম’ গড়ার ঐতিহাসিক বিল পাস; ২০০৯-এর পর জন্মালেই আজীবন নিষিদ্ধ তামাক!

ছবি: সংগৃহীত

বিদেশে লজ্জাজনক কাণ্ড! হোটেল থেকে চুরির অভিযোগে আটক ভারতীয় পর্যটকরা

টাইটানিক দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট নিলামে বিক্রি ৯ লাখ ডলারে

টাইটানিক দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট নিলামে বিক্রি ৯ লাখ ডলারে

0 Comments