বিশ্ব

ইরান ইস্যুর আড়ালে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন, খান ইউনিসে শিশুসহ নিহত ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে দুটি পুলিশ চেকপোস্ট লক্ষ্য করে চালানো সাম্প্রতিক বিমান হামলায় এক শিশুসহ অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।


গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, নিহতদের মধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্য এবং তিনজন সাধারণ নাগরিক। মর্মান্তিক এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে এক শিশুও। হামলায় আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে এই বিমান হামলা নিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।


উদ্বেগজনক বিষয় হলো, গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় তথাকথিত ' ceasefire' বা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ইসরায়েল সম্মত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬৯২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১,৮৯৫ জনেরও বেশি মানুষ। 


আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি যখন ইরান পরিস্থিতির দিকে, তখন গাজার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত।
অ্যাম্বুলেন্সে নির্মম হামলার কারণ হিসেবে কোন প্রমাণ দিতে পারেনি ইসরায়েল

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ‘সামরিক উদ্দেশ্যে’ ব্যাপকভাবে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। তবে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের স্বপক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি তারা। অন্যদিকে, লেবাননের স্বাস্থ্যসেবা কর্মী এবং সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে চিকিৎসা কর্মী ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। এমনকি উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মীদের ওপর ‘ডাবল-ট্যাপ’ (একই স্থানে পরপর দুটি হামলা) করার মতো ভয়াবহ ঘটনাও ঘটছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তথ্যমতে, গত শনিবার দক্ষিণ লেবাননে স্বাস্থ্যসেবা খাতের ওপর পাঁচটি পৃথক হামলায় ৯ জন প্যারামেডিক নিহত এবং ৭ জন আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, চিকিৎসা কর্মী, অ্যাম্বুলেন্স এবং হাসপাতালগুলো বিশেষ সুরক্ষা পায়।  এই ধরণের স্থাপনা বা কর্মীদের ওপর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ।

ধর্মকে যুদ্ধের হাতিয়ার করবেন না: পোপ লিও

ছবি: সংগৃহীত।

ইরান ইস্যুর আড়ালে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন, খান ইউনিসে শিশুসহ নিহত ৬

ছবি: সংগৃহীত

তেহরানে একের পর এক বিস্ফোরণ! আকাশ প্রতিরক্ষা সক্রিয়? কি ঘটছে ইরানে?

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।
আলোচনার বার্তার আড়ালে স্থল হামলার নীল নকশা করছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরানী স্পিকার

ওয়াশিংটন যখন আলোচনার টেবিলে বসার বার্তা দিচ্ছে, ঠিক তখনই পর্দার আড়ালে ইরানে বড় ধরনের স্থল হামলার নীল নকশা চূড়ান্ত করছে পেন্টাগন—এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।  রোববার (২৯ মার্চ) ইরানি সংবাদ সংস্থা ইরনা (IRNA)-র এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে। ঘালিবাফ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিমুখী নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, "শত্রুপক্ষ একদিকে প্রকাশ্যে আলোচনার প্রস্তাব দিচ্ছে, অন্যদিকে গোপনে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে।" তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় মার্কিন বাহিনীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, ইরানি যোদ্ধারা মার্কিন সেনাদের জন্য অপেক্ষা করছে এবং তারা পা রাখা মাত্রই তাদের 'আগুনে ভস্মীভূত' করে দেওয়া হবে। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পেন্টাগন ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী এক বিশেষ স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের ৩,৫০০ জন চৌকস সেনা মোতায়েন করেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী এবং খারাগ দ্বীপের মতো স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে এই আংশিক স্থল অভিযান পরিচালিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও আমেরিকার এই মুখোমুখি অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কোনো ধরনের আপস নয়, বরং সরাসরি যুদ্ধের ময়দানেই তারা আমেরিকার জবাব দিতে প্রস্তুত।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইরানে ৪ ঘন্টায় ৭০১ হামলা, আগ্রাসনের নতুন রেকর্ড ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের

ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা

ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা

হুথিদের যুদ্ধজালে প্রবেশে বিশ্বজুড়ে নতুন নিরাপত্তা হুমকি

হুথিদের যুদ্ধজালে প্রবেশে বিশ্বজুড়ে নতুন নিরাপত্তা হুমকি

ইরান বিশ্বের অনলাইন নেটওয়ার্কে বড় ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টির ক্ষমতা রাখে
ইরান বিশ্বের অনলাইন নেটওয়ার্কে বড় ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টির ক্ষমতা রাখে

লোহিত সাগরের তলদেশে স্থাপিত ফাইবার অপটিক তার কেটে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান, এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে। জানা গেছে, ইরান এই পদক্ষেপ নিতে পারে যদি উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সেনা উপস্থিতি অব্যাহত থাকে। তবে এখনও কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা এটি সরাসরি নিশ্চিত করেনি।   লেবানিজ-অস্ট্রেলিয়ান উদ্যোক্তা মারিও নাওফাল এক্সে লিখেছেন, “ইরান হুমকি দিচ্ছে, উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সেনা থাকলে তারা সমুদ্রের নিচ দিয়ে যাওয়া ফাইবার অপটিক তারগুলো কেটে দিতে পারে। এই তারগুলো বৈশ্বিক ইন্টারনেট ট্র্যাফিকের প্রায় ১৭ শতাংশ বহন করে, যার মধ্যে আমাজন, মাইক্রোসফট ও গুগলের সমর্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেন্দ্রের সংযোগও রয়েছে। একবার কেটে গেলে বিভ্রাট ঘণ্টা নয়, মাসের পর মাস চলতে পারে।” তিনি আরও জানিয়েছেন, মেটার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই পারস্য উপসাগর থেকে সরিয়ে নিয়েছে।   লোহিত সাগরের তলদেশে বিস্তৃত জালের মতো ফাইবার অপটিক তারগুলো আঞ্চলিক ইন্টারনেট ট্র্যাফিকের প্রায় ৩০ শতাংশ বহন করে এবং এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যকে সংযুক্ত করে। এর মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন, ক্লাউড সেবা, ভিডিও কল, ইমেইল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালিত হয়।   তার স্থাপনার দায়িত্বে থাকা ফরাসি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আলকাটেল সাবমেরিন নেটওয়ার্কস তাদের গ্রাহকদের ‘ফোর্স ম্যাজিউর’ নোটিশ পাঠিয়েছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির জাহাজ ‘ইল দ্য বাৎজ’ সৌদি আরবের দাম্মামের উপকূলে আটকে আছে। মেটাও এই মাসের শুরুতেই সমুদ্রের তারের উপর কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।    

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু

ইরানের রাজধানী তেহরান -পুরোনো ছবি

তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা গেছে

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক বিক্ষোভ, রাস্তায় লাখো মানুষ

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক বিক্ষোভ, রাস্তায় লাখো মানুষ

0 Comments