Live update news
স্বীকৃতি ছাড়াই ‘বিরোধী দলীয় নেতা’? শফিকুর রহমানকে ঘিরে সাংবিধানিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি পদক্ষেপ। তিনি নিজেকে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে উপস্থাপন করছেন, যদিও সংসদের স্পিকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি এখনো পাননি। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।   সম্প্রতি তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের অনুরোধ জানান। চিঠিতে বলা হয়, এ ধরনের পদায়নের মাধ্যমে বিরোধী দলের পররাষ্ট্রনীতি সরকারের কাছে উপস্থাপন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে।   তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রচলিত কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। কারণ সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা আলাদা। বিরোধী দলের কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাকে সরাসরি সরকারি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব সেই বিভাজনকে অস্পষ্ট করে দিতে পারে।   এই বিতর্ক অনেকের কাছে ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর গঠিত দশম জাতীয় সংসদের পরিস্থিতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তখন জাতীয় পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দল হলেও দলের কয়েকজন সদস্য একই সঙ্গে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ফলে একই দলের সদস্যরা সরকার ও বিরোধী উভয় ভূমিকায় ছিলেন যা রাজনৈতিক অস্বাভাবিকতা হিসেবে আলোচিত হয়েছিল।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক রিদওয়ানুল হক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করে প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধী দলের নেতা যদি তার উপদেষ্টাকে সরাসরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগের প্রস্তাব দেন, তবে তা বিরোধী রাজনীতির ভূমিকাকে দুর্বল করতে পারে।   বর্তমান বিতর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ডা. শফিকুর রহমান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পাননি। সংসদীয় বিধি অনুযায়ী, বিরোধী দলের নেতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষমতা কেবল সংসদের স্পিকারের হাতে।   নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে স্পিকার বিরোধী দলের নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং পরে তা সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।   যদিও জামায়াতের সংসদীয় দল তাকে তাদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছে বলে জানা গেছে, তবে সেই সিদ্ধান্ত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সচিবালয়ের মাধ্যমে কার্যকর হয়নি।   এই বিলম্বের অন্যতম কারণ হলো সংসদের শীর্ষ পদে শূন্যতা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করার পর থেকে স্পিকারের পদটি শূন্য রয়েছে। একই সময়ে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু গ্রেপ্তার হওয়ায় তিনি দায়িত্ব পালন করতে পারেননি।   ফলে স্পিকার না থাকায় বিরোধী দলের নেতা স্বীকৃতির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও থেমে আছে।   ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ডা. শফিকুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর এটিই প্রথমবার কোনো জামায়াত প্রধানের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন বলে আলোচনা হয়।   সেদিন তিনি নিজেকে “বিরোধী দলীয় নেতা” হিসেবে পরিচয় দেন এবং বলেন, এটি রাষ্ট্রীয় প্রটোকলের অংশ হিসেবেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। তবে স্পিকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছাড়া এই দাবির আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।   জামায়াতের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম জানিয়েছেন, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ইতোমধ্যে বৈঠকে নেতা, উপনেতা ও চিফ হুইপ নির্বাচন করেছেন। তবে স্পিকার না থাকায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।   নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ওই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর বিরোধী দলের নেতৃত্ব সম্পর্কিত বিষয়গুলো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হতে পারে।   তাই রাজনৈতিকভাবে ডা. শফিকুর রহমান নিজেকে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে উপস্থাপন করলেও আইনগত স্বীকৃতি পেতে তাকে এখনো সংসদের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

৪ মিনিট Ago
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার- ১১ মার্চ ২০২৬: ডলার ১২৩ টাকার বেশি, কুয়েতি দিনার ৪০০ টাকা ছাড়াল

প্রবাসী আয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাস থেকে দেশে টাকা পাঠানো কিংবা বিদেশি মুদ্রা কেনাবেচার ক্ষেত্রে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময় হার জানা জরুরি।   আজ বুধবার (১১ মার্চ ২০২৬) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যাংক, মোবাইল ওয়ালেট ও ক্যাশ লেনদেনের ক্ষেত্রে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে।   প্রবাস থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠালে বাংলাদেশি টাকায় যে মূল্য পাওয়া যাবে তার ভিত্তিতে নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার আজকের হার তুলে ধরা হলো-   আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার (বাংলাদেশি টাকায়)   মার্কিন ডলার (USD): ১২৩ টাকা ২৬ পয়সা (ব্যাংক) ইউরো (EUR): ১৪৫ টাকা ২১ পয়সা ব্রিটিশ পাউন্ড (GBP): ১৬৫ টাকা ০৬ পয়সা সৌদি রিয়াল (SAR): ৩২ টাকা ৬৪ পয়সা মালয়েশিয়ান রিংগিত (MYR): ৩১ টাকা ১০ পয়সা সিঙ্গাপুর ডলার (SGD): ৯৬ টাকা ৫৯ পয়সা অস্ট্রেলিয়ান ডলার (AUD): ৮৭ টাকা ৪৫ পয়সা নিউজিল্যান্ড ডলার (NZD): ৭২ টাকা ৬৩ পয়সা কানাডিয়ান ডলার (CAD): ৯০ টাকা ৩০ পয়সা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম (AED): ৩৩ টাকা ৩৪ পয়সা কাতারি রিয়াল (QAR): ৩৩ টাকা ৬০ পয়সা ওমানি রিয়াল (OMR): ৩১৭ টাকা বাহরাইনি দিনার (BHD): ৩২৫ টাকা ৭৬ পয়সা কুয়েতি দিনার (KWD): ৪০০ টাকা ২৬ পয়সা সুইস ফ্রাঁ (CHF): ১৫৩ টাকা ৬২ পয়সা জাপানি ইয়েন (JPY): ০.৭৭৫ টাকা দক্ষিণ কোরিয়ান ওন (KRW): ০.০৮২ টাকা ভারতীয় রুপি (INR): ১ টাকা ২৯ পয়সা   বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজার, বৈদেশিক বাণিজ্য, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং ডলারের চাহিদা–জোগানের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করে।   এদিকে সরকার বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহ দিতে ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দিয়ে থাকে। ফলে ব্যাংক বা বৈধ মাধ্যমে টাকা পাঠালে প্রবাসীরা অতিরিক্ত সুবিধা পান। তবে সময় ও লেনদেনের মাধ্যমভেদে প্রকৃত বিনিময় হার কিছুটা কমবেশি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৯ মিনিট Ago
টানা দ্বিতীয় দফা বাড়ল সোনার দাম, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো মূল্যবান এই ধাতুর দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।   বুধবার (১১ মার্চ) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। নতুন দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।   বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।   নতুন নির্ধারিত দামে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা কিনতে খরচ পড়বে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা।   অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।   সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।   এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।   বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের দাম ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সময় অনুযায়ী স্বর্ণ ও রুপার দাম সমন্বয় করা হয়ে থাকে।

৩৭ মিনিট Ago
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি দখল সহজ নয়, স্থলবাহিনী লাগতে পারে — ট্রাম্পের ইঙ্গিত

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সহজ নয় এবং প্রয়োজনে স্থলবাহিনী ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন সাবেক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারাও।   শনিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিরাপদে জব্দ করতে হলে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তিনি স্থলবাহিনী ব্যবহারের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। ট্রাম্প বলেন, “খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ থাকলে আমরা সব ধরনের বিকল্প বিবেচনা করব।” পরে তিনি আরও বলেন, “এখনই নয়, তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে করা হতে পারে।”   সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মতে, ইরান দীর্ঘদিন ধরে তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে গড়ে তুলেছে এবং বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রেখেছে। অনেক স্থাপনা ভূগর্ভস্থ হওয়ায় সীমিত বিমান হামলা বা ছোট বিশেষ বাহিনী দিয়ে সেগুলোর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া কঠিন হতে পারে।   বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যাতে বাইরের সামরিক চাপের মধ্যেও তা দ্রুত ধ্বংস করা না যায়। এ কারণে যদি যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে বড় আকারের স্থল অভিযান এবং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে।   অন্যদিকে ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরানের শক্ত প্রতিরক্ষা ও ছড়িয়ে থাকা অবকাঠামোর কারণে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

৪৭ মিনিট Ago
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
স্বীকৃতি ছাড়াই ‘বিরোধী দলীয় নেতা’? শফিকুর রহমানকে ঘিরে সাংবিধানিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি পদক্ষেপ। তিনি নিজেকে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে উপস্থাপন করছেন, যদিও সংসদের স্পিকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি এখনো পাননি। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।   সম্প্রতি তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের অনুরোধ জানান। চিঠিতে বলা হয়, এ ধরনের পদায়নের মাধ্যমে বিরোধী দলের পররাষ্ট্রনীতি সরকারের কাছে উপস্থাপন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে।   তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রচলিত কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। কারণ সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা আলাদা। বিরোধী দলের কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাকে সরাসরি সরকারি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব সেই বিভাজনকে অস্পষ্ট করে দিতে পারে।   এই বিতর্ক অনেকের কাছে ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর গঠিত দশম জাতীয় সংসদের পরিস্থিতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তখন জাতীয় পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দল হলেও দলের কয়েকজন সদস্য একই সঙ্গে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ফলে একই দলের সদস্যরা সরকার ও বিরোধী উভয় ভূমিকায় ছিলেন যা রাজনৈতিক অস্বাভাবিকতা হিসেবে আলোচিত হয়েছিল।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক রিদওয়ানুল হক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করে প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধী দলের নেতা যদি তার উপদেষ্টাকে সরাসরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগের প্রস্তাব দেন, তবে তা বিরোধী রাজনীতির ভূমিকাকে দুর্বল করতে পারে।   বর্তমান বিতর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ডা. শফিকুর রহমান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পাননি। সংসদীয় বিধি অনুযায়ী, বিরোধী দলের নেতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষমতা কেবল সংসদের স্পিকারের হাতে।   নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে স্পিকার বিরোধী দলের নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং পরে তা সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।   যদিও জামায়াতের সংসদীয় দল তাকে তাদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছে বলে জানা গেছে, তবে সেই সিদ্ধান্ত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সচিবালয়ের মাধ্যমে কার্যকর হয়নি।   এই বিলম্বের অন্যতম কারণ হলো সংসদের শীর্ষ পদে শূন্যতা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করার পর থেকে স্পিকারের পদটি শূন্য রয়েছে। একই সময়ে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু গ্রেপ্তার হওয়ায় তিনি দায়িত্ব পালন করতে পারেননি।   ফলে স্পিকার না থাকায় বিরোধী দলের নেতা স্বীকৃতির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও থেমে আছে।   ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ডা. শফিকুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর এটিই প্রথমবার কোনো জামায়াত প্রধানের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন বলে আলোচনা হয়।   সেদিন তিনি নিজেকে “বিরোধী দলীয় নেতা” হিসেবে পরিচয় দেন এবং বলেন, এটি রাষ্ট্রীয় প্রটোকলের অংশ হিসেবেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। তবে স্পিকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছাড়া এই দাবির আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।   জামায়াতের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম জানিয়েছেন, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ইতোমধ্যে বৈঠকে নেতা, উপনেতা ও চিফ হুইপ নির্বাচন করেছেন। তবে স্পিকার না থাকায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।   নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ওই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর বিরোধী দলের নেতৃত্ব সম্পর্কিত বিষয়গুলো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হতে পারে।   তাই রাজনৈতিকভাবে ডা. শফিকুর রহমান নিজেকে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে উপস্থাপন করলেও আইনগত স্বীকৃতি পেতে তাকে এখনো সংসদের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
টানা দ্বিতীয় দফা বাড়ল সোনার দাম, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো মূল্যবান এই ধাতুর দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।   বুধবার (১১ মার্চ) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। নতুন দাম একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।   বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।   নতুন নির্ধারিত দামে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা কিনতে খরচ পড়বে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা।   অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।   সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা।   এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।   বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের দাম ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সময় অনুযায়ী স্বর্ণ ও রুপার দাম সমন্বয় করা হয়ে থাকে।

অধ্যাপক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ
ইসরাইলের আগে যুদ্ধ থেকে বের হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত কতদিন চলবে—এই প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একই অবস্থানে নাও থাকতে পারে বলে মনে করছেন লন্ডনের কিংস কলেজের নিরাপত্তাবিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ।   তার মতে, যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হবে ততই যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত লাভ কমে যেতে পারে। ক্রিগ বলেন, সংঘাত দীর্ঘ হলে প্রতিদিনই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এর সুফল কমে আসবে। তবে ইসরাইলের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন, কারণ তারা এই যুদ্ধ আরও কিছু সময় চালিয়ে যাওয়ার মানসিক প্রস্তুতি রাখে।   তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে কোনো এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই যুদ্ধ শেষ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তার আচরণ ও অবস্থান দেখে মনে হচ্ছে তিনি দ্রুত সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে আগ্রহী।   ক্রিগের মতে, ইসরাইল সহজে ‘মিশন সম্পন্ন’ ঘোষণা করবে না। বরং তারা সামরিক লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জনের জন্য আরও কিছু সময় যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চাইতে পারে।

কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত মার্কিন কনসুলেট
মার্কিন কনসুলেটে অতর্কিত গুলিবর্ষণ: উত্তাল টরন্টো

কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত মার্কিন কনসুলেটে গভীর রাতে ভয়াবহ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এই ঘটনাকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করে তদন্ত শুরু করেছে। গত মঙ্গলবার ভোররাত ৪:৩০ মিনিটের দিকে টরন্টোর ডাউনটাউনে একটি সাদা এসইউভি (SUV) গাড়ি থেকে দুই ব্যক্তি নেমে মার্কিন কনসুলেট লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়ে। টরন্টো পুলিশের ডেপুটি চিফ ফ্র্যাঙ্ক ব্যারেডো জানান, হামলার সময় ভবনের ভেতরে মানুষ উপস্থিত থাকলেও ভবনটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ও শক্তিশালী হওয়ায় কেউ হতাহত হননি। হামলাকারীরা একাধিক রাউন্ড গুলি ছুড়েই ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। কানাডার ফেডারেল পুলিশের চিফ সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস লেদার জানিয়েছেন, এটি কোনো সন্ত্রাসী হামলা কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, গত সপ্তাহান্তে ইরান ও ইসরায়েল ইস্যুতে মার্কিন ভূমিকার প্রতিবাদে এই কনসুলেটের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছিল। এছাড়া সাম্প্রতিক দিনগুলোতে টরন্টোর তিনটি সিনাগগেও (ইহুদি উপাসনালয়) গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।  বর্তমানে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

ছবি: সংগৃহীত
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের বিরুদ্ধে সতর্ক করলেন ইরানের পুলিশপ্রধান

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সম্ভাবনা ঘিরে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির পুলিশপ্রধান আহমদ-রেজা রাদান। তিনি বলেন, যারা বিদেশি শক্তির প্ররোচনায় সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামবে, তাদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং সে অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, কেউ যদি শত্রুদের নির্দেশে বিক্ষোভে অংশ নেয়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা প্রতিহত করবে। এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে শত্রুর মতো আচরণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা বিপ্লব রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।   এই সতর্কবার্তা আসে এমন এক সময়ে, যখন গত ৮ মার্চ ইরানের জনগণকে ‘স্বাধীনতা অর্জনের’ আহ্বান জানিয়েছিলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার ওই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই ইরানি পুলিশপ্রধান দেশের জনগণকে সরকারবিরোধী আন্দোলন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।   এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু তেহরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি তখন ইরানের সাধারণ মানুষের প্রতি ‘স্বৈরাচারের শৃঙ্খল’ ভেঙে একটি স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ ইরান গড়ে তোলার আহ্বান জানান।   উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের বড় ঢেউ দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি-এর তথ্য অনুযায়ী, ওই বিক্ষোভ দমনে সহিংসতায় অন্তত সাত হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।   সূত্র: বিবিসি

লাইভ ক্লাসে হাসনাত আব্দুল্লাহ শিক্ষক সুলভ ভঙ্গিতে দিচ্ছেন জবাবদিহি
'লাইভ ক্লাসের’ মাধ্যমে জবাবদিহিতা করলেন হাসনাত

নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের কাছে কাজের হিসাব তুলে ধরতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন কুমিল্লা–৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। ‘পুঁজি হলো সততা, ন্যায়-ইনসাফ-জনতা’ স্লোগান সামনে রেখে মঙ্গলবার মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে তিনি সংসদীয় এলাকায় বরাদ্দকৃত সরকারি সেবা ও উন্নয়নমূলক কাজের বিস্তারিত তুলে ধরেন।   ডিজিটাল বোর্ডে স্লাইড দেখিয়ে ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপিত এই লাইভটি অনেকটা শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের মতো হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তা ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। লাইভে তিনি দেবিদ্বার উপজেলায় চলমান সরকারি সেবা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণের ওয়ার্ডভিত্তিক তথ্য তুলে ধরেন।   এ সময় ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে তিনি ‘কমিশনমুক্ত ব্যবসার নিশ্চয়তা’ দিয়ে দক্ষতা বাড়িয়ে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ করার আহ্বান জানান। লাইভের শেষ দিকে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের গুরুত্বও তুলে ধরেন।   এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ‘জবাবদিহিতা’ নামে একটি বিশেষ ফেসবুক পেজ খোলার ঘোষণা দেন তিনি। সেখানে তার নির্বাচনী এলাকার সব উন্নয়ন কাজের নিয়মিত আপডেট এবং প্রতিটি প্রকল্পের বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ করা হবে বলে জানান।   রাজনীতিতে আসার আগে হাসনাত আব্দুল্লাহ শিক্ষকতা ও কোচিং পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ শিক্ষার্থী থাকাকালে তিনি ‘স্কুল অব এক্সিলেন্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে পরিচিতি পান। সংসদ সদস্য হওয়ার পরও শিক্ষকসুলভ ভঙ্গিতে লাইভে এসে কাজের অগ্রগতি ব্যাখ্যা করাকে তিনি জনগণের সামনে স্বচ্ছতা বজায় রাখার কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে দেখছেন।   লাইভে তিনি রাস্তাঘাট নির্মাণসহ মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে ধারণা দেন। পাশাপাশি এলাকার মানুষের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় নিয়েও দিকনির্দেশনা দেন।   সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, একজন সংসদ সদস্যের সরাসরি জনগণের সামনে এসে এভাবে কাজের হিসাব দেওয়া এবং শিক্ষকতার দক্ষতা কাজে লাগিয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন ও ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও হাসনাত আব্দুল্লাহর এই ‘লাইভ ক্লাস’ উদ্যোগ ব্যাপকভাবে আলোচিত ও প্রশংসিত হচ্ছে।

Advertisement
News stories

রাজনীতি

  • ছাত্র রাজনীতি
  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • অন্যান্য দল
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

Advertisement

Opinion

আন্তর্জাতিক

View more
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক বাহিনী। ছবি: এএফপি (ফাইল)
হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজে পাহারা দিতে দ্বিধায় যুক্তরাষ্ট্র: আলোচনায় ইরানের ‘মোজাইক ডকট্রিন’
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১১, ২০২৬ 0

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইরানের তথাকথিত ‘মোজাইক ডকট্রিন’। মাত্র ৩৩ কিলোমিটার প্রশস্ত এই প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচল নিরাপদ রাখতে মার্কিন নৌবাহিনী সামরিক পাহারা দিতে এখনো অনাগ্রহ দেখিয়েছে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।   রয়টার্সের ১০ মার্চের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার পর থেকে তেল ও শিপিং খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচলে সামরিক এসকর্ট চেয়ে আসছে। তবে মার্কিন নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত এ ধরনের পাহারা দিতে রাজি হয়নি। কারণ হিসেবে তারা ইরানের সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিকে অত্যন্ত বেশি বলে উল্লেখ করেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উল্লেখযোগ্য সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। আরব সাগরে মোতায়েন রয়েছে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এবং লোহিত সাগরে রয়েছে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড। এছাড়া আরও একটি ক্যারিয়ার গ্রুপ মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে। প্রতিটি পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরীতে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান এবং অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যও তাদের যুদ্ধজাহাজ এই অঞ্চলে পাঠিয়েছে।   তবে বিশ্লেষকদের মতে, এত সামরিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালীর মতো সংকীর্ণ জলপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ নয়। প্রণালীর সবচেয়ে সরু অংশ মাত্র ৩৩ কিলোমিটার, আর ট্যাঙ্কার চলাচলের কার্যকর করিডোর দুই দিক মিলিয়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত সংকুচিত হয়ে আসে। সংঘাত শুরুর আগে প্রতিদিন এই পথ দিয়ে প্রায় ১৩৮টি তেলবাহী জাহাজ চলাচল করত।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশল যাকে ‘মোজাইক ডকট্রিন’ বলা হয় এই অঞ্চলে বড় শক্তিগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, দ্রুতগতির নৌকা এবং সমুদ্রের মাইন ব্যবহারের মতো বিভিন্ন কৌশল একসঙ্গে প্রয়োগ করে ছোট ছোট ইউনিটের মাধ্যমে আক্রমণের সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে।   মার্কিন নৌবাহিনীর বিশ্লেষকদের মতে, গভীর সমুদ্রে শক্তি প্রদর্শনের জন্য তৈরি বড় যুদ্ধজাহাজগুলো সংকীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে সব সময় কার্যকর নয়। কারণ একটি ছোট সমুদ্র-মাইনও একটি বড় যুদ্ধজাহাজের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।   এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালীতে ট্যাঙ্কার পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা “যত দ্রুত সম্ভব এবং যৌক্তিক সময়ের মধ্যে” চালু করা হতে পারে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো সামরিক এসকর্ট কার্যক্রম শুরু হয়নি বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।   বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহের জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই করিডোরে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা তৈরি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

গাজা যুদ্ধে বেড়েছে বিধবা ও বেকার নারীর সংখ্যা
গাজা যুদ্ধে বেড়েছে বিধবা ও বেকার নারীর সংখ্যা — ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান ব্যুরো
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১১, ২০২৬ 0

ফিলিস্তিনের সরকারি সংস্থা প্যালেস্টাইন সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ স্ট্যাটিকস জানিয়েছে, চলমান গাজা যুদ্ধের ফলে নারীদের মধ্যে বিধবার সংখ্যা ও বেকারত্ব উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট গভীর হয়েছে এবং স্বাস্থ্যখাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ফিলিস্তিনে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৯ শতাংশ নারী হবে, যার সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ ৪০ হাজার। এর মধ্যে প্রায় ১৬ লাখ ৯০ হাজার নারী পশ্চিম তীরে এবং প্রায় ১০ লাখ ৬০ হাজার নারী গাজা উপত্যকায় বসবাস করছেন।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় ২২ হাজার ৫৭ জন নারী তাদের স্বামীকে হারিয়েছেন। ফলে নারী-প্রধান পরিবারের হার যুদ্ধের আগে ১২ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ১৮ শতাংশে পৌঁছেছে।   শ্রমবাজারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে গাজায় নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার মাত্র ১৭ শতাংশ, আর নারীদের বেকারত্বের হার বেড়ে ৯২ শতাংশে পৌঁছেছে। একই সময়ে পুরুষদের বেকারত্বের হার ৮১ শতাংশ।   অন্যদিকে পশ্চিম তীরে নারীদের শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ প্রায় ১৯ শতাংশ, যেখানে পুরুষদের অংশগ্রহণ ৭২ শতাংশ। সেখানে বেকারত্বের হার নারীদের মধ্যে ২৭ শতাংশ এবং পুরুষদের মধ্যে ২৮ শতাংশ।   ১৯ থেকে ২৯ বছর বয়সী ডিপ্লোমা বা উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৭৯ শতাংশে পৌঁছেছে। এর মধ্যে নারীদের বেকারত্ব ৮৬ শতাংশ এবং পুরুষদের ৭০ শতাংশ।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের কারণে পরিবার, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে নারী ও শিশুদের ওপর।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
গুঞ্জনের মাঝেই ভিডিওবার্তা দিলেন নেতানিয়াহু
নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১১, ২০২৬ 0

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে সামনে রেখে যুদ্ধের প্রস্তুতি ও এর আর্থিক দিক নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যেখানে তাদের যুদ্ধের পথে যেতে হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।   নেতানিয়াহু বলেন, যুদ্ধ পরিচালনা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং এর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন। সে কারণে প্রতিরক্ষা খাতের জন্য অতিরিক্ত অর্থ জোগাতে একটি বিশেষ বাজেট ঘোষণার পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এই সংঘাত সামাল দিতে কয়েক বিলিয়ন শেকেল অতিরিক্ত ব্যয় করতে হতে পারে।   এদিকে ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ দিনে ইরানের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত হয়ে ২ হাজার ৩৩৯ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে এখনো ৯৫ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানানো হয়েছে।   মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, শুধু গত ২৪ ঘণ্টাতেই নতুন করে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৯১ জন।   সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল

রাশিয়া-ইরান গোয়েন্দা সহযোগিতা নিয়ে সন্দেহ, ট্রাম্পকে সরাসরি জবাব মস্কোর
রাশিয়া-ইরান গোয়েন্দা সহযোগিতা নিয়ে সন্দেহ, ট্রাম্পকে সরাসরি জবাব মস্কোর
নুরুল্লাহ সাইদ মার্চ ১০, ২০২৬ 0

ওয়াশিংটন, ১০ মার্চ: রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য গোয়েন্দা সহযোগিতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে উদ্বেগের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কে সরাসরি আশ্বস্ত করেছে মস্কো। রাশিয়ার কর্মকর্তারা টেলিফোনে আলোচনায় জানিয়েছেন, তারা ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদ বা ঘাঁটি সংক্রান্ত কোনো তথ্য সরবরাহ করছে না।   মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ মঙ্গলবার জানান, সম্প্রতি ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন এর মধ্যে এক টেলিফোন আলাপ হয়। সেই সময় রুশ পক্ষ স্পষ্টভাবে জানায় যে, ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েন, যুদ্ধজাহাজ বা সামরিক অবস্থান সম্পর্কিত কোনো গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া হচ্ছে না।   উইটকফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার এই বক্তব্যকে গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে, তবে বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এমন তথ্য আদান-প্রদান হলে তা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।     সন্দেহের কারণ : সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে আশঙ্কা তৈরি হয় যে, রাশিয়া হয়তো ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।   এই কারণে ওয়াশিংটন আগে থেকেই মস্কোকে সতর্ক করে দিয়েছিল যে, ইরানের সঙ্গে সামরিক বা গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি করা হলে তা গুরুতর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।     উত্তেজনার প্রেক্ষাপট : যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং রাশিয়াকে ঘিরে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে এই টেলিফোন আলাপকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া-ইরান সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ বাড়লে তা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।   সংক্ষেপে: রাশিয়া ইরানের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগির অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং সরাসরি ট্রাম্পকে জানিয়েছে—এমন কোনো সহযোগিতা চলছে না, তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

Follow us

Trending

ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্চ ১, ২০২৬
আসিফ নজরুল Play Video
173 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
আমির খসরু Play Video
190 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
125 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬
Advertisement
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
আইন-আদালত
Advertisement
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
বাংলাদেশ
জাতীয়