Live update news
পুতিন ইরানকে সাহায্য করছেন! ট্রাম্পের মন্তব্যে তোলপাড়

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিস্ফোরক দাবি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্ভবত ইরানকে নেপথ্যে থেকে সহায়তা করছেন। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার প্রেক্ষিতে পুতিন কি ইরানের পাশে দাঁড়াচ্ছেন? জবাবে নিজের চিরাচরিত ভঙ্গিতে ট্রাম্প বলেন, "আমার মনে হয় তিনি কিছুটা সাহায্য করছেন।"  তবে এই সহায়তার পেছনে তিনি সরাসরি বাইডেন প্রশাসনের ইউক্রেন নীতিকে দায়ী করেছেন। ট্রাম্পের মতে, যেহেতু আমেরিকা ইউক্রেনকে সর্বাত্মক সাহায্য করছে, তাই পুতিনও ইরানের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াকে একটি 'পাল্টা পদক্ষেপ' হিসেবে দেখছেন। ট্রাম্প আরও সতর্ক করে বলেন যে, কেবল রাশিয়া নয়, চীনও একই ধরনের সমান্তরাল কৌশল গ্রহণ করতে পারে। ইতিপূর্বে সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, রাশিয়া ইরানকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গতিবিধি সংক্রান্ত অতি গোপনীয় গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে।  যদিও পেন্টাগনের বর্তমান প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছেন যে, ইরান ইস্যুতে রাশিয়া বা চীনের ভূমিকা খুব একটা বড় নয়, তবে ট্রাম্পের এই নতুন মন্তব্য সেই দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিল।

৪ সেকেন্ড Ago
এক সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে ‘চরম আঘাতের’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে পদার্পণ করার সাথে সাথে পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের ওপর ভয়াবহ হামলা চালানোর প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় মার্কিন সামরিক পরিকল্পনার কথা জানান। ট্রাম্প বলেন, "আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা তাদের ওপর অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ভয়াবহ আক্রমণ চালাতে যাচ্ছি।" তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, মার্কিন বাহিনী আগামী দিনগুলোতে ইরানি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে তীব্র বিমান হামলা বা সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।  মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র যখন ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে, তখন ট্রাম্পের এই সরাসরি হুমকি পুরো অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধের আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

১২ মিনিট Ago
গাজায় ৪ ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা ইসরায়েলি সেনার

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় কথিত 'ইয়েলো লাইন' বা হলুদ রেখা অতিক্রম করার অভিযোগে চার ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর গাজায় এই ঘটনা ঘটে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, উত্তর গাজায় দায়িত্বরত তাদের সেনারা চার ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে যারা নির্ধারিত নিরাপত্তা সীমানা বা 'ইয়েলো লাইন' অতিক্রম করেছিল। এরপরই সেনারা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। উল্লেখ্য, 'ইয়েলো লাইন' হলো গাজার ভেতরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত গাজা যুদ্ধ সমাপ্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছিল। এই রেখাটি ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রিত এলাকা এবং ফিলিস্তিনিদের বসবাসের এলাকার মধ্যে বিভাজন হিসেবে কাজ করে। একই দিনে উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এক ফিলিস্তিনি শিশু নিহত এবং আরও দুইজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো। এছাড়াও গাজা সিটিসহ উপত্যকার মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান হওয়ার কথা থাকলেও গাজায় সহিংসতার ঘটনা থামছে না। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৫১ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৭০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংস হয়ে গেছে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো। জাতিসংঘ মনে করছে, এই বিধ্বস্ত জনপদ পুনর্গঠনে প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রয়োজন হবে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও বারবার এমন প্রাণঘাতী হামলা গাজায় স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনাকে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

২৩ মিনিট Ago
ইরাকে মার্কিন জ্বালানি বিমান বিধ্বস্ত: ৬ ক্রু সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু

ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান (KC-135 Stratotanker) বিধ্বস্ত হয়ে বিমানে থাকা সকল ক্রু সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এক শোকাবহ বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, এই দুর্ঘটনায় বিমানের ছয়জন আরোহীর কেউই বেঁচে নেই। প্রাথমিকভাবে চারজন নিহতের খবর জানানো হলেও, সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানটি গতকাল বন্ধুত্বপূর্ণ আকাশসীমায় অবস্থানকালে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যে শত্রুপক্ষের হামলা বা ভুলবশত নিজেদের কোনো গোলাবর্ষণের (friendly fire) প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চলছে।  নিহতদের পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না; সামরিক নিয়ম অনুযায়ী তাদের পরিবারের কাছে সংবাদ পৌঁছানোর ২৪ ঘণ্টা পর নাম-পরিচয় জনসমক্ষে আনা হবে।

৩৩ মিনিট Ago
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
আন্তর্জাতিক
পুতিন ইরানকে সাহায্য করছেন! ট্রাম্পের মন্তব্যে তোলপাড়

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিস্ফোরক দাবি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্ভবত ইরানকে নেপথ্যে থেকে সহায়তা করছেন। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার প্রেক্ষিতে পুতিন কি ইরানের পাশে দাঁড়াচ্ছেন? জবাবে নিজের চিরাচরিত ভঙ্গিতে ট্রাম্প বলেন, "আমার মনে হয় তিনি কিছুটা সাহায্য করছেন।"  তবে এই সহায়তার পেছনে তিনি সরাসরি বাইডেন প্রশাসনের ইউক্রেন নীতিকে দায়ী করেছেন। ট্রাম্পের মতে, যেহেতু আমেরিকা ইউক্রেনকে সর্বাত্মক সাহায্য করছে, তাই পুতিনও ইরানের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াকে একটি 'পাল্টা পদক্ষেপ' হিসেবে দেখছেন। ট্রাম্প আরও সতর্ক করে বলেন যে, কেবল রাশিয়া নয়, চীনও একই ধরনের সমান্তরাল কৌশল গ্রহণ করতে পারে। ইতিপূর্বে সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, রাশিয়া ইরানকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গতিবিধি সংক্রান্ত অতি গোপনীয় গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে।  যদিও পেন্টাগনের বর্তমান প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছেন যে, ইরান ইস্যুতে রাশিয়া বা চীনের ভূমিকা খুব একটা বড় নয়, তবে ট্রাম্পের এই নতুন মন্তব্য সেই দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিল।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
গাজায় ৪ ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা ইসরায়েলি সেনার

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় কথিত 'ইয়েলো লাইন' বা হলুদ রেখা অতিক্রম করার অভিযোগে চার ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর গাজায় এই ঘটনা ঘটে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, উত্তর গাজায় দায়িত্বরত তাদের সেনারা চার ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে যারা নির্ধারিত নিরাপত্তা সীমানা বা 'ইয়েলো লাইন' অতিক্রম করেছিল। এরপরই সেনারা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। উল্লেখ্য, 'ইয়েলো লাইন' হলো গাজার ভেতরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত গাজা যুদ্ধ সমাপ্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছিল। এই রেখাটি ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রিত এলাকা এবং ফিলিস্তিনিদের বসবাসের এলাকার মধ্যে বিভাজন হিসেবে কাজ করে। একই দিনে উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এক ফিলিস্তিনি শিশু নিহত এবং আরও দুইজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো। এছাড়াও গাজা সিটিসহ উপত্যকার মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান হওয়ার কথা থাকলেও গাজায় সহিংসতার ঘটনা থামছে না। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৫১ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৭০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংস হয়ে গেছে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো। জাতিসংঘ মনে করছে, এই বিধ্বস্ত জনপদ পুনর্গঠনে প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রয়োজন হবে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও বারবার এমন প্রাণঘাতী হামলা গাজায় স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনাকে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

আকাশপথে বড় হামলার মুখে সৌদি আরব
আকাশপথে বড় হামলার মুখে সৌদি আরব: সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

সৌদি আরবের আকাশসীমায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজধানী রিয়াদসহ দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রিয়াদের কূটনৈতিক পাড়া লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা একটি ড্রোনসহ বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ১১টি ড্রোন সফলভাবে ধ্বংস করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করা অন্তত ২৮টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।  এর আগে বৃহস্পতিবার প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোঁড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও আকাশেই ধ্বংস করা হয়। একই দিনে শায়বাহ তেলক্ষেত্র এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে মোট ৫০টি ড্রোন ধ্বংস করে নিজেদের আকাশসীমা সুরক্ষিত রেখেছে আরবের সামরিক বাহিনী। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আল-খারজ এলাকায় জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে সিভিল ডিফেন্স। নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে হামলার স্থানে ভিড় না করতে, ছবি তোলা থেকে বিরত থাকতে এবং বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে চলার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলাকে ইরানের একটি সরাসরি উসকানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। রিয়াদের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে এবং প্রতিবেশী সুলভ আচরণের পরিপন্থী। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি রক্ষার স্বার্থে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে সজাগ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নাহিদ ইসলাম
গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অপচেষ্টাকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে নাহিদ ইসলাম

ঢাকা: জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মামলার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই ঘটনাকে ‘উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়’ হিসেবে অভিহিত করেন। নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে এই ধরনের তৎপরতা জুলাই বিপ্লবের চেতনা এবং তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।   নাহিদ ইসলাম তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে অভ্যুত্থানকালীন ভূমিকার জন্য যে মামলাটি দায়ের করার চেষ্টা হয়েছিল, আদালত তা গ্রহণ করেনি। তিনি মনে করেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ফ্যাসিবাদের পরাজিত শক্তির একটি গভীর চক্রান্ত। তাঁর মতে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আজ দেশের তরুণ প্রজন্মের ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের লড়াইয়ের প্রতীক, আর সেই আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধাদের আইনিভাবে হয়রানি করার মাধ্যমে ৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি এখনো মাঠে সক্রিয় থাকার প্রমাণ দিচ্ছে।   বিগত দিনের সংগ্রামের উদাহরণ টেনে নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অতীতেও মামলা বা ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাত্র নেতৃত্বকে দমন করা সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের অপশক্তি সফল হবে না। এই অপচেষ্টা রুখতে তিনি সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরাজিত শক্তির যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও জোর দেন তিনি।   পোস্টের শেষে তিনি জুলাই বিপ্লবের মূল স্পৃহা বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বর্তমান প্রজন্ম এবং আন্দোলনকারীরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই ধরনের হয়রানিমূলক মামলার অপচেষ্টা বন্ধ না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে নির্মূল করা ‘মহা সম্মানের’: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, তাদের সদস্যদের হত্যা করা তার কাছে এক ‘মহা সম্মানের’ বিষয়।  শুক্রবার সকালে নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ট্রাম্প তার পোস্টে দাবি করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে’ সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিচ্ছে। তিনি বলেন, “ইরানের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী এখন অস্তিত্বহীন। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংসের পথে এবং তাদের শীর্ষ নেতাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”   ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “আমাদের হাতে রয়েছে অতুলনীয় অস্ত্রশক্তি এবং সীমাহীন গোলাবারুদ। ৪৭ বছর ধরে যারা নিরীহ মানুষকে হত্যা করে আসছে, আজ এই বিকৃত অপরাধীদের পরিণতি দেখুন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাদের নির্মূল করা আমার জন্য এক বিশাল সম্মানের বিষয়।”   এদিকে, তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। ট্রাম্প লিখেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী হওয়ায় তেলের দাম বাড়লে দেশটির লাভ হয়। তবে এর চেয়ে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে বাধা দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।   ট্রাম্পের এই নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক কেলি। ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কেলি জানান, ট্রাম্প যে যুদ্ধ শুরু করেছেন তাতে সাধারণ কর্মজীবী আমেরিকানরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, গ্যাসের আকাশছোঁয়া দামের ফলে কেবল বড় তেল কোম্পানিগুলোই লাভবান হচ্ছে। ট্রাম্প কেবল ধনীদের স্বার্থ নিয়ে ভাবছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হওয়ার মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।   মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, বিশেষ লাইসেন্সের মাধ্যমে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত জাহাজে লোড করা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়িত্বে থাকা ট্রেজারির অধীন সংস্থা অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়।   এর আগে ইউক্রেন যুদ্ধে আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে নতুন পরিস্থিতিতে সেই নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে।   মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কৌশলের অংশ। একই সঙ্গে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার কারণে তেলের দাম যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেটিও এই পদক্ষেপের অন্যতম লক্ষ্য।   ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে হয়। ফলে পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি বাজারে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত মজুত থেকে ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণাও দিয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা তাদের সদস্য দেশগুলোকে সরকারি মজুত থেকে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে, যা সংস্থাটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমন্বিত মজুত ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   এদিকে বিভিন্ন সূত্র বলছে, চলমান সংঘাতের মধ্যেও ইরান তাদের তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। পারস্য উপসাগরে অন্য দেশগুলোর তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের তেলের মূল্য আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
পুতিন ইরানকে সাহায্য করছেন! ট্রাম্পের মন্তব্যে তোলপাড়
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিস্ফোরক দাবি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্ভবত ইরানকে নেপথ্যে থেকে সহায়তা করছেন। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার প্রেক্ষিতে পুতিন কি ইরানের পাশে দাঁড়াচ্ছেন? জবাবে নিজের চিরাচরিত ভঙ্গিতে ট্রাম্প বলেন, "আমার মনে হয় তিনি কিছুটা সাহায্য করছেন।"  তবে এই সহায়তার পেছনে তিনি সরাসরি বাইডেন প্রশাসনের ইউক্রেন নীতিকে দায়ী করেছেন। ট্রাম্পের মতে, যেহেতু আমেরিকা ইউক্রেনকে সর্বাত্মক সাহায্য করছে, তাই পুতিনও ইরানের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াকে একটি 'পাল্টা পদক্ষেপ' হিসেবে দেখছেন। ট্রাম্প আরও সতর্ক করে বলেন যে, কেবল রাশিয়া নয়, চীনও একই ধরনের সমান্তরাল কৌশল গ্রহণ করতে পারে। ইতিপূর্বে সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, রাশিয়া ইরানকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গতিবিধি সংক্রান্ত অতি গোপনীয় গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে।  যদিও পেন্টাগনের বর্তমান প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছেন যে, ইরান ইস্যুতে রাশিয়া বা চীনের ভূমিকা খুব একটা বড় নয়, তবে ট্রাম্পের এই নতুন মন্তব্য সেই দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিল।

ছবি: সংগৃহীত।
গাজায় ৪ ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা ইসরায়েলি সেনার
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় কথিত 'ইয়েলো লাইন' বা হলুদ রেখা অতিক্রম করার অভিযোগে চার ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর গাজায় এই ঘটনা ঘটে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, উত্তর গাজায় দায়িত্বরত তাদের সেনারা চার ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে যারা নির্ধারিত নিরাপত্তা সীমানা বা 'ইয়েলো লাইন' অতিক্রম করেছিল। এরপরই সেনারা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। উল্লেখ্য, 'ইয়েলো লাইন' হলো গাজার ভেতরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত গাজা যুদ্ধ সমাপ্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছিল। এই রেখাটি ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রিত এলাকা এবং ফিলিস্তিনিদের বসবাসের এলাকার মধ্যে বিভাজন হিসেবে কাজ করে। একই দিনে উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এক ফিলিস্তিনি শিশু নিহত এবং আরও দুইজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো। এছাড়াও গাজা সিটিসহ উপত্যকার মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান হওয়ার কথা থাকলেও গাজায় সহিংসতার ঘটনা থামছে না। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৫১ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৭০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৭২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংস হয়ে গেছে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো। জাতিসংঘ মনে করছে, এই বিধ্বস্ত জনপদ পুনর্গঠনে প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রয়োজন হবে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও বারবার এমন প্রাণঘাতী হামলা গাজায় স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনাকে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

ছবি: সংগৃহীত।
ইরাকে মার্কিন জ্বালানি বিমান বিধ্বস্ত: ৬ ক্রু সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান (KC-135 Stratotanker) বিধ্বস্ত হয়ে বিমানে থাকা সকল ক্রু সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এক শোকাবহ বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, এই দুর্ঘটনায় বিমানের ছয়জন আরোহীর কেউই বেঁচে নেই। প্রাথমিকভাবে চারজন নিহতের খবর জানানো হলেও, সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানটি গতকাল বন্ধুত্বপূর্ণ আকাশসীমায় অবস্থানকালে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যে শত্রুপক্ষের হামলা বা ভুলবশত নিজেদের কোনো গোলাবর্ষণের (friendly fire) প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চলছে।  নিহতদের পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না; সামরিক নিয়ম অনুযায়ী তাদের পরিবারের কাছে সংবাদ পৌঁছানোর ২৪ ঘণ্টা পর নাম-পরিচয় জনসমক্ষে আনা হবে।

ছবি: সংগৃহীত।
ক্ষয়ক্ষতির ছবি প্রকাশ করলে জেল-জরিমানা ও নির্বাসন: হুঁশিয়ারি আমিরাতের
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ইরানি হামলার কোনো ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলেই কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে। হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি, সরকারি স্থাপনা বা ধ্বংসাবশেষের ছবি তোলা এবং শেয়ার করার বিষয়ে নাগরিকদের পাশাপাশি পর্যটকদেরও কঠোরভাবে সতর্ক করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। আমিরাতে অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাস এই সতর্কবার্তা প্রচার করে জানায়, স্থানীয় আইন লঙ্ঘন করে কোনো প্রজেক্টাইল বা হামলার ঘটনার ছবি শেয়ার করলে কারাদণ্ড, মোটা অংকের জরিমানা এবং দেশ থেকে চিরতরে নির্বাসনের মতো কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যেই দুবাইয়ে ক্ষেপণাস্ত্রের ছবি তোলার অভিযোগে ৬০ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ নাগরিকের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো রোধে আমিরাত সরকার এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তাই আমিরাতে অবস্থানরত বিদেশিদের স্থানীয় আইন মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
178 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
193 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
126 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
আইন-আদালত
Advertisement
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
বাংলাদেশ
জাতীয়