Live update news
যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র হুমকি ইরান, দাবি নেতানিয়াহুর

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অভিযোগ করেছেন, ইরান প্রকাশ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার লক্ষ্য ঘোষণা করে এবং সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।   নেতানিয়াহুর ভাষ্য, ইরানই একমাত্র রাষ্ট্র যারা খোলাখুলিভাবে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধ্বংসাত্মক অবস্থানের কথা জানায় এবং তা অর্জনে সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি নেয়। তার দাবি, তেহরান নতুন গোপন স্থাপনা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার নির্মাণ করছে, যাতে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি সম্ভাব্য হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকে।   তিনি বলেন, সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে তা আর সম্ভব হতো না। তার মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হুমকি জোরদার করতে চায়, তাই দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।   ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শুরু থেকেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার অবস্থান নিয়েছিলেন। আলোচনা ও সতর্কবার্তার পরও ইরান অবস্থান পরিবর্তন না করায় শেষ পর্যন্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।   নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জোট বর্তমানে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং দুই দেশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যাতে ইরান ভবিষ্যতে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে।   তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

১৪ মিনিট Ago
ইরান নয়, আরামকোতে হামলার পেছনে ইসরাইল

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত তেল স্থাপনায় সাম্প্রতিক হামলাকে ইসরাইলের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা ভুয়া পরিচয়ে পরিচালিত গোপন অভিযান বলে দাবি করেছে ইরানের একটি সামরিক সূত্র।   ইরানের সংবাদমাধ্যম Tasnim News Agency-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই সূত্রের ভাষ্য, এ ধরনের অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য হচ্ছে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের অভিযোগ থেকে দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া এবং আঞ্চলিক দেশগুলোকে বিভ্রান্ত করা।   সূত্রটি দাবি করে, ইরান আগেই ঘোষণা দিয়েছে যে অঞ্চলে থাকা মার্কিন ও ইসরাইলি স্বার্থ-সম্পর্কিত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে এবং ইতোমধ্যে কয়েকটিতে হামলাও হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি Saudi Aramco-এর স্থাপনাগুলো ইরানের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল না বলেও তারা উল্লেখ করেছে।   একই সূত্র আরও অভিযোগ তোলে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর ভবিষ্যতে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হতে পারে এবং এ নিয়ে ইসরাইলের পরিকল্পনা রয়েছে।   এর আগে সংবাদমাধ্যম The Times of Israel জানিয়েছিল, ইরান থেকে ছোড়া একটি ড্রোন সৌদি আরামকোর রাস তানুরা শোধনাগারে আঘাত হানে। হামলার পর সেখানে আগুন লাগলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর রাস তানুরা স্থাপনার কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।   রাস তানুরা সৌদি আরবের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের বৃহৎ তেল শোধনাগারগুলোর একটি। জ্বালানি অবকাঠামোতে এ ধরনের হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।   উল্লেখ্য, ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বলতে এমন গোপন অভিযানকে বোঝায়, যেখানে প্রকৃত হামলাকারী নিজের পরিচয় আড়াল করে অন্য কোনো পক্ষকে দায়ী করার কৌশল নেয়। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক বা সামরিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করা হয় এবং জনমত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার প্রয়াস চালানো হয়।

৩৭ মিনিট Ago
ইরান থেকে ছোড়া ১৭০+ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৮০ ড্রোন প্রতিহত করেছে কুয়েত

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত টানা তিন দিনে ইরান থেকে ছোড়া ১৭৮টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৮০টিরও বেশি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনী। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে এ খবর প্রকাশ করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা Kuwait News Agency।   প্রতিরক্ষা সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেই অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মাঝ আকাশে ধ্বংস করা হয়। তবে সবগুলো প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি। কয়েকটি লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হয়, এতে কুয়েতি বাহিনীর ২৭ সদস্য আহত হন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।   কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি সামরিক স্থাপনা রয়েছে— ক্যাম্প আরিফজান, আলী আল সালেম এয়ারবেইস এবং ক্যাম্প বুহেরিং। একই দিনে দেশটিতে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।   এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড United States Central Command (সেন্টকম) জানায়, কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুল গোলাবর্ষণের কারণে এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমানগুলো ভূপাতিত হয়। তবে বিমানগুলোর ছয়জন ক্রু সদস্য নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

৫৩ মিনিট Ago
ইরানে ২৪ ঘণ্টায় যৌথ মার্কিন-ইসরাইলি হামলা, প্রাণহানি ৯৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৯৬ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে ৮৫ জন সাধারণ নাগরিক এবং ১১ জন সামরিক বাহিনীর সদস্য বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা Human Rights Activists News Agency (এইচআরএএনএ)।   মঙ্গলবার (৩ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera এই তথ্য তুলে ধরে। ওয়াশিংটন ডিসি থেকে পরিচালিত সংস্থাটি জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া হামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে মোট নিহত বেসামরিক মানুষের সংখ্যা অন্তত ৭৪২ জনে পৌঁছেছে। এদের মধ্যে ১৭৬ জন শিশু রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।   এর আগে ইরানের ত্রাণ সংস্থা Iranian Red Crescent Society মৃতের সংখ্যা ৫৫৫ জন বলে জানিয়েছিল।   তবে প্রকাশিত এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।   এইচআরএএনএ আরও জানায়, সর্বশেষ হামলায় একাধিক সামরিক ঘাঁটি, দুটি আবাসিক এলাকা এবং বান্দার আব্বাসে অবস্থিত শহীদ বাহোনার পিয়ারসহ বিভিন্ন স্থাপনা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

১ ঘন্টা Ago
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র হুমকি ইরান, দাবি নেতানিয়াহুর

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অভিযোগ করেছেন, ইরান প্রকাশ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার লক্ষ্য ঘোষণা করে এবং সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।   নেতানিয়াহুর ভাষ্য, ইরানই একমাত্র রাষ্ট্র যারা খোলাখুলিভাবে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধ্বংসাত্মক অবস্থানের কথা জানায় এবং তা অর্জনে সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি নেয়। তার দাবি, তেহরান নতুন গোপন স্থাপনা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার নির্মাণ করছে, যাতে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি সম্ভাব্য হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকে।   তিনি বলেন, সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে তা আর সম্ভব হতো না। তার মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হুমকি জোরদার করতে চায়, তাই দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।   ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শুরু থেকেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার অবস্থান নিয়েছিলেন। আলোচনা ও সতর্কবার্তার পরও ইরান অবস্থান পরিবর্তন না করায় শেষ পর্যন্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।   নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জোট বর্তমানে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং দুই দেশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যাতে ইরান ভবিষ্যতে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে।   তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ইরান থেকে ছোড়া ১৭০+ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৮০ ড্রোন প্রতিহত করেছে কুয়েত
ইরান থেকে ছোড়া ১৭০+ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৮০ ড্রোন প্রতিহত করেছে কুয়েত

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত টানা তিন দিনে ইরান থেকে ছোড়া ১৭৮টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৮০টিরও বেশি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনী। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে এ খবর প্রকাশ করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা Kuwait News Agency।   প্রতিরক্ষা সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেই অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মাঝ আকাশে ধ্বংস করা হয়। তবে সবগুলো প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি। কয়েকটি লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হয়, এতে কুয়েতি বাহিনীর ২৭ সদস্য আহত হন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।   কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি সামরিক স্থাপনা রয়েছে— ক্যাম্প আরিফজান, আলী আল সালেম এয়ারবেইস এবং ক্যাম্প বুহেরিং। একই দিনে দেশটিতে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।   এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড United States Central Command (সেন্টকম) জানায়, কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুল গোলাবর্ষণের কারণে এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমানগুলো ভূপাতিত হয়। তবে বিমানগুলোর ছয়জন ক্রু সদস্য নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

ছবি: সংগৃহীত
ইরানি হামলায় কাতারের গ্যাস উৎপাদন বন্ধ, সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ

ইরানের ড্রোন হামলার পর বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদনকারী দেশ কাতার তাদের গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি অস্থিরতার পাশাপাশি বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   গত সোমবার কাতারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এর মধ্যে একটি আঘাত হানে মেসাইদ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানির ট্যাংকে এবং অন্যটি কাতার এনার্জির রাস লাফফানে। উল্লেখ্য, রাস লাফফান বিশ্বের বৃহত্তম তরল গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র, যেখান থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এলএনজি রপ্তানি করা হয়। হামলায় কোনো হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও নিরাপত্তার স্বার্থে কাতার এনার্জি সাময়িকভাবে উৎপাদন স্থগিত রেখেছে।   এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায়। বিশ্ববাজারের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। রয়টার্সের তথ্যমতে, হরমুজ প্রণালীর দুই প্রান্তে বর্তমানে প্রায় ৭০০টি জাহাজ আটকা পড়ে আছে, যার মধ্যে অন্তত ১৫০টি গ্যাসবাহী জাহাজ। ইতিমধ্যে এই পথে গ্যাস সরবরাহ ৮৬ শতাংশ কমে গেছে।   বাংলাদেশ ও বিশ্ববাজারে প্রভাব বিশ্বের মোট গ্যাস রপ্তানির ২০ শতাংশ আসে কাতার থেকে। আকস্মিক উৎপাদন বন্ধ ও সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় বিশ্ববাজারে গ্যাসের দাম বাড়তে শুরু করেছে। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, কাতার থেকে নিয়মিত এলএনজি আমদানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।   জ্বালানি বিশেষজ্ঞ মাকসিম সোনিন বলেন, কাতার এনার্জির উৎপাদন বন্ধ হওয়া বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি করবে। তবে পরিস্থিতি যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং মূল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে এলএনজি বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার পর কাতার বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ।

ছবি: সংগৃহীত
আবুধাবির জ্বালানি টার্মিনালে ড্রোন হামলা, দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে

সংযুক্ত আরব আমিরাত–এর রাজধানী আবুধাবি-তে একটি জ্বালানি ট্যাংক টার্মিনালে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর সেখানে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলেও দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   আবুধাবির মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মুসাফ্ফা জ্বালানি ট্যাংক টার্মিনাল–এ একটি ড্রোন আঘাত হানে। এ ঘটনায় টার্মিনালে আগুন ধরে গেলেও জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত সেখানে পৌঁছে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।   কর্তৃপক্ষের দাবি, এ ঘটনায় কেউ আহত হননি এবং টার্মিনালের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও কোনো প্রভাব পড়েনি। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা–এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তবে হামলার পেছনে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার ঝুঁকি বাড়ছে।

জাহের আলভী। ছবি: সংগৃহীত
ইকরার আত্মহত্যা: ভিডিওতে ‘মব’ আতঙ্কের দাবি আলভীর

স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার মৃত্যুর পর দাফনে না আসায় সমালোচনার মুখে পড়া ছোট পর্দার অভিনয়শিল্পী জাহের আলভী ২৮ মিনিটের এক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। সোমবার রাত আটটার পর ফেসবুকে প্রকাশিত ওই ভিডিওতে দেশে না ফেরা, স্ত্রীর শেষযাত্রায় অনুপস্থিত থাকা এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ—এসব বিষয়ে কথা বলেন তিনি।   ভিডিওর শুরুতে আলভী বলেন, ঘটনার একপাক্ষিক বিবরণ দেখে তাঁকে বিচার করা হচ্ছে। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় সবকিছু গুছিয়ে বলা তাঁর পক্ষে কঠিন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দাফনে উপস্থিত না থাকার বিষয়ে আলভীর দাবি, দেশে ফিরলে ‘মব’ বা গণআক্রমণের শিকার হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাঁর ভাষ্য, নেপাল থেকে ঢাকায় ফেরার টিকিট কেটে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করলেও নিরাপত্তাঝুঁকির তথ্য পেয়ে ফিরে যান। ফোনে হুমকি পাওয়ার কথাও জানান তিনি।   আলভী বলেন, আইনগতভাবে জবাব দিতে তিনি প্রস্তুত ছিলেন; কিন্তু যদি সহিংসতার শিকার হন, তাহলে তাঁর সন্তানের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তিনি আরও দাবি করেন, ইকরার পরিবার তাঁকে শেষবার স্ত্রীর মুখ দেখতে দেয়নি।   ভিডিওতে তাঁদের ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের কথাও তুলে ধরেন আলভী। তাঁর বক্তব্য, সম্পর্কের টানাপোড়েন আগে থেকেই ছিল এবং স্ত্রী তালাক চাইতেন। তবে সন্তানের কথা ভেবে তিনি বিচ্ছেদ চাননি। সহশিল্পী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ প্রসঙ্গে আলভী বলেন, বাইরের মানুষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। এ বিষয়ে তাঁর কাছে ‘প্রমাণ’ রয়েছে বলে দাবি করেন, যদিও বিস্তারিত পরে জানাবেন বলে জানান।   গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুর DOHS–এর একটি বাসায় ইকরা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার সময় আলভী নেপালে শুটিংয়ে ছিলেন।   ইকরার মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, দাম্পত্য কলহ ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় ইকরার বাবা কবির হায়াত খান পল্লবী থানায় আলভী ও তাঁর মা নাসরিন সুলতানা শিউলির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা, অবহেলা ও নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।   রোববার ময়মনসিংহের ভালুকায় ইকরার দাফন সম্পন্ন হয়। সেখানে আলভীর অনুপস্থিতি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সোমবারের ভিডিও বার্তায় সেই সমালোচনার জবাব দেন তিনি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
যুক্তরাষ্ট্রের নাম না নিয়ে ইরানে হামলার নিন্দা জামায়াত আমিরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রবিবার (১ মার্চ) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই উদ্বেগ জানান। তবে ওই বিবৃতিতে ইসরায়েলের নাম উল্লেখ থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করা হয়নি। একই সঙ্গে ইরানের পাল্টা হামলাকে তিনি অকার্যকর ও পরিস্থিতি আরও অবনতির কারণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং এসব কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানান।   বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ইরানে সাম্প্রতিক সামরিক হামলা এবং এর পরবর্তী সময়ে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণ সংঘাতের ভয়ংকর বিস্তারকে নির্দেশ করছে, যা পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তোলার আশঙ্কা তৈরি করেছে। জাতীয় সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন, বেসামরিক মানুষের জীবন বিপন্ন করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী যেকোনো হামলার আমরা দ্ব্যর্থহীন নিন্দা জানাই।”   তিনি আরও বলেন, “অঞ্চলে ইসরায়েলের অস্থিতিশীলতামূলক কর্মকাণ্ড আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে। এসব পদক্ষেপ উত্তেজনা বাড়াচ্ছে, সংলাপের পথ সংকুচিত করছে এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় ও আঞ্চলিক ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের পাল্টা হামলাও অকার্যকর এবং পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত। সংঘাতের বিস্তার নিরীহ মানুষের দুর্ভোগ বাড়াবে এবং মুসলিম বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা গভীরতর করবে।”   ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও স্বীকৃত আইনি কাঠামো উপেক্ষা করে রাষ্ট্রপ্রধান ও জাতীয় নেতাদের হত্যার প্রবণতা ক্রমেই স্বাভাবিক হয়ে উঠছে, যা আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিপজ্জনক নজির স্থাপন করে, বৈশ্বিক নীতিমালাকে দুর্বল করে এবং অঞ্চলকে দীর্ঘস্থায়ী বিশৃঙ্খলা ও আইনহীনতার দিকে ঠেলে দিতে পারে।”   তিনি আরও বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের জনগণ ও বিশ্ববাসী আরেকটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ চায় না। তারা শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রত্যাশা করে। সংযম ও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার না হলে পুরো অঞ্চল আরও বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার গুরুতর ঝুঁকিতে পড়বে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”   বিবৃতির শেষাংশে জামায়াত আমির সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন, অবিলম্বে সামরিক তৎপরতা বন্ধ এবং সংলাপ ও কূটনীতির পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত ও সফররত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তিনি। পূর্ণাঙ্গ কনস্যুলার সহায়তা, সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করে তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।   এই সংকটময় সময়ে রক্তপাত বন্ধ ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে ঐক্য, প্রজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ওপরও তিনি জোর দেন।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র হুমকি ইরান, দাবি নেতানিয়াহুর
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অভিযোগ করেছেন, ইরান প্রকাশ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার লক্ষ্য ঘোষণা করে এবং সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।   নেতানিয়াহুর ভাষ্য, ইরানই একমাত্র রাষ্ট্র যারা খোলাখুলিভাবে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধ্বংসাত্মক অবস্থানের কথা জানায় এবং তা অর্জনে সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি নেয়। তার দাবি, তেহরান নতুন গোপন স্থাপনা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার নির্মাণ করছে, যাতে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি সম্ভাব্য হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকে।   তিনি বলেন, সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে তা আর সম্ভব হতো না। তার মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হুমকি জোরদার করতে চায়, তাই দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।   ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শুরু থেকেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার অবস্থান নিয়েছিলেন। আলোচনা ও সতর্কবার্তার পরও ইরান অবস্থান পরিবর্তন না করায় শেষ পর্যন্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।   নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জোট বর্তমানে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং দুই দেশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যাতে ইরান ভবিষ্যতে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে।   তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

সৌদি আরবের আরামকোর তেল শোধনাগারে হামলা চালানো হয়
ইরান নয়, আরামকোতে হামলার পেছনে ইসরাইল
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত তেল স্থাপনায় সাম্প্রতিক হামলাকে ইসরাইলের ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা ভুয়া পরিচয়ে পরিচালিত গোপন অভিযান বলে দাবি করেছে ইরানের একটি সামরিক সূত্র।   ইরানের সংবাদমাধ্যম Tasnim News Agency-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই সূত্রের ভাষ্য, এ ধরনের অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য হচ্ছে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের অভিযোগ থেকে দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া এবং আঞ্চলিক দেশগুলোকে বিভ্রান্ত করা।   সূত্রটি দাবি করে, ইরান আগেই ঘোষণা দিয়েছে যে অঞ্চলে থাকা মার্কিন ও ইসরাইলি স্বার্থ-সম্পর্কিত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে এবং ইতোমধ্যে কয়েকটিতে হামলাও হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি Saudi Aramco-এর স্থাপনাগুলো ইরানের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল না বলেও তারা উল্লেখ করেছে।   একই সূত্র আরও অভিযোগ তোলে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর ভবিষ্যতে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হতে পারে এবং এ নিয়ে ইসরাইলের পরিকল্পনা রয়েছে।   এর আগে সংবাদমাধ্যম The Times of Israel জানিয়েছিল, ইরান থেকে ছোড়া একটি ড্রোন সৌদি আরামকোর রাস তানুরা শোধনাগারে আঘাত হানে। হামলার পর সেখানে আগুন লাগলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর রাস তানুরা স্থাপনার কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।   রাস তানুরা সৌদি আরবের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের বৃহৎ তেল শোধনাগারগুলোর একটি। জ্বালানি অবকাঠামোতে এ ধরনের হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।   উল্লেখ্য, ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বলতে এমন গোপন অভিযানকে বোঝায়, যেখানে প্রকৃত হামলাকারী নিজের পরিচয় আড়াল করে অন্য কোনো পক্ষকে দায়ী করার কৌশল নেয়। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক বা সামরিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করা হয় এবং জনমত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার প্রয়াস চালানো হয়।

ইরান থেকে ছোড়া ১৭০+ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৮০ ড্রোন প্রতিহত করেছে কুয়েত
ইরান থেকে ছোড়া ১৭০+ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৮০ ড্রোন প্রতিহত করেছে কুয়েত
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত টানা তিন দিনে ইরান থেকে ছোড়া ১৭৮টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৮০টিরও বেশি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনী। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে এ খবর প্রকাশ করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা Kuwait News Agency।   প্রতিরক্ষা সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেই অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মাঝ আকাশে ধ্বংস করা হয়। তবে সবগুলো প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি। কয়েকটি লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হয়, এতে কুয়েতি বাহিনীর ২৭ সদস্য আহত হন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।   কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি সামরিক স্থাপনা রয়েছে— ক্যাম্প আরিফজান, আলী আল সালেম এয়ারবেইস এবং ক্যাম্প বুহেরিং। একই দিনে দেশটিতে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।   এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড United States Central Command (সেন্টকম) জানায়, কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুল গোলাবর্ষণের কারণে এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমানগুলো ভূপাতিত হয়। তবে বিমানগুলোর ছয়জন ক্রু সদস্য নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

ইরানে ২৪ ঘণ্টায় যৌথ মার্কিন-ইসরাইলি হামলা, প্রাণহানি ৯৬
ইরানে ২৪ ঘণ্টায় যৌথ মার্কিন-ইসরাইলি হামলা, প্রাণহানি ৯৬
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৯৬ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে ৮৫ জন সাধারণ নাগরিক এবং ১১ জন সামরিক বাহিনীর সদস্য বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা Human Rights Activists News Agency (এইচআরএএনএ)।   মঙ্গলবার (৩ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera এই তথ্য তুলে ধরে। ওয়াশিংটন ডিসি থেকে পরিচালিত সংস্থাটি জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া হামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে মোট নিহত বেসামরিক মানুষের সংখ্যা অন্তত ৭৪২ জনে পৌঁছেছে। এদের মধ্যে ১৭৬ জন শিশু রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।   এর আগে ইরানের ত্রাণ সংস্থা Iranian Red Crescent Society মৃতের সংখ্যা ৫৫৫ জন বলে জানিয়েছিল।   তবে প্রকাশিত এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।   এইচআরএএনএ আরও জানায়, সর্বশেষ হামলায় একাধিক সামরিক ঘাঁটি, দুটি আবাসিক এলাকা এবং বান্দার আব্বাসে অবস্থিত শহীদ বাহোনার পিয়ারসহ বিভিন্ন স্থাপনা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
156 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
169 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
110 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
শিক্ষা
Advertisement
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
বাংলাদেশ
জাতীয়