সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

মসজিদ সফরে শিক্ষার্থীদের হিজাব ও কোরআন দেওয়ায় ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুল ডিস্ট্রিক্টের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: আগস্ট ২৬, ২০২৬ ০:৪৫
ক্যালিফোর্নিয়ায় অভিভাবকদের অনুমতি ছাড়া শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাসফরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ক্যালিফোর্নিয়ায় অভিভাবকদের অনুমতি ছাড়া শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাসফরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার পালো আল্টো ইউনিফায়েড স্কুল ডিস্ট্রিক্ট ও পালো আল্টো হাইস্কুলের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বিভিন্ন ধর্মের কয়েকজন অভিভাবক। অভিযোগ, ২০২৫ সালের একটি শিক্ষাসফরে শিক্ষার্থীদের স্থানীয় একটি মসজিদে নিয়ে গিয়ে ধর্মীয় কার্যক্রমে অংশ নেওয়ানো হয় এবং অভিভাবকদের সম্মতি ছাড়াই কয়েকজনকে ইসলামি ধর্মীয় পোশাক পরতে উৎসাহিত করা হয়। 

 

৭ আগস্ট দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, স্কুলের সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মুসলিম কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালিত একটি মসজিদে নেওয়া হয়। সেখানে তারা নামাজ পর্যবেক্ষণ, উপাসনার অর্থ নিয়ে আলোচনা এবং কোরআন মুখস্থকারী শিক্ষার্থীদের একটি ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 

 

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, সফরের সময় ছাত্রীদের হিজাব পরতে দেওয়া হয় এবং শিক্ষার্থীদের কোরআনের কপি উপহার দেওয়া হয়। তবে এসব কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক ছিল কি না, সেটিই মামলার অন্যতম বিতর্কিত বিষয়।

 

মামলাটি করেছেন ইহুদি, হিন্দু ও জরথুস্ত্রীয় পরিবারের সদস্যরা। তাদের অভিযোগ, একটি সরকারি স্কুলের পাঠ্যক্রমে একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে অন্য ধর্মের তুলনায় বিশেষভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মামলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ধর্মীয় নিরপেক্ষতার প্রশ্নও তোলা হয়েছে। 

 

অভিভাবকদের আইনজীবী ডেভিড রোজেনবার্গ-ওহল দাবি করেছেন, সরকারি স্কুলের দায়িত্ব কোনো নির্দিষ্ট ধর্মকে প্রচার করা নয়। তার মতে, সামাজিক ন্যায়বিচারের সঙ্গে ইসলামকে বিশেষভাবে যুক্ত করে উপস্থাপন করা হলে তা সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ধর্মীয় নিরপেক্ষতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। 

 

অন্যদিকে, মসজিদটির পরিচালনাকারী মুসলিম কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশন মামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির দাবি, শিক্ষার্থীদের মুসলিম ধর্মীয় আচার ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করানোকে জোরপূর্বক বা হুমকিমূলক হিসেবে দেখলে মুসলিমদের নিয়ে ভুল ধারণা ও ইসলামবিদ্বেষ আরও বাড়তে পারে। সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, কোরআন নেওয়া বা হিজাব পরার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের ওপর বাধ্যতামূলক ছিল না। 

 

পালো আল্টো ইউনিফায়েড স্কুল ডিস্ট্রিক্টের সুপারিনটেনডেন্ট জেসন গ্লাস জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। চলমান মামলার কারণে এ বিষয়ে তিনি আর বিস্তারিত মন্তব্য করবেন না। 


এদিকে স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষার্থী সংবাদপত্রের পক্ষ থেকেও অভিযোগের কিছু অংশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থী সংবাদপত্র দ্য পালি ভয়েসের সম্পাদক জুনি থার্সটন দাবি করেছেন, ছাত্রীদের জোর করে হিজাব পরানো বা ইসলামি বিশ্বাস গ্রহণে প্রভাবিত করার অভিযোগ বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। তবে ওই সফরে একজন বিতর্কিত বক্তার উপস্থিতি নিয়ে তিনি উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। 

 

যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ইন্ডিভিজুয়াল রাইটস অ্যান্ড এক্সপ্রেশনের এক কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষার্থীদের যদি সত্যিই পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে ধর্মীয় পোশাক পরতে বাধ্য করা হয়ে থাকে, তাহলে তা সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর অধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলতে পারে। 

 

মামলাটি এখন সরকারি স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষা, শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় নিরপেক্ষতার সীমা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। তবে অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসির সেভিয়ার কাউন্টিতে ভয়াবহ দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সংগীতশিল্পী ডলি পার্টন। ছবি: সংগৃহীত
ঘর পুড়ে ছাই, পাশে দাঁড়ালেন ডলি পার্টন, ৯০০ পরিবার পেল ১০ হাজার ডলার

২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসির সেভিয়ার কাউন্টিতে ভয়াবহ দাবানলে ঘর হারানো পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ডলি পার্টন। নিজের শৈশবের এলাকার মানুষের দুর্দশা দেখে তিনি ডলিউড ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে গড়ে তোলেন ‘মাই পিপল ফান্ড’। এই তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ছয় মাস ধরে প্রতি মাসে ১ হাজার ডলার করে সহায়তা দেওয়া হয়। শেষ মাসে ১ হাজার ডলারের বদলে দেওয়া হয় ৫ হাজার ডলার। ফলে প্রতিটি পরিবার মোট ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত সহায়তা পায়।  ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর গ্রেট স্মোকি মাউন্টেন এলাকায় ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। এতে সেভিয়ার কাউন্টিতে ১৪ জনের মৃত্যু হয় এবং ১ হাজার ৭০০টির বেশি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়। এর মাত্র দুই দিনের মধ্যে ডলি পার্টনের ডলিউড ফাউন্ডেশন ‘মাই পিপল ফান্ড’ চালু করে।    তহবিলের আওতায় যেসব পরিবার দাবানলে তাদের প্রধান বাসস্থান সম্পূর্ণ হারিয়েছিল বা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল, তাদের সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাড়ির মালিকদের পাশাপাশি ভাড়াটিয়ারাও এই সহায়তার জন্য যোগ্য ছিলেন।    প্রথম দফায় প্রায় ৯০০ পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ৮৮৪টি পরিবার প্রথম ১ হাজার ডলারের চেক পায়। পরে তহবিল থেকে মাসে মাসে একই পরিমাণ অর্থ দেওয়া অব্যাহত থাকে।    ছয় মাসের সহায়তা কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে এসে পরিবারগুলো যখন আরও ১ হাজার ডলারের প্রত্যাশা করছিল, তখন ডলি পার্টনের ফাউন্ডেশন চূড়ান্ত অর্থের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫ হাজার ডলার করে। ফলে প্রতি পরিবার মোট ১০ হাজার ডলার সহায়তা পায়। শেষ পর্যন্ত দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে সরাসরি ৮৯ লাখ ডলার বিতরণ করা হয়।    ডলি পার্টনের এই উদ্যোগের পেছনে ছিল নিজের শিকড়ের এলাকার মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। সেভিয়ার কাউন্টি ও গ্রেট স্মোকি মাউন্টেন অঞ্চলেই তার শৈশব কেটেছে। তাই নিজের এলাকার মানুষ যখন ঘরবাড়ি হারিয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন, তখন তিনি শুধু অর্থ সংগ্রহ করেই থামেননি, সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন।   দাবানলের পর পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় সহায়তা অব্যাহত রাখতে ‘মাই পিপল ফান্ড’ আরও ৩০ লাখ ডলার মাউন্টেন টাফ রিকভারি টিমের সঙ্গে অংশীদারত্বে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। অর্থাৎ পরিবারগুলোর জন্য তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনেও সহায়তা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৬, ২০২৬ ১:৪৮
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বজুড়ে মার্কিন দূতাবাসগুলোতে নির্ধারিত ভিসা সাক্ষাৎকার সাময়িকভাবে স্থগিত করছে। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত, নতুন তারিখ দেবে দূতাবাস

যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের তিন কর্মকর্তাকে সম্ভাব্য দুর্ব্যবহারের অভিযোগের তদন্তের মধ্যে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

দুর্ব্যবহারের অভিযোগের তদন্তে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের তিন কর্মকর্তা ছুটিতে

ক্যালিফোর্নিয়ায় অভিভাবকদের অনুমতি ছাড়া শিক্ষার্থীদের একটি শিক্ষাসফরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

মসজিদ সফরে শিক্ষার্থীদের হিজাব ও কোরআন দেওয়ায় ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুল ডিস্ট্রিক্টের বিরুদ্ধে মামলা

যুক্তরাষ্ট্রে ২৬ আগস্ট নিয়মিত পেমেন্ট সূচি অনুযায়ী সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে সোশ্যাল সিকিউরিটির অর্থ পাঠানো হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
২৬ আগস্ট সোশ্যাল সিকিউরিটির চেক, কারা পাচ্ছেন জেনে নিন

যুক্তরাষ্ট্রে সোশ্যাল সিকিউরিটি সুবিধাভোগীদের জন্য ২৬ আগস্ট গুরুত্বপূর্ণ একটি তারিখ। বুধবার, ২৬ আগস্ট নিয়মিত পেমেন্ট সূচি অনুযায়ী, যেসব সুবিধাভোগীর জন্মদিন মাসের ২১ থেকে ৩১ তারিখের মধ্যে, তাদের সোশ্যাল সিকিউরিটির মাসিক সুবিধার অর্থ পাঠানোর কথা। তবে সব সুবিধাভোগী একই দিনে অর্থ পান না।   সোশ্যাল সিকিউরিটি প্রশাসনের নিয়ম অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের মে মাসের পর থেকে সুবিধা নেওয়া শুরু করা অনেক অবসরপ্রাপ্ত, মৃত কর্মীর পরিবারের সদস্য ও প্রতিবন্ধী সুবিধাভোগীর পেমেন্ট জন্মতারিখের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। মাসের ১ থেকে ১০ তারিখে জন্ম হলে সাধারণত দ্বিতীয় বুধবার, ১১ থেকে ২০ তারিখে জন্ম হলে তৃতীয় বুধবার এবং ২১ থেকে ৩১ তারিখে জন্ম হলে চতুর্থ বুধবার পেমেন্ট পাঠানো হয়।   আগস্ট মাসের সূচি অনুযায়ী, ১২ আগস্ট ১ থেকে ১০ তারিখে জন্ম নেওয়া যোগ্য সুবিধাভোগীদের পেমেন্ট পাঠানো হয়েছে। ১৯ আগস্ট ছিল ১১ থেকে ২০ তারিখে জন্মগ্রহণকারীদের পেমেন্টের তারিখ। আর ২৬ আগস্টের পেমেন্ট ২১ থেকে ৩১ তারিখে জন্ম নেওয়া সুবিধাভোগীদের জন্য নির্ধারিত।   তবে এই নিয়ম সব সোশ্যাল সিকিউটি সুবিধাভোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। যারা ১৯৯৭ সালের ৩০ এপ্রিল বা তার আগে সুবিধা পাওয়া শুরু করেছিলেন, তাদের অনেকের জন্য আলাদা পেমেন্ট সূচি রয়েছে। একইভাবে, সোশ্যাল সিকিউটির পাশাপাশি সম্পূরক নিরাপত্তা আয় বা এসএসআই পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও আলাদা নিয়ম প্রযোজ্য।   আগস্ট মাসে এসএসআই পেমেন্টের ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্নতা। ১ আগস্ট ২০২৬ শনিবার হওয়ায় আগস্টের এসএসআই পেমেন্ট আগেই ৩১ জুলাই পাঠানো হয়েছে। এটি অতিরিক্ত কোনো পেমেন্ট নয়। সপ্তাহান্তের কারণে নির্ধারিত তারিখ এগিয়ে আনা হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে সোশ্যাল সিকিউটি, এসএসআই অথবা উভয় ধরনের সুবিধা মিলিয়ে প্রায় ৭ কোটি ৫৭ লাখ মানুষ পেমেন্ট পাচ্ছেন। সোশ্যাল সিকিউটি প্রশাসনের জুলাই ২০২৬-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তাদের মধ্যে প্রায় ৫ কোটি ৯৩ লাখ সুবিধাভোগীর বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি।   তাই ২৬ আগস্টের পেমেন্টের অপেক্ষায় থাকা সুবিধাভোগীদের নিজেদের জন্মতারিখ এবং ব্যক্তিগত সোশ্যাল সিকিউরিটি পেমেন্টের সূচি মিলিয়ে দেখা গুরুত্বপূর্ণ। একই ধরনের সুবিধা পেলেও সবার পেমেন্টের তারিখ এক নয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: আগস্ট ২৬, ২০২৬ ০:২৭
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের পারমায় স্কুলবাসের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেছে এক নারীর ব্যবহৃত হুইলচেয়ার। ছবি: সংগৃহীত

স্কুলবাসের ধাক্কায় হুইলচেয়ারে থাকা নারী হাসপাতালে, আহত হয়নি শিক্ষার্থীরা

মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় এক নারীর পোশাকের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় দুটি কচ্ছপ। ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বাসে লুকিয়ে দুটি জীবন্ত কচ্ছপ নেওয়ার চেষ্টা, মিয়ামি বিমানবন্দরে ধরা পড়লেন নারী

নিউইয়র্কের ব্রুকলিন এবং ব্রঙ্কসে সুলভ মূল্যে অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া দেওয়া হচ্ছে (ছবি: সংগৃহীত)

নিউইয়র্কে সাশ্রয়ী আবাসনের সুযোগ, ১,৫০০ ডলারের নিচে ভাড়ায় মিলছে অ্যাপার্টমেন্ট

নিজের দক্ষতা ও সময় অনুযায়ী টিউটরিং, ফ্রিল্যান্সিংসহ বিভিন্ন কাজ থেকে অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব। ছবি: সংগৃহীত
চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ: যে ১০টি কাজ বিবেচনা করতে পারেন

যুক্তরাষ্ট্রে ফুল-টাইম চাকরি করেও অনেকের মাসিক আয় থেকে বাড়তি সঞ্চয় করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বাড়িভাড়া, মর্টগেজ, গাড়ির খরচ, হেলথ ইন্স্যুরেন্স, সন্তানের শিক্ষা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের কারণে অনেক পরিবারই মূল চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের পথ খুঁজছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকের জন্য এমন কাজ গুরুত্বপূর্ণ, যা মূল চাকরির সময়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয় এবং সপ্তাহের সন্ধ্যা বা ছুটির দিনে করা যায়।   বর্তমানে পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ শুধু রাইডশেয়ার বা ফুড ডেলিভারির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং হাতে থাকা সময় অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাজ থেকে অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব। তবে কোন কাজ থেকে কত আয় হবে, তা নির্ভর করবে কাজের ধরন, অবস্থান, সময়, অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্ট খরচের ওপর।   চাকরির পাশাপাশি বিবেচনা করা যেতে পারে এমন ১০টি কাজ হলো:   ১. রাইডশেয়ার ড্রাইভিং - নিজের গাড়ি থাকলে উবার বা লিফট এর মতো রাইডশেয়ার প্ল্যাটফর্মে ড্রাইভিং অনেকের জন্য অতিরিক্ত আয়ের একটি পরিচিত পথ। অফিসের আগে বা পরে কয়েক ঘণ্টা কিংবা সপ্তাহান্তে কাজ করা যায়। তবে আয় হিসাব করার সময় গ্যাস, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ, ইনস্যুরেন্স এবং গাড়ির মূল্য কমে যাওয়ার মতো খরচও বিবেচনায় রাখতে হবে।   ২. ফুড ডেলিভারি - ডোরড্যাশ, উবারইটস সহ বিভিন্ন ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মে পার্ট-টাইম কাজ করা যায়। বিশেষ করে সন্ধ্যার ডিনার সময় বা সপ্তাহান্তে কয়েক ঘণ্টা কাজ করার সুযোগ রয়েছে। যারা যাত্রী বহনের পরিবর্তে খাবার বা পণ্য ডেলিভারি করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তাদের জন্য এটি একটি বিকল্প হতে পারে।   ৩. অনলাইন বা প্রাইভেট টিউটরিং - যাদের গণিত, বিজ্ঞান, ইংরেজি, কম্পিউটার সায়েন্স বা অন্য কোনো বিষয়ে ভালো দক্ষতা রয়েছে, তারা শিক্ষার্থীদের টিউটরিং করতে পারেন। অনেক টিউটর সন্ধ্যা ও সপ্তাহান্তে কাজ করেন, ফলে এটি ফুল-টাইম চাকরির সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের তথ্য অনুযায়ী, টিউটরদের বড় একটি অংশ পার্ট-টাইম কাজ করেন এবং তাদের সময়সূচিতে সন্ধ্যা ও সপ্তাহান্তের কাজও রয়েছে।   ৪. ফ্রিল্যান্সিংআইটি, সফটওয়্যার টেস্টিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাকাউন্টিং, বুককিপিং, অনুবাদ বা কনটেন্ট তৈরির মতো দক্ষতা থাকলে ফ্রিল্যান্সিং হতে পারে বাড়তি আয়ের একটি সুযোগ। এ ক্ষেত্রে নতুন কোনো কাজ শেখার চেয়ে নিজের বর্তমান পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগানো অনেকের জন্য বেশি কার্যকর হতে পারে।   ৫. ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি - বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বিয়ে, আকিকা, জন্মদিন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কমিউনিটি প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়মিত হয়। যাদের ক্যামেরা পরিচালনা, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি বা ভিডিও এডিটিংয়ের দক্ষতা রয়েছে, তারা মূল চাকরির পাশাপাশি সপ্তাহান্তে এসব কাজ করতে পারেন।   ৬. ক্লিনিং সার্ভিস - বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা ছোট অফিস পরিষ্কারের কাজও পার্ট-টাইম আয়ের একটি সম্ভাব্য পথ। কেউ কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ করতে পারেন, আবার প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক ও স্থানীয় নিয়মকানুন মেনে নিজস্ব ছোট ক্লিনিং সার্ভিসও গড়ে তুলতে পারেন। সপ্তাহান্তে কয়েক ঘণ্টা সময় দেওয়ার সুযোগ থাকায় অনেকের জন্য এই কাজটি সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব।   ৭. চাইল্ডকেয়ার বা বেবিসিটিং - যাদের শিশুদের দেখাশোনার অভিজ্ঞতা রয়েছে, তারা পার্ট-টাইম চাইল্ডকেয়ার বা বেবিসিটিংয়ের কাজ বিবেচনা করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রে চাইল্ডকেয়ার সেক্টরে পার্ট-টাইম কাজ প্রচলিত এবং কিছু ক্ষেত্রে সন্ধ্যা বা রাতের সময়ও কাজের প্রয়োজন হয়। তবে শিশু দেখাশোনার ক্ষেত্রে স্থানীয় আইন, লাইসেন্স এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম অবশ্যই আগে জেনে নেওয়া প্রয়োজন।   ৮. হ্যান্ডিম্যান ও হোম সার্ভিস - ফার্নিচার অ্যাসেম্বলি, পেইন্টিং, ইয়ার্ডের কাজ বা ছোটখাটো মেরামতের মতো কাজে দক্ষ হলে সপ্তাহান্তে বাড়তি আয় করা সম্ভব। তবে ইলেকট্রিক্যাল, প্লাম্বিং বা লাইসেন্স প্রয়োজন এমন কোনো কাজ করার আগে সংশ্লিষ্ট রাজ্য ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ম জানা জরুরি।   ৯. অনলাইন রিসেলিং - বাড়িতে অব্যবহৃত জিনিসপত্র বিক্রি দিয়ে অনলাইন রিসেলিং শুরু করা যায়। পরে পোশাক, অ্যাকসেসরিজ, হস্তশিল্প বা অন্যান্য পণ্য নিয়ে ছোট পরিসরে ব্যবসা করা সম্ভব। তবে পণ্য কেনা, স্টোরেজ, শিপিং এবং প্ল্যাটফর্মের ফি হিসাব করে লাভ-ক্ষতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন।   ১০. সোশ্যাল মিডিয়া ও কনটেন্ট সার্ভিস - ছোট ব্যবসা বা কমিউনিটি সংগঠনের জন্য ফেসবুক পেজ পরিচালনা, ছবি তৈরি, ভিডিও এডিটিং, পোস্ট লেখা বা সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরির কাজও করা যেতে পারে। বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেক ছোট ব্যবসা ও সংগঠনের নিয়মিত ডিজিটাল কনটেন্টের প্রয়োজন থাকায় এই ক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।   তবে পার্ট-টাইম কাজ শুরু করার আগে শুধু সম্ভাব্য আয় নয়, সংশ্লিষ্ট খরচও হিসাব করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে রাইডশেয়ার বা ডেলিভারি কাজের ক্ষেত্রে গাড়ির গ্যাস, রক্ষণাবেক্ষণ ও অন্যান্য খরচ বাদ দেওয়ার পর প্রকৃত আয় কত থাকে, সেটি বিবেচনা করা উচিত।   এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে পার্ট-টাইম বা গিগ কাজের আয়ও ট্যাক্সের আওতায় পড়ে। আইআরএসের তথ্য অনুযায়ী, গিগ কাজ থেকে পাওয়া আয় পার্ট-টাইম, অস্থায়ী বা সাইড কাজের আয় হলেও তা ট্যাক্স রিটার্নে রিপোর্ট করতে হয়। কোনো ব্যক্তির self-employment থেকে নেট আয় ৪০০ ডলার বা তার বেশি হলে সাধারণত self-employment tax-এর নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। আয় ও খরচের রেকর্ড এবং প্রয়োজনীয় রসিদ সংরক্ষণ করার পরামর্শও দিয়েছে আইআরএস।   তাই ফুল-টাইম চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত কাজ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের সময়, দক্ষতা, খরচ এবং সম্ভাব্য নেট আয় বিবেচনা করা। সপ্তাহে কয়েক ঘণ্টার একটি পার্ট-টাইম কাজও সঠিকভাবে পরিকল্পনা করা গেলে পরিবারের মাসিক বাজেটে অতিরিক্ত অর্থের জোগান দিতে পারে।

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: আগস্ট ২৫, ২০২৬ ২২:১৬
মন্টানার বিলিংসে মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন একই পরিবারের আট সদস্য (ছবি: সংগৃহীত)

যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানায় একই পরিবারের ৮ জনকে গুলি করে হত্যা, নিহতদের মধ্যে রয়েছে চার শিশু

কনস্যুলার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিতে বিশ্বজুড়ে ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন (ছবি: সংগৃহীত)

বিশ্বজুড়ে অভিবাসী ভিসার আবেদন সাময়িক স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন, প্রভাব পড়বে বাংলাদেশিদের ওপরও

আবাসন ব্যয় বাড়ায় অনেক আমেরিকানের জন্য নিজের বাড়ির মালিক হওয়া কঠিন হয়ে উঠছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনা অনেকের নাগালের বাইরে, কেনার চেয়ে ভাড়ায় থাকাই সাশ্রয়ী

0 Comments