বিশ্ব

দক্ষিণ লেবাননের বিশাল অংশ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে এবার দক্ষিণ লেবাননের বিশাল অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রকাশ্য ঘোষণা দিল ইসরায়েল। 


ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লিতানি নদী পর্যন্ত পুরো এলাকাটি ইসরায়েল একটি স্থায়ী 'বাফার জোন' হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।


কাটজের বক্তব্য অনুযায়ী, উত্তর ইসরায়েলের নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ লেবানন থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া প্রায় ৬ লক্ষ মানুষ আর তাদের ঘরে ফিরতে পারবেন না। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, সীমান্ত সংলগ্ন লেবানিজ গ্রামগুলোর সমস্ত ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।


সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে লিতানি নদীর ওপর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলোতে মুহুর্মুহু বিমান হামলা চালানো হচ্ছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই আক্রমণগুলোকে একটি 'পূর্ণাঙ্গ স্থল অভিযানের পূর্বাভাস' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। 


লিতানি নদী পর্যন্ত ইসরায়েলের এই নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক দীর্ঘস্থায়ী ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পথ প্রশস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

বিশ্ব

View more
মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’
হামলার মুখে পলায়ন? মেরামতের জন্য ক্রোয়েশিয়ায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত জলসীমায় ইরান ও ইয়েমেনি প্রতিরোধের মুখে থাকা বিশ্বের বৃহত্তম এবং অত্যাধুনিক মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ শেষ পর্যন্ত রণক্ষেত্র ত্যাগ করেছে। যান্ত্রিক ত্রুটি ও অভ্যন্তরীণ ক্ষয়ক্ষতির মেরামত করতে রণতরীটি এখন ক্রোয়েশিয়ার অ্যাড্রিয়াটিক বন্দর স্প্লিট-এ অবস্থান করছে। শনিবার সকালে মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এটি বন্দরে নোঙর করে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১২ মার্চ লোহিত সাগরে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালীন জাহাজটির প্রধান লন্ড্রি রুমে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যদিও পেন্টাগন একে দুর্ঘটনা হিসেবে দাবি করছে, তবে আগুনের ধোঁয়ায় প্রায় ২০০ নাবিক অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তিনজন গুরুতর আহত হন।  এই ঘটনায় রণতরীটির প্রায় ১০০টি শয়নকক্ষ এবং গুরুত্বপূর্ণ প্লাম্বিং ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়েছে। ৫,০০০ নাবিক এবং ৭৫টি যুদ্ধবিমান বহনে সক্ষম এই দানবীয় জাহাজের স্বাভাবিক কার্যক্রম বর্তমানে মারাত্মকভাবে ব্যাহত। এদিকে, এই ঘটনাকে আমেরিকার ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ হিসেবে দেখছে ইরান। আইআরজিসি-র কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কায়ানি এক বার্তায় দাবি করেছেন, ইয়েমেনি যোদ্ধাদের অনমনীয় প্রতিরোধের মুখেই পিছু হটেছে এই মার্কিন রণতরী। তিনি জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থায় অবস্থানের পর কোনো উপায় না পেয়ে মেরামতের অজুহাতে তারা এলাকা ত্যাগ করেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মেরামতের জন্য কয়েক মাস সময় লাগতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিতে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে, ন্যাটো মিত্র হিসেবে ক্রোয়েশিয়া এই যাত্রাবিরতিকে কৌশলগত সম্পর্কের অংশ হিসেবে দেখছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ

দক্ষিণ লেবাননের বিশাল অংশ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের

জাতিসংঘ ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থার বিদায়ী প্রধান ফিলিপ লাজারিনি

গাজায় ৩৯০ জনেরও বেশি কর্মী নিহত, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জাতিসংঘের

ছবি: সংগৃহীত।

বিহারে মন্দিরে হুড়োহুড়িতে প্রাণ হারালেন ৮ পুণ্যার্থী

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র
হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আঞ্চলিক ঐকমত্য জরুরি: কাতার

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ কোনো একক দেশের সিদ্ধান্তে নয়, বরং এই অঞ্চলের সকল দেশের সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারিত হওয়া উচিত।  কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আজ এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট হিসেবে হরমুজ প্রণালীর স্থিতিশীলতা বজায় রাখা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। কাতার মনে করে, এই জলপথের নিরাপত্তা এবং এর ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি দেশের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন।  মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি রক্ষায় এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে দোহা।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার ও সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা

ডাউনিং স্ট্রিটে শারা-স্টারমার বৈঠক: নতুন সিরিয়া গঠনে বিশ্বনেতাদের সমর্থন

ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনিদের জন্য ইসরাইলে মৃত্যুদণ্ড আইন পাস, আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া তীব্র

আল-আকসা মসজিদে পশু বলির চেষ্টা

"আল-আকসা মসজিদে পশু বলির চেষ্টা, ইহুদি সেটলারদের পরিকল্পনা"

ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্প ইরান যুদ্ধে খরচ আরব দেশগুলোর ওপর চাপাচ্ছেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের ব্যয় আঞ্চলিক আরব দেশগুলোর মাধ্যমে বহন করানোর প্রতি আগ্রহী বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, এই খরচ কয়েক দশমিক বিলিয়ন ডলারের মধ্যে পৌঁছাতে পারে।   সোমবার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, “যেমন ১৯৯০ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে মিত্র দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে আর্থিকভাবে সহায়তা করেছিল, তেমনভাবে এবারও আরব দেশগুলোকে অর্থায়নের জন্য আহ্বান জানানো হতে পারে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি ভাবনা, এবং তিনি বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে আগ্রহী হবেন।”   উপসাগরীয় যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কুয়েত আক্রমণ প্রতিহত করতে একাধিক দেশকে নিয়ে একটি বৈশ্বিক জোটের নেতৃত্ব দিয়েছিল। সেই সময় জার্মানি, জাপান ও অন্যান্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রের খরচ মেটাতে প্রায় ৫৪ বিলিয়ন ডলার প্রদান করেছিল, যা বর্তমান দিনে প্রায় ১৩৪ বিলিয়ন ডলারের সমতুল্য।   বর্তমান পরিস্থিতিতে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল একতরফাভাবে ইরানের বিরুদ্ধে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, মিত্র বা আঞ্চলিক দেশগুলোকে সরাসরি জড়িয়েছে না।   এই মাসের শুরুতে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ডানপন্থি বিশ্লেষক শন হ্যানিটি বলেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ইরানকে ব্যয়ভার বহনের শর্ত অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। হ্যানিটি বলেন, “যুদ্ধের ক্ষতি বা খরচের পুরোটা ইরানকে তেল দিয়ে বা অন্যভাবে পরিশোধ করতে হবে।”   সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের অনুমান অনুযায়ী, সংঘাতের ১২তম দিনে মোট ব্যয় ১৬.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং যেহেতু যুদ্ধ ৩১তম দিনে প্রবেশ করেছে, তাই খরচ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। হোয়াইট হাউস পেন্টাগনের অস্ত্র পুনরায় পূরণ এবং সামরিক অভিযানের জন্য কংগ্রেসের কাছে অন্তত ২০০ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত অনুমোদনের আবেদন করতে যাচ্ছে।   সূত্র: আলজাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
হাইতিতে গ্যাং হামলায় অন্তত ৭০ নিহত

হাইতিতে গ্যাং হামলায় অন্তত ৭০ নিহত

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর একটি দল। ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে সংঘাতে আরও ৪ ইসরাইলি সেনা নিহত

হরমুজ প্রণালি। সংগৃহীত ছবি

হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে হঠাৎ নরম ট্রাম্প, কী বদলে দিল অবস্থান?

0 Comments