বিশ্ব

ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, তীব্র সমালোচনা ফরাসি প্রেসিডেন্টের

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ

ইরানের সাথে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ সচল করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক শক্তি প্রয়োগের আহ্বানকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ। ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে ‘অবাস্তব’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি।


বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ায় রাষ্ট্রীয় সফরে থাকা ম্যাখোঁ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, সামরিক অভিযানের মাধ্যমে জোরপূর্বক হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করার ধারণাটি বাস্তবসম্মত নয়। তিনি মনে করেন, এ ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদে পরমাণু সংকটের কোনো সমাধান আনতে পারবে না।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি অভিযোগ করেছিলেন যে, মিত্র দেশগুলো তাকে ইরানের বিরুদ্ধে যথাযথ সমর্থন দিচ্ছে না। তিনি প্রকাশ্যেই আহ্বান জানিয়েছিলেন, অন্য দেশগুলোর উচিত হরমুজ প্রণালীতে গিয়ে সেটি দখল করে নেওয়া। এর জবাবে ম্যাখোঁ বলেন, "গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে কথা বলার সময় প্রতিদিন নিজের অবস্থানের পরিবর্তন করা মোটেও দায়িত্বশীল আচরণ নয়।"


ম্যাখোঁ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইরান বিরোধী চলমান এই অভিযান মূলত মার্কিন-ইসরায়েল জোটের একটি নিজস্ব পরিকল্পনা এবং ফ্রান্স এতে কোনোভাবেই অংশ নেবে না। তার মতে, একটি সফল সমাধানের জন্য প্রয়োজন: অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা। ইরানের সাথে পুনরায় কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করা। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে একটি 'রিঅ্যাসুরেন্স মিশন' বা নিরাপত্তা দল গঠন করা।


ম্যাখোঁ আরও উল্লেখ করেন যে, বাইরের প্রতিনিধিদের দিয়ে যথাযথ পরিদর্শন ছাড়া চলমান এই সামরিক পদক্ষেপ মোটেও ফলপ্রসূ হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানে দক্ষ জনবল এবং গোপন পারমাণবিক স্থাপনাগুলো যেভাবে রয়ে গেছে, তাতে কয়েক সপ্তাহের টার্গেটেড হামলা এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান দিতে অক্ষম।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
ভুল তথ্যে ইরানি অনুমোদন: বাংলাদেশের ৬টি জাহাজের ৫টিই ‘অস্তিত্বহীন’!

হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশগামী ছয়টি জ্বালানি পরিবাহী জাহাজ চলাচলে ইরান সরকার সবুজ সংকেত দিলেও, তার মধ্যে পাঁচটি চালানেরই কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি বিভাগ থেকে তেহরানে পাঠানো তালিকাটি মূলত পুরোনো নথির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ‘ফোর্স মেজর’ বা সরবরাহ স্থগিতের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ফলে ইরানের এই বিশেষ কূটনৈতিক ছাড় বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটে কোনো কাজে আসছে না।   জানা গেছে, গত ২৫ মার্চ জ্বালানি বিভাগ ইরানের কাছে যে তালিকা পাঠায়, তাতে এপ্রিল মাসে সরবরাহের জন্য ৫টি এলএনজি কার্গোর কথা উল্লেখ ছিল। এর মধ্যে চারটি কাতারএনার্জির এবং একটি এক্সিলারেট এনার্জির। তবে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আরফানুল হক নিশ্চিত করেছেন, কাতার ও ওমান গত ২ ও ৫ মার্চ থেকেই সরবরাহ স্থগিত (ফোর্স মেজর) করেছে, যা আগামী মে মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। ফলে তালিকাভুক্ত এই জাহাজগুলো বর্তমানে ‘অস্তিত্বহীন’। মূলত যুদ্ধ-পূর্ববর্তী আমদানির পরিকল্পনার তথ্য পাঠিয়ে এই বিভ্রান্তি তৈরি করেছে জ্বালানি বিভাগ।   এদিকে, গতকাল ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি জাহানাবাদি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের দুর্ভোগ লাঘবে তাদের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এই ছয়টি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু কারিগরি ও নথিপত্রগত ভুলের কারণে এই সুযোগ হারালো বাংলাদেশ। এই ঘাটতি সামাল দিতে এখন উচ্চমূল্যের ‘স্পট মার্কেট’ থেকে নয়টি এলএনজি কার্গো নিশ্চিত করেছে পেট্রোবাংলা, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও ভর্তুকির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।   অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প পথ খুঁজছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে রাশিয়া থেকে পরিশোধিত ডিজেল আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এছাড়া, কাজাখস্তান থেকে প্রতিযোগিতামূলক দরে ১ লাখ টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে নির্দিষ্ট কিছু বন্দর থেকে জ্বালানি সংগ্রহের এই প্রচেষ্টা এখন বাংলাদেশের প্রধান কৌশল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
প্রতীকী ছবি: রয়টার্স

ইন্টারনেটে ভাইরাল ভিডিওর প্রভাবেই কি মার্কিন যুদ্ধবিমানে আঘাত হানল ইরান?

' একঘরে ' পাকিস্তান যেভাবে মধ্যস্থতাকারী হয়ে উঠলো

' একঘরে ' পাকিস্তান যেভাবে মধ্যস্থতাকারী হয়ে উঠলো!

লেবাননে ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানাল জাতিসংঘ

লেবাননে ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানাল জাতিসংঘ

ছবি: সংগৃহীত।
শতাব্দীর ঐতিহ্য ধূলিসাৎ! ইরানের পাস্তুর ইনস্টিটিউট ধ্বংসের পর বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড়

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাতের মাঝে এবার ইরানে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'পাস্তুর ইনস্টিটিউট' মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার ইরান সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো যখন চিকিৎসা স্থাপনায় হামলার বিরুদ্ধে বারবার সতর্কবাণী দিচ্ছে, ঠিক তখনই এই নজিরবিহীন ঘটনাটি ঘটল। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য কেন্দ্রের প্রধান হোসেন কেরমানপুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) জানিয়েছেন, ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শতবর্ষী প্রতিষ্ঠানটিতে চালানো হামলাটি সরাসরি "আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ওপর একটি আঘাত"। উল্লেখ্য, এই ইনস্টিটিউটটি ইরানে ভ্যাকসিন উদ্ভাবন এবং সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধের গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল। সিএনএন-এর পক্ষ থেকে এই হামলার বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বিগত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই পাল্টাপাল্টি হামলায় ইরান ও লেবাননের চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসের মুখে। ইরান রেড ক্রিসেন্টের ১ এপ্রিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ইরানে অন্তত ৩১৬টি স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সহায়তা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, গড়ে প্রতি ছয় ঘণ্টায় অন্তত একবার ইরান, লেবানন বা ইসরায়েলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আক্রান্ত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং চিকিৎসা স্থাপনাগুলো সব সময়ই সুরক্ষার দাবিদার। এই ধ্বংসযজ্ঞ কেবল একটি ভবন ধ্বংস নয়, বরং সমগ্র অঞ্চলের জনস্বাস্থ্যের ভবিষ্যৎকে এক অনিশ্চিত গহ্বরে ঠেলে দিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
শাহ আলম ভুঁইয়া

আমিরাতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কুমিল্লার প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত।

হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে ভার্চুয়াল সম্মেলন শুরু

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ

ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, তীব্র সমালোচনা ফরাসি প্রেসিডেন্টের

নিউ ইয়র্কে নির্বিচার গুলিতে ৭ মাসের শিশুর মৃত্যু
নিউ ইয়র্কে নির্বিচার গুলিতে ৭ মাসের শিশুর মৃত্যু, শোকস্তব্ধ পরিবার

নিউ ইয়র্ক সিটিতে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় নির্বিচারে ছোড়া গুলিতে ৭ মাস বয়সী এক শিশুকন্যার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে পূর্ব উইলিয়ামসবার্গ এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।   পুলিশ ও পরিবারের বরাতে জানা যায়, শিশুটি তার মা-বাবার সঙ্গে স্ট্রোলারে করে বাইরে বেরিয়েছিল। হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা গেলে প্রথমে তারা এটিকে আতশবাজি মনে করেছিলেন। কিন্তু পরে দেখা যায়, একটি মোটরচালিত মোপেডে থাকা বন্দুকধারীরা ভিড়ের দিকে গুলি ছোড়ে।   গুলির একটি শিশুটির মাথায় লাগে, এবং ঘটনাস্থলেই সে মারাত্মকভাবে আহত হয়। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। একই ঘটনায় তার ছোট ভাইও সামান্য আহত হয়েছে।   শিশুটির মা জানান, আমার মেয়ে একদম নির্দোষ ছিল। সে এটা প্রাপ্য ছিল না।' পরিবার জানায়, শিশুটি সদ্য 'মা' বলা শিখেছিল এবং হামাগুড়ি দেওয়া শুরু করছিল।   পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ জানান, ঘটনাটি গ্যাং-সংক্রান্ত হতে পারে। সন্দেহভাজনরা মোপেডে করে এসে গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে তারা একটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা খায়, এবং একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।   পুলিশের ধারণা, শিশুটি লক্ষ্যবস্তু ছিল না; সে পথচারীদের মধ্যে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়। অন্য সন্দেহভাজনকে ধরতে পুলিশ ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে। শিশুটির পরিবার এই ঘটনার ন্যায়বিচার দাবি করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
দুই বছর পরও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় পরিবার

নিউ ইয়র্কে উইন রোজারিও হত্যা: দুই বছর পরও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় পরিবার

ছবি: সংগৃহীত।

ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দিতে ইসরায়েলের নতুন আইন, কঠোর নিন্দা ৮ মুসলিম দেশের

ছবি: সংগৃহীত।

ইসরায়েলি হেলিকপ্টার ও সেনানিাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হিজবুল্লাহর

0 Comments